সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২২ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল থানি। তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাবকে একটি ‘ভূমিকম্প’ (Earthquake) হিসেবে উল্লেখ করে সংঘাতের এই চক্র বন্ধ করার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত 'কাতারি ইকোনমিক ফোরাম'-এর বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, “স্থায়ী নিরাপত্তা কখনো কোনো রাষ্ট্রকে অরক্ষিত রেখে অর্জিত হতে পারে না। মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি রূপরেখা (framework) প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে এবং কোনো দেশ অন্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।”
কাতারের প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং নৌপথ চলাচলের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতার ধারণাকেই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাতারের অর্থনীতির সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে শেখ মোহাম্মদ আগামী পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো খাতে ৩৮ বিলিয়ন (৩,৮০০ কোটি) ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। চলমান সংঘাতের প্রভাব সত্ত্বেও তিনি বলেন, কাতার তার অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ভিত্তির ওপর অটল থেকে পুনরুদ্ধার করেছে।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করা এবং যুদ্ধ বিরতির জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অধিবেশন চলাকালে এ সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়া উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়টি আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার বেলজানী-খরসূতী এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল অবস্থায় পড়েছে। খরসূতী সরকারি কলেজ থেকে খরসূতী ঈদগাহ পর্যন্ত ইটের সলিং করা সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এতে বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির ইট উঠে গিয়ে কোথাও কোথাও মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ভাঙা ইট ও গর্তের কারণে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রায়ই হোঁচট খেয়ে আহত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
খরসূতী সরকারি কলেজ থেকে খরসূতী ঈদগাহ পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় আধা কিলোমিটারের কিছু বেশি। ছোট এই সড়কটি স্থানীয়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সড়কের পূর্ব পাশে রয়েছে খরসূতী ঈদগাহ ময়দান। দুই ঈদের সময় ময়না, ঘোষপুর, সাতৈর ও গুনবহাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এই ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে আসেন।
এ ছাড়া এ এলাকায় রয়েছে বেলজানী-খরসূতী কাশেমুল উলুম মাদরাসা, একটি মহিলা মাদরাসা ও বর্ণী বাজার। অন্যদিকে সড়কের পশ্চিম পাশে রয়েছে খরসূতী সরকারি কলেজ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চন্দ্রকিশোর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডাকঘর ও খরসূতী বাজার।
স্থানীয়দের পাশাপাশি মহম্মদপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষও এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বানিয়াড়ী, হাটখোলা, রানীদৌলা-কুঠি ও ইচাখালীসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষেরও সড়কটির ওপর নির্ভরতা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও দৈনিক পুনরুত্থানের সহযোগী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিজান উর রহমান জানান, ১৯৯১ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য প্রয়াত আব্দুর রউফ মিয়ার উদ্যোগে ফরিদপুর চিনিকলের বরাদ্দের মাধ্যমে সড়কটিতে ইটের সলিং করা হয়েছিল। এরপর প্রায় সাড়ে তিন দশক পেরিয়ে গেলেও বড় ধরনের সংস্কার হয়নি বলে তাঁর দাবি।
দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের ইট উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির পাশাপাশি ভাঙা ইটের কারণে পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ে।
স্থানীয়রা বলছেন, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন বইয়ের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে স্কুল-কলেজে যাওয়ার সময় তাদের ভাঙা ইট ও খানাখন্দ পেরিয়ে চলাচল করতে হয়।
স্থানীয়দের দাবি, চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে ছোট শিক্ষার্থীদের হোঁচট খেয়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সড়কটি দ্রুত পুনর্র্নিমাণ ও পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সম্প্রতি ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ড. ইলিয়াস মোল্লার কাছে সড়কটি পুনর্র্নিমাণের দাবি জানানো হলে তিনি দ্রুত পাকাকরণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
ময়না ইউনিয়নের জামায়াত আমির মো. আবু জাফর সিদ্দিকী বলেন, সড়কটি পাকাকরণের বিষয়টি সংসদ সদস্যকে গুরুত্বের সঙ্গে জানানো হয়েছে। পরবর্তী বাজেটে বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকাকরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় মানুষের নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনা সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা জানিয়েছেন, মেসিকে ঘিরে বিশেষ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর অনুষ্ঠিত হবে।
বার্সেলোনার ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিকে নতুন স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে বিশেষ সম্মান জানাতে চায় ক্লাবটি। লাপোর্তা জানান, মেসির জন্য এই বিশেষ আয়োজনটি ক্লাবের সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরই করা হবে।
লাপোর্তার প্রত্যাশা, নতুন ক্যাম্প ন্যুর পুরো প্রকল্প ২০২৮ সালের শুরু নাগাদ শেষ হবে। এরপরই মেসির জন্য একটি বিশেষ ট্রিবিউট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বার্সেলোনার। অর্থাৎ, ক্লাবের সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে সম্মান জানানোর এই আয়োজনটি নতুন স্টেডিয়ামের পূর্ণাঙ্গ উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে।
মেসিকে স্থায়ীভাবে সম্মান জানানোর পরিকল্পনা নতুন নয়। ২০২৫ সালে লাপোর্তা জানিয়েছিলেন, ক্যাম্প ন্যুর সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর স্টেডিয়ামের বাইরে মেসির ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে ক্লাব কাজ করছে। লাপোর্তার ভাষায়, মেসি ক্লাবের ইতিহাসে গভীর ছাপ রেখে যাওয়া একজন আইকনিক খেলোয়াড়।
বার্সেলোনার জার্সিতে মেসি ৭৭৮ ম্যাচে ৬৭২ গোল করেছেন। তাঁর সময়ে ক্লাবটি ১০টি লা লিগা ও চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছে। ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পরও ক্লাবটির ইতিহাসে তাঁর অবদান অম্লান।
নতুন ক্যাম্প ন্যুতে মেসির জন্য আনুষ্ঠানিক সম্মাননা আয়োজনটি তাঁর বার্সা অধ্যায়ের প্রতীকী স্বীকৃতি হিসেবেই সামনে আসছে। ক্লাবের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর এই আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।
এদিকে, নতুন ক্যাম্প ন্যু ইতোমধ্যে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল আয়োজনের জন্য স্টেডিয়ামটিকে বেছে নিয়েছে উয়েফা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার সরকার সতর্ক করেছে যে চলতি শতকের ৬০-এর দশকের মধ্যে দেশে জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে অস্ট্রেলিয়া, জাপান, জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মতো জনসংখ্যাগত সংকটের সম্মুখীন হতে পারে।
এই পূর্বাভাসটি অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারি বিভাগের সাম্প্রতিক ‘ইন্টারজেনারেশনাল রিপোর্ট’-এ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ২০৬৫-৬৬ অর্থবছরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা ৩ কোটি ৯৩ লাখে পৌঁছাবে, যা ২০২৩ সালের পূর্বাভাসের চেয়ে ১৮ লাখ কম।
প্রতিবেদনের প্রধান তথ্যসমূহ:
জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি হ্রাস: আগামী চার দশকের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বার্ষিক গড়ে ০.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা বিগত ৪০ বছরের গড় ১.৪ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
প্রবীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি: ২০৬৫-৬৬ সালের মধ্যে ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী অস্ট্রেলীয়দের সংখ্যা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে।
জন্মহার হ্রাস ও অভিবাসন নির্ভরতা: দেশের প্রজনন হার (ফার্টিলিটি রেট) কমে ১.৩৪-এ নেমে যাবে। ফলে জনসংখ্যার যেকোনো প্রবৃদ্ধি সম্পূর্ণরূপে আন্তর্জাতিক অভিবাসনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
যদিও জন্মহার কমছে এবং প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ছে, সরকারের আশা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মক্ষেত্রে নারী ও প্রবীণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ফলে ২০৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি হবে।
অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার জিম চালমারস মন্তব্য করেছেন, "আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে থাকলেও অস্ট্রেলিয়া অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই।"
অন্যদিকে, ব্যবসায়িক সংগঠন ‘বিজনেস কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়া’ এই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী ব্রান ব্ল্যাক জানিয়েছেন, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাওয়ার কারণে বর্তমানে প্রতি অস্ট্রেলীয় নাগরিকের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ২০২৩ সালের অনুমানের তুলনায় প্রায় ২,০০০ ডলার কমে গেছে। ফলে এআই প্রযুক্তি রাতারাতি অর্থনীতিতে কতটা সুফল আনবে, তা নিয়ে তারা সন্দিহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনার তারকা লামিন ইয়ামাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে রিয়াল মাদ্রিদের হারের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি মার্ক পুবিলের জয়ের ছবি পোস্টে পাঁচটি বিস্ফোরণ ইমোজি ব্যবহার করেন।
মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়ালের ২-১ গোলে পরাজয়ের পর ইয়ামালের এই প্রতিক্রিয়া দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত সামাজিকমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া, যা বার্সেলোনার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবে গণ্য নয়।
এটি ইয়ামালের রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি এমন মন্তব্যের প্রথম উদাহরণ নয়। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখার সময় তিনি সবসময় দলটির পরাজয় কামনা করেন। মাদ্রিদ ডার্বির পর তাঁর নতুন প্রতিক্রিয়ার কারণে সেই মন্তব্য আবার আলোচনায় এসেছে।
রোববার মেট্রোপলিতানোতে আতলেতিকো মাদ্রিদ ১০ জনের রিয়াল মাদ্রিদকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। আতলেতিকোর হয়ে গোল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে ও জোনাথন ডেভিড, আর রিয়ালের একমাত্র গোলটি করেন আন্তোনিও রুডিগার।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দিন হুইসেন লাল কার্ড দেখানোর পর রিয়াল ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এরপর আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোর পেনাল্টি ও ডেভিডের গোলে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। শেষ মুহূর্তে রুডিগার গোল করলেও রিয়াল সমতা ফেরাতে পারেনি।
বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে দুই দলের খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরের মন্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া প্রায়ই আলোচনায় আসে। ইয়ামাল, যিনি বার্সেলোনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তরুণ খেলোয়াড়, রিয়ালের পরাজয় নিয়ে তাঁর প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রসঙ্গকে সামনে এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ