শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১৯ পি.এম
আজ বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নতুন মৌসুমের সূচনা হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে আবাহনী লিমিটেড ড্রয়ের মাধ্যমে মৌসুমের শুরু করেছে। পিডব্লিউডি তাদের আটকে দিয়েছে। মানিকগঞ্জে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।
স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নেমে আবাহনী শুরু থেকেই একের পর এক চেষ্টা করলেও পিডব্লিউডির জালে বল প্রবেশ করাতে পারেনি। অপরদিকে, পিডব্লিউডি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ‘সোনার হরিণের’ দেখা পায়নি। ফলে, ৬ বারের প্রিমিয়ার লিগজয়ী আবাহনী শুরুতেই হোঁচট খেল।
অন্যদিকে, বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ফর্টিস এফসি একটি বড় জয় পেয়েছে। নবাগত চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাবকে তারা ৬-০ গোলে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে দুই বিদেশি খেলোয়াড় ওমর বাবু এবং নরিকি আকাডা জোড়া গোল করেছেন। এছাড়া, মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও রাফায়েল টুডু একটি করে গোল করেছেন।
গোপালগঞ্জে লিগে দারুণ শুরু করেছে আরেক নবাগত ঢাকা সিটি ক্লাব। তাদের অভিষেক ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে তিনটি গোল করেছেন রফিকুল ইসলাম, এনামুল গাজী ও ওনিয়েকাচি ওকাফোর।
লিগের প্রথম দিনে জয় পেয়েছে ফকিরেরপুল ইয়ংমেনস ক্লাব এবং বাংলাদেশ পুলিশ এফসিও। চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়ামে ফকিরেরপুল ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে সুলেইমান সিল্লা জোড়া গোল করেছেন। ওয়ান্ডারার্সের হয়ে ব্যবধান কমান অঙ্গুস বেইলি। অন্যদিকে, গাজীপুরে বাংলাদেশ পুলিশ ইসা ফয়সালের গোলে রহমতগঞ্জকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্ত আকাশ বাংলাদেশের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ ড্রপ-ইন সেন্টারে (ডিআইসি) অ্যাডভাইজরি কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত সভায় ডিআইসির কার্যক্রম, সেবা গ্রহণকারী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা, নারী যৌনকর্মীদের (এফএসডব্লিউ) ঝুঁকি কমানো, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষায় সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নাজির খান, ব্যবসায়ী আদনান আলী অপূর্ব, ব্র্যাকের কর্মকর্তা আশরাফ আলী, মোহাম্মদ নাহিদ হাসান, মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ও মো. সাইফুল ইসলাম।
সভায় অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যরা সেবা গ্রহণকারী জনগোষ্ঠীর বর্তমান পরিস্থিতি, তাদের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সভায় মো. সাইফুল ইসলাম এফএসডব্লিউসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এসব জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যেও সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী বলেন, ভাসমান যৌনকর্মীদের জন্য যথাযথ পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তৈরি করা গেলে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের পথ তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যা ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সাংবাদিক নাজির খান বলেন, সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও অধিকার নিয়ে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা প্রয়োজন। তাদের বিষয়গুলো যথাযথভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, যেকোনো উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত নয়, যাতে তাদের ক্ষতি, সামাজিক হয়রানি বা ঝুঁকি আরও বাড়ে। বরং নিরাপদ ও কার্যকর পুনর্বাসন, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতে সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
নাজির খানের বক্তব্যের সঙ্গে সভায় উপস্থিত অন্য সদস্যরাও একমত পোষণ করেন। তারা সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় আলোচনার ভিত্তিতে এফএসডব্লিউ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া এবং ভাসমান যৌনকর্মীদের পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা যাচাইয়ের সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ, গণমাধ্যম ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও অধিকার সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি এবং যেকোনো কার্যক্রমে তাদের নিরাপত্তা ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় ভবিষ্যতে অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যদের পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ডিআইসির কার্যক্রম আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
সভা শেষে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, মর্যাদা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও পুনর্বাসনে সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন উপস্থিত সদস্যরা। পরে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে ১৩তম গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ এবং সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাঙামাটি শহরের রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (DIRI) সার্বিক সহযোগিতায় পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়।
মাইজভাণ্ডার গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত মওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন নায়েব সাজ্জাদানশীন ও দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ট্রাস্টি সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ৪০টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাঙামাটি কেন্দ্রেও বিভিন্ন বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী ও দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ থেকে ৮ম শ্রেণির এবং কারিগরি বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির প্রায় ৬৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক কেন্দ্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্র সচিব ছিলেন উত্তর নিশ্চিন্তাপুর নুর-ছাপা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইব্রাহিম। হল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পুরানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাসান উদ্দীন এবং সহকারী হল সুপার ছিলেন শহীদ আব্দুল আলী একাডেমির সিনিয়র শিক্ষক মো. আলমগীর।
পরীক্ষা চলাকালে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) রাঙামাটি জেলা দায়রা শাখাসহ সদর ও বিভিন্ন শাখার সদস্যরা কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতা করেন।
কেন্দ্রপ্রধান রনতোষ মল্লিক বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
কেন্দ্র সচিব মো. ইব্রাহিম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।
হল সুপার মো. হাসান উদ্দীন জানান, পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা সন্তোষজনক ছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের কয়েকজন জানায়, শ্রেণি উপযোগী প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে তাদের ভালো লেগেছে। বৃত্তি পাওয়ার পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে তারা।
অভিভাবকরাও এ ধরনের আয়োজনকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী ও উৎসাহিত করার কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ সৃষ্টি এবং প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই প্রতিবছর এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।
সকাল থেকেই রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র প্রাঙ্গণে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। পরে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনায় ঝটিকা মিছিল করার সময় পুলিশ কর্তৃক আটক করা হয়েছে আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকর্মীকে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে চান্দিনা, দাউদকান্দি ও মুরাদনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী তীরচর-লাজৈর এলাকায় মিছিল চলাকালীন তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার হাটাশ গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মো. সারোয়ার (১৬), একই থানার দৌলবাড়ি গ্রামের মৃত শিশু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৭) এবং দেবিদ্বার উপজেলার ছেচরাপুকুরিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে সারোয়ার হোসেন রাকিব (৩০)।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেবিদ্বারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুনের নেতৃত্বে শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে মুরাদনগরের লাজৈর এলাকা থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি যখন চান্দিনার তীরচরের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল, তখন পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় তিনজনকে আটক করা হলেও অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এছাড়া, স্থানীয় সূত্র জানায়, মিছিল থেকে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ সহ বিভিন্ন স্লোগান উচ্চারণ করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের একটি ব্যানার ও কয়েকটি জাতীয় পতাকা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান মন্তব্য করেন, ‘মহাসড়কে টহলরত অবস্থায় তাঁদের আটক করা হয়েছে। তবে যে স্থান থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছে, সেটি থানার সীমানা অনুযায়ী মুরাদনগর থানা এলাকায় পড়ে। সে অনুযায়ী তাঁদের মুরাদনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িতদের পরিবর্তে অন্যদের গ্রেপ্তার করে মামলার প্রকৃত বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই বিভিন্ন মামলা রয়েছে এবং কেউ কেউ মাদকাসক্ত হিসেবেও পরিচিত। তবে স্থানীয়দের দাবি, এসব ব্যক্তির অনেকেই সাম্প্রতিক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও নিজেদের সক্ষমতা দেখাতে পুলিশ এলোপাতাড়ি কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মুখের বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগও সামনে এসেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—যাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ উঠছে, তাদের কর্মকাণ্ড ও সম্পদের উৎস নিয়েও কি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন নয়?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ