বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৮ পি.এম
তহবিলের সংকোচন ও ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ মানবিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে সহায়তা অনুদানের পরিমাণ কমে আসার পাশাপাশি হাজার হাজার ত্রাণকর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মানবিক সাহায্য ও ত্রাণ কার্যক্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়নকারী গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারগুলো কেবল বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে না, বরং তাদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্যও ক্রমশ দায়ী হয়ে উঠছে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছর ৬ কোটি ৪০ লাখ (৬৪ মিলিয়ন) কম মানুষ সহায়তা পেয়েছে। ‘স্টেট অফ দ্য হিউম্যানিটারিয়ান সিস্টেম ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সহায়তা অনুদান ৩০ শতাংশ কমেছে এবং হাজার হাজার ত্রাণকর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এর ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে গঠিত হওয়ার পর থেকে মানবিক সহায়তা ব্যবস্থাটি তার ইতিহাসের অন্যতম বড় সংকোচনের মুখে পড়েছে।
২০২৫ সালে কেবল তাৎক্ষণিক জীবন-ঝুঁকির মুখে থাকা মানুষদের সহায়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে; অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা মোকাবিলা এবং সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সংকুচিত করা হয়েছে।
ডোহার্টি জানান, ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ সালে মানবিক সহায়তা খাতে কর্মরত জনবলের ২৩ শতাংশ পর্যন্ত ছাঁটাই হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিশেষায়িত সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট ছাঁটাই করেছে ইউএসএইড, যারা ২০২৫ সালে তাদের সহায়তা তহবিল ৫৫ শতাংশ কমিয়েছে। তবে অন্যান্য শীর্ষ দাতা সংস্থাও সহায়তা কমিয়েছে; শীর্ষ ২০টি দাতা সংস্থার মধ্যে ১৩টিই গত বছর তাদের অনুদান হ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে সহায়তা ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত কর্মসূচিগুলোর জন্য অর্থ বরাদ্দ স্থগিত করার মতো মার্কিন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সহায়তা তহবিল হ্রাসের ফলে যারা সহায়তা পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে মাথাপিছু সহায়তার পরিমাণ ২০২১ সালের ১৭৮ ডলার থেকে কমে ২০২৫ সালে ৯০ ডলারে নেমে এসেছে। অথচ বাস্তবে মাথাপিছু প্রয়োজনীয় সহায়তার পরিমাণ বেড়ে ২৫৫ ডলারে দাঁড়িয়েছিল। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলার একটি কারণ ছিল, সরকারগুলো কেবল বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার দায়িত্ব পালনেই ব্যর্থ হয়নি, বরং প্রায়শই তারা মানুষকে প্রকৃত অর্থেই বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চালানো আক্রমণের ৬৪ শতাংশের জন্যই রাষ্ট্রগুলো দায়ী ছিল।
এছাড়া বিমান হামলার মাধ্যমে ত্রাণকর্মীদের ওপর যে সহিংসতা চালানো হয়েছে, তার জন্যও অনেকাংশে তারাই দায়ী ছিল। ইয়েমেন ছিল সহায়তা বা ত্রাণ বরাদ্দ হ্রাসের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেখানে পুষ্টি পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত থাকায় ডিপথেরিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।
ইয়েমেনে ‘অ্যাকশন ফর হিউম্যানিটি’-র কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ বাহাশওয়ান বলেন, সহায়তার পরিমাণ কমে যাওয়ায় পরিবারগুলোর সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, সমস্যাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে আসে না। এমন হতে পারে, কোনো পরিবার তাদের আয়ের উৎস হারিয়েছে, খাবারের সংস্থান করতে পারছে না, তাদের কোনো শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে। অথচ স্বাস্থ্যসেবা পেতে তাদের অনেক দূর যেতে হচ্ছে কিংবা এমন খরচ বহন করতে হচ্ছে যা তাদের সাধ্যের বাইরে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সবচেয়ে অসহায় মানুষদের সহায়তায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করার নজির রয়েছে যার নেতৃত্বে প্রায়শই স্থানীয় সহায়তা সংস্থা ও প্রবাসীদের বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ভূমিকা রেখেছে। তবে এতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা এই নেটওয়ার্কগুলোর সাথে যথাযথ সমন্বয় করেনি এবং সহায়তা বরাদ্দ হ্রাসের ফলে স্থানীয় সহায়তা সংস্থা ও কর্মীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ভিয়েনাভিত্তিক সংস্থা ‘গ্রাউন্ড ট্রুথ সল্যুশনস’-এর প্রধান নির্বাহী মেগ স্যাটলার সহায়তা প্রয়োজনীয় মানুষের ওপর নিয়মিত জরিপ পরিচালনা করে। তিনি বলেন, স্থানীয়করণের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা পরিস্থিতির সাথে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারেনি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া বাজেট সংকোচন ও শর্তাবলির বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেয়নি।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিতভাবেই এমন মানুষের সাথে কথা বলেছি যারা সহায়তার এই সংকোচন বা কাটছাঁটের প্রভাব সরাসরি অনুভব করছেন। এটি বিশেষ করে তাদের জন্য চরম দুর্ভোগ বয়ে আনছে যাদের ক্ষেত্রে সহায়তাকে এখন কেবল ‘জীবন রক্ষাকারী’ হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বা ব্যবসা শুরুর জন্য সঞ্চয় করার মতো কাজগুলো করতে পারছেন না। অথচ এই কাজগুলোই ভবিষ্যতে তাদের সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সাহায্য করত।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মরক্কো ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের দাবি করেছে। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লেকজা জানিয়েছেন, বেনস্লিমান প্রদেশে হবে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ, যা কাসাব্লাঙ্কার নিকটে অবস্থিত। তবে এ বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।
লেকজা মরক্কোর বুজনিকায় এক রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠানে বলেন, "বেনস্লিমান প্রদেশ ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের সম্মান পাবে।" কাসাব্লাঙ্কা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অঞ্চলে বর্তমানে হাসান-২ স্টেডিয়াম নির্মাণাধীন রয়েছে।
নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামটির ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি ডলার এবং এর দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবলভিত্তিক স্টেডিয়াম হবে।
যদিও মরক্কোর এই দাবির সঙ্গে ফিফার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো মেলেনি। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে সিদ্ধান্ত যথাসময়ে নেওয়া হবে।
মরক্কো ও স্পেনের মধ্যে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। স্পেনের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লোজানও পূর্বে জানিয়েছেন, ফাইনাল স্পেনেই অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।
২০৩০ বিশ্বকাপ একটি ভিন্নধর্মী আসর হবে। এটি প্রথমবারের মতো ছয়টি দেশে এবং তিনটি মহাদেশে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়েতে। এরপর মূল আয়োজন হবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেনে।
এদিকে, ফিফা গত আগস্টে এমন খবরকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছিল যে, সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি মরক্কোকে দিয়েছেন। ফলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) সংবাদদাতা।। বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার নাদিয়া বেগম (৩৮) নামে এক নারীর পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেলে বরিশাল আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় আদালত চত্বরে সামনে পৌছালে সড়কের মধ্যে মাহিন্দ্রা গাড়িতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে থানা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠী গ্রাম থেকে নাদিয়া বেগমকে তার নিজ ঘর থেকে মাদক সহ গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার সকালে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নাদিয়ার কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৯ হাজার ৫৪০ টাকা ও ৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে নাদিয়ার পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার করা হয়নি।
নিহত নাদিয়া বেগমের স্বামী মন্ঠু গাজী বলেন, পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম রেজার সাথে তার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। যেই জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত একটি মামলা চলমান রয়েছে। টাকার বিনিময়ে পুলিশ দিয়ে তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করানো হয়েছে। পরবর্তীতে থানায় নিয়ে তার স্ত্রী নাদিয়াকে নির্যাতন করা হয়েছে। যে মানুষকে বাসা থেকে পুলিশ সুস্থ অবস্থায় নিয়ে গেলেন সে আদালতে যাওয়ার পথে কিভাবে মারা গেল। পুলিশের নির্যাতনেই তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, নাদিয়াকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে থাকা ইয়াবা তিনি গিলে ফেলেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে দাবি করেন ওসি। তিনি আরও জানান, নাদিয়ার স্বামীর মন্ঠু গাজীর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। নাদিয়ার ছেলের বিরুদ্ধেও দুটি মাদক মামলা রয়েছে। মন্টু দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছে।
বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) মাসুম বিল্লাহ বলেন, বাকেরগঞ্জে ধারাবাহিকভাবে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে নাদিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জেলহাজতে পাঠানোর আগে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নাদিয়ার সঙ্গে থাকা ইয়াবা সেবনের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত ও চিকিৎসকের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মাদকসহ কেউ আটক হলে এ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা ছড়ায়। নাদিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পুলিশ হেফাজতে তার ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন হয়েছিল কি না, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই স্পষ্ট হবে।
নিহত নাদিয়া বেগমকে ময়নাতদন্ত শেষে আজ বিকেল ৫ টায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন দেওয়া হয়। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নাদিয়া বেগমের ৫ বছরের ছেলে রেদোয়ান ও আড়াই বছরের আজিফা নামের একটা কন্যাসন্তান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানা কর্তৃক নগরীতে মাদকবিরোধী আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) জনাব অলক কান্তি শর্মার নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল নগরীর রসুলপুর বস্তিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় এ অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের ওপর বিশেষ নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে এলাকার সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
উক্ত অভিযানে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব আল মামুন উল ইসলামসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেন। অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ