শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৬ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘দেশের চলমান সংকটকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি, যেসব সমস্যা আমরা ইনহেরিট করেছি, তা স্বৈরাচারী আমলেই হোক অথবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যা হোক, সবগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। সমস্যা নেই, তা কখনোই বলছি না। অবশ্যই বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। কিন্তু সমস্যাগুলোকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল এবং কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এর মাধ্যমে দেশে অরাজকতা তৈরি করার চেষ্টা চলছে।’
আজ (শনিবার) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্লোগানকে ধারণ করে বিকেল পৌনে ৪টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এই সভার সূচনা হয়।
সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই যে, বাংলাদেশের জনগণ এই সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে দেশ পরিচালনার জন্য। অবশ্যই আমরা গণতন্ত্রের ধারাকে সমুন্নত রাখবো। গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতাগুলো আপহোল্ড করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’
একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউ যদি অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়; সেটিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তা দেশের আইনে বলা আছে। কাজেই জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার হিসেবে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, প্রত্যেকের নিজেদের সীমার মধ্যে থাকা দরকার।’
দেশের প্রতিটি সংকটকালীন মুহূর্তে বিএনপি জনগণের পাশে ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটি সংকটকালীন মুহূর্তে বিএনপি নামক রাজনৈতিক দলটি নেতাকর্মী ও দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য পরিশ্রম করেছে। সংকট থেকে ধীরে ধীরে দেশকে বের করেও নিয়ে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে যেহেতু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এই মুহূর্তে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে। শিল্পকারখানার মালিকসহ বহু সাধারণ মানুষ যারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কষ্টে রয়েছেন, তাদের সকলের কাছে আমি দলের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রিক এফ-৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত প্রদর্শনী চলাকালে
গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের নিকটবর্তী তানাগ্রা বিমানবন্দরে বিমান প্রদর্শনীর সময় একটি এফ-৪ ফ্যান্টম যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবারের এই ঘটনার পর ওই বিমানের দুই পাইলটের অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
গ্রিক বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা
-কে জানান, যুদ্ধবিমানটি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইআরটির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দর্শকদের কাছ থেকে কয়েক শ মিটার দূরে আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়ছে। ঘটনাস্থলে দুটি হেলিকপ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছে।
বিমানবাহিনীর ওই কর্মকর্তা আরও জানান, দুর্ঘটনার পর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।
দর্শকদের মধ্যে কেউ আহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ দল বড় জয় দিয়ে শুরু করেছে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপ হকি।
বাংলাদেশ নারী দল আজ তাদের প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় মেতে ওঠা বাংলাদেশ ২০ মিনিটের মাথায় কনা আক্তারের গোলে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায়।
এরপর নাদিরা ইমা ও আইরিন আক্তারের জোড়া গোলে বাংলাদেশ ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
চতুর্থ কোয়ার্টারে অধিনায়ক সারিকা রিমন আরও দুটি গোল করার মাধ্যমে ৭-০ ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
এই দাপুটে জয় বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য দলের আত্মবিশ্বাস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।
আগামীকাল (রোববার) বাংলাদেশ নারী দল গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা ‘দিল্লি-৬’-এর সঙ্গে ‘মাসাকালি’ গানটির নাম জড়িয়ে আছে। তবে, গানটি মূলত অন্য একটি সিনেমার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।
নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ আর রহমান আসলে শাহরুখ খান এবং দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘ওম শান্তি ওম’-এর জন্য গানটি তৈরি করেছিলেন।
ফারাহ আরও জানান, ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংগীত পরিচালনার জন্য প্রথম পছন্দ হিসেবে এ আর রহমানকে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় বিশাল-শেখর সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সম্প্রতি ফারাহ তাঁর ইউটিউব ভ্লগের একটি নতুন পর্বে বিশাল দাদলানির খামারবাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেওয়ার সময় পুরনো সেই ঘটনা তুলে ধরেন।
দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ফারাহ জানান, ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংগীত নিয়ে তিনি প্রথমে এ আর রহমানের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সেই কাজ না হওয়ায় তিনি বিশাল দাদলানি ও শেখরের নাম ভাবেন।
ফারাহর পরিকল্পনার কথা শুনে বিশাল তখন জানিয়েছিলেন, তিনি আশা করেন রহমানের সঙ্গে কাজটি সফল হবে।
এমনকি প্রয়োজন হলে তাঁরা দুজন রহমানের সহকারী হিসেবেও কাজ করতে রাজি ছিলেন।
ফারাহ জানান, রহমান তখন ‘ওম শান্তি ওম’-এর জন্য একটি গানও তৈরি করে ফেলেছিলেন।
ফারাহ বলেন, ‘রহমান ‘ওম শান্তি ওম’-এর জন্য প্রথম যে গানটি তৈরি করেছিলেন, সেটি ছিল ‘মাসাকালি’! আমি জানি না আমি এটা কোথায় রাখব, কিন্তু আমি গানটা এবং শব্দটা ভালোবাসি।’
বিশাল দাদলানি মজা করে বলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি ও শেখর ‘ওম শান্তি ওম’-এর সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব না পেলেও সিনেমাটির সংগীত দুর্দান্ত হতো।
ফারাহ তাঁর জবাবে বলেন, বিশাল ও শেখরের কারণেই সিনেমাটির সংগীত এতটা জমজমাট হয়েছিল।
বিশাল সিনেমাটির সংগীতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ওম শান্তি ওম-এ যে বিশাল, মসলাদার সংগীত ছিল, সেটাই একমাত্র। এটাই শেষ! বলিউডের চিরাচরিত মসলাদার সংগীত এটাই; এখনো আমি এমন রিল পাই যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়, কিভাবে আমরা সেই সময়ে এআই ছাড়াই ‘ধুম তানা’ তৈরি করেছিলাম, যখন এআই-এর অস্তিত্বই ছিল না। ভিজ্যুয়ালগুলো! ওরা কিভাবে ওগুলো তৈরি করেছিল? আমরা শুধু কাজটা করেছিলাম এবং মজা করছিলাম।’
পরবর্তীতে এ আর রহমানের তৈরি ‘মাসাকালি’ গানটি রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার সিনেমা ‘দিল্লি-৬’-এ জায়গা করে নেয়। সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০৯ সালে, অর্থাৎ ‘ওম শান্তি ওম’ মুক্তির এক বছর পর।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওম শান্তি ওম’ পরিচালনা করেন ফারাহ খান। রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত সিনেমাটিতে শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোনের পাশাপাশি অভিনয় করেন অর্জুন রামপাল, শ্রেয়াস তালপাড়ে ও কিরণ খের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের মুগলা প্রদেশের মিলাসে বিয়ের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সোনা ও নগদ অর্থ নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগে পুলিশ এক নববধূকে আটক করেছে। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পরদিনই তিনি স্বামীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গহনা ও নগদ অর্থ নিয়ে চলে যান।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের বরাতে খামা প্রেস জানিয়েছে, মামুরা কালপুনোভা নামে ওই নববধূ উজবেকিস্তানের নাগরিক। মুস্তফা আতেসোগলোর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ঐতিহ্যবাহী ইয়োরুক রীতিতে আয়োজিত ওই বিয়ের অনুষ্ঠান তিন দিন ও তিন রাত ধরে চলে।
বিয়েতে নববধূ বিপুল পরিমাণ সোনা ও নগদ অর্থ উপহার পান। নিখোঁজ এসব গহনার মূল্য আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ লাখ তুর্কি লিরা বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর মিলাসের প্রসিকিউটর কার্যালয় তদন্ত শুরু করে। পরে পুলিশ মামুরা কালপুনোভাকে আটক করে।
তবে মামুরা গহনা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তদন্তকারীদের কাছে দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বিয়েতে পাওয়া সব গহনা তিনি সঙ্গে নিয়ে যাননি। তার ভাষ্য, বিয়ের পর স্বামী তাকে হুমকি ও অপমান করেন। এ কারণে তিনি মায়ের বাড়িতে চলে যান।
মামুরা আরও দাবি করেন, স্বামীর বাড়ি ছাড়ার সময় তিনি শুধু ২০টি সোনার কয়েন ও ২ লাখ ২৬ হাজার তুর্কি লিরা নগদ নিয়েছিলেন। বাকি সোনার গহনা তার শ্বশুরের কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
যেখান থেকে মামুরাকে আটক করা হয়, সেখানে পুলিশ তল্লাশি চালায়। তবে সেখানে নিখোঁজ গহনার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুলিশ গহনা ও নগদ অর্থের প্রকৃত অবস্থান এবং ঘটনার পেছনে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখছে।
স্থানীয়ভাবে বেশ আলোচিত ওই বিয়েতে ছিল নানা ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। এর মধ্যে রাতে তেল কুস্তির প্রতিযোগিতায় তুরস্কের পরিচিত কয়েকজন কুস্তিগিরও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শত শত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
তুরস্কে বিয়েতে নবদম্পতিকে সোনার গহনা উপহার দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। অনেক পরিবার এসব গহনাকে নবদম্পতির ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক সম্পদের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। ফলে বিপুল পরিমাণ বিয়ের গহনা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
তদন্ত চলমান থাকায় মামুরার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এখনও প্রমাণিত হয়নি। ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ