ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ


রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

রাজধানীতে বসবাসকারী মানুষদের প্রতিদিনই নানান প্রয়োজনে কোনো না কোনো মার্কেট কিংবা শপিংমলে যেতে হয়। তবে কখনো কখনো গেলে দেখা যায়, সেখানে সমস্ত মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ। তখন কাজ তো হয়ই না, বরং সময়ও নষ্ট হয় এবং সেই সঙ্গে মনও খারাপ হয়ে ওঠে।

তাহলে, ব্যস্ত এই শহরের মার্কেটে বের হওয়ার আগেই রোববার (১২ জুলাই) আপনি জেনে নিন কোন কোন মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেটঃ

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালি অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাটঃ

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকা, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ, সানারপাড়।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওষুধের দাম কমার রায়ের আগেই রোগী মারা গেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ এম


ওষুধের দাম কমার রায়ের আগেই রোগী মারা গেলেন

ভারতের কেরালায় স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত এক নারী আদালতে ওষুধের দাম কমানোর জন্য একটি আবেদন করেছেন। তার চিকিতসার জন্য মাসে দেড় লাখ রুপির সংস্থান করার সামর্থ্য তার ছিল না।

কিন্তু আদালতের রায় পাওয়ার আগেই ওই নারী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। আবেদনকারী নারীর মৃত্যুর চার বছর পরও মামলাটির নিষ্পত্তি হয়নি।

মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে একটি নতুন আবেদনের পর ভারতে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার এই মর্মান্তিক উদাহরণটি আবার আলোচনায় এসেছে।

কেরালার ওই নারী দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

তার চিকিতসার জন্য প্রয়োজনীয় দুটি ওষুধই ছিল ব্যয়বহুল। রাইবোসিক্লিব নামে একটি ওষুধের জন্য মাসে খরচ পরতো ৭৮ হাজার ৪৬৮ রুপি এবং অ্যাবেমাসিক্লিব নামে অপর ওষুধটির মাসিক ব্যয় ছিল ৪৭ হাজার ৭৫২ রুপি থেকে ৯৫ হাজার ৫০৪ রুপি পর্যন্ত। দুটি ঔষধ মিলে তার মাসিক খরচ দেড় লাখ রুপিরও বেশি হতো। ২০২২ সালের জুন মাসে ভুক্তভোগী নারী কেরালা হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন, যাতে ঔষধ দুটি ভারতেই উৎপাদন করা হয় এবং রোগীরা কম দামে কিনতে পারেন।

কিন্তু রিট আবেদনের তিন মাসের মাথায়, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আবেদনকারী নারী মারা যান। তবে তার মৃত্যুর পরও জনস্বার্থে মামলাটি সচল থাকে। এই দীর্ঘ সময়ে মামলাটির ৫৭টি শুনানি হয়েছে। রায়ের জন্য প্রস্তুত হলেও রায় এখনও আসেনি। বারবার রায়ের জন্য তারিখ দেয়া হলেও বারবারই তা পিছিয়ে যায়।

ভারতে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত ’ওয়ার্কিং গ্রুপ অন অ্যাক্সেস টু মেডিসিনস অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট’ নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহ-আহ্বায়ক জ্যোৎস্না সিং এবং কে এম গোপাকুমার গত শুক্রবার মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কেরালা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সৌমেন সেনের কাছে একটি আবেদন পাঠান। একই আবেদন তারা ভারতের রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মু এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছেও পাঠিয়েছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, ‘যিনি এই লড়াই শুরু করেছিলেন তিনি আর নেই। এই সত্যটি প্রমাণ করে যে বিলম্ব কতটা ব্যয়বহুল হতে পারে, বিশেষ করে যখন বিষয়টি জীবনরক্ষাকারী ওষুধের হয়।’

ভুক্তভোগীর রিট আবেদনের পর আদালত একজন শেষ আইনজীবী নিয়োগ করেছিল। সরকারের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ জবাব চাওয়া হয়েছিল। তলব করা হয়েছিল ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোকেও। এমনকি আলোচিত এ মামলাটির শুনানীর জন্য বিশেষ একটি দিনও (শনিবার) ঠিক করা হয়েছিল। আদালতে সরকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এ রোগের চিকিৎসার জন্য পুরোনো একটি ঔষধই যথেষ্ট হবে, কিন্তু তখন আইনজীবী প্রমাণ করেন যে সেই পুরোনো ঔষধটি এই রোগের চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়।

৫৭টি শুনানির পর ২০২৫ সালে মামলাটি ‘রায়ের জন্য প্রস্তুত’ তালিকায় ওঠে। সর্বশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল ২ জুলাই। কিন্তু বারবারই নির্ধারিত তারিখে রায় পিছিয়ে যায়। আগামী ১৫ জুলাই রায়ের পরবর্তী তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।

দুই অধিকার কর্মীর চিঠিতে বলা হয়, ‘এই মামলায় একটি দ্রুত সিদ্ধান্তই হবে ওই নারীর প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি। আর সেই হাজার হাজার নারীর জন্য আশার আলো, যারা এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন কিন্তু আদালতে পৌঁছানোর পথ জানেন না।’

ভারতে স্তন ক্যান্সার একটি ভয়াবহ প্রাণঘাতী রোগ। ২০২২ সালে ভারতে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার নারীর স্তন ক্যান্সার সনাক্ত হয়েছিল। এর মধ্যে ৯৮ হাজার ৩৩৭ জন নারী মারা গেছেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকার নিজেই সংসদে জানিয়েছে যে আক্রান্ত নারীর সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজারে পৌঁছাতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ওমানের নতুন প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ এম


হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ওমানের নতুন প্রস্তাব

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলকে স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখার জন্য নতুন উদ্যোগের প্রস্তাব দিয়েছে ওমান। মাসকাটে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দেশটি এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করে।

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনকে নির্বিঘ্ন রাখতে এ উদ্যোগটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ওমানের মতে, প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো প্রণালিটিতে নিরাপদ ও স্বাভাবিক নৌপরিবহন নিশ্চিত করা।

ওমানের প্রস্তাব অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি দুটি পৃথক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে, চুক্তিটি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালির উত্তর ও দক্ষিণ, উভয় দিকের নৌপথই জাহাজ চলাচলের জন্য খোলা থাকবে। ওমানের দেওয়া প্রস্তাবের আওতায়, দেশটির নিজস্ব জলসীমার মধ্যে থাকা দক্ষিণ করিডর দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে যুদ্ধ-পূর্ব পরিস্থিতির মতো সম্পূর্ণ অবাধে চলাচলের সুযোগ থাকবে।

অন্যদিকে, ইরানের জলসীমার মধ্যে থাকা উত্তর করিডর দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে তেহরানের পূর্বানুমতি নিতে হবে। তবে এই বিশেষ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের শুল্ক বা টোল আরোপ করা হবে না।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শনিবার আরাগচি তার অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানান, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুদেশের মধ্যে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ যাতায়াতের জন্য একটি ‘মধ্যবর্তী লেন’ চালুর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও বাণিজ্য খাতের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল এই নৌপথটির অচলাবস্থা নিরসনে ওমানের এই নতুন প্রস্তাবকে বেশ ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের জবাবে ইরান কার্যত এই কৌশলগত নৌপথটি বন্ধ করে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির দিনে ফোনের যত্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ এম


বৃষ্টির দিনে ফোনের যত্ন

এখন প্রকৃতিতে বৃষ্টির মৌসুম চলছে। বৃষ্টি হলে খোলা আকাশের নিচে ফোনে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। বৃষ্টির সময় পুকুর, খাল, নদী বা পানির কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করার সময় জরুরি না হলে ফোন ব্যবহার না করাই শ্রেয়। কারণ ওই সময় বজ্রপাত হয়ে থাকে। যদি ঘর্মাক্ত হয়ে যান তবে ফোনে কথা বলা উচিত নয়, বিশেষ করে ফোনের স্পিকার যদি ফ্রন্ট ফেসিং হয়। কেননা, এতে শরীর থেকে নির্গত ঘাম ডিভাইসের ভেতরে প্রবেশ করে স্পিকারের ক্ষতি করতে পারে, এমনকি ফোনের সার্কিটেও সমস্যা হতে পারে।

স্মার্টফোনের সঠিক যত্ন নিতে গেলে পরিষ্কার রাখাটাই প্রথম শর্ত। ডিভাইসের বাইরের অংশ পরিষ্কারের জন্য শুকনো টিস্যু পেপার বা অ্যালকোহল ওয়াইপ্স ব্যবহার করতে হবে। পানি বা অন্য কোনো ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, এসব ব্যবহারের ফলে ডিভাইসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

অনেক ফোনে প্রতিদিন বা একদিন পর পর চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন হয়। যদি ফোনে অনেক বেশি কথা বলেন কিংবা অন্য কোনো কাজ করেন, যেমন ভিডিও দেখা বা গেম খেলা, তাহলে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়। অনেকেই ফোনের ব্যাটারিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ৪০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশের মধ্যে চার্জে রাখার চেষ্টা করেন। নতুন হ্যান্ডসেটগুলো সাধারণত অনেক ফাস্ট থাকে।

কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই আস্তে আস্তে তা গতি হারিয়ে ফেলে। গ্যাজেট গবেষকরা এর পেছনে অনেক কারণ অনুসন্ধান করেছেন। নতুন অবস্থায় ফোনটি একেবারে হালকা থাকে। এতে কোনো বাড়তি অ্যাপ্লিকেশন থাকে না। কিন্তু এটি ব্যবহার করতে গিয়ে বিভিন্ন সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার ফলে ক্রমে ডিভাইসটি জটিল হতে থাকে। ফলে ফোনের গতি হারানো এবং ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তাই যতটা সম্ভব অযাচিত অ্যাপ এড়িয়ে চলা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মায় ধরা পড়লো এক মণ ওজনের কাতল, বিক্রি কত টাকায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ এম


পদ্মায় ধরা পড়লো এক মণ ওজনের কাতল, বিক্রি কত টাকায়?

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের একটি কাতলা মাছ।

মাছটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি বা ১ মণ। স্থানীয় বাসিন্দারা মাছটি ১ হাজার ১৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৬ হাজার টাকায় কিনে নিয়েছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে ভেড়ামারার রায়টা পাথরঘাট এলাকায় মাছটি ধরা পড়ে।

জানা গেছে, স্থানীয় জেলে মুরাদের নেতৃত্বে কয়েকজন জেলে নদীতে বেড়জাল ফেলে মাছ শিকার করছিলেন। কয়েক ঘণ্টা পর জালে বড় কিছুর আভাস পেয়ে টেনে তুলতেই দেখা যায় বিশাল এই কাতলা মাছ। জেলেরা জানান, এত বড় মাছ তাদের জালে এর আগে কখনো ওঠেনি।

মাছটি দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। অনেকেই বলেন, জীবনে এত বড় কাতলা এর আগে কখনো দেখেননি। পদ্মা নদীর এ অংশে এমন বিশাল মাছ ধরা পড়ার ঘটনাও বিরল।

পরে ভেড়ামারার বাসিন্দা রিপন আলীসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে মাছটি কিনে নেন। তারা মাছটি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। রিপন আলী জানান, ‘৪০ কেজি ওজনের মাছটি প্রতি কেজি ১ হাজার ১৫০ টাকা দরে কিনেছি। মোট দাম পড়েছে ৪৬ হাজার টাকা।’

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীতে এখনো বড় বড় মাছ পাওয়া যাচ্ছে, তবে এমন বিশালাকার কাতলা দেখে সবাই অবাক হয়েছেন। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের একটি কাতলা মাছ। মাছটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি বা ১ মণ। স্থানীয় বাসিন্দারা মাছটি ১ হাজার ১৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৬ হাজার টাকায় কিনে নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%