শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৫ পি.এম
সুনামগঞ্জের শাল্লায় বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির যৌথ উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা এবং নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রথমে উপজেলা সদরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়, যা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা এনামুল হক।
এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয় এবং প্রয়াত শিক্ষকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
২০১৮ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানানো হয় এবং একই সঙ্গে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মোস্তাক মিয়া। বিদায়ী শিক্ষকদের সম্মানে মানপত্র পাঠ করেন আনন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিল্পী রাণী সরকার। পরে বিদায়ী শিক্ষকদের হাতে মানপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানটি মনোজ সরকার খোকন ও অরবিন্দু দাসের যৌথ সভাপতিত্বে এবং অনাদি তালুকদার ও পল্লবী চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে অবসর নেওয়া শিক্ষকরা শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তাঁরা নবীন শিক্ষকদের প্রতি প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও আদর্শ অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
উপস্থিত ছিলেন ,শাল্লা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নগেন্দ্র চন্দ্র সরকার
গোবিন্দ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিপাল দাস মিল্টন
শাহীদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফ মোহাম্মদ দুলাল
শাল্লা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল, জাকির হোসেন ও আঃ করিম মাস্টার
এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।
ধামাইল গান পরিবেশন ও খাবার পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তানিয়া বৃষ্টি, যিনি অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে শোবিজ থেকে দূরে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। নাটক, ওটিটি এবং চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দক্ষতার ছাপ রয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। এরপর তিনি অভিনয়ে বিরতি নেন। টিউমার শনাক্ত হওয়ার পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার প্রথম অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে পাঠানো হয়, যেখানে তার দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার হয়।
বর্তমানে চিকিৎসা ও সুস্থতার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন তানিয়া বৃষ্টি। কঠিন এই সময়ের মধ্যে তিনি ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখছেন। অভিনেত্রী তার বিশ্বাসের কথা জানিয়ে বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।"
অভিনেত্রীর সুস্থতা কামনা করছেন তার সহকর্মী ও ভক্তরা। সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি কোরআনের একটি আয়াত শেয়ার করেছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।" (সূরা আল-বাকারাহ: ১৫৩)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বাংলার মাটিতে কোনো ফ্যাসিস্ট-স্বৈরাচারের স্থান হবে না’
‘বাংলাদেশের আগামী দিনগুলো হবে জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে গঠিত। বাংলার মাটিতে কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচারের স্থান থাকবে না।
আগামী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেদের তৈরি করতে হবে।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল কনভেনশন সেন্টারে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় ২০২৬ সালে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এই মন্তব্য করেন। ত্রিশাল উপজেলা ও পৌর ছাত্রদল এই সংবর্ধনার আয়োজন করে।
মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, পতিত ফ্যাসিস্টরা দেশে আসার জন্য উঁকিঝুঁকি দিলেও তারা আর কখনো দেশে ফিরবে না।
দেশে অবস্থানরত তাদের সহযোগীদের চাঙ্গা রাখতে তারা বলছে, অমুকদিন-তমুকদিন আসছি। কিন্তু আসলে তারা আর ফিরবে না।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন। পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার তাকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল।
ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি ইয়াসির আরাফাতের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূঁইয়া।
পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম এবং সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুজ্জামান মৃধা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন মিলন, উপজেলার বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল ফরাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল হাসান জামিল, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মতিন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত দুই শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা, ক্রেস্ট, সম্মাননা ও ফুল প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত প্রযুক্তি গ্রাম ও কৃষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং পরিকল্পনা-৩ শাখার গবেষণা অনুসন্ধানী মোহাম্মদ শফিকুল আলম শনিবার ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রযুক্তি গ্রাম পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধি দলটি দিনাজপুর সদর উপজেলার হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে চলমান গবেষণা ও প্রদর্শনী কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তারা কৃষকের মাঠে আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তির প্রয়োগও সরেজমিনে দেখেন।
এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনা, ধান উৎপাদনের সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান, স্থানীয় কৃষি-জলবায়ু ও মাটির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ধানের জাত নির্বাচন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে এলএসটিডি প্রকল্পের আয়োজনে আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তিবিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ছয়টি আঞ্চলিক ধান গবেষণা কেন্দ্র ও স্যাটেলাইট কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে দিনাজপুর একটি।
তিনি আরও বলেন, এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতি থেকে বের করে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করানোই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
উপসচিব কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজেদের কাজে লাগানোর পাশাপাশি অন্য কৃষকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি জমিতে অতিরিক্ত সার প্রয়োগ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত সার ব্যবহারের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দিনাজপুরে কার্যালয় স্থাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো এ অঞ্চলের উপযোগী সুগন্ধি ও প্রিমিয়াম মানের ধান উৎপাদন করা। তিনি জানান, বাসমতি, জেসমিন এবং খাগড়াছড়ি এলাকায় উৎপাদিত স্টিকি বা আঠালো ধানের মতো আধুনিক জাতগুলোও কৃষক পর্যায়ে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে আধুনিক জাতের ধান ও প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরেও উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কৃষকেরা ধান চাষের বিভিন্ন সমস্যা, উৎপাদন ব্যয়, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
এ সময় স্থানীয় কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা দিনাজপুরে স্থায়ী আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের চলমান কার্যক্রম এবং ভূমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার এবং ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোছা. সেলিমা জাহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ