মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৮ পি.এম
স্বামী আসলামের জামিন মঞ্জুর, স্ত্রী নিপার জামিন নামঞ্জুর; ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগেও মামলা
বরিশাল নগরীর রুপাতলী এলাকায় ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের সাড়ে ৫ শতাংশ জমি বিক্রির বায়না চুক্তি করে টাকা গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ে জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোঃ আসলাম হাওলাদার ও তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপার বিরুদ্ধে। একই মামলায় বায়না করা জমিতে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর, টিনের ঘরের ক্ষতিসাধন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জীবননাশের হুমকির অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বরিশালের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে আসামিদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিচারক এস এম শরীয়াতুল্লাহ মোঃ আসলাম হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, বরিশাল নগরীর দক্ষিণ রুপাতলী এলাকার বাসিন্দা মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানার সিআর মামলা নং-১৪৬৬/২০২৬ দায়ের করেন। মামলায় আসলাম হাওলাদার ও তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে আসলাম হাওলাদারের মালিকানাধীন রুপাতলী মৌজার ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি কেনার বিষয়ে বাদীর সঙ্গে আলোচনা হয়। জমিটির মূল্য ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বায়না চুক্তি সম্পাদন করা হয়।
চুক্তির সময় বাদী ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। অবশিষ্ট ২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সাব-কবলা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, আসামিদের অনুরোধে পরবর্তীতে বায়না চুক্তির মেয়াদ তিন মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়। কিন্তু বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পরও জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় বাদী গত ১৭ জুলাই কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করেন এবং পরবর্তীতে গত ২ আগস্ট আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ৩ আগস্ট আসামিরা ১০ থেকে ১২ জন লোকসহ ওই জমিতে যান। সেখানে বাদীর বায়না করা জমিতে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর এবং টিনের ঘরের ক্ষতিসাধন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাদী দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৪০৬, ৪২০, ৪৪৮ ও ৫০৬(২) ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আসলাম হাওলাদার বরিশালের বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে সিআর মামলা নং-১৩৬৭/২০২৬ ও ১৪৫৬/২০২৬ নম্বরে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন—এমন অভিযোগ করেছেন বাদী।
তবে ওই পৃথক মামলাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং আসলাম হাওলাদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
আইনগতভাবে মামলার অভিযোগ এখনো বিচারাধীন। ফলে আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করবেন আদালত।
মামলার সূত্র: সিআর মামলা নং-১৪৬৬/২০২৬ (কোতোয়ালী), বরিশাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং ২৬ মামলার আসামিসহ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ভৈরব শহরের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত ১৫ জুন ও ১৩ আগস্ট পৃথক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ ৯২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মধ্যরাতে ভৈরব শহরের বিভিন্ন এলাকায় আবারও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃত ১৮ জনকে আদালতে হাজির করা হলে তারা মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অভিযোগে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রম পাড়ার ভট্র কুঠিরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইমন ভট্র একই এলাকার দুঃখ হরণ ভট্রের ছেলে। তিনি ২০২২ সাল থেকে নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি এবং পরে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ইমন ভট্র আত্মগোপনে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে প্রায় দুই বছর পর ঢাকা থেকে অসুস্থ ৯ মাস বয়সী মেয়ে ইচ্ছেকে দেখতে তিনি নিজ বাসায় আসেন। পরে রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে নোয়াখালী পৌরসভার হোয়াইট হল এলাকায় দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন। ওই মিছিলে জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর এক দিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিলে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এ পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির শুরুতে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।
পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাসির, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, উপজেলা মৎস্য সমন্বয়ক প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম মিন্টুসহ উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক জলাভূমির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান উল্লেখ করেছেন যে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইসলামি বিশ্বের সংহতির একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করছে।
তিনি জানিয়েছেন, তিন দেশের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ সৃষ্টি করেছে।
উত্তর তুরস্কের সামসুন শহরে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে তরুণদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় এরদোগান এসব মন্তব্য করেন। তিনি ‘সামসুন সিটি হাসপাতালের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার বক্তব্যটি সোমবার প্রকাশিত হয়।
সামসুন মেট্রোপলিটন মিউনিসিপ্যালিটির ‘ইয়ালি ক্যাফে লাইব্রেরিতে’ একে পার্টির যুব শাখা আয়োজিত ‘তরুণদের সঙ্গে বৈঠক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এরদোগান বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান যৌথভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক একত্রিত হয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছাতে চান।
গত মাসে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন কাঠামো হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরদোগান চুক্তিটিকে মুসলিম দেশগুলোর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং ইসলামি বিশ্বে বৃহত্তর সংহতি তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নিয়ে এরদোগানের দীর্ঘদিনের সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি ‘বিশ্ব পাঁচের চেয়েও বড়’-এ আহ্বানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মাধ্যমে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য-যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে বোঝাতে চান।
এরদোগান নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোকে প্রতিনিধিত্বহীন ও অন্যায্য বলে সমালোচনা করে আসছেন। তিনি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আরও ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে তুরস্কের সমর্থন ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ
হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইসলামি বিশ্ব বর্তমানে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।
এরদোগান বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যা ঘটছে, আমরা তার ওপর নজর রাখছি। বিষয়টি শুধু হরমুজ প্রণালির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক অংশেও গুরুতর সমস্যা বিদ্যমান।
এসব অঞ্চলের সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তুরস্ক এসব অঞ্চলের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
আঞ্চলিক বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় তুরস্কের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার কথাও জানান এরদোয়ান। মুসলিম দেশগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টায় আঙ্কারা সহযোগিতা করে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, আঞ্চলিক সংঘাত ও সংকটের মধ্যেও তুরস্ককে এসব বিপদ থেকে দূরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
পারস্য উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে এরদোয়ানের এসব মন্তব্য সামনে এলো। একই সময়ে তুরস্ক, সৌদি আরবও পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ