বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আনন্দ র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে।
সকাল থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে পৌর সদরে জড়ো হতে থাকেন। পরে সেখান থেকে একটি আনন্দ র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি পৌর সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল গেটে গিয়ে শেষ হয়। এর পর সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
নাঙ্গলকোট পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন নয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
সমাবেশের সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক ভূঁইয়া, গোলাম রসুল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন জসিম, সাবেক আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মকুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মাঈন উদ্দিন বাহার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির নেতা আরিফুল আলম নোমান, ইউনুছ হাসান মানিক, পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মিজানুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব কামারুজ্জামান টিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন, শেহাব উদ্দিন খন্দকার, অহিদুল ইসলাম, কাজী ফয়সাল, পৌরসভা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আফসার সজল, সদস্যসচিব এনায়েত উল্লাহ কামাল, উপজেলা ছাত্রদলের নেতা কামারুজ্জামান ও আলী হোসাইন টিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
সমাবেশে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দলের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দলের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) গত আসরে চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) হয়ে মাঠে নামেননি ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। এতদিন ধরে শারীরিক চোটের কারণে তার না খেলার বিষয়টি আলোচনায় থাকলেও, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার এস বদ্রিনাথ ভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বদ্রিনাথ জানিয়েছেন, ধোনি শুধু ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ হিসেবে মাঠে নামতে আগ্রহী ছিলেন না। বরং, তিনি পুরো ম্যাচে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করে খেলতে চান।
বদ্রিনাথের বক্তব্য অনুযায়ী, ধোনি ব্যক্তিগতভাবে তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি শুধুমাত্র ব্যাটিং ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নয়, পুরো ২০ ওভার উইকেটের পেছনে থেকে দলের জন্য কার্যকরী ভূমিকা রাখতে চান।
বয়স ও শারীরিক ধকলের বিষয়টি মাথায় রেখে, সিএসকের পক্ষ থেকে ধোনিকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ ছিল। এর মাধ্যমে তিনি ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নামতে পারতেন এবং দলের জন্য তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেত।
কিন্তু ধোনির পছন্দ ছিল পুরো ম্যাচে উইকেটের পেছনে দায়িত্ব পালন করা। তাই, ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে সীমিত ভূমিকা নিয়ে মাঠে নামার পরিবর্তে তিনি খেলা থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি করেছেন বদ্রিনাথ।
এদিকে, ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের কারণে সিএসকের অলরাউন্ডার শিবম দুবেকে বোলিং করানো হচ্ছে না, এমন আলোচনা উড়িয়ে দিয়েছেন বদ্রিনাথ। তার মতে, দুবেকে দিয়ে বোলিং করানো হবে কি না, সেটি সম্পূর্ণ সিএসকে ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বের কৌশলগত সিদ্ধান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানার দবিরখাল এলাকায় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি ট্রাক থেকে ফিশিং বোটে স্থানান্তরকালে ২২০ বস্তা সারসহ তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারের সময় একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, হালিশহর থানার দবিরখাল এলাকায় বুধবার ভোরে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার ২২০ বস্তা (১১ হাজার কেজি) সার এবং পাচারকাজে ব্যবহৃত ট্রাক জব্দ করা হয়। তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জব্দ করা সার, ট্রাক এবং আটক পাচারকারীদের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হালিশহর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে সাব্বির আলম সুজন জানান, চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেছেন, দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে গড়ে তোলার লক্ষ্য হচ্ছে সব জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ গঠনের মূল কনসেপ্ট হচ্ছে সব সম্প্রদায়ের জীবনমানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধন।
আজ দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন এবং কৃষকদের মধ্যে পাওয়ার টিলার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, সরকার সব জনগোষ্ঠীর মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারাদেশে এবং পার্বত্য অঞ্চলে সুবিধা-বঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সমন্বিত ও সার্বিক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সকল শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আচার-রীতি সংরক্ষণ করে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে হবে। এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের জীবনমানের উন্নতিসাধন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে এর অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ১৫টি পাওয়ার টিলার, নারীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে সেলাই মেশিন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাল্টিমিডিয়া সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী বান্দরবান এমডিসিএস হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন, হাসপাতালের ভবন সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের ছাত্রাবাস ভবনের উদ্বোধন করেন। তিনি বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনও করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ আহাম্মদ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান খান সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনী ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট ভেনেজুয়েলার তেল চুরি করার অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ভেনেজুেলা তার বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের একটি বড় অংশ উত্তরাঞ্চলের প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।
বুধবার ভেনেজুয়েলা সফরের সময় রাজধানী কারাকাসের বিমানবন্দরে এএফপিসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি এই সমালোচনা নাকচ করেন। তিনি ভেনেজুয়েলায় কয়েক বিলিয়ন ডলারের একাধিক জ্বালানি চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি তদারক করতে গিয়েছিলেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত তেলের মজুত ভেনেজুয়েলায় রয়েছে। দেশটির ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি তেল, যা মোট মজুতের প্রায় ২০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার কথা রয়েছে।
কারাকাসের কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই চুক্তি থেকে ২৫ বছরে ২০৯ বিলিয়ন ডলার আয় হবে। রাইট বলেন, ‘আমি এসব শিরোনাম দেখেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ভেনেজুয়েলার তেল চুরি করছি।’ এটি একেবারেই সত্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার তেল আসলে ভেনেজুয়েলার জনগণের মালিকানাধীন।’ রাইট উল্লেখ করেন, ‘বেসরকারি কোম্পানিগুলো তেল উত্তোলনের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করছে। তবে এর সুবিধা, রয়্যালটি ও কর সবই ভেনেজুয়েলা সরকার এবং দেশটির জনগণের কাছে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যা করছি তা হলো মাটির নিচে পড়ে থাকা এমন একটি সম্পদ কাজে লাগানো, যা ভেনেজুয়েলার জনগণের কোনো কাজে আসছে না। সেখানে অর্থ ও প্রযুক্তি নিয়ে গিয়ে সম্পদটি উন্নয়ন করা হচ্ছে।’
রাইট ভেনেজুয়েলার বিদ্যুৎ খাত সংস্কারের গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশটির বড় একটি অংশে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই। তিনি বলেন, তেল খাত সচল রাখার জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন।
‘দুটিই আপনার প্রয়োজন,’ উল্লেখ করে তিনি ভেনেজুয়েলার ‘বিদ্যমান বিদ্যুৎ অবকাঠামো’ কাজে লাগানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনার আওতায় এই অবকাঠামো আবার কাজে লাগানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ঘোষিত এই চুক্তিকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বুধবার এর আগে ভেনেজুয়েলায় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান নাকচ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধী দলের কয়েকটি অংশের মধ্যে ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় চলা আলোচনা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ তৈরি করবে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি না, তারা এখনো প্রস্তুত। জানেন, বিষয়টি খুবই নতুন। আমরা তাদের একটি স্বৈরশাসন থেকে বের করে এনেছি এবং সরকারের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক চলছে।’
জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর থেকে মাদুরোর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিচালনা করছেন।
ট্রাম্পের সরাসরি প্রভাবের মধ্যে কার্যত দেশ পরিচালনাকারী রড্রিগেজও বলেছেন, ‘ভেনেজুয়েলা প্রস্তুত হলে’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রাইট স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন একটি ‘প্রক্রিয়া’। তিনি বলেন, এর আগে ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টের সংস্কারসহ বিভিন্ন সংস্কার করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। অবকাঠামো প্রস্তুত করার কাজ অব্যাহত রাখা হবে এবং উপযুক্ত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
রাইট বলেন, জনগণের ভোটের আগে দেশ ও অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হতে যত সময়ই লাগুক, আপনি বসে থেকে অপেক্ষা করতে চাইবেন না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ