ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রেকর্ড হারালেন মোসাদ্দেক, দেশের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান সোহান


রেকর্ড হারালেন মোসাদ্দেক, দেশের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান সোহান

লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি হাবিবুর রহমান সোহান ৩ বছর আগেই গড়েছিলেন। যদিও মাঝখানে সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তবে রেকর্ডটি ভাগাভাগি করা সোহানের পছন্দ ছিল না। মাত্র ১ মাসের মধ্যে এককভাবে রেকর্ডটি তিনি নিজের করে নিলেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের এই তারকা।

সোহান মাত্র এক ম্যাচ আগে ১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেই ঝড়ের রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার (৮ জুন) ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) নবম রাউন্ডে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।

ম্যাচটি চলাকালীন ইউল্যাব মাঠে শুরু থেকেই সোহান ঝড় তোলে। তিনি ২৬ বলে অর্ধশতক ছুঁয়ে ফেলেন। এরপর তিনি আরো রুদ্রমূর্তি ধারণ করে পরের পঞ্চাশ পূর্ণ করেন মাত্র ১৯ বলে। ৮ চার ও ৯ ছক্কায় সেঞ্চুরিতে পৌঁছান।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

আউট হওয়ার আগে সোহান ৮টি চার ও ১৩টি ছক্কায় ৫৮ বলে ১৩০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন।

এর আগে ২০২৩ সালের বিসিএলে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকানো সোহানের রেকর্ডই ছিল লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশির দ্রুততম সেঞ্চুরি। চলমান ডিপিএলে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে সোহানের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন মোসাদ্দেক।

ম্যাচটাতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ শেষ পর্যন্ত ৭৪ রানে জয় পায়।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন কাজী শায়রুল হাসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন কাজী শায়রুল হাসান

বিশিষ্ট ব্যাংকার ও কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব কাজী শায়রুল হাসানকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কাজী শায়রুল হাসান কর্মজীবনে ব্যাংকিং, আর্থিক সেবা, এফএমসিজি, টেলিযোগাযোগ ও সেবা খাতে ৪১ বছরেরও বেশি সময়ের সমৃদ্ধ পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।

তিনি ফাইসন্স (ইউকে) লিমিটেড, আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

কাজী শায়রুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ ডিগ্রি এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট (পিজিডিআইএম) অর্জন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে করদাতাদের জন্য বিশাল সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


বাজেটে করদাতাদের জন্য বিশাল সুখবর

বিনিয়োগের গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মানসিকতার সহিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে আয়কর সংক্রান্ত বিভিন্ন বড় প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। মধ্যবিত্ত করদাতাদের শুধু স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্য নয়, বরং তরুণদের জন্য আরও নতুন সুযোগ তৈরি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণেও এবারের বাজেটে কর কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে, করদাতাদের জন্য যেন তারা আগেই নিজেদের করের হার অনুমান করতে পারেন, সেজন্য আগামী ৫ বছরের জন্য একটি প্রগতিশীল কর কাঠামো ঘোষণা করার প্রস্তাব হতে পারে।

ধাপে ধাপে বাড়ানো হচ্ছে করমুক্ত আয়ের সীমা।

মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বাস্তবতা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে। সম্ভাব্য প্রস্তাবনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে-

সাধারণ করদাতা: ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে তাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা এবং ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে এটি বাড়িয়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।

নারী ও সিনিয়র সিটিজেন (৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব): সাধারণ সীমার চেয়ে আরও ৫০ হাজার টাকা বেশি সুবিধা পাবেন। ফলে, তাদের করমুক্ত সীমা হবে ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা।

জুলাই যোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত গেজেটভুক্ত "জুলাই যোদ্ধা" এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই সীমা শুরুতেই ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা থাকবে, যা ২০৩০-৩১ করবর্ষে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ লক্ষ টাকা হবে।

তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতা: তাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা শুরু হচ্ছে ৫ লক্ষ টাকা থেকে।

বিশেষ ছাড়: প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের জন্য প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা আরও ৫০,০০০ টাকা বাড়ানো হবে।

সম্ভাব্য প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য করের ধাপগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে মধ্যবিত্তের ওপর কোনো চাপ না পড়ে।

ধনীদের ওপর অতিরিক্ত কর ধার্য করা হবে: সমাজের উচ্চবিত্ত বা স্বল্পসংখ্যক ধনী করদাতাদের জন্য ২০২৮-২৯ করবর্ষ থেকে ৩ কোটি টাকার বেশি অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩৫% (৫% অতিরিক্ত) করের প্রস্তাব রয়েছে। মধ্যবিত্তরা এই উচ্চ হারের আওতার বাইরে থাকবেন।

তরুণ ও প্রযুক্তি খাতের জন্য 'মেগা ধামাকা'

দেশের আইটি সেক্টর, তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য বাজেটে অভূতপূর্ব কিছু সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন: সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

স্টার্টআপ: নতুন উদ্ভাবনী উদ্যোগ বা প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স ০% করার প্রস্তাব রাখা হতে পারে।

এসএমই ও নারী উদ্যোক্তা: ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ লাখ টাকা এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত থাকবে।

সাধারণ মানুষের জন্য নিত্যপণ্যে করছাড়:

মার্কেটের মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্য কমানোর লক্ষ্যে চাল, ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেলসহ ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং কৃষিপণ্যের ওপর উৎসের করের হার কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হতে পারে।

উল্লেখযোগ্য অন্যান্য ক্ষেত্র যেখানে করছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে-

স্বাস্থ্য খাত: কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে ৫% অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফ করার প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যার ফলে প্রতি ডায়ালাইসিসে খরচ ৬০০ টাকার কাছাকাছি কমে যাবে।

পরিবেশবান্ধব যানবাহন: ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং চার্জিং স্টেশন আমদানির ওপর কর ৫% থেকে কমিয়ে ০% করার প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া বিআরটিএ-তে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (ইভি) রেজিস্ট্রেশন ও নবায়নের অগ্রিম কর দুই লাখ টাকা থেকে কমিয়ে সিসি/কিলোওয়াট অনুযায়ী ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় আনার প্রস্তাব হয়েছে।

স্বর্ণালংকার: স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে কর ৫% থেকে কমিয়ে ০.৫% করার প্রস্তাব করা হতে পারে।

প্রযুক্তি পণ্য: কম্পিউটার মনিটর, প্রিন্টার ও ফ্ল্যাশ মেমোরি আমদানিতে অগ্রিম কর ৫% থেকে কমিয়ে ২% করার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেরা করদাতাদের জন্য থাকছে ভিআইপি সুবিধা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে, বাজেটে কর ভিত্তি সম্প্রসারণ এবং সৎ করদাতাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। "সেরা করদাতা পুরস্কার নীতিমালার" অধীনে মোট ৬৭ জন সর্বোচ্চ করদাতাকে পুরস্কৃত করা হতে পারে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা উপভোগ করবেন: জাতীয় ও জেলা পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রণ ও অংশগ্রহণের সুযোগ। সরকারি হাসপাতালগুলিতে কেবিন সুবিধা এবং সরকারি সার্কিট হাউসে থাকার জন্য অগ্রাধিকার। বিমান, ট্রেন বা অন্যান্য যানবাহনের টিকিট প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের বিশেষ সুযোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢামেকে সংরক্ষণের ফ্রিজ নষ্ট, মরদেহ পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


ঢামেকে সংরক্ষণের ফ্রিজ নষ্ট, মরদেহ পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ

এক সপ্তাহ ধরে মরদেহ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেছে। আর এর ফলে মরদেহ পচে-গলে চারপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মর্গে লক্ষ্য করা গেছে। যেখানে প্রতিদিন অন্তত ৮-১০টি মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। লাশ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা না থাকায় বর্তমানে মরদেহের বিভিন্ন আলামত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের ফরেনসিক বিভাগের পাশে রাখা বিশেষ মরচুয়ারি কুলার, যা একসঙ্গে ৪০টি মরদেহ সংরক্ষণ করতে পারে। তবে এটি বর্তমানে প্রদর্শন করছে অসুবিধা। তাহলে মৃতদেহ সংগ্রহ করার উপায় কী? মর্গের কমপ্লেক্সের ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যায়, একটি রুমের ফ্লোরে সারি করে লাশগুলি রাখা হয়েছে। কয়েকটি লাশ পরিবহনের ট্রলিতে রাখা হয়েছে। কিন্তু রুমটিতে কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র নেই।

মর্গের সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী জানান, পূর্বে ৫টি ছোট ফ্রিজারে রাখা হতো লাশগুলো, তবে সেগুলো অকেজো হয়ে যাচ্ছে। তাই কয়েক বছর আগে মর্গে বিশেষ মরচুয়ারি কুলার স্থাপন করা হয়েছিল। সেখানে একসঙ্গে ৪০টি মৃতদেহ রাখা যায়। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে কুলারটি সম্পূর্ণরূপে অকেজো হয়ে গেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে মরদেহ সংরক্ষণ করা হচ্ছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানালেন, বাধ্য হয়ে লাশগুলো ফ্লোরে রাখা হচ্ছে। এভাবে লাশ থেকে বিভিন্ন আলামত নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে তারা উদ্বিগ্ন। এ ছাড়া, ইঁদুরের আক্রমণের সম্ভাবনাও রয়েছে। লাশের গন্ধের কারণে ফরেনসিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারছেন না।

অন্যদিকে, ঢামেকের অধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্রে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেছুর রহমান মরচুয়ারি কুলার অকেজো হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এটি দ্রুত মেরামত করা অতি জরুরি। ২ জুন বিষয়টি জানানো হলেও ৮ জুনেও এর কোনো সমাধান হয়নি।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেছুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে ঢামেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীনের সাথে যখন জানতে চাওয়া হলো, তিনি বলেন, আমরা বিষয়টির সম্পর্কে অবগত। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ে সমস্যার সমাধান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ক্রিস্টোফ ক্রেমার

ফাইনালে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলা এক বিশ্বজয়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


ফাইনালে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলা এক বিশ্বজয়ী

২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন জার্মানির ফুটবলার ক্রিস্টোফ ক্রেমার। ছবিটি সংগৃহীত।

খেলা চলাকালীন সময়ে তিনি রেফারি নিকোলা রিজ্জোলিকে প্রশ্ন করেন, ‘এটা কি (বিশ্বকাপ) ফাইনাল?’

রেফারি বরাবর মনে করেন, ক্রেমার তাঁর সঙ্গে মজা করছেন, তাই তিনি আবার প্রশ্নটি শুনতে চান।

ক্রেমার তখন আরেকটু জোর গলায় বলেন, ‘আমি জানতে চাইছি এটা কি ফাইনাল, নাকি অন্য কোনো ম্যাচ?’

এবার রিজ্জোলির এক কথার উত্তর আসে, ‘হ্যাঁ।’ ক্রেমার কৃতজ্ঞতার সঙ্গে বলেন, ‘আপনাকে ধন্যবাদ। এটা জানা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

ক্রেমার আবার খেলা চালিয়ে যান। কিন্তু ইতালিয়ান রেফারি রিজ্জোলি কিছুটা সময় পর বুঝে যান যে কিছু একটা গড়বড় হয়েছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে জার্মান ডাগ আউটে বিষয়টি জানান।

এরপর ফিজিওরা এসে ক্রেমারকে মাঠের বাইরে নিয়ে যান।

ফাইনালের ৩১ মিনিটে মাঠ ছাড়েন ক্রিস্টোফ ক্রেমার। ছবিটি ফিফার।

বাস্তুবিকভাবে, ২৩ বছর বয়সী ক্রেমার, যিনি জার্মানির ২৩ নম্বর জার্সি পরে খেলছিলেন, তাঁর বিশ্বকাপ ফাইনাল সেখানে শেষ হয়ে যায়। ম্যাচের আধাঘণ্টা পেরিয়ে গেছে তখন।

বিশেষ করে কোন ফাইনালের কথা বলা হচ্ছে এটা জানেন? ১৩ জুলাই ২০১৪, মারাকানা স্টেডিয়াম, রিও ডি জেনেইরো, আর্জেন্টিনা-জার্মানি বিশ্বকাপ ফাইনাল।

সেই রাতে অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে মেসি ও মাসচেরানোদের ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতিরে সম্মুখীন হতে হয়েছিল। ১১৩ মিনিটে মারিও গোটজের জোড়া গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে জার্মানি চতুর্থবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়।

৩১ মিনিটে ক্রেমারের বদলে নামা আন্দ্রে শুর্লের ক্রস থেকেই গোটজ গোলটি করেন।

তাহলে, ফাইনালের রাতে ক্রেমারের সঙ্গে কি এমন হয়েছিল যে রেফারির কথায় তাঁকে তুলে নিতে বাধ্য হন জার্মান কোচ ইওয়াখিম ল্যোফ? চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্রেমার খেলা চলাকালীন সময়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। মাঠে থাকা অবস্থায় তিনি কিছুই মনে করতে পারছিলেন না।

ম্যাচের ১৭ মিনিটে আর্জেন্টিনার সেন্টার ব্যাক এজেকিয়েল গারাইয়ের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে ক্রেমার মাথায় আঘাত পান। এরপর মাঠে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। ফিজিওরা ভেবেছিলেন, ক্রেমার ঠিক আছেন; তাই যাতে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি পান। তবে পরে বোঝা যায়, তিনি আসলে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন।

মারাকানায় ফাইনালের রাতে শুরুর একাদশে ক্রেমারের থাকার কথা ছিল না। ম্যাচ শুরুর মিনিট কয়েক আগে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার সামি খেদিরা চোট পেলে ক্রেমারকে কোচ ল্যোফ জানান, ‘প্রস্তুত হও, তুমি খেলতে নামছো।’

ক্রেমার তাঁর ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় ধরে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছেন। এবার তাঁকে শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হয়েছিল। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গোলের জন্য ফরোয়ার্ডদের বল জোগানো তো সহজ কাজ নয়।

ক্রেমার ফাইনালে পুরোটা সময় খেলতে পারেননি ঠিকই; কিন্তু স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেললেও দেশের প্রতি তাঁর নিবেদন সত্যিই একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ের পরদিন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে ফাইনালের রাতের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমি ম্যাচের খুব বেশি কিছুই মনে করতে পারি না। প্রথমার্ধের কিছুই আমার মনে নেই। মাঠ ছাড়ার পর কিভাবে ড্রেসিংরুমে পৌঁছালাম, সেটাও মনে নেই। আমার মনে হয়েছে, ম্যাচটি দ্বিতীয়ার্ধ থেকে শুরু হয়েছে।’

কয়েক দশক ধরে জার্মানির বিশ্বকাপ স্কোয়াড বলার মানে হলো বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের খেলোয়াড়দের আধিক্য। তাই বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের মতো অপেক্ষাকৃত ছোট ক্লাবের ফুটবলার হিসেবে ইওয়াখিম ল্যোফের নজর কাড়ার জন্য ক্রেমারের জন্য এটি মোটেও সহজ ছিল না।

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে ক্রিস্টোফ ক্রেমার। 

জার্মানির সোলিঙ্গেন শহরের প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পান ক্রেমার। পরবর্তীতে তিনি সেই শহরের প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বজয়ী হন। বিস্ময়কর বিষয় হলো, পেশাদার ক্যারিয়ারে তিনি একটিই শিরোপা জিতেছেন—বিশ্বকাপ। কিন্তু তার স্মৃতি তাঁর খুব বেশি মনে নেই।

২০১৬ সাল থেকে জার্মানি জাতীয় দলে আর কখনো ডাক পড়েনি ক্রিস্টোফ ক্রেমারের। ক্লাব ফুটবল খেলেছেন ২০২৪ সাল পর্যন্ত। সেই বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখে ১১ মৌসুম কাটিয়ে তিনি চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ করেন। এরপর অন্য কোনো ক্লাব তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। তাই তিনি গত বছরের জুনে অবসরের ঘোষণা দেন।

নিজের লেখা বই হাতে ক্রিস্টোফ ক্রেমার। 

বর্তমানে ৩৫ বছর বয়সী ক্রেমার কাজ করছেন ফুটবল বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে। পাশাপাশি তিনি পডকাস্ট উপস্থাপনাও করছেন। এই সুযোগে তিনি একটি বইও লিখেছেন, যার জার্মান ভাষায় নাম ‘ডাস লেবেন ফিং ইম জোমার আন’ (বাংলা অর্থ জীবন শুরু হয়েছিল গ্রীষ্মকালে)।

বিশ্বকাপজয়ী অনেকেই নিজেদের কিংবদন্তির কাতারে নিয়ে গেছেন, অনেকে পারেননি। অনেকের নাম বিশ্বফুটবল মনে রাখেনি। ক্রিস্টোফ ক্রেমারের নাম সেই তালিকায় উঠে যেতে পারত। কিন্তু ওই একটি ঘটনার কারণে তা হয়নি—স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেও তিনি যে বিশ্বজয়ী হয়েছেন! বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের ভাষায়, ‘যে শিরোপা (ক্রেমারকে) অমরত্ব এনে দিয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%