রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২২ পি.এম
কক্সবাজারের টেকনাফে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শনের সময় দুটি বিদ্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখে হতবাক হন।
এ ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা ভারপ্রাপ্ত অফিসার আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ ১১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করেছেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি। বিদ্যালয় দুটি হলো টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হলেন আলী আকবর সাজ্জাদ ও নাসিমা আক্তার।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিয়মের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমত স্কুলে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর কিছু কিছু স্কুলে ক্লাস না করিয়ে ছুটি দিয়ে দেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাতুরি খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করে ইউএনও সত্যতা পান এবং দুই স্কুলে তালা ঝুলতে দেখে বিস্মিত হন। ইউএনও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং সশরীরে ইউএনও অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।
কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৩০ টায় ইউএনও সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কর্মচারী এবং কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি এবং সব শ্রেণিকক্ষ তালাবদ্ধ ছিল।
এটি সরকারি বিধি ভঙ্গের শামিল। কর্তব্যে অবহেলার কারণে কেন আপনার এবং আপনার অধীনস্থ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না, তার কারণ আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এস.এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি তারা যুক্তিযুক্তভাবে জবাব না দিতে পারেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘অনেক সময় শিক্ষকরা নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন এবং দুপুরের পর ছুটি দিয়ে চলে যান-এমন অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ইউএনও সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এখন থেকে সবাই নিয়ম মেনে চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় তিন কারাবন্দীর মৃত্যু ঘটেছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবং অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আনার পর তাদের মৃত্যু হয়।
মৃত্যুবরণকারী তিনজন হলেন— হাজতি আবুল বাশার (৫৮), হাজতি আবদুল কাইয়ুম (৬২) ও কয়েদি শাহাদাত হোসেন লিটন (৪৮)।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান তিন কারাবন্দীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা যায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ থেকে অসুস্থ অবস্থায় আবুল বাশারকে কারারক্ষী শহিদসহ কয়েকজন রবিবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আবুল বাশার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তিনি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সেকান্দার আলীর ছেলে।
অন্যদিকে, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে অসুস্থ অবস্থায় আবদুল কাইয়ুমকে কারারক্ষী হেমায়েত হোসেনসহ কয়েকজন ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কাইয়ুম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দুদু মিয়ার ছেলে।
এ ছাড়া কয়েদি শাহাদাত হোসেন লিটন ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে মারা যান। অসুস্থ হয়ে গত ২৮ আগস্ট তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শাহাদাত খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামের মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ভারতের মুখোমুখি হওয়া। পুরুষদের ক্ষেত্রে হোক কিংবা মহিলাদের ক্ষেত্রে, এই চিত্রে পরিবর্তন দেখা যায় না।
বয়সভিত্তিক দলের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। সম্প্রতি নারীদের এশিয়া কাপের ম্যাচে আবারও সেই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
গত শনিবার ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপ দাঁড়াতে পারেনি। শ্রী চরণি (৩ উইকেট), দীপ্তি শর্মা (২ উইকেট), প্রেমা রাওয়াত (২ উইকেট) এবং শেফালি বর্মার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের গোটা দল মাত্র ৫৫ রানে ভেঙে পড়ে।
তবে দলের এমন দুর্বল পারফরম্যান্স সত্ত্বেও কোচ ওয়াহাব রিয়াজ দলকে সেরা হিসেবে উল্লেখ করতে পিছপা হননি।
এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় দলের জন্য সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৮.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়লাভ করে। পাকিস্তানের পক্ষে কেবল ওপেনার মুনিবা আলি ও শাওয়াল জুলফিকার ছাড়া দলের অন্য কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছাতে পারেননি। মাঠে এমন পারফরম্যান্সের পর কোচের মন্তব্য ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে পাকিস্তানকে এশিয়া কাপের সেরা দল হিসেবে উল্লেখ করে ওয়াহাব বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি দলের সব খেলোয়াড়ই অত্যন্ত দক্ষ, শুধু নিজেদের ওপর ভরসা রাখতে হবে। ভারতের বিরুদ্ধে কী ভুল হয়েছে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব। তবে এখানকার পরিবেশ আমাদের সম্পূর্ণ অনুকূলে থাকায় আমি এখনও মনে করি এশিয়া কাপ ট্রফি জেতার সবচেয়ে বড় দাবিদার ও সেরা দল পাকিস্তানই।’
অন্যদিকে, অধিনায়ক সানা মির তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এশিয়া কাপের জন্য অভিজ্ঞ সাতজন ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে নতুন মুখ নিয়ে স্কোয়াড গঠনের জন্য সরাসরি ম্যানেজমেন্টকে দায়ী করেছেন পাক অধিনায়ক।
তবে অধিনায়কের ক্ষোভকে গুরুত্ব দিতে রাজি হননি ওয়াহাব।
সানা মিরের সমালোচনা প্রসঙ্গে ওয়াহাব জানান, অধিনায়কের ব্যক্তিগত মতামতের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। বাদ পড়া ক্রিকেটাররা বছরের পর বছর ধরে বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপ খেললেও ইতিবাচক ফল আনতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাই নতুনদের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মাঠে এমন শোচনীয় পারফরম্যান্স এবং অন্দরের বিদ্রোহের মাঝে কোচের এই দাবি ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে পাকিস্তানকে নতুন করে হাসির খোরাক করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রাজধানীর তেজগাঁও সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান পরিচালনা করছে, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের কারণে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার পর বাড্ডা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন।
সূত্রে জানা যায়, বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। অভিযানের সময় অফিসে থাকা বিভিন্ন নথি যাচাই-বাচাই করা হয় এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট একাধিক নথি জব্দ করা হয় পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপরিচালক) আকতারুল ইসলাম। তিনি জানান, বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে দুদক অভিযান চালাচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেসের মাথায় উঠেছে মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬-এর মুকুট। তিনি আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতার এই মর্যাদাপূর্ণ খেতাব অর্জন করেছেন, বিশ্বের ১১১ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে অনুষ্ঠিত হয় মিস ওয়ার্ল্ডের জমকালো আয়োজন। সেখানেই সেরার মুকুট পরিধান করেন ডোমিনিকান এই সুন্দরী।
জোহেইরি মোলা পূর্বে ‘মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫’ খেতাব অর্জন করেছিলেন। ওই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার ফলস্বরূপ, তিনি মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে ডোমিনিকান রিপাবলিকের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করেন।
ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে পরিচিত জোহেইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী। সৌন্দর্যের পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শনিবারের চূড়ান্ত আয়োজনে, গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড, থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি জোহেইরির মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন।
মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট জয়ের পর, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটির বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পরিকল্পনা রয়েছে জোহেইরির।
এছাড়া, তিনি বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচারাভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস। দ্বিতীয় রানারআপের খেতাব অর্জন করেছেন মালয়েশিয়ার তানুসিয়া চেট্টি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ