ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শর্তসাপেক্ষে হাজার হাজার পিকেকে যোদ্ধাকে ক্ষমা করছে তুরস্ক


শর্তসাপেক্ষে হাজার হাজার পিকেকে যোদ্ধাকে ক্ষমা করছে তুরস্ক

শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির(পিকেকে) হাজার হাজার যোদ্ধাকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার একটি আইন পাস করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। মঙ্গলবার(১৮ আগস্ট) সরকারি গেজেটে এই আইনটি প্রকাশিত হয়।

দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, সংগঠনটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হলে এবং অস্ত্র সমর্পণ করলে এই আইন কার্যকর হবে। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে বিপুল ভোটে বিলটি পাস হয়েছে। এই আইনের ফলে পিকেকে-র দণ্ডপ্রাপ্ত সদস্যদের কারাদণ্ড স্থগিত করা হবে এবং অপরাধের গুরুত্বের ওপর ভিত্তি করে অন্যদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া পাঁচ বা দশ বছরের জন্য স্থগিত রাখা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা যদি পুনরায় কোনো অপরাধ না করে, তবে কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেবে। আইনটিতে সংগঠনটির নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনেরও বিধান রাখা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: আসামে মুসলিমদের ১১০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার নিন্দা নাহিদ ইসলামের

গত বছর কারাবন্দী নেতা আবদুল্লাহ ওজালানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পিকেকে তুরস্ক এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে গণ্য করে নিজেদের সংগঠন বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয়। তবে ওজালান এবং পিকেকে-র অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই ক্ষমার আওতাভুক্ত নন।

এর পরপরই উত্তর ইরাকে এক প্রতীকী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কিছু যোদ্ধা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং তুরস্কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে কিছু যোদ্ধাকে ইরাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ১৯৮০-র দশক থেকে পিকেকে-র সঙ্গে চলা এই সংঘাতে কয়েক হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এর ফলে কুর্দি-অধ্যুষিত দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কের ওপর একটি গুরুতর অর্থনৈতিক বোঝা তৈরি হয়েছে এবং কয়েক দশক ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনকে উসকে দিয়েছে।

আইনপ্রণেতারা বলেছেন, এই পদক্ষেপের প্রাথমিক পর্যায়ে পিকেকে-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩ হাজার ৫০০ বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে। এটি তুরস্কের কারাগারে আটক মোট বন্দীর সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি আরব রুটে ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল, ২০ হাজার যাত্রী আটকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ ঘণ্টার পথ ১৪ ঘণ্টায়, কেমন আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


৬ ঘণ্টার পথ ১৪ ঘণ্টায়, কেমন আছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

বাংলাদেশ দলের চার পেসার (বাঁ থেকে) ইবাদত, হাসান, তাসকিন ও খালেদ বিমানবন্দরে হাসিমুখে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়ে একটি ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে প্রথম টেস্ট জিতে সফরকারীরা দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে শুরু হবে সিরিজ নির্ধারণী টেস্ট। তবে সেখানে পৌঁছাতে বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে। শান্ত-মুশফিক-মিরাজ-হাসানদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এই যাত্রায়। ফ্লাইট বিলম্বের কারণে ৬ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে লেগেছে সাড়ে ১৪ ঘণ্টা। এই তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন একটি জাতীয় দৈনিককে। যদিও ক্লান্তিকর এই ভ্রমণ নিয়ে তিনি কোনো অভিযোগ করেননি। ডারউইন অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরিতে অবস্থিত এবং ম্যাকাইয়ের অবস্থান কুইন্সল্যান্ড রাজ্যে। আকাশপথে দুই শহরের দূরত্ব প্রায় ২২০০ কিলোমিটার। আজ ডারউইনের সময় ভোর সাড়ে ৫টায় টিম হোটেল থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে বের হয় বাংলাদেশ দল। সকাল ৭টায় তারা ম্যাকাইগামী বিমানে ওঠে। যখন বিমানে ম্যাকাইতে অবতরণ করে, তখন ঘড়ির কাটায় প্রায় সন্ধ্যা ৭টা বাজে। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে হোটেলে যেতে লেগেছে আরো ১ ঘণ্টা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দল একটি ক্লান্তিকর দিন অতিবাহিত করেছে। তবে দীর্ঘ ভ্রমণের পরেও সুমনের ভাষ্যমতে, সব ক্রিকেটার ভালো আছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ম্যাকাইয়ে পৌঁছেছি। ভ্রমণটা অনেক দীর্ঘ ছিল। (ভোর) সাড়ে ৫টার সময় হোটেল থেকে বের হয়েছি। ৭টায় ফ্লাইট ছিল। ম্যাকাইয়ের হোটেলে পৌঁছাতে রাত ৮টা বেজেছে। লম্বা ভ্রমণ। কিন্তু সবাই ভালো আছি। কোনো অভিযোগ নেই। আলহামদুলিল্লাহ।’ বাংলাদেশের জন্য ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় টেস্ট অভিষেক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের মাধ্যমে। ইতোমধ্যে এই ভেন্যুতে প্রথম দুই দিনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। যদি বাংলাদেশ ম্যাকাই টেস্টে হার এড়াতে পারে, তবে এটি প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয় করার কীর্তি গড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে’

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বক্তব্য প্রদান করেন।

দেশের চলমান গ্যাস সংকটটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার ফল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্রেটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সংকট পুরোপুরি কাটাতে এবং জ্বালানি খাতে স্বস্তি ফেরাতে অন্তত আরও দুই বছরের সময় প্রয়োজন। এই সময়ের মধ্যে জনগণের দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেছেন, বর্তমান গ্যাস সংকটের কারণে জনগণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে— এটি সরকার মেনে নেয়। প্রধানমন্ত্রীও এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও ঘাটতির কারণে তৈরি হওয়া সংকটের দায় বর্তমান সরকারের ওপর চাপানো সঠিক নয়।

বিরোধী দলের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্যাস সংকট নিয়ে বিরোধী দল সরকারের ওপর দায় চাপাতে পারে, এটি একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। তবে তিনি অপ্রয়োজনীয় আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানোর ব্যাপারে সতর্ক করেন। তিনি তাদের রাজপথের পরিবর্তে সংসদে গিয়ে যুক্তি তুলে ধরার আহ্বান জানান। জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে আন্দোলন করলেই মানুষ তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গ্যাসের ঘাটতির চিত্র তুলে ধরার সময় তিনি জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান চাহিদার তুলনায় প্রতিদিনই বড় ধরনের ঘাটতি বিদ্যমান। এমনকি কিছু কারখানা চালু থাকলেও চাহিদার সাথে সরবরাহের ব্যবধান পুরোপুরি দূর হবে না। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে ডা. জাহেদ বলেছেন, ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির বিষয়েও কাজ চলছে। স্থলভাগে নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হচ্ছে। এ কাজে নতুন দুটি রিগ কেনার পাশাপাশি বিদ্যমান রিগগুলো সচল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থলভাগে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে দেশের স্থলভাগে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস মজুত থাকার ধারণা রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে এসব সম্ভাবনা কাজে লাগানোর মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সরকার এখন অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দিকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেছেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কয়লা ব্যবহারের বিষয়েও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সরকারি স্থাপনাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সংকট পুরোপুরি কাটাতে সময় লাগলেও এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা চলছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে ডা. জাহেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি খাতে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রভাব বর্তমান পরিস্থিতিতে পড়েছে। এর সাথে আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাও যুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে এলএনজির আন্তর্জাতিক বাজার আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

সভায় দেশের প্রাথমিক, কারিগরি ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভাগীয় পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

ডা. জাহেদ বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখতে হবে। হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন গতি আনতে জেলা প্রশাসকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব দীপংকর বিশ্বাস, রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে লিপি-মনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


বাকৃবিতে ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে লিপি-মনির
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কর্মকর্তাদের নতুন সংগঠন বিএইউ ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রথম আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে পরীক্ষা শাখার অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কৃষিবিদ ওয়াহিদা ইয়াসমিন লিপিকে আহ্বায়ক এবং কৃষি মিউজিয়ামের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কৃষিবিদ মনির উদ্দীন আহাম্মেদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. নাজমুল হক, শিক্ষা শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. ফারুক আহম্মদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ শফিউল্যাহ (রুবেল), পানি সরবরাহ, গ্যাস ও স্যানিটেশন বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, হিসাব শাখার অতিরিক্ত ট্রেজারার মো. সাজ্জাদ হোসেন মণ্ডল, পূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মুহ এনামুল হক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার এডিশনাল ডাইরেক্টর প্রকৌশলী মুহাম্মদ আতিকুজ্জামান আকন্দ, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাব্বির কবীর, হিসাব শাখার ডেপুটি ট্রেজারার মোহাম্মদ আশরাফুল হক, হেলথ কেয়ার সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিক্যাল অফিসার কাম প্যাথলজিস্ট ডা. আবুল কালাম মোহাম্মদ আজাদ, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. ফারজানা দিবা, উদ্যানতত্ত্ব খামারের উপ-প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক কৃষিবিদ ড. মো. ওবাইদুর রহমান এবং সংস্থাপন শাখা-৫ (পেনশন)-এর এডিশনাল রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মো. সাহেবুল ইসলাম খান (রনি)।

এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা ও বিভাগের ২২ কর্মকর্তা। তাঁদের মধ্যে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আসাদুল হক সজল, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফৌজিয়া আক্তার, বিদ্যুৎ বিভাগের এডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার প্রকৌশলী মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, পরীক্ষা শাখার উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কৃষিবিদ ড. মো. আশরাফুল ইসলাম খান (কাবুল), ভিসি সচিবালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম, জিটিআইয়ের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এ কে এম তোফায়েল আহমেদ (রিপন), সংস্থাপন শাখার এডিশনাল রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. মঞ্জুর হোসেন (লিটন) ও শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ শামীমা আক্তার ঝর্ণা  
হিসাব শাখার ডেপুটি ট্রেজারার হারুনুর রশীদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার এডিশনাল চীফ ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) ডালিয়া খাতুন, পরীক্ষা শাখার উপ-পরিচালক (অডিট) মুহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসান, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহীন হালিম (ডন), পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী পরিচালক মো. সোহাগ ভূঁঞা, আইআইএফএসের সহকারী রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. সামিয়া আফরোজ, হেলথ কেয়ার সেন্টারের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সৈয়দ জারজিস আহমেদ ও ডা. নাজমুল হাসান তামীম, বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির সিনিয়র ক্যাটালগার মো. মাহফুজ রহমান, পরীক্ষা শাখার সহকারী প্রোগ্রামার মো. রফিকুল ইসলাম এবং একই শাখার সেকশন অফিসার মো. নাজমুল হুদা।

সংগঠনটির লক্ষ্য সম্পর্কে সদস্যসচিব কৃষিবিদ মনির উদ্দীন আহাম্মেদ বলেন, ‘কোনো বিভাজনের লক্ষ্যে নয়, বরং ঐক্য, সহযোগিতা, অধিকার ও কল্যাণের নতুন সম্ভাবনার উদ্দেশ্যে বিএইউ ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিতামূলক সাংগঠনিক পরিবেশ গড়ে তোলা, দায়িত্ব সচেতনতার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখাসহ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আরও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘মতভিন্নতা থাকবে, কিন্তু বিভেদ নয়। প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু ব্যক্তিগত বিরোধ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। আমাদের এ অবস্থান কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা পূর্ববর্তী সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়।’
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ পানি প্রকল্পে ১০ শতাংশ নেওয়ার অভিযোগ সচিবের নাম ভাঙিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ প্রকল্প পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো:রাজিব তালুকদার নিজস্ব প্রতিবেদক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


নিরাপদ পানি প্রকল্পে ১০ শতাংশ নেওয়ার অভিযোগ সচিবের নাম ভাঙিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ প্রকল্প পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে

নিরাপদ পানি প্রকল্পে ১০ শতাংশ নেওয়ার অভিযোগ

## সচিবের নাম ভাঙিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ প্রকল্প পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) অধীনে বাস্তবায়িত *‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প’* ঘিরে অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রভাব বিস্তার ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের অনুমোদন ও প্রাক্কলন (ইস্টিমেট) প্রক্রিয়ায় প্রায় *১০ শতাংশ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ* করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার ও প্রকৌশলী। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গ্রামীণ ও জনবহুল এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাই ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৬ মেয়াদের এ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন এলাকায় নলকূপ ও গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি শোধনাগার ও আয়রন রিমুভাল প্ল্যান্ট স্থাপন, পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ এবং দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এমন গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কাজ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

### *সচিবের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ*

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পটির প্রকল্প পরিচালক *মো. হানিফ* বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সইএন) এবং প্রভাবশালী ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রকল্পের ইস্টিমেট নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে হাতে হাতে দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন ও কাজের ক্ষেত্রে প্রায় *১০ শতাংশ অর্থ নেওয়া হচ্ছে* বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার অভিযোগ করেন, প্রকল্প পরিচালক মো. হানিফ সরাসরি অর্থ না নিয়ে বিভিন্ন সময়ে *স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর নাম ব্যবহার করেন*।

ওই ঠিকাদারের অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সাবেক মন্ত্রী-এমপি এবং ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের নাম ব্যবহার করেও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়।

### *ইস্টিমেট নিয়ে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ*

প্রকল্পটির ইস্টিমেটার *আনোয়ারুলের* বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী এবং আর্থিকভাবে সক্ষম ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ইস্টিমেট প্রস্তুত ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ইস্টিমেট হাতে হাতে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এর ফলে প্রকল্পের কাজের স্বচ্ছতা এবং ঠিকাদার নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

### *‘অর্থ নেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত কাজ হয়নি’*

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্বাহী প্রকৌশলী অভিযোগ করে বলেন, তাঁর কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থ নেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত কাজ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ওই কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি প্রকাশ্যে বললে হয়রানির আশঙ্কায় তিনি এতদিন নীরব ছিলেন। তাঁর কাজ সম্পন্ন না হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলেও জানান তিনি।

### *ফোন করেও পাওয়া যায়নি প্রকল্প পরিচালকের বক্তব্য*

অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক *মো. হানিফের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়।* ফোনে বিষয়টি জানার জন্য কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইস্টিমেটার *আনোয়ারুলের* বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্পের নথিপত্র, ইস্টিমেট, অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং আর্থিক লেনদেন যাচাই করা প্রয়োজন।

### *নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি*

অভিযোগকারীদের দাবি, নিরাপদ পানি সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে বিপুল সরকারি অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয় করা হয়েছে। তাই প্রকল্পের ইস্টিমেট প্রস্তুত, অনুমোদন, ঠিকাদার নির্বাচন, কাজের বাস্তবায়ন এবং অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তাঁরা প্রকল্প পরিচালক মো. হানিফ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে *‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর* অর্থ ব্যয়, ইস্টিমেট ও অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%