০৮:৫৯ পি.এম
বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ বর্তমানে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সাগরের উত্তাল অবস্থার জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সোমবার দুপুর ১২টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন এলাকায় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। এই সময় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৭৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৪৪০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা বন্দর থেকে ১ হাজার ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এটি ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী সাগর বর্তমানে বিক্ষুব্ধ অবস্থায় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশনা আসে।
আরও পড়ুন: লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় আটক সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলাম
এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের কারণে দেশের আবহাওয়ায় আপাতত বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস নেই।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বুধবার তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, কিন্তু দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি নাগরিক সমাজের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন