বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৯ পি.এম
আমীরে হিযবুল্লাহ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- নিয়ত বা অন্তরের সংকল্পের ওপরই ইবাদতের আসল মূল্য ও কবুলিয়ত নির্ভর করে। নিয়ত যদি খাঁটি ও একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে না হয়, তবে তা ইবাদতের প্রকৃত শিক্ষা ও রুহানি উপকারিতা প্রদান করতে পারে না।
২১ অক্টোবর, বুধবার নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানাধীন মিরকুন্ডী দারুসসুন্নাত ছালেহীয়া দীনিয়া কমপ্লেক্স ও ডাঃ ইয়াসির হাসান শেখ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ছারছীনা দরবার শরীফের আলা হযরত পীর সাহেব কেবলার শুভাগমণ উপলক্ষে মিরকুন্ডী কবরস্থান সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অত্র গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে ইছালে ছওয়াব ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো নেক আমলের প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো ইখলাস বা নিয়তের বিশুদ্ধতা। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, আমলের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। ইবাদতে যদি লোকদেখানো মনোভাব (রিয়া), দুনিয়াবী নাম-ডাকের ইচ্ছা কিংবা অহংকার প্রবেশ করে, তবে বাহ্যিক কষ্ট স্বীকার সত্ত্বেও সেই ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। ফলে মানুষ ইবাদতের আসল শিক্ষা অর্থাৎ তাকওয়া, আত্মশুদ্ধি ও চরিত্রগঠন থেকে বঞ্চিত হয়।”
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ আমলের বাহ্যিক রুপের প্রতি যতটা মনোযোগী, অন্তরের বিশুদ্ধতার প্রতি ততটা যত্নবান নয়। হাসাদ (হিংসা), ক্বিবর (অহংকার) ও রিয়া থেকে অন্তরকে মুক্ত না রাখলে ইবাদত কেবল প্রথাগত অনুশীলনে পরিণত হয়, যা ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে না। তাই যেকোনো ভালো কাজ শুরুর পূর্বেই নিয়তকে খাঁটি করে নিতে হবে।”
বাদ আসর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলমান মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
মাহফিল শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর হেদায়েত, ঐক্য এবং দেশ ও জাতির সার্বিক শান্তি-কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আভেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে চারটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, একটি বিদেশি রিভলবার, ১২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ এবং অস্ত্র বিক্রির নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ও বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে পাবনা সদর, আমিনপুর ও সুজানগর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুর গ্রামের আনসার শেখের ছেলে আলাল শেখ (৫২), আমিনপুর থানার ভাটিকয়া গ্রামের হাশেম কাজীর ছেলে জনি কাজী (২৮), ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর গ্রামের মৃত ঝড়ু মন্ডলের ছেলে জলিল মন্ডল (২৮) এবং একই ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের জসিম মন্ডলের ছেলে বাবলু মন্ডল (২৬)।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুর এলাকায় প্রথম অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আলাল শেখ ও জনি কাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, একটি .২২ বোরের আট চেম্বারবিশিষ্ট বিদেশি রিভলবার, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং অস্ত্র বিক্রির নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আমিনপুর থানার ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর ও সুজানগর থানার নাজিরগঞ্জ বাজার এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ অভিযানে জলিল মন্ডল ও বাবলু মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং আরও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এফ)/১৯-এ ধারায় পৃথক নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের শাহপরান থানার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের একটি রাবার বাগান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুটি এয়ারগান। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে। তবে এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে পশ্চিম দলুইপাড়ার ওই রাবার বাগানে অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম দলুইপাড়ার একটি রাবার বাগানে কয়েকজন মাদকদ্রব্য কেনাবেচার জন্য অবস্থান করছেন—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বাগানে তল্লাশি চালিয়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় একটি পুরনো বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুটি এয়ারগান পাওয়া যায়।
এসআরবি সিলেট-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গণমাধ্যম কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শাহপরান (রহ.) থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, নগরীর ঐতিহাসিক মাদারবাড়ি বালুর মাঠে নির্মিত হবে ১৫ হাজার স্কয়ার ফুটের একটি দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর মাদারবাড়ি বালুর মাঠ পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও নেতাদের উদ্দেশ্যে এই তথ্য তুলে ধরেন।
চসিক মেয়র উল্লেখ করেন, এখানে ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য ও ১০০ ফিট প্রস্থের একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে, যা মোট ১৫ হাজার স্কয়ার ফিটের। এর সঙ্গে একটি রাস্তা এবং হাঁটার জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "যাতে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।" বৈধ প্লটধারীদের প্লটের জায়গা অপরিবর্তিত থাকবে এবং মাঠের জায়গা কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, "আমার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ করে দেওয়া হবে।" এই লক্ষ্যে মাদারবাড়ির বালুর মাঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
মাদক, সন্ত্রাস এবং নৈরাজ্য দূর করতে মাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, "মাদারবাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো খেলার মাঠ নেই, ফলে এখানকার ছেলেরা খেলতে পারছে না।" তিনি আরও বলেন, "যদি আমরা যুব সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে চাই, তাহলে মাঠের কোনো বিকল্প নেই।"
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি চট্টগ্রামে ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি মাঠ করার পরিকল্পনা করেছেন। এই এলাকার সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, "চট্টগ্রামের উন্নয়নে যা প্রয়োজন ইনশাআল্লাহ করে দেবেন।" তিনি আরও বলেন, "যদি এই এলাকায় ফুটসাল বা ছোট পরিসরে খেলার মতো আরো কোনো খালি জায়গা থাকে, আমাদের জানান। আমরা সেটাও করে দেব।"
শাহাদাত হোসেন জানান, ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হালিশহর এইচ ব্লক মাঠ, হালিশহর বহুরূপী মাঠ, ফিরোজশাহ মাঠ, হালিশহর এস ব্লক মাঠ (বি ব্লক সংলগ্ন) এবং হালিশহর বিডিআর মাঠ।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে হালিশহর শিশু পার্ক মাঠ, হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ মাঠ, বাকলিয়া স্টেডিয়াম ও বাকলিয়া স্কুল মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডেও নতুন খেলার মাঠ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার টানা ছুটির কারণে মাছের দাম কমেছে। সবজির বাজারেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে মুরগি ও ডিমের দাম আগের মতোই রয়েছে। বিক্রেতাদের মতে, ছুটির সময় ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকায় মাছ ও সবজির দাম কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে শিমের দাম প্রতি কেজি ১৪০-১৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের কেজি দামও ২০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাদা গোল বেগুনের দাম ১০০ টাকা কেজি, আর লম্বা বেগুনের দাম ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে লম্বা বেগুনের দাম ছিল ১২০ টাকা। তবে টমেটোর দাম প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকায় ২০ টাকা বেড়ে গেছে।
এছাড়া, ধুন্দল প্রতি কেজি ৮০, ফুলকপি ৬০, শসা ৭০ থেকে ৮০, গাজর ১০০, কাঁকরোল ও করলা ৮০ টাকা এবং পটল ও ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লাউ পিসের দাম আকারভেদে ৫০-৬০ টাকায় রয়েছে। লেবুর হালি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপের দামও তুলনামূলকভাবে কম, প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ফরিদপুর সদর উপজেলার সরকারি হেলিপ্যাডের কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আহমেদ জানান, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। ফলে খুচরা বাজারেও ক্রেতারা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন।
বাজারে বড় রুই মাছের দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা, কাতল ৪০০-৪২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা এবং পাবদা ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় অন্যান্য ছোট মাছের দামও তুলনামূলকভাবে কমেছে।
কানাইপুর বাজারে মাছ কিনতে আসা আমেনা বেগম জানান, চার-পাঁচ দিন আগে বড় আকারের রুই মাছের দাম ছিল ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি। কিন্তু আজ তিনি একই মাছ ৩৫০ টাকায় কিনেছেন। এছাড়া সবজির বাজারেও বিভিন্ন পণ্যের দাম কম মনে হয়েছে। তিনি মনে করেন, শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
একই বাজারের মাছ বিক্রেতা হোসনেয়ারা জানান, পূজার ছুটিতে অনেকেই গ্রামে চলে গেছেন। এর ফলে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। যদিও মাছের সরবরাহ বেশি, কিন্ত ক্রেতার অভাবে দাম কিছুটা কমেছে। তিনি জানান, গতকাল মাছের দাম আরও কম ছিল। তবে মাছের বাজার সবসময় ওঠানামা করে।
এদিকে, মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও মুরগির দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৮০, সোনালি মুরগির দাম ৩১০-৩২০ এবং লেয়ার মুরগির দাম ৩৫০-৩৬০ টাকা রয়েছে।
ফরিদপুর টেপাখোলা বাজারের বিক্রেতা আরমান জানান, পাইকারি বাজারে মুরগির দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
ডিমের দামও ক্রেতাদের জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতা আবু জাফর জানান, ডিমের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে এবং পরিস্থিতি দেখে আপাতত দাম কমার সম্ভাবনা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ