শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪২ পি.এম
ফেনী, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় আজ পৃথক দুইটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন চালক ও এক হেলপারসহ মোট ৫ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭ জন।
আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছাগলনাইয়া উপজেলার মুহুরীগঞ্জ ও সদরের মহিপাল এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার মুহুরীগঞ্জ দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ডভ্যান অপর একটি লং ভেহিক্যালের পেছনে বেঁধে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করছিলেন চালক ও হেলপার। এ সময় চট্টগ্রামগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস এসে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এ ঘটনায় এতে চালক- হেলপারসহ ৪জন গুরুতর আহত হন।তাদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।এর মধ্যে কাভার্ডভ্যানের চালক, হেলপার ও ইউনিক বাসের চালককে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত লং ভেহিক্যাল চালককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে বিকাল তিনটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎিসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন চট্টগ্রামের বোট বাজার মইজ্জারটেক এলাকার মৃত সফর আলীর ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক আব্দুর রহিম (৫০) ও কেরানীগঞ্জের পারগেন্ডারিয়া এলাকার সফি মিয়ার ছেলে বাস চালক আবুল হোসেন (৬২) এবং ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার গোসাইলডাঙ্গা গ্রামের খাইবার মন্ডলের ছেলে ইউনিক গাড়ির হেলপার শামীম (৫৫)। তবে, নিহত লং ভেহিক্যাল চালকের নাম- পরিচয় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায় নি
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) আবু নোমান সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল এলাকায় একটি বাসের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় তাবারক আলী ফটিক (৫৬) নামের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জয়নন্দীপুর এলাকার আবদুল হাকিমের ছেলে বলে মহিপাল হাইওয়ে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী ‘পাতা পরিবহন’ -এর একটি বাস মহিপাল ফ্লাইওভারের উত্তর পাশে যাত্রা বিরতি দেয়। এসময় বাসের কয়েকজন যাত্রী বাইরে নেমে আসেন।একপর্যায়ে দ্রুতগতির একটি কাভার্ডভ্যান দাঁড়িয়ে থাকা বাসটির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি সামনের সড়কে থাকা যাত্রী তাবারক আলী ফটিককে চাপা দেয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাবারক আলী ফটিক মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ত্যাগীদের বিবেচনা করা হবে : এমপি আবুল কালাম
বিএনপির সংসদ সদস্য আবুল কালাম জানিয়েছেন যে, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের ত্যাগ, মামলা-হামলা, নির্যাতন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়া হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে উপজেলা হল অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আবুল কালাম মন্তব্য করেন, ‘চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী বাছাই করা খুবই সহজ। আপনি জমি কিনলে রেজিস্ট্রি করেন, দলিল থাকে, খতিয়ান থাকে। তেমনি বিএনপির চেয়ারম্যান হতে চাইলে দলের জন্য কী করেছেন, তারও দলিল-খতিয়ান দেখাতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে যারা দলের জন্য কাজ করেছেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন, মামলা-হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এলাকা ছাড়েননি, তাদের মনোনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আবুল কালাম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর যারা দেশে ফিরেছেন, তারাও আমাদের দলের লোক। তবে যারা মামলা-হামলার কারণে এলাকা বা দেশ ছেড়ে গিয়েছিলেন, তারা দুঃসময়ে এলাকায় থাকা নেতাকর্মীদের মতো অগ্রাধিকার পাবেন না।’
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপনি বিএনপির বড় নেতা দাবি করেন। আপনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে—তার প্রমাণ আছে কি না, হামলায় আহত হয়েছেন—তার প্রমাণ আছে কি না, এসব যাচাই করা হবে।
হাত ভেঙেছে, মামলা হয়েছে কিংবা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন—এসবের প্রমাণ-তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘শুধু ঢাকায় থাকেন, অনেক টাকা আছে—এ কারণে মনোনয়ন হবে না। যারা দীর্ঘ ১৭ বছর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও এলাকায় থেকে দল ও নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা হবে।’
অনুষ্ঠানের শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবে মনোহরগঞ্জের খোদাইভিটায় বৃক্ষরোপণ এবং ডাকাতিয়া নদীতে মৎস্য অবমুক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ১২
বেলুচিস্তানের কালাত জেলায় একটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে ১২ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা জানিয়েছে, বুধবার এই অভিযানটি ‘সন্ত্রাসীদের’ উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
, অভিযানের সময় পরিকল্পিতভাবে ‘সন্ত্রাসী’দের আস্তানা শনাক্ত করা হয়েছে, নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং পরে তা ধ্বংস করা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, অভিযানে ১২ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
অভিযানস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও হাতে তৈরি বিস্ফোরক যন্ত্র উদ্ধার ও ধ্বংস করার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, ওই এলাকায় বাকি যোদ্ধাদের শনাক্ত ও নির্মূল করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাবে। বিদেশি মদদপুষ্ট ও সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের হুমকি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলতে থাকবে।
বেলুচিস্তানের কালাত এলাকায় ১২ জন যোদ্ধাকে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত পৃথক বিবৃতিতে তারা পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার সংকল্পের কথা জানান।
তারা উল্লেখ করেন, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর দৃঢ় প্রচেষ্টার পাশে পুরো জাতি রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট জারদারি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান বিদেশি শক্তির মদদে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার লক্ষ্যেই চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, বেলুচিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে ‘সন্ত্রাসী’রা যে পরিকল্পনা করছে, সরকার তা কোনোভাবেই সফল হতে দেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিমবাহ ধসে আকস্মিক বন্যার ফলে নেপাল ও তিব্বতে প্রাণহানি এবং নিখোঁজের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা অচেনা মরদেহ শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকার কারণে এবং পচন ধরার ফলে অনেক মরদেহের চেহারা দেখে শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
নেপাল পুলিশের কর্মকর্তারা নিখোঁজ ব্যক্তিদের বাবা-মা, সন্তান এবং অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের রক্তের নমুনা দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে, তাদের বিদেশে থাকা স্বজনরাও নিজেদের দেশে ডিএনএ পরীক্ষা করিয়ে ফলাফল নেপাল পুলিশের কাছে পাঠানোর সুযোগ পাবেন। ইতোমধ্যে শত শত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
সংগৃহীত নমুনাগুলি নেপাল পুলিশ ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি এবং নেপাল একাডেমি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পচন বা পানিতে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে মরদেহ বিকৃত হয়ে গেলে চেহারা দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় রক্ত, নরম টিস্যু, হাড় এবং দাঁত থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করা যেতে পারে। এমনকি শরীরের অধিকাংশ টিস্যু পচে গেলেও হাড় থেকে ডিএনএ পাওয়া সম্ভব।
নিখোঁজ ব্যক্তির ডিএনএ সরাসরি পাওয়া গেলে, যেমন তার ব্যবহৃত টুথব্রাশ বা হেয়ারব্রাশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে মরদেহের ডিএনএর সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে বাবা-মা বা সন্তানের মতো নিকট আত্মীয়ের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মরদেহের ডিএনএ মিলিয়ে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
ডিএনএ পরীক্ষার পাশাপাশি আঙুলের ছাপ এবং দাঁতের তথ্যও মরদেহ শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কাজে নেপালকে সহযোগিতা করছে ভারত ও চীন। ভারত ১৯ সদস্যের একটি ফরেনসিক দল পাঠিয়েছে। চীনও ডিএনএ শনাক্তকরণে বিশেষজ্ঞদের দ্বিতীয় দল পাঠিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, ‘সংখ্যালঘু’ শব্দ ব্যবহার করে নিজেদের খাটো করা হবে না।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের শ্যাম সুন্দর জিউর আখড়ায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। পরে তিনি ফিতা কেটে জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধন করেন। র্যালিটি জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।এ্যানি বলেন, ‘পাহাড়ে যারা থাকেন তারা পাহাড়ি বা আদিবাসী। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান এবং আমরা যারা মুসলমান ধর্মের আছি মুসলমান, আমরা সবাই বাংলাদেশি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ প্রথম।’ এখানে সংখ্যালঘু বলতে কোনো ধারা, কোনো কথা, কোনো শব্দ আমরা ব্যবহার করে নিজেদের খাটো করব না, তাতে জাতি খাটো হবে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য এই আহ্বানটুকু খুব বেশি প্রয়োজন।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর তিনি দায়িত্বে থাকাকালে সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর রাজনীতি উপহার দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত তার রাজনৈতিক আদর্শের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের রাজনীতির মাধ্যমে আমরা দেশ পরিচালনা করছি এবং ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।’পানিসম্পদ মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘মাত্র কয়েক দিন হলো আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ছয় মাস। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন, ১৭ ফেব্রুয়ারি আমরা শপথ নিয়েছি। তাই সমাজে সবকিছু ছয় মাসের মধ্যে উন্নত জীবনযাপন, সকল অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ, ন্যায় প্রতিষ্ঠা—সবকিছু এখনই করে ফেলেছি, এমন কথা বলার সুযোগ নেই।’তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমাদের উদ্যোগ মহৎ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ আমরা সবাই মিলেমিশে সমাজকে উন্নত জীবনের জন্য, সর্বদা ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য শ্রম দিচ্ছি, কষ্ট করছি এবং কাজ করে যাচ্ছি।’শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘কংসের কারাগার ছিল অত্যাচারী কারাগার। সেই কারাগারের মধ্যেই শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। সমাজের অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জাগিয়ে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং মানবতার কল্যাণকে সামনে রেখেই এই দিনটি পালিত হয়। এই দিনটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য।’জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবা উল আলম ভূঁইয়া, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শৈবাল কান্তি সাহা, সাধারণ সম্পাদক মিলন মন্ডল, জেলা আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণ দুলাল দাস, জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাখন লাল সাহা ও সদস্যসচিব উত্তম দেবনাথসহ অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ