ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গ্যাস সংকটে সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষা


গ্যাস সংকটে সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষা

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় হঠাৎ করে রাজধানীতে গ্যাসের জন্য হাহাকার বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দিনের একটি বড় সময় কাটছে গ্যাস সংগ্রহ করতে। সাধারণ চালক থেকে শুরু করে গণপরিবহন খাতের কর্মীরা চরম ভোগান্তিতে আছেন। নগরবাসী জীবিকার সংকটে পড়েছেন।

সিএনজি চালিত গাড়ির কয়েকজন চালক জানাচ্ছেন, পাম্পগুলোতে রাতভর গাড়ির দীর্ঘ সারি থাকে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা গ্যাস পাচ্ছেন না।

গ্যাসের এই সংকটে সবচেয়ে বড় ধাক্কা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকদের ওপর পড়েছে। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড শেয়ারিং অ্যাপের চালকেরা।

আরও পড়ুন: গৃহবন্দির শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক

তারা জানাচ্ছেন, গ্যাস নিতে না পারার কারণে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সারাদিন কাটছে পাম্পের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে।

চালকদের কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পর্দার আড়ালে আবারো গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। তারা বলছেন, এর আগে জ্বালানি তেলের সময়েও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। এবার গ্যাসের দামও বাড়াতে এমন নাটক হচ্ছে।

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন পাম্প মালিকরাও। তারা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাইছেন।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় নারীসহ ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে মালয়েশিয়ান ব্যক্তির ১০৫ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে মালয়েশিয়ান ব্যক্তির ১০৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজের মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে (৫৩) ১০৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৭০ বেত্রাঘাতের শাস্তি দিয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবাহ অঙ্গরাজ্যে তাওয়াউ সেশনস আদালত।

আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তি সাত দফায় ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করার পর বিচারক আহমাদ ফাইজাধ ইয়াহইয়া তাৎক্ষণিকভাবে এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আদালত অভিযুক্তকে কারাভোগের পুরো সময় কাউন্সেলিং গ্রহণ করতে নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি কারামুক্তির পর তাকে তিন বছর পুলিশের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।

আদালতের নথি অনুসারে, বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী জ্যেষ্ঠ কন্যাকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চের মধ্যে তাওয়াউয়ের বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে গিয়ে সাতবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৭৬(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রত্যেকটি অভিযোগের সাজা পৃথকভাবে কার্যকর হওয়ায় এই কারাদণ্ড ১০৫ বছর হয়েছে।

এ সংক্রান্ত তদন্তে উঠে এসেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়ের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। তিনি পরিবারের খরচ এবং মেয়ের লেখাপড়ার জন্য নিজের ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দিতেন এবং তাকে হোটেল বুক করতে বাধ্য করতেন। পরে নিজেই সেখানে গিয়ে মেয়েকে ধর্ষण করতেন।

ভুক্তভোগী তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, বাবার মানসিক চাপ ও প্রভাবের কারণে তিনি তার নির্দেশ অমান্য করতে পারেননি। এছাড়া তদন্তে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্বেই মেয়ের কর্মস্থলের ছুটির সময়সূচি সংগ্রহ করে রাখতেন। এরপর ছুটির দিনগুলোতে হোটেল বুক করতে নির্দেশ দিতেন এবং লাহাদ দাতু থেকে তাওয়াউয়ে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটাতেন। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে যুক্তি প্রদান করে যে, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ হাইকাল এমডি ইয়াতিন ও উইলদান ফিরদাউস আহমাদ ফাজলি আদালতকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানান। তারা বলেন, নিজের সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে যৌন নির্যাতন করা একটি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। অন্যদিকে, কোন আইনজীবী ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থন করা অভিযুক্ত আদালতের কাছে দয়া প্রার্থনা করে জানান, তিনি লজ্জিত এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ চান। তাই তিনি শাস্তি কমানোর আবেদন জানান।

এটি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রথম সাজা নয়। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল লাহাদ দাতু সেশনস আদালত নিজ দুই মেয়েকে ধর্ষণের ১১টি অভিযোগে তাকে ১৬৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১১০ বেত্রাঘাতের দণ্ড প্রদান করেছিলেন। ওই মামলায় প্রমাণিত হয় যে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে লাহাদ দাতুর বিভিন্ন স্থানে বর্তমানে ২৫ ও ২২ বছর বয়সী তার দুই মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গন্ধের সন্ধানে ফাঁস হলো হত্যাকাণ্ড, উদ্ধার হলো বিচ্ছিন্ন মাথা ও দেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


দুর্গন্ধের সন্ধানে ফাঁস হলো হত্যাকাণ্ড, উদ্ধার হলো বিচ্ছিন্ন মাথা ও দেহ

ময়মনসিংহে উৎকট দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে সাত দিন ধরে নিখোঁজ এক যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথার সন্ধান পাওয়া গেছে। এই সময়, পাশের মাটি খুঁড়ে তার মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে অম্বিকাগঞ্জ কলেজ এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সোহেল মিয়া (২৬) সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকার নূরুল ইসলাম ও জুলেখা বেগম দম্পতির সন্তান। তিনি দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। স্থানীয়ভাবে সোহেল গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গত ১৬ জুলাই রাত ৮টার দিকে সোহেল মিয়া নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির চেষ্টা করে, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় বুধবার সকালে নিহত যুবকের বাবার পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে অম্বিকাগঞ্জ কলেজের একটি একাডেমিক ভবনের স্থান নির্বাচনের কাজ চলছিল। বুধবার দুপুরে সেখানে জায়গার মাপজোখ করতে যান কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী।

এ সময় তারা উৎকট দুর্গন্ধ অনুভব করেন। দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে সোহেলের মাথা ও দেহের অবশিষ্ট অংশ পাওয়া যায়।

অম্বিকাগঞ্জ কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. মাহবুবুল আলম জানিয়েছেন, বিকেল পৌনে তিনটার দিকে সেখানে গিয়ে দেখতে পান যে, তাদের সীমানাপ্রাচীর ভাঙা এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে চারদিকে খোঁজ করে তারা মানবসদৃশ একটি মাথা দেখতে পান। পরে তাৎক্ষণিকভাবে থানা-পুলিশকে অবহিত করলে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরিবারও মাথাটি নিখোঁজ সোহেলের বলে শনাক্ত করে।

তিনি আরও জানাচ্ছেন, মাথাটি ঘাসের ওপর পাওয়া যায়। পাশেই নরম মাটিতে ছিল শিয়াল, কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণীর আঁচড়ের দাগ। ধারণা করা হচ্ছে, গর্ত থেকে কোনো প্রাণী মাথাটি টেনে তুলে ফেলেছে। এর ফলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল।

মাহবুবুল আলম জানান, পুলিশ প্রথমে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে। পরে মরদেহের বাকি অংশের সন্ধানে পাশেই মাটি খুঁড়তে শুরু হয়। একপর্যায়ে মাটির ভেতর থেকে দুটি গ্লাভস পাওয়া যায়। রাত পৌনে নয়টার দিকে কয়েক ফুট গভীরে পাওয়া যায় মাথাবিহীন দেহ।

নিহতের শ্বশুর আলাল উদ্দিন বলেছেন, ১৬ জুলাই রাত আটটার পর সোহেলের ভগ্নিপতি সেলিম মিয়া কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই সোহেলকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। সোহেল এবং সেলিম একসঙ্গে গাছ কাটার কাজ করলেও তাদের মধ্যে পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ ছিল। সেলিম নিয়মিত সোহেলকে কম টাকা দিতেন এবং মারধরও করতেন। এ কারণেই সোহেল পরে ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সোহেল বাড়িতে আসার খবর পেয়ে সেলিম পুনরায় কাজ দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সেলিমকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কিছুই জানেন বলে জানিয়েছেন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সেলিম এলাকা ছেড়ে চলে যান।

আলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে একটি বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পেয়ে তারা পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। এরপর মরদেহের বাকি অংশও উদ্ধার হয়। শরীরে কাপড় দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে মরদেহটি সোহেলের।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্ন মাথা ও অবশিষ্ট দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, নিহতের ভগ্নিপতি সেলিম মিয়াকে এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে কারা এবং কেন মরদেহ মাটিচাপা দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আশরাফুল করিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই মাথা ও দেহ নিখোঁজ যুবক সোহেলের। পিবিআইয়ের মাধ্যমে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে এ পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। শরীরের কাপড় দেখে মরদেহটি সোহেলের বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিচারকের সদস্যরা। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি উত্তাল, মোদির বিশেষ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


দিল্লি উত্তাল, মোদির বিশেষ ঘোষণা

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। এদিকে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করেছে। এর মধ্যে নরেন্দ্র মোদির আন্দোলন নিয়ে নতুন ঘোষণা এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে, মোদি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, "আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না!" তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই এটি একটি অংশ। যেসব ব্যক্তিরা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোমতেই ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চেয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে। অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আটক হওয়ার একদিন পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিজেপি বিক্ষোভের কারণে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


সিজেপি বিক্ষোভের কারণে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ

ভারতের নয়াদিল্লিতে চলমান বিক্ষোভের কারণে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজধানীর ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া হয়েছে কারণ বিক্ষোভ আরো তীব্র হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্টেশনে জনসাধারণের প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ থাকবে।

দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) এক্সে (সাবেক টুইটার) এই তথ্য জানিয়েছে। বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো—লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চৌক, প্যাটেল চৌক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম।

যাত্রীদের জন্য একটি সুবিধা চালু রাখা হয়েছে। রাজীব চৌক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে আন্তঃলাইন পরিবর্তন (ইন্টারচেঞ্জ) করা যাবে। অর্থাৎ, এখানে যাত্রীরা ট্রেন পরিবর্তন করতে পারবেন।

তবে স্টেশনের বাইরে বের হওয়া বা বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করা যাবে না। ডিএমআরসি তাদের পোস্টে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় তবে স্টেশনগুলো আবার খুলে দেওয়া হবে।

এদিকে, কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ আরো তীব্র হয়েছে। এই দলটি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে প্রতিবাদ করছে, এবং তাদের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও রয়েছে।

বিক্ষোভকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে সিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিক্ষোভকারীদের জন্য পরিচয় প্রকাশ না করা কয়েকজন দাতা খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থাও করেছেন।

এর মধ্যে, বুধবার রাতে দিল্লির কনট প্লেস এলাকায় সহিংসতার একটি ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে তলস্তয় মার্গের কাছে একদল দুর্বৃত্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর ও বোতল ছোড়ে।

এর ফলে কনট প্লেসের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) বিবেক ভগত আহত হন। পরে উচ্চতর কর্মকর্তারা তাকে দ্রুত রাম মনোহর লোহিয়া (আরএমএল) হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ জানায়, কয়েক মুহূর্তের জন্য পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে পড়লেও পরে তা নিয়ন্ত্রণে আসে।

অন্যদিকে, বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য অভিযোগ করেছেন যে, কর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তারা মেদান্তা হাসপাতালে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতালের ফটকেই তাদের আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (জেএমএম) সংসদ সদস্য মহুয়া মাজি সাংবাদিকদের বলেন, সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই এই বিক্ষোভ ২২ দিন ধরে চলছিল। দিল্লি সরকার তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি দাবি করেন, সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রীর কাছ থেকে জানা গেছে যে আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই তার সঙ্গে দেখা করার জন্য। সত্ত্বেও, তাদের হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

এদিকে, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) সংসদ সদস্য সঞ্জয় যাদবও সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এত বড় জনরোষের পরও সরকার যদি শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে রাজনীতি না করার কথা বলে, তাহলে সেটি সরকারের ঔদ্ধত্যের প্রকাশ। তার দাবি, এটি কোনো একক প্রাতিষ্ঠানিক আন্দোলন নয়। সরকারের নীতি এবং পুলিশের কঠোর আচরণে ক্ষুব্ধ তরুণরাই এই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে, আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকও তাঁর অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তিনি বলেছেন, ২৫ দিনের অনশন শেষ করার আগে তিনি সরকারের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা চান। সেই নিশ্চয়তায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—এমন প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%