মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৫ পি.এম
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান উল্লেখ করেছেন যে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইসলামি বিশ্বের সংহতির একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করছে।
তিনি জানিয়েছেন, তিন দেশের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ সৃষ্টি করেছে।
উত্তর তুরস্কের সামসুন শহরে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে তরুণদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় এরদোগান এসব মন্তব্য করেন। তিনি ‘সামসুন সিটি হাসপাতালের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার বক্তব্যটি সোমবার প্রকাশিত হয়।
সামসুন মেট্রোপলিটন মিউনিসিপ্যালিটির ‘ইয়ালি ক্যাফে লাইব্রেরিতে’ একে পার্টির যুব শাখা আয়োজিত ‘তরুণদের সঙ্গে বৈঠক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এরদোগান বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান যৌথভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক একত্রিত হয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছাতে চান।
গত মাসে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন কাঠামো হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরদোগান চুক্তিটিকে মুসলিম দেশগুলোর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং ইসলামি বিশ্বে বৃহত্তর সংহতি তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নিয়ে এরদোগানের দীর্ঘদিনের সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি ‘বিশ্ব পাঁচের চেয়েও বড়’-এ আহ্বানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মাধ্যমে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য-যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে বোঝাতে চান।
এরদোগান নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোকে প্রতিনিধিত্বহীন ও অন্যায্য বলে সমালোচনা করে আসছেন। তিনি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আরও ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে তুরস্কের সমর্থন ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ
হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইসলামি বিশ্ব বর্তমানে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।
এরদোগান বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যা ঘটছে, আমরা তার ওপর নজর রাখছি। বিষয়টি শুধু হরমুজ প্রণালির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক অংশেও গুরুতর সমস্যা বিদ্যমান।
এসব অঞ্চলের সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তুরস্ক এসব অঞ্চলের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
আঞ্চলিক বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় তুরস্কের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার কথাও জানান এরদোয়ান। মুসলিম দেশগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টায় আঙ্কারা সহযোগিতা করে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, আঞ্চলিক সংঘাত ও সংকটের মধ্যেও তুরস্ককে এসব বিপদ থেকে দূরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
পারস্য উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে এরদোয়ানের এসব মন্তব্য সামনে এলো। একই সময়ে তুরস্ক, সৌদি আরবও পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কুটির কালামুড়িয়া এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে দীর্ঘ সময় ধরে বালু রাখার কারণে বায়ুদূষণ সৃষ্টি ও মহাসড়কে চলাচলকারীদের ভোগান্তির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কালামুড়িয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মো. আনোয়ার, মো. জসীমউদ্দিন ও মো. হানিফের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
জরিমানাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন লেশিয়ারা এলাকার মো. আনোয়ার (৪০), একই এলাকার মো. জসীমউদ্দিন (৪২) এবং কালামুড়িয়া এলাকার মো. হানিফ (৩৮)।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে বালু রেখে আসছিলেন। এর ফলে বায়ুদূষণ ঘটার পাশাপাশি মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছিলেন।
অভিযানের পর নতুন করে সেখানে বালুর স্তূপ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে স্তূপ করে রাখা বালু আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরিয়ে কৃষিজমি উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই অভিযানটি পরিচালনা করেন কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির। পরিবেশ দূষণ রোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভাটি বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন-সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য মরমি গান ও সাধকের স্মৃতি। সেই ধারার অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র সুনামগঞ্জের মরমি কবি হাসন রাজা। তাঁর গান, দর্শন ও জীবনদর্শন আজও সুনামগঞ্জসহ পুরো ভাটি অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
হাসন রাজার পুরো নাম দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী। ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম। জমিদার পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই তিনি ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে জমিদারির দায়িত্বও তাঁর ওপর আসে।
জীবনের প্রথমদিকে তিনি জমিদারি, ঘোড়দৌড়, শিকার ও বিলাসী জীবনযাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁর চিন্তা ও জীবনদর্শনে বড় পরিবর্তন আসে। পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতার মোহ থেকে ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়ে মানুষের জীবন, মৃত্যু, আত্মা ও স্রষ্টাকে নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করেন।
এই আত্মঅনুসন্ধান থেকেই জন্ম নেয় তাঁর অসংখ্য মরমি গান। তাঁর গানে ফুটে উঠেছে মানুষের মনের আকুলতা, প্রেম-বিরহ, দেহতত্ত্ব, আত্মপরিচয়, মৃত্যুচিন্তা এবং স্রষ্টার প্রতি গভীর ভালোবাসা। তাঁর বিখ্যাত গান “লোকে বলে বলেরে, ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার” আজও বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
হাসন রাজার গান শুধু গান নয়—এর প্রতিটি কথার মধ্যে রয়েছে জীবন সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি। তিনি বুঝেছিলেন, পৃথিবীর ধন-সম্পদ ও ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। মানুষ একদিন সবকিছু ছেড়ে চলে যাবে। তাই তাঁর সৃষ্টিতে বারবার ফিরে এসেছে আত্মজ্ঞান ও মানবিকতার আহ্বান।
সুনামগঞ্জের মরমি সংগীতের ঐতিহ্যে হাসন রাজা একটি অমর নাম। তাঁর পাশাপাশি রাধারমণ দত্ত, শাহ আবদুল করিমসহ ভাটি বাংলার অন্যান্য মরমি সাধক ও কবিরাও এই অঞ্চলের লোকসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁদের সৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জ আজও মরমি গান ও লোকসংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে পরিচিত।
১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর হাসন রাজা মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যু তাঁর সৃষ্টিকে থামাতে পারেনি। সময়ের স্রোত পেরিয়ে তাঁর গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। সুনামগঞ্জের মাটি, মানুষ ও লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে তাই হাসন রাজা চিরস্মরণীয় এক নাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার ফলে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এই উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিস রেটিংস বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাসকে ‘নেতিবাচক’ থেকে পরিবর্তন করে ‘স্থিতিশীল’ করেছে।
তবে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং খেলাপি ঋণের উচ্চ হার অব্যাহত থাকার কারণে দেশের বর্তমান রেটিং ‘বি২’-তেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মুডিসের নতুন মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নতুন সরকারের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন থাকার ফলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখন সংস্কার কাজে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে ‘নেতিবাচক’ করেছিল এই সংস্থাটি।
খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মুডিসের এই ইতিবাচক মূল্যায়নের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বিদেশি ব্যাংকগুলো দেশের ব্যাংকগুলোর জন্য ডলার বা বৈদেশিক ঋণের সীমা বাড়িয়ে দেবে, যা সহজ শর্তে আমদানি বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে হুন্ডিমুক্ত রেকর্ড রেমিট্যান্স আসার ফলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। যেখানে ২০২৪ সালে রিজার্ভ নেমে এসেছিল ২১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে।
পাশাপাশি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে মুডিস। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরগুলোতে তা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং তা সামাল দিতে বড় অংকের মূলধন প্রয়োজন হওয়ায় সরকারের ওপর চাপ রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এছাড়া, দেশের সর্বনিম্ন রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা, মোট রাজস্বের বড় অংশ ঋণের সুদ পরিশোধে চলে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ খাতের কিছু দুর্বলতার বিষয়টিকেও সামনে এনেছে মুডিস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী বলেন, সন্দেহভাজন এই দুই ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারে এবং এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একটি সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। সভাটি ঢাকার মেগা প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসন নিয়ে ছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘যাচাই-বাছাই ও যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরপরই একটি মোটরসাইকেল থেকে সুপ্রিম কোর্টের গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘটনার জন্য সাতজন ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্টের’ মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেন।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক গুলশানে অনুষ্ঠিত মিছিলের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্ন মিছিল বা অপতৎপরতা রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ