মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৭ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের কতদিন অবস্থান করার অনুমতি থাকবে, সে বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধি কার্যকর করার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। নতুন এই নিয়মে নির্দিষ্ট সময় পর অবস্থান বাড়ানোর জন্য আলাদা করে আবেদন করার বাধ্যবাধকতা তৈরি হওয়ার কথা ছিল।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বোস্টনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক এফ. ডেনিস সেইলর এই স্থগিতাদেশ জারি করেন। দেশটির কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন এবং উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সংগঠনের জোটের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় প্রদান করা হয়। আদালত নতুন বিধি কার্যকর হওয়ার এক দিন আগে তা আটকে দেন।
ডিএইচএস জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার এবং ভিসা ব্যবস্থায় প্রতারণা ঠেকানোর যুক্তিতে নতুন নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। তবে বিচারক মন্তব্য করেন, নীতি পরিবর্তনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর উদ্বেগ যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। পাশাপাশি, কম কঠোর বিকল্প ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার আইনি দায়িত্বও সংস্থাটি পালন করেনি।
ভিসার মেয়াদে কী পরিবর্তন আনার কথা ছিল?
বর্তমানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত এফ ভিসা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির আওতায় দেওয়া জে ভিসার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মেয়াদের পরিবর্তে ‘স্ট্যাটাস বজায় রাখা পর্যন্ত’ যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ রয়েছে। নতুন নিয়মে এফ ও জে ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছরে সীমাবদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, সাংবাদিকদের জন্য ব্যবহৃত আই ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২৪০ দিন করার কথা ছিল। বর্তমানে এই ভিসার মাধ্যমে সাংবাদিকরা তুলনামূলক দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন।
বিচারক সেইলর বলেন, প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলে আসা ব্যবস্থাকে বদলে নতুন নিয়ম চালু করতে চেয়েছিল হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। তাঁর মতে, এই পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী, অধ্যাপক এবং সাংবাদিকদের সামগ্রিক সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতিতে প্রভাবের আশঙ্কা
আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১৬ লাখ মানুষ এফ ভিসা এবং আরও প্রায় ৫ লাখ মানুষ জে ভিসার আওতায় রয়েছেন। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) এবং হার্ভার্ডের মতো গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে, উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।
বিচারক বলেন, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় কয়েক শ কোটি ডলার বাড়তে পারে এবং শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যেতে পারে। এর ফলে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা ও মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
মামলাকারী সংগঠন প্রেসিডেন্টস অ্যালায়েন্স অন হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের প্রধান মিরিয়াম ফেল্ডব্লাম আদালতের রায়টি বিদেশি শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে মন্তব্য করেন। মামলাটি চলমান থাকলেও এই আদেশের ফলে দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা আপাতত বহাল থাকছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক মেধাবীদের আকর্ষণ, শিক্ষা দেওয়া এবং ধরে রাখার সুযোগ দেবে।
তবে ডিএইচএসের জেনারেল কাউন্সেল জেমস পার্সিভাল আদালতের রায়ের সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকানো কঠিন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে, আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্ত করে, জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহতদের মধ্যে বিতরণের জন্য ঐতিহাসিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করে। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ওবায়দুল কাদের ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। উল্লেখ্য, ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার সব আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান ব্যতীত বাকি পাঁচ শীর্ষ নেতার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তি ‘জুলাই ফাউন্ডেশন’ বা সংশ্লিষ্ট বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের পরিবারকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের প্রতিক্রিয়া ও স্বস্তিরায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের রুলস অ্যান্ড স্ট্যাটিউটসে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। তবে এই প্রথমবারের মতো ট্রাইব্যুনাল আসামিদের ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত দিলেন। সেই সম্পত্তি জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো সরকারি বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে শহীদ পরিবার ও আহতদের মাঝে বণ্টন করা হবে।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘জুলাই আন্দোলনে প্রায় ১,৪০০ নিরীহ মানুষ জীবন দিয়েছেন এবং ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। আজকের এই রায়ের মাধ্যমে ওই শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর প্রতি পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো বলে আমরা মনে করি। এটি একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও প্রত্যাশিত রায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের দক্ষ সদস্যদের কাজে লাগিয়ে এই ইউনিট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলছে। যদিও এসব কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে অ্যাডহক ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে, তবে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, আইটি ও কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক সদস্য কর্মরত আছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে।
পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা ও মনোবল বৃদ্ধি করতে সরকার জোর দিচ্ছে। মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকরভাবে দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় পুলিশ স্টাফ কলেজের ভূমি ব্যবহারে এমআরটির প্রস্তাব, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কোর্সের বৈদেশিক অংশের জন্য অর্থ বরাদ্দ, কলেজের অধীনে পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং কলেজের বিধিসমূহের সরকারি অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণকে পদোন্নতি ও পদায়নের অগ্রাধিকার শর্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, আন্তর্জাতিক পুলিশ একাডেমিগুলোর সংগঠন INTERPA-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে প্রশিক্ষণ আয়োজন ও বিদেশে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিচালনা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত, হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ে ১ হাজার ৩১৬ জনের মধ্যে হাম সংক্রান্ত উপসর্গ চিহ্নিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চালু করা হয়েছে। এই পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত বিভাগসমূহকে প্রয়োজনীয় উপকরণাদি প্রদান করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স কক্ষে উপকরণাদি প্রদান করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মো. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মামুনুর রশীদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. হাসনাত কবীর, ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মোহাম্মদ আমীরুল ইসলাম, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর এ এইচ এম খুরশীদ আলম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর এস এম কামরুজ্জামান, সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের সভাপতি এবং পরীক্ষা কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্যরা।
কোডিং পদ্ধতি চালুর প্রথম পর্যায়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরীক্ষায় এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সকল বিভাগে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ