বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৭ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এই মর্যাদাপূর্ণ পদে মনোনয়ন ও নির্বাচনে সমর্থনের জন্য তিনি দায়িত্বটি ন্যায়সংগত, নিরপেক্ষতা ও সততার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার করেছেন। জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের প্রতি আস্থা ও সমর্থন জানানোতে তিনি তাদেরও ধন্যবাদ জানান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করা তার জন্য গভীর সম্মানের বিষয়। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব এমন এক সময়ে রয়েছে, যখন বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা ও জাতিসংঘের ওপর আস্থা নানা দিক থেকে পরীক্ষার মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংলাপ, সহযোগিতা ও অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে বের করা তার অগ্রাধিকার হবে।
জাতিসংঘের ভূমিকা তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আট দশকের বেশি সময়ে বিশ্বে শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে উন্নয়ন, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের মতো নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংস্থাটিকে আরও কার্যকর করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘আস্থা পুনর্গঠন, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’। এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ওপর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর আস্থা পুনর্গঠন এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি জাতিসংঘে গভীরতর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন।
এর আগে গত ২ জুন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন ড. খলিলুর রহমান। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকুরিসকে হারিয়ে তিনি ১৯০টি বৈধ ভোটের মধ্যে ৯৯ ভোট পান; প্রতিদ্বন্দ্বী পান ৯১ ভোট। এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর আবারও বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে ফিরে আসে। এর আগে বাংলাদেশের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬-৮৭ সালে ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন।
৮ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছরের জন্য ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘে তার ৩০ বছরের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি সাধারণ পরিষদের ১৬টি অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন। নতুন অধিবেশনে বৈশ্বিক সংঘাত, উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমঝোতা তৈরিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. খলিলুর রহমান বলেন, সব সমস্যার দ্রুত ও সহজ সমাধান সম্ভব—এমন ধারণা তার নেই। তবে মতপার্থক্য থাকলেও সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি একই সঙ্গে জাতিসংঘকে ভবিষ্যতের জন্য উপযোগী করে তুলতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা সদর উপজেলায় বিদ্যমান বিএসআইসি, বিএডিসি এবং খুচরা সার বিক্রেতা ও ডিলারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (শেরপুর সদর) মিজ আসমা বিনতে রফিক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিগণ।
সভায় কৃষকদের মধ্যে সারের সুষ্ঠু ও ন্যায্য মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এছাড়া, সার বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি সারের সঠিক সাপ্লাই চেইন পালন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, রুমিন ফারহানার মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ছায়া দেখা যায়। তিনি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো: "রুমিন ফারহানা আপার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যায়! যখন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইনের ফেসবুক পোস্ট আর রুমিন ফারহানা আপার ফেসবুক পোস্টের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না, তখন বলতেই হয়, জাতীয় সংসদে আওয়ামীলীগের একমাত্র যোগ্য প্রতিনিধি রুমিন ফারহানা আপা! হয়তো এই পারফরম্যান্স দেখে রুমিন ফারহানা আপাকে আ.লীগের বাংলাদেশ শাখার সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব দিতে পারে শেখ হাসিনা।"
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গতকাল তার বক্তব্য তার পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নমিনেশন পাওয়ার আগে এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী এমপি হয়ে সংসদে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যের ফটোকপি গতকাল বিএনপির বিরুদ্ধে উত্থাপন করেছেন রুমিন ফারহানা আপা।
এছাড়া, জামায়াতের আমির তাকে বেশ উৎসাহ দিয়েছেন। তবে তিনি কি ভুলে গেছেন যে, কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের সময় জামায়াতের ৯০ জন এমপি কিভাবে হট্টগোল করছিলো? নিজেদের সংস্কৃতির সূচনা করা সেই ধরনের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কথা বলা তো বেমানান!
অন্যদিকে, জামায়াতের এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে মূলত থুতু উপরের দিকে ফেলে নিজের গায়েই মাখলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন যে ঐ সরকারের কৃষিমন্ত্রী ছিলেন মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আর সেটি ছিলো বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকার। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, জাতীয় সংসদে জামায়াত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানারা সবাই আওয়ামী বয়ানের পক্ষে বেঁধেছে জোট!
কিন্তু জাতি কি ভুলে গেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে রুমিন ফারহানা আপা হাসনাত আব্দুল্লাহকে ফকিন্নির বাচ্চা বলে সম্বোধন করেছিলো?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার মেঘনা নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে। একই সঙ্গে, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান এবং বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানি শেষে রুলসহ এ আদেশ প্রদান করেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ও ভোলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন।
শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন মন্তব্য করেন, "ভোলা একটি গ্যাসে পরিপূর্ণ জেলা। সেখানে প্রায় ২২ লাখ মানুষের বসবাস। এটি সম্পূর্ণ নদীবেষ্টিত এলাকা। বর্তমানে সেখানে হাজার হাজার ড্রেজার বসিয়ে ভোলার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আমি ওই জেলার একজন সচেতন বাসিন্দা ও আইনজীবী হয়ে চুপ করে বসে থাকতে পারি না।"
তিনি আরও বলেন, "অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই পরিবেশ ও জনস্বার্থে আমি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করি। সেই রিট আবেদনের শুনানি শেষে উচ্চ আদালতের যৌথ বেঞ্চ আজ রুলসহ এই নির্দেশনামূলক আদেশ দেন।"
রিট আবেদনকারী জানান, ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া মৌজায় মেঘনা নদীর তীরে প্রায় ৩৯ দশমিক ৪৯ একর জমিতে অবস্থিত 'মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪' ইজারা দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে এবং এর ভিত্তিতে ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু, চুক্তি সম্পাদনসহ গৃহীত সব কার্যক্রম বাতিল ও স্থগিতের দাবিতে এই রিট দায়ের করা হয়।
রিট আবেদনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলার মনপুরা উপজেলা বাদে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভোলা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াদুদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জামিল হোসেন ওয়াদুদ এবং মহিষা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ শহীদসহ মোট ১৫ জনকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উচ্চ আদালতের আদেশে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত আলোচিত মেঘনা বালুমহাল দুটি থেকে অবিলম্বে সব ধরনের বালু উত্তোলন বন্ধের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া ৩ ও ৪ নম্বর বিবাদীকে (বিআইডব্লিউটিএ এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার) একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে মেঘনা নদীর সঠিক হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরিপের মাধ্যমে বালুমহাল গেজেট থেকে অস্তিত্বহীন 'মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪' স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাস রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, তীব্র নদীভাঙন থেকে ভোলা জেলাকে রক্ষা করতে নদী থেকে সব ধরনের ড্রেজার ও যন্ত্রপাতি অবিলম্বে অপসারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়োজিত করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. জিয়াউল করিম, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
সমাবেশে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।" তারা বলেন, যদি জনসাধারণ নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে, কোথাও জমে থাকা পানি জমতে না দেয় এবং ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করে, তবে এই মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।
আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির আওতায় পরবর্তী দুই দিন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ