ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যাত্রাবাড়ী-তুরাগ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪২জন


যাত্রাবাড়ী-তুরাগ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪২জন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও তুরাগ থানাধীন বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকা সমূহে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার মাধ্যমে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪২ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এই অভিযানটি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রদান করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ২৯ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছে- মো. নাছির (৪০), মো. জামাল হোসেন, আলী মর্তুজা, শ্রী রবি (৩৫), মো. জিয়াদ (২৩), শফিকুল (২৪), নাহিদ (২২), মো. হিরন (৩৪), মো. সাইফুল ইসলাম রাফি (২১), মো. শামীম (৩০), রিয়া মনি (২৫), জান্নাত (১৯), আইরন (২০), নাহিদা আক্তার (২২), বর্ষা আক্তার জান্নাত (১৯), জাহেদা আক্তার (২১), ফারজানা আক্তার (২৬), ওহিদুজ্জামান (৪১), মো. তুষার (২৩), মো. শাওন (৩৫), রায়হানা (২৩), মো. সোহাগ (২০), সাদ্দাম (২২), মো. আল আমিন (২২), শাহিন (১৯), আল আমিন (২২), রাব্বি (১৯), মো. জিয়া (২০), এবং মো. সিফাত হোসেন (২২)।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

অন্যদিকে, তুরাগ থানার আয়তনে অভিযানের মাধ্যমে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছেন- ইব্রাহিম হোসেন (২৭), হেলাল উদ্দিন (৪০), উজ্জ্বল ব্যাপারী (২৬), মো. হাসিব (১৯), মো. দিদারুল ইসলাম (১৯), শরীফ হাসান রাব্বি (২০), মো. রাহিমুল কবির (২৪), মো. তারেক মিয়া (২৪), মো. আব্বাস মিয়া (৫৫), মো. সোলাইমান সুমন (২৮), জিহাদ হোসেন (১৯), সেলিনা এবং মো. রাজু ইসলাম (২১)।

বিজ্ঞপ্তিটি জানান দেয় যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত এবং পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামির পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অপরাধীরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্যারিস খাল বাঁচাতে ডিএনসিসির সহায়তায় মাঠে তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু রামিসা হত্যা: আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


শিশু রামিসা হত্যা: আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড রেফারেন্স এবং আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসেছে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটি আগামী রোববারের (১৬ আগস্ট) কার্যসূচির (কজ লিস্ট) ২২ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত রামিসা তার মা-বাবার সঙ্গে পল্লবীর একটি বাসায় থাকত এবং স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। একই বাসার অন্য একটি ফ্ল্যাটে সপরিবারে বাস করতেন আসামি সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তার।

গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর ঘরের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান আসামি সোহেল রানা। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ স্বপ্নাকে তাদের হেফাজতে নেয়। পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় সোহেল রানাকে।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। ২১ মে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান, ২৫ মে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

বিচারিক প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতার মধ্যে ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরের দিন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

অভিযোগ গঠনের মাত্র এক সপ্তাহের মাথায়, গত ৭ জুন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। অর্থাৎ হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই জরিমানার অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। রায়ে বলা হয়, জরিমানার টাকা অনাদায়ে জেলা কালেক্টরকে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করে তা রামিসার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নথি হাইকোর্টে পৌঁছানোর পর দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের বিশ্বনাথে লোহার খাঁচায় আটকা পড়ল মেছো বাঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


সিলেটের বিশ্বনাথে লোহার খাঁচায় আটকা পড়ল মেছো বাঘ

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার হাঁস রক্ষা করতে গিয়ে খামার মালিকের পাতা লোহার খাঁচার ফাঁদে আটকা পড়েছে একটি মেছো বাঘ। ১৪ আগস্ট শুক্রবার উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামে এ ঘটনার অবতারণা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, দুর্লভপুর গ্রামের সাহিদ আলী দীর্ঘ সময় ধরে একটি হাঁসের খামার পরিচালনা করে আসছেন। বেশ কিছুদিন আগে থেকে খামার থেকে মাঝেমধ্যেই হাঁস নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছিল। মেছো বাঘের আক্রমণের কারণে হাঁসগুলো গায়েব হচ্ছে বুঝতে পেরে খামার রক্ষায় তিনি খামার ঘরের পেছনে একটি লোহার খাঁচার ফাঁদ পেতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিয়মিতভাবে পাতা সেই ফাঁদে শিকারের খোঁজে এসে শুক্রবার সকালে বাঘটি আটকা পড়ে।

সকালে বাঘ আটকের খবরটি পরিবেশিত হলে সাহিদ আলীর খামারে কৌতূহলী লোকজনের উপচে পড়া ভিড় জমে।

খামার মালিক সাহিদ আলী জানান, 'মেছো বাঘের কারণে আমার বেশ কয়েকটি হাঁস খোয়া গেছে, যা আমার জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি বয়ে এনেছে। বাধ্য হয়েই খাঁচার ফাঁদ পেতেছিলাম। অবশেষে সেটি আটক হয়েছে। বন বিভাগ বা সরকারের কোনো প্রতিনিধি চাইলে আমি বাঘটি তাঁদের কাছে হস্তান্তর করতে প্রস্তুত আছি।'

এদিকে বাঘ উদ্ধার করার বিষয়টি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এবং সিলেট বিভাগীয় বন বিভাগকে অবহিত করেছেন স্থানীয়রা। বন বিভাগের প্রতিনিধি এসে প্রাণীটিকে উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি সীমান্তে বিএসএফ-কাস্টমসের মিষ্টি উপহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি সীমান্তে বিএসএফ-কাস্টমসের মিষ্টি উপহার

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে, দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন পুলিশকে মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায়, হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতের হিলি কাস্টমসের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পঙ্কজ কুমার বাংলাদেশের হিলি কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামানের হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন। একই সময়ে, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়ার হাতেও স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা হিসেবে মিষ্টি উপহার দেওয়া হয়।

সীমান্তে দায়িত্বরত দুই দেশের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিদ্যমান প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের জাতীয় দিবস এবং বিভিন্ন প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে পরস্পরের মাঝে মিষ্টি বিনিময় ও শুভেচ্ছা জানানোর এই শুভ রেওয়াজ হিলি সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া জানিয়েছেন, 'ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আজ আমাদের মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা ও শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের এই ধারাবাহিকতা সৌহার্দ্যপূর্ণ। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবসেও আমরা তাদের মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিথ্যা মামলায় পুরুষের নির্যাতন: আইনের অপব্যবহার বন্ধ হোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


মিথ্যা মামলায় পুরুষের নির্যাতন: আইনের অপব্যবহার বন্ধ হোক

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ নিঃসন্দেহে সমাজের ভয়াবহ বাস্তবতা। প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ পুরুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ বা সাজানো মামলা করা হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ একটি মিথ্যা মামলা একজন মানুষের সম্মান, পরিবার, চাকরি, সামাজিক অবস্থান এবং মানসিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বাংলাদেশে ধর্ষণের অভিযোগের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান রয়েছে। ২০২৫ সালে পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে সারা দেশে ৭,০৬৮টি ধর্ষণ মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। (Constitution Watchdog⁠) তবে এসব মামলার কত শতাংশ শেষ পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য জাতীয় হিসাব পাওয়া যায় না।

সম্প্রতি পিবিআইয়ের ২০১৬–২০২৩ সালের ১১ হাজারের বেশি ধর্ষণ মামলা তদন্তের তথ্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৪,২৪৮টি মামলা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু পিবিআই স্পষ্ট করেছে, প্রমাণিত না হওয়া মানেই মামলা মিথ্যা নয়। প্রমাণের অভাব, তদন্তের সীমাবদ্ধতা, মেডিকেল বা ফরেনসিক প্রমাণ না পাওয়া এবং অন্যান্য কারণেও কোনো অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত নাও হতে পারে। (Prothom Alo⁠)

আবার পুলিশের একটি পুরোনো গবেষণায় ২০১০–২০১৮ সালের ১৫টি থানার ৪০,৮৭৩টি তদন্ত-সমাপ্ত মামলার মধ্যে ৬২২টি, অর্থাৎ প্রায় ১.৫২ শতাংশ অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল। এই তথ্য অবশ্য শুধু ওই গবেষণার আওতাভুক্ত মামলাগুলোর; এটিকে বাংলাদেশের সব নারী নির্যাতন বা ধর্ষণ মামলার জাতীয় হার বলা যাবে না। (Prothom Alo⁠)

এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—‘মামলা প্রমাণিত হয়নি’ এবং ‘মামলা মিথ্যা’—এই দুটি বিষয় এক নয়। একটি অভিযোগ সত্য হলেও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আসামি খালাস পেতে পারেন। আবার কোনো অভিযোগ তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হলে সেটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। (Prothom Alo⁠)

তাই নারীকে হেয় করা বা সব ধর্ষণ অভিযোগকে সন্দেহের চোখে দেখা যেমন অন্যায়, তেমনি কোনো নিরপরাধ পুরুষকে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি করাও ভয়াবহ অন্যায়। আইনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত—প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি এবং নিরপরাধ ব্যক্তির সুরক্ষা—দুটিই নিশ্চিত করা।

কোনো নারী যদি ব্যক্তিগত শত্রুতা, প্রতিশোধ, অর্থনৈতিক বিরোধ বা অন্য কোনো কারণে জেনে-শুনে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেন, তদন্তে তা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একইভাবে কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে সত্যিকারের ধর্ষণের অভিযোগ থাকলে যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে তারও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

ন্যায়বিচার কখনো নারী বা পুরুষের পক্ষ নেবে না; ন্যায়বিচার সত্যের পক্ষ নেবে।
দিলশান আরা অনিমা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%