শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩১ এম
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ-র তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলাগুলোর মধ্যে কিছু এলাকায় ফসফরাস গোলার ব্যবহার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন স্থানে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে বলে এনএনএ জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, নাবাতিয়েহ জেলার জাওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ করে ইসরাইলি বাহিনী। সংস্থাটি জানায়, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় ফসফরাস গোলার ব্যবহারের তথ্যও রয়েছে।
এছাড়া, টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন, হারিস ও হাদাথা এলাকার উপকণ্ঠেও গোলাবর্ষণ করা হয়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নাবাতিয়েহ, টায়ার, বিন্ত জবেইল ও মারজায়ুন জেলার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, লেবাননের সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন ও বিন্ত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম ও আল-গানদুরিয়াহ এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর ফেলে যাওয়া দুটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
লেবাননে চলমান সংঘাতে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৭ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরাইলি হামলায় ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এই হিসাব ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রযোজ্য।
বাস্তুচ্যুতির পরিস্থিতিও অত্যন্ত গুরুতর। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের ৯ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, লেবাননে ৩ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ তখনও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ছিলেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি ছিল।
জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই চুক্তির আওতায় দক্ষিণ লেবাননে লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েন, ইসরাইলি বাহিনীর ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে এখনও অচলাবস্থা বিদ্যমান।
জাতিসংঘের লেবাননবিষয়ক শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলও দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিশনটির প্রধান সম্প্রতি বলেছেন, বছরের শেষের দিকে ইউনিফিলের নির্ধারিত প্রত্যাহারের আগে দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা ও মানবিক কার্যক্রম লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকরভাবে হস্তান্তর করা জরুরি।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে গোলাবর্ষণ এবং ফসফরাস গোলার ব্যবহার চুক্তির ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এর আগে অভিযোগ করেছেন যে, ইসরাইল কাঠামোগত চুক্তির বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেতা ও কবি রিফাত চৌধুরীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তবে রিফাত চৌধুরী সরাসরি এই দাবি অস্বীকার করেছেন। তার বক্তব্য হলো, চিকিৎসার জন্য জায়েদ খান তাকে কোনো আর্থিক সহায়তা প্রদান করেননি।
জায়েদের সহায়তার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর রিফাত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাকে সহায়তা করা হয়েছে বলে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেটি সত্য নয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে বা কার মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়েছে।
এর আগে জায়েদ খান রিফাত চৌধুরীর পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, বিপদের সময় একজন শিল্পীর পাশে আরেকজন শিল্পীর থাকা স্বাভাবিক। তিনি জানান, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রিফাতের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি তিনি অন্যান্য শিল্পীদেরও সহযোগিতার আহ্বান জানান।
দুই শিল্পীর বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা দেখা দেওয়ায় শোবিজ অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সহায়তার দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য আসায় নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে, রিফাত চৌধুরী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার পাশাপাশি চিকিৎসার খরচ বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিফাতের অসুস্থতার কথা জানিয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। পরে অভিনয় শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’ও হাসপাতালে গিয়ে তার খোঁজখবর নেয় এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার সকালে দুটি টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ ১০৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের তথ্য পাওয়া যায়, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ। এর আগে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সরবরাহ এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির ছিল।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী কার্গো থেকে খালাস প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হওয়ায় সামিটের টার্মিনাল বন্ধ করে দিতে হয়। তবে শুক্রবার সকালে এলএনজি খালাস শুরু হলে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পেট্রোবাংলার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা শনিবার ইনকিলাবকে জানান, এলএনজিবাহী কার্গো আসার শিডিউল ঠিক থাকায় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে মার্কিন কোম্পানির এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে ৫০০ এবং দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। দুটি টার্মিনালের সক্ষমতা ১০৫০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
দুটি টার্মিনালকে পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখতে মাসে দশটি এলএনজিবাহী কার্গো আমদানি করতে হয়। ইরান যুদ্ধের কারণে গত কয়েক মাসে পর্যাপ্ত এলএনজি আমদানি করা সম্ভব হয়নি। হরমুজ প্রণালী নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ আসতে পারেনি। এর ফলস্বরূপ গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে চলতি মাসে নয়টি জাহাজ আসার শিডিউল দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে আটটি জাহাজ ইতোমধ্যে এসেছে। ২৮ সেপ্টেম্বর আরো একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও ২৬৫০ থেকে ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। দেশে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। এলএনজি রূপান্তর করে পাইপলাইনে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান দুটি টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের এবং অপরটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। দুইটি টার্মিনাল মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম। এলএনজি সরবরাহ বিঘ্নিত হলে দেশে গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। এদিকে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শিল্প কারখানায় গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উৎপাদনে গতি এসেছে। গ্যাসচালিত বিদ্যুতকেন্দ্রে উৎপাদন বেড়েছে এবং লোডশেডিং কমেছে। আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে দুইটি কনসার্ট বাতিল করা হয়েছে এড শিরানের। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ফক্সবোরোর গিলেট স্টেডিয়ামে এই কনসার্ট দুটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ব্রিটিশ গায়ক এড শিরান চলমান যুক্তরাষ্ট্র সফরের অংশ হিসেবে সেখানে গান পরিবেশন করবেন বলে আশা করা হয়েছিল।
গিলেট স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ জানায়, বোস্টন ও নিউ ইংল্যান্ডজুড়ে সপ্তাহান্তে গুরুতর আবহাওয়ার সতর্কতা জারি থাকায় স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কনসার্ট দুটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দর্শক, কর্মী এবং অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
এলাকায় প্রবল বাতাসের সতর্কতা রোববার ভোর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বাসিন্দাদের প্রয়োজন ছাড়া গাড়িতে চলাচল কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
কনসার্ট বাতিল হওয়ায় টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আয়োজকদের নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে টিকিট কেনা দর্শকরা সেখান থেকেই অর্থ ফেরত পাবেন। আর টিকিটমাস্টারের মাধ্যমে কেনা টিকিটের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়া হবে।
এদিকে, আবহাওয়ার কারণে কনসার্ট বাতিল হওয়ার আগে এড শিরান অন্য একটি বিতর্কেও আলোচনায় ছিলেন। তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের সহশিল্পী ম্যাকলমোরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। ম্যাকলমোর মঞ্চে ফিলিস্তিনের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি গাজায় ‘গণহত্যা’ চলছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তার পরিবেশনার সময় গাজার বিভিন্ন ছবি প্রদর্শন করা হয়েছিল।
ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে গিলেট স্টেডিয়ামের মালিক রবার্ট ক্রাফটও ভূমিকা পালন করেন। ইহুদি ব্যবসায়ী রবার্ট ক্রাফট ম্যাকলমোরের বক্তব্যকে বিদ্বেষমূলক আখ্যা দিয়ে জানান, তাকে গিলেট স্টেডিয়ামে পরিবেশনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ফলে এড শিরানের সফরটি আবহাওয়াজনিত সমস্যার পাশাপাশি ওই বিতর্কের কারণে গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে শেষ হওয়া ম্যাচে ব্রাজিলের সার্বিক পারফরম্যান্সে কিছুটা হতাশা অনুভব করলেও, কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব বজায় রেখেছেন। তাঁর মতে, ম্যাচে শিষ্যদের মনোভাব ও মাঠে নিবেদনের অভাব ছিল না।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই অভিজ্ঞ কোচ পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকার করেন। সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, ‘এটাকে পরাজয় বলে মনে হচ্ছে না, কারণ শেষ পর্যন্ত আমরা ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছি। দল জিততেও পারত, আমাদের সামনে বেশ কিছু সুযোগ ছিল। এমন মাঠে খেলা কঠিন হলেও একটা গোল খাওয়ার পর ছেলেরা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে। ড্রটা আমাদের প্রাপ্যই ছিল।’
সমর্থকদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়ে আনচেলত্তি বলেন, এটি তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শুরু হওয়া প্রক্রিয়ার অংশ। বিশেষ করে এনদ্রিক ও এস্তেভাওয়ের মতো উদীয়মান প্রতিভাদের বেশি সময় দেওয়ার দিকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
আনচেলত্তি বলেন, ‘সমর্থকদের ধৈর্য ধরতেই হবে। যখন কোনো প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট আসবে, তখন দল শতভাগ প্রস্তুত থাকবে। অ্যাটাকিং থার্ডে ফিনিশিংয়ের কিছু অভাব থাকলেও শেষ বাঁশি পর্যন্ত ছেলেরা লড়াই করেছে।’
ব্রিসবেনে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সেলেসাওরা আবারও সকারুজদের মুখোমুখি হবে। সেই ম্যাচে পরিবর্তন প্রসঙ্গে ব্রাজিল কোচ জানান, একাদশের পাশাপাশি ছক বা ফরমেশনেও পরিবর্তন আসতে পারে। কখনো দুজন আবার কখনো তিনজন মিডফিল্ডার নিয়ে কৌশল সাজানোর ইঙ্গিত দেন তিনি, যা ভবিষ্যতের জন্য দলকে গুছিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ