মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০২ পি.এম
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
সোমবার (১সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি'র উদ্যোগে এক বিশাল র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলমের নেতৃত্বে উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের সামনে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত র্যালিতে জেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট মশিউর রহমান, উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুকুল ইসলাম ফারুক, মো রফিকুল ইসলাম আলী, পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ মিয়া, হায়দার এ আলম, উপজেলা বিএনপি'র প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম মুছা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজাহার উদ্দিন লিটন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব মো. মোখলেসুর রহমান মঞ্জু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এম.এ সালাম সুমন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শামীম রেজা সহ উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন থেকে আগত শতশত নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা, ব্যানার ও শ্লোগানসহ মিছিলে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কাস ট্রেসকোথিক ইংল্যান্ডের বর্তমান পেস আক্রমণের চার সদস্য জফ্রা আর্চার, জশ টাং, অলি রবিনসন ও গাস অ্যাটকিনসনের মধ্যে ২০০৫ সালের অ্যাশেজজয়ী দলের বোলিং ইউনিটের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন। সাবেক ইংলিশ ওপেনার ট্রেসকোথিকের মতে, বর্তমান পেসারদের স্টিভেন হার্মিসন, অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফ, ম্যাথু হগার্ড ও সাইমন জোন্সদের সঙ্গে তুলনা করা অযৌক্তিক নয়।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই টেস্টে বেন স্টোকসের অবসরের পর ইংল্যান্ড চারজন বিশেষজ্ঞ পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছিল। আর্চার, রবিনসন, অ্যাটকিনসন ও টাংয়ের দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বাগতিকরা দুই ম্যাচেই জয়লাভ করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে। ট্রেসকোথিক বর্তমান চার পেসারের বোলিংয়ে বৈচিত্র্য এবং সক্ষমতার সঙ্গে দুই দশক আগের সেই পেস আক্রমণের মিল খুঁজে পেয়েছেন। ২০০৫ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের ২-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ জয়লাভের পেছনে হার্মিসন, ফ্লিন্টফ, হগার্ড ও জোন্সের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
ট্রেসকোথিক নিজেও সেই অ্যাশেজজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের অনুপস্থিতিতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। তার অধীনে ইংল্যান্ড ২০২৪ সালের পর প্রথমবার কোনো টেস্ট সিরিজ জিতেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে হেডিংলি ও লর্ডসে দলের জয়ে পেসারদের ভূমিকার প্রশংসা করে ট্রেসকোথিক বলেন, "দলে এখন অসাধারণ প্রতিভার সমাহার রয়েছে।" তিনি আরও মন্তব্য করেন, "২০০৫ সালের হার্মিসন, ফ্লিন্টফ, জোন্স ও হগার্ডের সঙ্গে বর্তমান পেসারদের তুলনা করা সহজ।"
তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে আমাদের চারজন পেসার ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত- এটা আমি উপভোগ করছি।" এর বাইরে আরও কয়েকজন বোলার আছে, যাদের তারা প্রস্তুত করে তুলছেন।
স্টোকস এবং সাবেক কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের সময়ে ইংল্যান্ড মূলত গতিময় পেসারদের ওপর বেশি নির্ভর করেছে। তবে দুই বছরেরও বেশি সময় পর রবিনসনের টেস্ট দলে ফেরায় আক্রমণে আরও ভারসাম্য এসেছে বলে মনে করেন ট্রেসকোথিক। তিনি বলেন, "বর্তমান বোলিং আক্রমণে দারুণ বৈচিত্র্য রয়েছে।" দলের তিনজন পেসার ঘণ্টায় ৯২ মাইল গতিতে বল করতে সক্ষম। দলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এমন অস্ত্রভাণ্ডার এবং আক্রমণে এই ধরনের শক্তি থাকা দারুণ ব্যাপার বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, পেসাররা যত বেশি একসঙ্গে খেলবেন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, ততই দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবেন।
এদিকে ২০০৫ সালের অ্যাশেজজয়ী ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক মাইকেল ভনও বর্তমান পেস আক্রমণ নিয়ে আশাবাদী। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এ প্রকাশিত এক কলামে তিনি লিখেছেন, "বড় কোনো সিরিজ জিততে পারলে বর্তমান বোলারদের তার সময়ের পেসারদের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।" ভনের ভাষায়, "এটা নিশ্চিত যে, তাদের দারুণ বিশেষ কিছু করার সামর্থ্য আছে এবং আগামী গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করতে পারে।"
আগামী বুধবার এজবাস্টনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা পুনরায় ফিরে আসার ফলে জাপানি কোম্পানিগুলো দেশের বাজার সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে শুরু করেছে। জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কাজুইকি কাতাওকা জানিয়েছেন, এর ফলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাতাওকা উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছিল জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়। তবে নতুন সরকার গঠনের পর কোম্পানিগুলো এখন মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অধিক সুযোগ পাচ্ছে।
জেট্রোর ২০২৫ অর্থবছরের ‘বিদেশে কার্যরত জাপানি কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক পরিস্থিতি’ শীর্ষক জরিপের তথ্য উল্লেখ করে কাতাওকা বলেন, বাংলাদেশে কার্যরত জাপানি কোম্পানির ৯৪ দশমিক ৪ শতাংশ ‘অস্থিতিশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিকে’ বিনিয়োগের ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এটি প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জাপানি ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয় ছিল।
তিনি বলেন, বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা কোম্পানিগুলোকে মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সহজতর করে। সম্প্রতি টোকিওতে জাপানি কোম্পানির প্রধান কার্যালয় এবং সিঙ্গাপুরের মতো আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফর বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান তিনি।
কাতাওকা আরও বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হওয়ায় অনেক কোম্পানি বাংলাদেশের বাজার সম্ভাবনা ও ব্যবসায়িক সুযোগ নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে। এই প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে এটি একটি কারণ। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, এমন ধারণা করা উচিত নয়।
বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে বাস্তব বিনিয়োগে রূপ দিতে দৈনন্দিন ব্যবসায়িক পরিবেশের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ করে করব্যবস্থা ও শুল্ক ছাড়করণ, লাইসেন্স ও অনুমতি প্রদান এবং আইন ও বিধিবিধানের স্বচ্ছতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বাংলাদেশ এবং জাপানের ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে কাতাওকা বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও শক্তিশালী বাণিজ্য ও বিনিয়োগভিত্তিক অংশীদারিত্বে উন্নীত করতে হবে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক শুধুমাত্র জাপান থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর জাপানে বিনিয়োগকেও স্বাগত জানানো উচিত।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে শুধু একমুখী বিনিয়োগ উৎসাহিত করাই যথেষ্ট নয়। উভয় দেশের কোম্পানির বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক লেনদেন বৃদ্ধি করতে হবে এবং এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যা পারস্পরিক অর্থনৈতিক সুবিধা সৃষ্টি করবে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ভোক্তা বাজারের প্রতি, বিশেষ করে ঢাকাকে কেন্দ্র করে জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান কাতাওকা। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) একটি জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৪৬ শতাংশের অবদান ঢাকার। অন্যদিকে রাজধানীতে মাথাপিছু আয় ৫ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি।
বাংলাদেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বিশাল বাজারের পাশাপাশি ঢাকায় আয় বাড়তে থাকায় রাজধানী ক্রমেই একটি আকর্ষণীয় ভোক্তা বাজারে পরিণত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কাতাওকা বলেন, ঢাকায় উন্নত মান ও সেবার ক্যাফে, রেস্তোরাঁ এবং অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে। এটি মানসম্মত পণ্য ও সেবার চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে উচ্চ শুল্কহার থাকায় আমদানি করা পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। কাতাওকা বলেন, এর ফলে কিছু জাপানি কোম্পানি শুধুমাত্র রপ্তানির মাধ্যমে বাজারে প্রবেশের কথা ভাবছে না, বরং স্থানীয় উৎপাদন ও স্থানীয়ভাবে পণ্য সংগ্রহের সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশের বিষয়টি বিবেচনা করছে।
দেশীয় চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতে জাপানি কোম্পানিগুলোর জন্য সুযোগ বাড়তে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যা, ক্রমবর্ধমান ভোক্তা চাহিদা এবং স্থানীয় উৎপাদনের সম্ভাবনার সমন্বয় আগামী বছরগুলোতে জাপানি বিনিয়োগের জন্য আরও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন কাতাওকা।
তবে বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহকে বাস্তব বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতিতে রূপ দিতে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও পুনরায় উল্লেখ করেন তিনি।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবারের এই বৈঠকের পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে নয়াদিল্লিতে আবারও দুই নেতার সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চায়, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং এসইউ-৫৭ ফেলন স্টেলথ যুদ্ধবিমান নিয়ে। বর্তমানে ভারত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা দ্রুত উন্নত করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, রুশ অস্ত্রের ওপর দীর্ঘকালীন নির্ভরতা কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র ক্রয়ের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎস বৃদ্ধি করছে।
রাশিয়ার প্রস্তাবের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এস-৫০০ প্রোমিথিউস।
এটি রাশিয়ার সর্বাধুনিক দূরপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। ভারতে ইতোমধ্যে রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ মোতায়েন রয়েছে। এস-৪০০ ব্যবহারের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রাশিয়া এস-৫০০-কে দুই দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে তুলে ধরছে।
গত বছর অপারেশন সিন্ধুর সময় পাকিস্তানের দিক থেকে আসা বিমান হামলার হুমকি মোকাবিলায় ভারত এস-৪০০ ব্যবহার করেছিল।
রাশিয়া এখন সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায়। মোদি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে মস্কো ভারতকে আরো পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন দেওয়ার নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ভারতে থাকা বা চুক্তিবদ্ধ এস-৪০০-এর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে।
তবে এস-৫০০ কেনার বিষয়টি ভারতের জন্য সহজ নয়। কারণ ভারত একই সময়ে ‘প্রজেক্ট কুশা’ নামে নিজস্ব দীর্ঘপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
এই প্রকল্পের লক্ষ্য ভবিষ্যতে এস-৪০০-এর মতো সক্ষমতার একটি দেশীয় ব্যবস্থা তৈরি করা।
এছাড়া ভারতের নিজস্ব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কর্মসূচিও উন্নত পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এস-৫০০ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে দেখতে হবে, নতুন এই ব্যবস্থা সত্যিই কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি পূরণ করবে কি না। একই সঙ্গে এটি দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলোর সঙ্গে সংঘাত তৈরি করবে কি না, সেটিও বিবেচনা করতে হবে।
অন্যদিকে ভারতীয় বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমানের সংখ্যা কমে যাওয়ার সমস্যায় রয়েছে। আগামী কয়েক বছরেও ভারতের নিজস্ব কোনো স্টেলথ যুদ্ধবিমান হাতে আসার সম্ভাবনা কম। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া তাদের পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান এসইউ-৫৭ কেনার জন্য ভারতকে আগ্রহী করে তুলছে।
মস্কো ইঙ্গিত দিয়েছে, ভারত এসইউ-৫৭ কিনলে এর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর, স্থানীয়ভাবে উৎপাদন এবং উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির সুযোগ থাকতে পারে। ভারতীয় বিমানবাহিনী রাশিয়ার প্রস্তাবটি বিবেচনা করছে। তবে দেশীয় অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এএমসিএ) তৈরি ও সরবরাহ শুরু না হওয়া পর্যন্ত এসইউ-৫৭-কে ‘সাময়িক সমাধান’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি স্টেলথ যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিলে এটি অনেকটা স্বীকার করে নেওয়ার মতো হবে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনীকে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান দিতে দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলো সফল হয়নি। এদিকে এশিয়ার সামরিক পরিস্থিতিও দ্রুত বদলে যাচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, চীনের কাছে এখন ৫০০টির বেশি জে-২০ ‘মাইটি ড্রাগন’ স্টেলথ যুদ্ধবিমান রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানও আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চীনের তৈরি জে-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান পেতে পারে। এ কারণে ভারতীয় বিমানবাহিনী কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে। একদিকে দেশীয় এএমসিএর জন্য অপেক্ষা করলে দীর্ঘ সময় স্টেলথ যুদ্ধবিমানের ঘাটতি থাকতে পারে। অন্যদিকে এখনই এসইউ-৫৭ কিনলে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি নতুন একটি যুদ্ধবিমান বহরে যুক্ত করার অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে।
ফলে ভারতের সামনে মূল প্রশ্ন এখন দুটি, দেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি হওয়ার পরও কতটা বিদেশি ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে এবং চীন-পাকিস্তান পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ব্যবহারের দিকে এগিয়ে গেলে ভারতীয় বিমানবাহিনী আর কতদিন নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমানের অপেক্ষা করতে পারবে।
রাশিয়ার এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান কিনলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে আরও একটি নতুন ধরনের যুদ্ধবিমান যুক্ত হবে। বর্তমানে ভারতের কাছে রাশিয়ার এসইউ-৩০এমকেআই ও মিগ-২৯, ফ্রান্সের রাফাল ও মিরাজ ২০০০, ব্রিটিশ-ফরাসি জাগুয়ার এবং ভারতের নিজস্ব তেজাস যুদ্ধবিমান রয়েছে।
নতুন ধরনের যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে এর জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, অস্ত্র, খুচরা যন্ত্রাংশ ও সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করতে হয়। ফলে এসইউ-৫৭ কেনা শুধু একটি নতুন যুদ্ধবিমান কেনার বিষয় নয়। এর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন ও অতিরিক্ত অর্থনৈতিক ব্যয়ের বিষয়ও জড়িত।
এসইউ-৫৭ নিয়ে ভারতের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভারত-রাশিয়ার এফজিএফএ প্রকল্পের পুরোনো ইতিহাস। এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানকে ভিত্তি করে ভারতের জন্য একটি নিজস্ব সংস্করণ তৈরি করা। পরে এই যুদ্ধবিমানই এসইউ-৫৭ নামে পরিচিত হয়।
তবে ভারত ও রাশিয়ার সেই যৌথ প্রকল্প শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই কয়েক বছর পর একই এসইউ-৫৭ এখন ভারতের কাছে বিক্রির প্রস্তাব হিসেবে ফিরে আসায় বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রাশিয়ার নতুন প্রতিরক্ষা উদ্যোগ শুধু এস-৫০০ ও এসইউ-৫৭-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মস্কো ভারতের সঙ্গে আরো বড় পরিসরে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে। এর অংশ হিসেবে রাশিয়া ভোরোনেঝ কৌশলগত আগাম সতর্কতা রাডার ব্যবহারের পরিধি বাড়াচ্ছে। এটি একটি দীর্ঘপাল্লার রাডার ব্যবস্থা, যা অনেক দূর থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি শনাক্ত করতে পারে।
এ ছাড়া ভারতের বড় এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান বহরের আধুনিকায়ন এবং রাশিয়ার তৈরি কিলো-শ্রেণির সাবমেরিনের আধুনিকায়ন নিয়েও সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে। এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এইচএএল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা বাজারে রাশিয়া কেন নতুন করে এত সক্রিয় হচ্ছে, তারও একটি কারণ রয়েছে। গত দুই দশকে ভারত বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র কেনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে রাশিয়ার ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমছে।
এর সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো মার্কিন জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার উদ্যোগ। প্রায় ১৬ বছর ধরে চলা প্রক্রিয়ার পর ভারত সম্প্রতি এই অস্ত্র কেনার দিকে এগিয়েছে। একই সময়ে ফ্রান্সের কাছ থেকে আরো ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার বড় চুক্তিও এগিয়ে চলছে।
ভারত একই সঙ্গে নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পেও বড় বিনিয়োগ করছে। ফলে রাশিয়াকে এখন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা কম্পানির পাশাপাশি ভারতের নিজস্ব দ্রুত বিকাশমান সামরিক শিল্পের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
তবে রাশিয়ার একটি বড় সুবিধা রয়েছে। কয়েক দশকের সামরিক সহযোগিতার কারণে রুশ যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, সাবমেরিন, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। এসব অস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পুরোনো অস্ত্রের জায়গায় নতুন ব্যবস্থা আনার প্রয়োজনীয়তা রাশিয়ার জন্য বড় সুযোগ তৈরি করছে। নতুন কোনো সরবরাহকারীর পক্ষে এত দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা সহজ নয়।
বড় কোনো অস্ত্র চুক্তি সরাসরি মোদি ও পুতিন ব্যক্তিগতভাবে পরিচালনা করবেন না। তবে দুই নেতার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বড় প্রতিরক্ষা প্রকল্প এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে বিশকেকে মোদি-পুতিনের বৈঠককে শুধু দুই নেতার ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এর পেছনে আগামী দুই দশকে ভারতের সামরিক বাহিনী কীভাবে গড়ে উঠবে, তা নিয়েও বড় ধরনের প্রতিযোগিতা রয়েছে।
রাশিয়ার প্রস্তাব ভারতকে শেষ পর্যন্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখে ফেলছে। প্রথমত, নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি হওয়ার পথে থাকলে ভবিষ্যতে ভারতের কতটা বিদেশি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে। দ্বিতীয়ত, চীন ও পাকিস্তান যখন পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ব্যবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ভারতের নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমান এএমসিএর জন্য দেশটি আর কতদিন অপেক্ষা করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘পাকিস্তানে প্রতিভার কোনো অভাব নেই’—এই বক্তব্যটি দেশটির রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ক্রিকেটারদের মুখে দারিদ্র্য, অর্থনৈতিক সংকট ও অনগ্রসরতা নিয়ে আলোচনা করার সময় প্রায়ই শোনা যায়। তবে, পাকিস্তানি সাংবাদিক মুহাম্মদ আলিজাহ এই কথাটি বলার সময় চরম বিপদে পড়েছেন।
চালকবিহীন গাড়ির একটি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে গাড়িটি সোজা গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের গাড়িতে।
মুহূর্তের মধ্যেই সেই উদ্ভাবনী প্রদর্শনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা এখন বিশ্বজুড়ে নেটনাগরিকদের জন্য হাসির খোরাক হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের প্রভাবশালী পত্রিকা ডন-কে আলিজাহ জানান, অ্যাবোটাবাদের প্রযুক্তিপ্রেমী এহসান জাফর তাকে চালকবিহীন ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির গাড়িটি নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
আলিজাহ বলেন, ‘সব কিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।
ফলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সোজা গিয়ে পুলিশের একটি গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে।’
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, গাড়িটি ইন্টারনেটভিত্তিক রিমোট কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। হঠাৎ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াই এই বিপত্তির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘টেসলা’র চালকবিহীন গাড়ির মতো পাকিস্তানের নিজস্ব উদ্ভাবন হিসেবে ভিডিওটি তৈরি করা হলেও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি নিয়ে এখন চলছে ট্রলের বন্যা।
ভিডিওটি ইসলামাবাদের অতি-সংবেদনশীল ডি-চক এলাকায় ধারণ করা হয়েছিল। নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পোস্ট করে আলিজাহ দাবি করেন, ‘গাড়িটি স্যাটেলাইট ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। কিন্তু রিমোট অপারেশনের সময় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এটি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পুলিশ ভ্যানে ধাক্কা মারে।’
তিনি জানান, নিরাপত্তাবেষ্টিত ও কম যানবাহন থাকা এলাকায় এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। সতর্ক করে বলেন, ‘ব্যস্ত কোনো রাস্তায় এমনটা হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা কিংবা প্রাণহানি ঘটতে পারত। প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন প্রশংসনীয়, কিন্তু তা মানুষের জীবনের বিনিময়ে নয়।
’ এটি কোনো সমালোচনা নয়, বরং সতর্কবার্তা ও সচেতনতা তৈরির একটি দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে এই ব্যাখ্যার পরও নেটদুনিয়ায় ট্রল থামেনি। আলিজাহর পোস্টের নিচে হাসির রোল তুলেছেন পাক নেটিজেনরা। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাই, প্রতিভার কথাটা একেবারে ভুল সময়ে বলে ফেলেছেন!’ অন্য একজন কৌতুক করে লিখেছেন, ‘পুলিশের মার খাননি তো? ভাগ্য ভালো আপনার!’ আরেক ব্যবহারকারী খোঁচা মেরে লেখেন, ‘কী দারুণ ট্যালেন্ট! দুনিয়ার আর কিছু পেল না, সোজা গিয়ে আঘাত করল পুলিশের গাড়িতেই!’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ