বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৩৮ পি.এম
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে হামলার পেছনে ছিল একটি নিখুঁত পরিকল্পনা। মুম্বাই পুলিশের তদন্তে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দশজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
‘ডেড লেটার বক্স’ একটি ব্যবস্থা, যেখানে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর আগে কোনো জিনিস রেখে দেওয়া হয়। পরে অন্য একজন সেখানে গিয়ে সেই জিনিস সংগ্রহ করে নেয়। এখানে যিনি জিনিসটি রেখে যান এবং যিনি সংগ্রহ করেন, তাদের সরাসরি দেখা হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই বুদ্ধি টাইগার শ্রফের কিলিং মিশনে প্রয়োগ করা হয়েছিল।
এতে যুক্ত অপরাধীদের অস্ত্র সরবরাহের নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ছিল। একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ সংগ্রহ করে বহনকারীরা। সেই অস্ত্র পৌঁছায় ‘ডেড লেটার বক্স’-এ। সেখান থেকে কিলাররা অস্ত্র সংগ্রহ করে। পুরো চক্রের যোগাযোগ এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে বজায় ছিল।
পুলিশের দাবি, এ মামলায় কুণাল ও সুমিত নামে দুই অভিযুক্ত অমৃতসরে গিয়ে একটি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ সংগ্রহ করেছিল। তাদের কাছে আগে থেকেই সংগ্রহস্থলের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। রাধা ও ববিতা নামে দুই নারীকে অস্ত্র বহন করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।
তদন্তে আরও জানা গেছে, কুণাল ও অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তির মধ্যে এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ চলছিল। অস্ত্র সংগ্রহ এবং তা মুম্বাইয়ে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা এই অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। অস্ত্র পরিবহণের ব্যবস্থা করার জন্য কুণালকে ৭০-৮০ হাজার রুপি প্রদান করা হয়েছিল। সেই অর্থ থেকে দুই নারীকে প্রায় ১০-১২ হাজার রুপি দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গোটা ঘটনাটিকে একটি সংগঠিত অপরাধ চক্রের সম্ভাব্য অপারেশন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রোববার (১৮ অক্টোবর) পুষ্প নার্সি পার্কের কাছে গুলিতে জখম হন অভিনেতা টাইগার শ্রফ। ফুটবল খেলা শেষে সেখান থেকে বেরিয়ে আসছিলেন তিনি। হামলাকারীরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি চালায় এবং পরে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটি দাবি করেছে যে, রাহুল গান্ধী বিদেশে গিয়ে কোনো নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা পরিবর্তনের পাঠ নিচ্ছেন।
বুধবার বিজেপি জানায়, রাহুল গান্ধী বিদেশ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং তিনি কোনো নির্বাচন ছাড়া ‘ক্ষমতা পরিবর্তনের’ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন।
বিজেপির মুখপাত্র সমবিত পাত্র অভিযোগ করেন, “দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে, যার উদ্দেশ্য হলো রাহুল গান্ধীকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসা। তিনি এর আগেও বহুবার ব্যর্থ হয়েছেন।”
বিজেপি নেতার দাবি, রাহুল গান্ধী বিদেশে গিয়ে ধনকুবের বিনিয়োগকারী জর্জ সোরোস ও তার সহযোগীদের সঙ্গে দেখা করেছেন, যাতে ভারতকে অস্থিতিশীল করার এবং নির্বাচন ছাড়াই ‘ক্ষমতা পরিবর্তন’ করার বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, “নেহা বোরা, প্রশান্ত ভূষণ এবং সঞ্জয় রাউত—তারা নিজেরাই নিজেদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন: ক্ষমতা পরিবর্তন। আর এই লক্ষ্য অর্জনে যদি সহিংসতার প্রয়োজন হয়, তবে কিছু মানুষ তার সমর্থনেও এগিয়ে এসেছেন।”
এর আগে বিজেপি দাবি করে যে, রাহুল গান্ধী আবারও বিদেশ সফরে গেছেন। একটি উড়োজাহাজের ভেতরের ভিডিও প্রকাশ করে দলটি জানায়, রাহুল গান্ধী ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। সূত্র: পিটিআই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজায় চলমান গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ফিলিস্তিনিদের শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। একই সঙ্গে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নির্বিচার বোমা হামলার বিরোধিতা করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিদের শান্তি ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মালয়েশিয়া অবিচল রয়েছে। গাজায় গণহত্যার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচার বোমা হামলার বিরোধিতা করছে তার দেশ।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্রমবর্ধমান সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকট যাতে আরো বিস্তৃত না হয়, সে জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি জানান, এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানিসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।
আনোয়ার ইব্রাহিমের ভাষ্য, আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে এসব আলোচনা চলমান সংকটের গুরুত্ব এবং সংঘাতের বিস্তার ঠেকানোর জরুরি প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরে।
মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে দেশটির সরকার বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তার বক্তব্যে ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচারের দাবির পাশাপাশি লেবাননের বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর ও আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সরকার গঠন করলে স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সম্প্রতি তিনি একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দের দুইটি মন্ত্রণালয়ের নাম উল্লেখ করেন।
এছাড়া, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে দলের অন্যান্য নেতাদের সম্ভাব্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েও তিনি নিজের মতামত তুলে ধরেন। এনসিপির এই নেতা জানান, "আমাদের যদি সরকার আমরা যখন গঠন করবো আমাদের মধ্যে কমরেডশিপটা অনেক বেশি আরকি। অর্থাৎ প্রত্যেকে আলোচনা এখানে কোন একজন ব্যক্তি কোন কিছু নিয়ন্ত্রণ করে না। এবং যদি আসি ইনশাল্লাহ সেখানে আমার দুইটা জায়গায় আমি বেশি খেদমত করতে পারবো বলে ধারণা করি।"
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, "স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রত্যেকটা পলিটিক্যাল কমিউনিটিকে ডিল করতে হয়। এবং সেই পলিটিক্যাল কমিউনিটির এক্সপেরিয়েন্সটা আমার আছে।"
অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষার পটভূমি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখার কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পরিচালনার জন্য তিনি উপযুক্ত বলে মনে করেন। পাটওয়ারী বলেন, "আমি যেহেতু বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডে পড়াশোনা করেছি এবং জব করেছি। এবং বাংলাদেশের সকল বিজনেস সম্পর্কে আমি নলেজ প্রতিদিন রাখার চেষ্টা করি ফলেতো বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমি চালাইতে পারব।"
সাক্ষাৎকারে এনসিপির অন্যান্য নেতাদের সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়েও আলোচনা করেন পাটওয়ারী। তার মতে, হাসান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আখতার হোসেন আইন মন্ত্রণালয় এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন। পরিবহণ খাতেও দলের এক নেতার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
দলের মহাসচিব কে হবেন এমন প্রশ্নের জবাবে পাটওয়ারী বলেন, "দ্রুত বর্তমান দায়িত্ব ছেড়ে নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে চাই। রাজনীতি থেকে আগেভাগেই অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনীতিতে একটু আগেভাগেই অবসরে যেতে চাই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ