ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি


ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি

ভারত থেকে সরকারিভাবে (জিটুজি) আমদানি করা চালের প্রাথমিক পরীক্ষায় ‘খাবার উপযোগী’ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী পরীক্ষায় এতে বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ‘আফলাটক্সিন’ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামের হালিশহর কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামের (সিএসডি) ১৩৫ টন চালের মধ্যে এই বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ।

তিনি জানান, ভারত থেকে আমদানি করা ১৩৫ টন চালের মধ্যে আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই চালগুলো অধিকতর পরীক্ষার জন্য নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রিজভী: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এমভি এইচটি পাইওনিয়ার জাহাজের মাধ্যমে ভারত থেকে চালগুলো আনা হয়। গত ২১ জুলাই জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছালে, পরদিন খাদ্য অধিদপ্তরের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় চাল খাবার উপযোগী বলে প্রতিবেদন পাওয়ার পর ২৪ ও ২৫ জুলাই তা খালাস করা হয়।

পরে চালের একটি অংশ ঢাকার তেজগাঁও সিএসডি, চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি ও দেওয়ানহাট সিএসডি এবং গাজীপুরের জয়দেবপুর স্থানীয় খাদ্যগুদামে (এলএসডি) পাঠানো হয়। তবে, গুদামে পৌঁছানোর পর চালের নিম্নমান দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আপত্তি তোলেন। খাবারের উপযোগী মনে না হওয়ায় পরিবহন ঠিকাদারেরাও এর পরিবহন স্থগিত রাখেন। পরবর্তীতে বিষয়টি খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে লিখিতভাবে জানানো হয়।

এরপর আমদানি করা চালের মান যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ১৭ আগস্ট গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তির নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল চট্টগ্রামে যায়। দলটি হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডির কয়েকটি স্তূপ থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে। পরবর্তী পরীক্ষায় হালিশহর সিএসডির ১৩৫ টন চালের মধ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি ধরা পড়ে।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জসিম উদ্দিন খানের নির্দেশে সাড়ে ৯ হাজার টন চালের বিতরণ স্থগিত রেখে মান পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষায় ১৩৫ টন চালের মধ্যে ক্ষতিকর উপাদানটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে, বাকি চাল নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ ও দেওয়ানহাট সিএসডির ব্যবস্থাপক হামিম রহমান।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগের চলাচল ও সংরক্ষণ শাখার নিয়ন্ত্রক রেজোয়ান সাকিব বলেন, হালিশহর সিএসডির চালের মধ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি পাওয়ার বিষয়টি জেনেছি। এ কারণে অধিকতর পরীক্ষার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এটি এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান, যা মূলত ‘অ্যাসপারজিলাস’ গোত্রের ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। আর্দ্র বা অনুকূল পরিবেশে শস্য, বাদাম ও চাল দীর্ঘক্ষণ থাকলে এই ছত্রাক ও বিষের জন্ম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আফলাটক্সিনযুক্ত খাবার দীর্ঘদিন খেলে মানুষের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে গিয়ে হতাশ পর্যটকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে গিয়ে হতাশ পর্যটকরা

হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য একবারের জন্য দেখার উদ্দেশ্যে পঞ্চগড়ে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী ভিড় করেছেন। পূজার ছুটির সময় হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ের হোটেল, হোমস্টে এবং তেঁতুলিয়ার ডাকবাংলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার ভোর থেকে তারা উত্তর আকাশের দিকে তাকিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শনের অপেক্ষায় ছিলেন। তবে মেঘ এবং কুয়াশার কারণে অনেকের জন্য কাঙ্ক্ষিত দৃশ্য অধরা থেকে গেছে। যদিও হালকা শীতের আমেজ এবং চা-বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করে অনেকে ছুটির আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন।

জানা যায়, শুক্রবার ভোর থেকেই পর্যটকরা উত্তর আকাশের দিকে দৃষ্টি রেখেছিলেন। তাদের আশা ছিলো ভোরের প্রথম আলোতে কাঞ্চনজঙ্ঘার রঙের খেলা উপভোগ করবেন। কেউ জীবনসঙ্গী নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে এবং কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু প্রকৃতি বড়ই নিষ্ঠুর। কুয়াশা এবং কিছু মেঘ তাদের এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার মাঝে একটি পর্দা তৈরি করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা অপেক্ষা করছেন, যদি দেখা মেলে। এভাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে হাজারো পর্যটক হতাশ হয়েছেন।

অন্যদিকে, যখন নগরে গরমে মানুষ হাহাকার করছে, তখন হিমালয় কন্যায় হালকা শীত প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি বাড়তি আনন্দ যোগ করেছে। অনেকেই জেলার সমতলের চা বাগান, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট, মহারাজার দিঘী, ভিতরগড় দুর্গনগরী, মির্জাপুর শাহী মসজিদ এবং বোদেশ্বরী পীঠমন্দিরসহ সবুজ শ্যামল গ্রামবাংলা নদী পথ এবং মাঠ ঘাট ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন।

দক্ষিণের আরেক প্রান্ত চট্টগ্রাম থেকে আসা রাইসুল ইসলাম বলেন, "প্রথমবার এসেছে নিজ দেশের মাটি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখবো বলে। কিন্তু ভাগ্য আমাদের সহায় নয়। বড়ই হতাশ হয়েছি।"

ঢাকা থেকে আসা শহিদুল ইসলাম শামু বলেন, "কাঞ্চনজঙ্ঘা প্রতিদিনই দেখা যাবে এমন না। আকাশ পরিষ্কার থাকলে হয়তো দেখা পেতাম। তবে আশা ছাড়িনি। তবুও পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগছে।"

ঢাকা থেকে আসা রুবাইয়া শায়েরা বলেন, "ভোর থেকে বসে আছি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার পাই নি। তবে এখানে আগাম শীত বেশ উপভোগ করছি।"

স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল ইসলাম জানান, "তেঁতুলিয়ায় গত কয়েকদিনে হাজার হাজার পর্যটক এসেছে। এখানকার পর্যটন শিল্প বেশ জমে উঠেছে। পর্যটন এলাকা, হোটেল, হোম স্টে এবং খাবার হোটেল কোথাও ফাঁকা নেই। পর্যটকদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তবে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলে এই সংখ্যা আরও বাড়তো। এছাড়া আমাদের এলাকার প্রকৃতিক সৌন্দর্য কিন্তু কম নয়।"

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, "কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে কাঞ্চনজঙ্ঘা দৃশ্যমান হবে। অক্টোবরের শেষ এবং নভেম্বরের শুরুতে কাঞ্চনজঙ্ঘা ভালোভাবে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন জানান, "পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্পের অন্যতম সমস্যা আবাসন সংকট। আমরা সরকারি এবং বেসরকারিভাবে এই আবাসন সংকট দূর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সেই সাথে পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু

সৌদি আরবে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় আনোয়ার হোসেন (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে সৌদি আরবের আছির প্রদেশের রাজধানী আবাহ শহরে। পরিবার সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

নিহত আনোয়ার হোসেন ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের বেইলা গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র। পরিবারের সদস্যদের মতে, জীবিকার খোঁজে আনোয়ার দুই বছর আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার কর্মস্থল থেকে ফেরার সময় একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়, যার ফলে তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আবাহ শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার খবর শুনে পরিবারের সদস্যরা আহাজারি শুরু করেন। তারা তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ও সন্তানকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

নিহতের বড় ভাই সানোয়ার হোসেন জানান, আনোয়ার তিন ভাইয়ের মধ্যে মেজো ছিলেন। ব্যবসায় লোকসান ও ঋণের চাপের কারণে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে গিয়ে এখন তিনি লাশ হয়ে ফিরলেন।

সাগরদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম বলেন, নিহত আনোয়ার বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। তিনি দুঃসময়ে ছাত্রদল ও যুবদলের সঙ্গে যুক্ত থেকে কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। এমন একজন তরতাজা যুবকের আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আনোয়ারের লাশ সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে নিহতের বন্ধুরা জানিয়েছেন। লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরার দুর্গাপূজার মেলায় অতিরিক্ত মদ্যপানে ২ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


মাগুরার দুর্গাপূজার মেলায় অতিরিক্ত মদ্যপানে ২ জনের মৃত্যু

মাগুরার শ্রীপুরে দুর্গাপূজার মেলায় গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে অতিরিক্ত মদ্যপান করার ফলে বিধান বিশ্বাস (২২) ও আলমগির লস্কার (৩৮) নামের দুই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

নিহত বিধান বিশ্বাস শ্রীপুর উপজেলার মালদা গ্রামের বিনয় বিশ্বাসের ছেলে এবং আলমগির লস্কার একই উপজেলার বাখেরা মকর্দমখোলা গ্রামের আজম লস্কারের সন্তান।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা বুধবার দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীর রাতে শ্রীপুর উপজেলার জারিয়া গ্রামের পূজামণ্ডপ এলাকায় আয়োজিত মেলায় গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে অতিরিক্ত মদ্যপান করেন। পরে তারা রাতে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এদিকে, কোনো চিকিৎসা না নিয়ে সারা দিন বাড়িতে থাকার ফলে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে যান। এরপর বিধান বিশ্বাসকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এবং আলমগির লস্কারকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, পথে তাদের মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইমরান হোসেন জানিয়েছেন, দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

শ্রীপুর থানার ওসি মো. ওলি মিয়া জানান, অতিরিক্ত মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। তবে তাদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে ময়নাতদন্তের পর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৯৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৯৯

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে চলতি বছরে মশাবাহিত রোগটির কারণে মোট প্রাণহানি ৩৭১ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৯৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাহিরে) গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ২৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩১, খুলনা বিভাগে ১৪৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০০, রাজশাহী বিভাগে ১১৩, রংপুর বিভাগে ৩৮ এবং সিলেট বিভাগে দুইজন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সর্বমোট, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে, দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গুতে ১৭৯ জন মারা গেছেন। এছাড়া, উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন, বরিশাল বিভাগে ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, রংপুরে ৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%