বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৯ পি.এম
দেশের চামড়াজাত শিল্প বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে, এমনটি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে স্বনির্ভর এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কুটির শিল্পের বিকল্প নেই।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) ভবনের নিচতলায় ‘বিসিক চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য বিদ্যমান। বিশেষ করে দেশের ‘ব্ল্যাক বেঙ্গাল’ ছাগলের চামড়া আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নত মানের জুতা ও অন্যান্য চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তিনি এ সময় আরও বলেন, প্রতিবছর কুরবানি ঈদে যে চামড়া সংগ্রহ করা হয়, তা প্রক্রিয়াজাত করাতে হিমশিম খেতে হয়। আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জুতার কারখানা তৈরি করতে পারলে শতভাগ জুতা রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
চামড়া শিল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে রিজভী বলেন, ট্যানারি থেকে নির্গত রাসায়নিক বর্জ্য নদী, খাল-বিল ও পরিবেশে যাতে না পড়ে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বর্জ্য থেকে রাসায়নিক আলাদা করে পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, সরকারের পলিসি এমন হওয়া উচিত যেখানে টেনারির আশেপাশে বসতি স্থাপন করা হবে না।
বিসিকের বিভিন্ন শিল্পনগরীর অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের জন্য এসব এলাকায় নতুন কারখানা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।
পরে পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলার স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মেলায় মোট ৪৯ স্টলের মধ্যে ৪৩টি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে নগদ টাকার পাশাপাশি কার্ডভিত্তিক লেনদেনের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত পাঁচ বছরে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা ৯৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ের মধ্যে এসব কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ১০৮ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে প্রিপেইড কার্ডের বিস্তার সবচেয়ে দ্রুত হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা ১৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের বাইরে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে বিদেশে মোট ১৭ লাখ ৪৪ হাজার ৩০টি লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ ৯৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। একই সময়ে বিদেশে ইস্যু করা কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকেরা ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৪টি লেনদেন করেছেন, যার পরিমাণ ২৩৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অর্থাৎ, লেনদেনের সংখ্যার হিসাবে বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ড ব্যবহার বিদেশিদের বাংলাদেশে ব্যবহারের তুলনায় প্রায় ৪ দশমিক ২০ গুণ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে দেশের কার্ড ব্যবহারের পাঁচ বছরের প্রবণতা, দেশীয় লেনদেন, বিদেশে বাংলাদেশিদের লেনদেন এবং বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকদের কার্ড ব্যবহারের খাত ও দেশভিত্তিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের আগস্টে দেশে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৮টি। ক্রেডিট কার্ড ছিল ১৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬৩টি এবং প্রিপেইড কার্ড ছিল ৯ লাখ ৮১ হাজার ১৫৮টি। সব মিলিয়ে কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ২ কোটি ৬৫ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৯টি।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার ৪৭৫টিতে। ক্রেডিট কার্ড ২৭ লাখ ২ হাজার ৬৯৩টি এবং প্রিপেইড কার্ড ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৩২৯টিতে উন্নীত হয়েছে। মোট কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ২৪ লাখ ১৪ হাজার ৪৯৭টি। অর্থাৎ, পাঁচ বছরে মোট কার্ডের সংখ্যা ৯৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২১ সালের আগস্টে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৮৭ মিলিয়ন টাকা, অর্থাৎ ২২ হাজার ৭৮৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তা বেড়ে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন টাকা বা ৪৭ হাজার ৪৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা হয়েছে। ফলে পাঁচ বছরে কার্ড লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ১০৮ শতাংশ।
কার্ডের ধরনভেদে প্রবৃদ্ধির চিত্রও ভিন্ন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে ৩৬ শতাংশ এবং ক্রেডিট কার্ড ২৮ শতাংশ। বিপরীতে, প্রিপেইড কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে ১৬৮ শতাংশ। ফলে কার্ড ব্যবহারের বিস্তারে প্রিপেইড কার্ড দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে বর্তমানে ৬১টি তফসিলি ব্যাংক ও ৩৫টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টি ব্যাংক ও একটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্ড সেবা দিচ্ছে। আবার ৪৮টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট কার্ড, দ্বৈত মুদ্রার ডেবিট কার্ড এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রিপেইড কার্ড সেবা দিচ্ছে।
জুলাই মাসে দেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৩ হাজার ২৪৮ মিলিয়ন টাকা, অর্থাৎ ৪ হাজার ৩২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। জুনে এ পরিমাণ ছিল ৪৪ হাজার ৬১০ মিলিয়ন টাকা বা ৪ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এক মাসে লেনদেনের পরিমাণ ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ কমেছে। তবে লেনদেন কমলেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যবহার বেড়েছে।
জুলাইয়ে দেশীয় ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের সবচেয়ে বড় অংশ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে হয়েছে। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা, যা মোটের ৫০ দশমিক ৩১ শতাংশ। খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে লেনদেন হয়েছে ৪৮৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ৩৭৭ কোটি ১০ লাখ টাকা বা ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং নগদ উত্তোলনে ৩৩৪ কোটি ১০ লাখ টাকা বা ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
ওষুধ ও ফার্মেসিতে ২৬৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, পোশাকের দোকানে ১৭৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, সরকারি সেবায় ১৫৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা, ব্যবসায়িক সেবায় ১২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, পরিবহনে ১১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা, অর্থ স্থানান্তরে ৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং পেশাগত সেবায় ৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জুলাইয়ে দেশীয় ক্রেডিট কার্ডের ৯০ দশমিক ৬৯ শতাংশ লেনদেন হয়েছে পণ্য ও সেবা কেনাকাটায়। নগদ উত্তোলনের অংশ ছিল ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং অর্থ স্থানান্তরের অংশ ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
কার্ডের ধরন অনুযায়ী দেশীয় ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ক্ষেত্রে ভিসা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। জুলাইয়ে ভিসা কার্ডে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ২৯৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা মোট দেশীয় ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের ৭৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। মাস্টারকার্ডে হয়েছে ৬৬৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ১৫ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং অ্যামেক্সে ৩৪৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ৮ শতাংশ। ডাইনার্স, ইউনিয়নপে, কিউক্যাশ ও জেসিবির অংশ ছিল ১ শতাংশেরও কম।
জুলাইয়ে দেশের বাইরে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের ক্রেডিট কার্ডে ৫২৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ডেবিট কার্ডে ৪০১ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং প্রিপেইড কার্ডে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। সব মিলিয়ে বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ ৯৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। জুনে এ পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৭ কোটি টাকা। ফলে এক মাসে বহির্মুখী কার্ড লেনদেন কমেছে ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৬টি লেনদেন হয়েছে। ডেবিট কার্ডে হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার ১২৩টি এবং প্রিপেইড কার্ডে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮২১টি লেনদেন।
বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে। এ খাতে ১৬৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ৩১ দশমিক ৩৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ৯০ কোটি ৩০ লাখ টাকা, পরিবহনে ৬৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ওষুধ ও ফার্মেসিতে ৬০ কোটি ২০ লাখ টাকা, পোশাকের দোকানে ৪১ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং ব্যবসায়িক সেবায় ৩৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
দেশভিত্তিক হিসাবে জুলাইয়ে বিদেশে বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সবচেয়ে বড় গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। মোট লেনদেনের ১৭ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়েছে সেখানে, যার পরিমাণ ৯৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। এরপর থাইল্যান্ডে ৬১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৫৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরে ৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। ভারতে হয়েছে ৩৫ কোটি ২০ লাখ টাকা, মালয়েশিয়ায় ৩৪ কোটি ৫০ লাখ, কানাডায় ২৪ কোটি ৯০ লাখ, নেদারল্যান্ডসে ২১ কোটি ৯০ লাখ এবং চীনে ২১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
জুলাইয়ে বিদেশে বাংলাদেশি ডেবিট কার্ডে ৪০১ কোটি ১০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ৮৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ, সরকারি সেবায় ৭৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ১৮ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং ব্যবসায়িক সেবায় ৫৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
নগদ উত্তোলনে ৪৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ৩৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, ওষুধ ও ফার্মেসিতে ৩৯ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং পরিবহনে ২৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। ডেবিট কার্ডে বিদেশে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে। জুলাইয়ে সেখানে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ১০ লাখ টাকা বা মোটের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। যুক্তরাজ্যে ৫১ কোটি ৬০ লাখ, ভারতে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ, চীনে ৩৫ কোটি ৯০ লাখ এবং আয়ারল্যান্ডে ৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
জুলাইয়ে বিদেশে বাংলাদেশি প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি সেবায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ২৪ দশমিক ০৯ শতাংশ, ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ১৫ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং নগদ উত্তোলনে ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ১৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। ব্যবসায়িক সেবায় ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ৬ কোটি টাকা এবং ওষুধ ও ফার্মেসিতে ৫ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
জুলাইয়ে বিদেশি নাগরিকেরা বিদেশে ইস্যু করা কার্ড বাংলাদেশে ব্যবহার করে ২৩৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার লেনদেন করেছেন। জুনে এ পরিমাণ ছিল ২৪১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। জুলাইয়ে মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৪টি লেনদেন হয়েছে।
বিদেশিদের বাংলাদেশে কার্ড ব্যবহারের সবচেয়ে বড় অংশও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। জুলাইয়ে এ খাতে ৮২ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ৩৫ দশমিক ১৫ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। নগদ উত্তোলনে ৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ২৪ দশমিক ০৪ শতাংশ, পরিবহনে ৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং পোশাকের দোকানে ২০ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
দেশভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশে বিদেশিদের কার্ড ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের কার্ডধারীরা সবচেয়ে বেশি। জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ইস্যু করা কার্ডে ৫১ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা মোটের ২২ দশমিক ০১ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। ভারতে ইস্যু করা কার্ডে ২১ কোটি ৪০ লাখ, যুক্তরাজ্যে ২১ কোটি ০০ লাখ, কানাডায় ১১ কোটি ৩০ লাখ এবং সিঙ্গাপুরে ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই সময়কালে দেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিমাণ ৪০ দশমিক ২৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দেশের বাইরে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন বেড়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। আর বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকদের কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যয় বেড়েছে ২৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।
গত ১২ মাসের তথ্যেও দেশীয় ক্রেডিট কার্ড লেনদেনে ওঠানামার মধ্য দিয়ে সামগ্রিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। ২০২৫ সালের আগস্টে দেশীয় ক্রেডিট কার্ড লেনদেন ছিল ৩ হাজার ১৪৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরে তা বাড়ে। ডিসেম্বরে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কমে ৩ হাজার ৪২২ কোটি ৩০ লাখ টাকায় নামলেও মার্চে আবার বেড়ে হয় ৪ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। জুনে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা হওয়ার পর জুলাইয়ে তা কিছুটা কমে ৪ হাজার ৩২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকায় দাঁড়ায়।
দেশের বাইরে কার্ড লেনদেনও গত এক বছরে বিভিন্ন সময় ওঠানামা করেছে। ২০২৫ সালের আগস্টে বহির্মুখী লেনদেন ছিল ৮৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। অক্টোবর নাগাদ তা বেড়ে ৯৫৫ কোটি ২০ লাখ টাকা হয়। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ কমে ৬৯৬ কোটি ৯০ লাখ টাকায় নেমে যায়। জুনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৭ কোটি টাকা হওয়ার পর জুলাইয়ে কমে ৯৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা হয়েছে।
ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া ঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ৪৮টি তফসিলি ব্যাংক ও একটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্রেডিট কার্ডে অনুমোদিত মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। এর বিপরীতে মোট বকেয়া বা স্থিতি রয়েছে ১৪ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে কার্ড ব্যবহারের প্রবৃদ্ধিকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হয়েছে। কার্ডের বিস্তারের ফলে নগদের বিকল্প হিসেবে ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ বাড়ছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের কেনাকাটা, বিল পরিশোধ, পরিবহন, সরকারি সেবা ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে কার্ডের ব্যবহার বিস্তৃত হচ্ছে। তবে এই প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কয়েকটি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সীমিত ডিজিটাল অবকাঠামো, আর্থিক জ্ঞানের ঘাটতি, সাইবার নিরাপত্তা ও প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগ, ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর আস্থার ঘাটতি, নগদনির্ভর সংস্কৃতি ও অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি, তুলনামূলক বেশি লেনদেন ব্যয় এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের সীমিত সুযোগকে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কার্ড ব্যবহারের বিস্তার অব্যাহত রাখতে নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি গ্রাহকদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল লেনদেনের সঙ্গে মানুষের আস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে নগদনির্ভরতা কমানোর প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং নিরাপদ নগদবিহীন লেনদেন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থা আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নানা বাড়ি বেড়াতে এসে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের দীননাথপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুকন্যা আফসানার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নানাবাড়ির পুকুরে গোসল করতে নেমে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আফসানা পাশের শালনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল আমিনের মেয়ে।
লাহুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মান্নান শেখ জানান, প্রায় পাঁচদিন আগে আফসানা নানাবাড়ি বেড়াতে আসে। বুধবার সমবয়সীদের সঙ্গে পুকুরে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আফসানার পরিবারসহ নানাবাড়িতে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
নড়াইলের লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মঞ্জুরুল হক ভূঁইয়া জানান, আফসানা নানা বাড়িতে আসার পর বুধবার দুপুরে কয়েকজন সমবয়সী শিশুর সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যায়। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে তার মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেন নানাবাড়ির লোকজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)'র অধিবেশনের ফাঁকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
আজ এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ আগ্রহ প্রকাশ পায়, যা মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকের সময় উভয় পক্ষ আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন নিয়ে মতবিনিময় করে এবং অধিবেশনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করে।
তারা বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করে, যাতে এই দীর্ঘস্থায়ী বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা যায়।
মাইকেল মিলার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশ এবং ইইউর দীর্ঘদিনের পারস্পরিক কল্যাণকর অংশীদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং বহুমুখী সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
হুমায়ুন কবির বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে ইইউর ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বহুপক্ষীয়তাবাদ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ঢাকার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইইউ'র গঠনমূলক সম্পৃক্ততার জন্যও তিনি প্রশংসা করেন। এর মধ্যে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন মোতায়েন এবং চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়ায় ইইউর সহায়তার বিষয়টিও রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ এবং ইইউর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও গভীর করার উপায় নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করে। এ সময় বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে প্রাথমিক অগ্রগতির বিষয়টিও উঠে আসে।
অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়েও বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য অব্যাহত মানবিক সহায়তা দেওয়ায় প্রতিমন্ত্রী ইইউকে ধন্যবাদ জানান।
উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ-ইইউ সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মের ওপর নির্ভরশীল। শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকেই নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে জ্ঞান, মেধা ও দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে। পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন এবং কর্মজীবনের প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ২১তম আবর্তনের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জবি শাখার উদ্যোগে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান বিশ্বের প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কারিগরি শিক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিক্স, ন্যানোটেকনোলজিসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা গেলে, পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মজীবনের প্রস্তুতিও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রেও নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদেরই গড়ে নিতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে প্রস্তুত করার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয় থাকতে হবে।
শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত ও সময়োপযোগী পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারেও প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে।
আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে নবীনদের নিজেদের মেধা, জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল। এ সময় ছাত্রদলের জবি শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ