ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাথায় দিলেন হাত বুলিয়ে সড়কের পাশে বৃদ্ধকে দেখে থামল প্রধানমন্ত্রী,


মাথায় দিলেন হাত বুলিয়ে সড়কের পাশে বৃদ্ধকে দেখে থামল প্রধানমন্ত্রী,

ফেনী থেকে পরশুরামের দিকে যাচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর। এই সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধের হাতের ইশারা দেখে গাড়িটি হঠাৎ থেমে যায়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাকে কাছে ডেকে নেন। বৃদ্ধ ব্যক্তি হাতে থাকা ফুল দিয়ে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর দুজনের মধ্যে কথোপকথন শুরু হয়। আবেগঘন মুহূর্তে বৃদ্ধ ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং দোয়া করেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকালে ফেনী থেকে পরশুরামে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে। দুই প্রজন্মের এই আন্তরিক মুহূর্তটি উপস্থিত মানুষের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে। বৃদ্ধের প্রধানমন্ত্রী প্রতি স্নেহ ও ভালোবাসার দৃশ্য দেখে অনেকেই মোবাইল ফোনে মুহূর্তটি ধারণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন ওই বৃদ্ধ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাকে দেখে গাড়ি থামানো হয়। প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি থেকে নেমে তার কাছে এগিয়ে যান। বৃদ্ধের দেওয়া ফুল গ্রহণ করে তার সঙ্গে কথা বলেন। তবে বৃদ্ধের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর: অ্যাটর্নি জেনারেল

একপর্যায়ে বৃদ্ধ ব্যক্তি স্নেহভরে তারেক রহমানের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন—‘আল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে দীর্ঘ হায়াত দান করুন।’

চারপাশের মানুষ তখন নীরবে সেই দৃশ্য দেখছিলেন। কারো হাতে মোবাইল ফোন ছিল, কেউবা দূর থেকে ভালোবাসা ও স্নেহের এই মুহূর্তটি দেখছিলেন। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মধ্যেও একজন প্রবীণের কাছে গাড়ি থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে যাওয়ার ঘটনা উপস্থিত মানুষের মনে আলাদা আবেগ সৃষ্টি করে।

ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আরও পড়ুন: নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তি শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে পাহাড়, পাশে দীঘিনালা জোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


প্রযুক্তি শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে পাহাড়, পাশে দীঘিনালা জোন

পাহাড়ের দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক মাসব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে দীঘিনালা জোন। প্রশিক্ষণ শেষে ৪২ জন পাহাড়ি শিক্ষার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দীঘিনালা জোনের পরিচালনায় এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় বাবুছড়া, বরাদম ও আলমগীর টিলা আর্মি ক্যাম্পে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং কম্পিউটার ব্যবহারে তাদের মৌলিক দক্ষতা গড়ে তোলাই ছিল এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য। এক মাসের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়।

প্রশিক্ষণ শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ৪২ শিক্ষার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। সনদ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীরা দীঘিনালা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ: মাহদী আমিন

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষাখাতের গুণগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি আজ রাজধানীর বারিধারাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

বৈঠকটি শিক্ষাখাতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় পরিচালিত ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (হিট) প্রকল্পের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার জন্য অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ পেলে মাহদী আমিন জানান, সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে যদি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোনো প্রতিষ্ঠান বা বিনিয়োগকারী আগ্রহী হয়।

সরকার উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ তৈরিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া শিক্ষার সার্বিক মান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ বাস্তবায়নের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষাখাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তিনি সরকারের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে জানান, শিক্ষাখাতে গৃহীত উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, বাধ্যতামূলক কারিগরি ল্যাব চালু, পরীক্ষাগার সুবিধার আধুনিকায়ন, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইকোসিস্টেম অফিস স্থাপন, স্টার্টআপ ফান্ড গঠন, উদ্ভাবন কার্যক্রম জোরদার, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অফিস চালু এবং জব ফেয়ার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য 'শিক্ষার্থী ঋণ কর্মসূচি' চালুর উদ্যোগের কথাও তিনি বৈঠকে পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে হিট প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের অভিজ্ঞতা, প্রকল্পটির প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক, ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ড, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট টি এম আসাদুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সভা শেষে মাহদী আমিনের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ডের একটি পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে শিক্ষাখাতে বাংলাদেশ সরকার ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব আরো জোরদার, সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষাখাতে সরকারের নেওয়া নানা সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি উপজেলা-ইউনিয়নে স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ তৈরি করবে সরকার: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


প্রতিটি উপজেলা-ইউনিয়নে স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ তৈরি করবে সরকার: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উল্লেখ করেছেন, "আমরা ডিভাইসের হাত থেকে আমাদের সন্তানদের দূরে রাখতে চাই। আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা।"

তিনি আরও জানান, "খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজন, ইতোমধ্যে সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।" পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ দুপুরে ভোলা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের খেলোয়াড়দের পেশাগত যে স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতি বাবদ আমরা ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার হবে না, পড়াশোনা করে যাতে খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।" ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের মাধ্যমে তৃণমূলের খেলোয়াড়দের প্রতিভা অন্বেষণ করে বিকেএসপিতে ভর্তি করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "যারা ট্যালেন্ট তাদের মধ্যে কেউ যদি ফুটবলের হয়, কেউ যদি ক্রিকেটের হয়, কেউ যদি ভলিবলের হয়, কেউ যদি সাঁতারের হয় তাদেরকে জাতীয় খেলোয়াড় বানিয়ে তাদেরকে মাঠে নামাব, এটি হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য।"

তিনি জানান, "চতুর্থ শ্রেণি থেকেই আমাদের আগামী যে শিক্ষাক্রম সেখানে ‘খেলাধুলা’ নামক একটি বই সংযোজন হচ্ছে।" পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে। তাদের নিজেদের পকেট ভারী করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন করেনি।"

আমাদের বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাত্র সাত মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিয়েছেন। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আমিনুল হক বলেন, "ভোলা এবং বরিশাল জেলার প্রতিটি উপজেলায় ল্যাব তৈরি করা হবে।" তিনি বিশ্বাস করেন, "কম্পিউটার ল্যাব তৈরির মাধ্যমে আজকের কার্যক্রমে আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণ বাড়বে।"

ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

অনুষ্ঠান শেষে ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সারকে স্বীকৃত স্বরূপ ল্যাপটপ ও স্মার্ট ফোন প্রদান করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ভোলার ইলিশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন বায়োগ্যাস পল্লী ও শহরের পুরাতন যুগীরঘোল এলাকায় জেলা ক্রীড়া দলের অফিস উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উদ্বোধন করলেন নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


উদ্বোধন করলেন নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনশীল যুগের প্রেক্ষাপটে পুলিশি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার এবং তদন্ত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশের একটি স্বতন্ত্র সাইবার ইউনিট উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশকে দেশ ও বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আজকের দিন থেকে পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হলো, যা অনলাইন ভিত্তিক অপরাধ দমনে কাজ করবে।

বাংলাদেশ পুলিশের স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আজ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে প্রচলিত পুলিশি পদ্ধতির বাইরে গিয়ে প্রযুক্তি-চালিত ও জ্ঞান-ভিত্তিক পন্থা অবলম্বন করতে হবে।

“কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে অপরাধের ধরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের পুলিশি ব্যবস্থাকেও সেই অনুযায়ী বিকশিত হতে হবে। সাইবার পুলিশ ইউনিট বাংলাদেশ পুলিশকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তি-চালিত ও জ্ঞান-ভিত্তিক বাহিনীতে রূপান্তরিত করার পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।”

নতুন এই ইউনিটটির পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি)-এর হাতে। প্রাথমিকভাবে, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনকে এই ইউনিটের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তিনি জানান, বিভাগীয় পর্যায়ে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং অতিরিক্ত ডিআইজিরা সাইবার পুলিশি কার্যক্রম তদারকি করবেন, আর জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার (এসপি) বা মনোনীত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

সাইবার-সম্পর্কিত সেবা প্রদান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য থানাগুলোতে বিশেষায়িত উপ-পরিদর্শক, সহকারী উপ-পরিদর্শক এবং কনস্টেবলও মোতায়েন করা হবে। অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, এই ইউনিটে মোট ৪ হাজার ৫৯২ জন সদস্য থাকবে। প্রাথমিকভাবে, বিদ্যমান পুলিশ বাহিনীর অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত সদস্যদের মোতায়েন করা হবে এবং জনবল কাঠামো সম্পূর্ণ করার জন্য অতিরিক্ত নিয়োগ দেওয়া হবে।

সরকার সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল তদন্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ পেশাদারদের চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্সড নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিটের মধ্যে একটি বিশেষায়িত কারিগরি কর্মী বাহিনীও গঠন করছে।

মন্ত্রী বলেন, সিস্টেম অ্যানালিস্ট, ফিনান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডার্ক-ওয়েব অ্যানালিস্ট, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট, সোশ্যাল-মিডিয়া অ্যানালিস্ট, জরুরি-প্রতিক্রিয়া পরামর্শক এবং দুর্যোগ-পুনরুদ্ধার বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞকে পৃথক ও প্রতিযোগিতামূলক পারিশ্রমিক ব্যবস্থার অধীনে নিয়োগ করা হবে।

নিয়মিত পুলিশ বাহিনীর তথ্যপ্রযুক্তি-প্রশিক্ষিত সদস্যরাও এই ইউনিটে মোতায়েনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা দেশে ও বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। সাইবার পুলিশ ইউনিটের অধীনে একটি আধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিও স্থাপন করা হচ্ছে, যা উন্নত প্রযুক্তি এবং বিশেষায়িত সাইবার-তদন্ত সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত থাকবে।

এই ব্যবস্থা আর্থিক অপরাধ, অর্থ পাচার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-ভিত্তিক অপরাধ, অপতথ্য, মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম-সম্পর্কিত চরমপন্থী কার্যকলাপের তদন্তে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন এই কাঠামোটি সাইবার-তদন্ত কার্যক্রমকে একত্রিত করবে, যা পূর্বে বিভিন্ন পুলিশ ইউনিট দ্বারা পৃথকভাবে পরিচালিত হতো। তিনি বলেন, “সাইবার তদন্ত পূর্বে বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে খণ্ডিতভাবে পরিচালিত হতো। নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট এই কার্যক্রমগুলোকে একটি একক, সমন্বিত কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসবে, যা আমাদের তদন্তের কার্যকারিতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় উন্নত করতে সাহায্য করবে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই বিশেষায়িত ইউনিটটি সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্ত এবং সাইবার স্পেসের অপব্যবহার মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে। মন্ত্রী বলেন, সিআরপিসির মাধ্যমে এভিডেন্সের মাধ্যমে আমরা যেই বিচারকার্য পরিচালনা করতাম তার মধ্যে এখন অনেক বেশি পরিবর্তন এসেছে। সাক্ষ্য কম আইনে পরিবর্তন আসছে। আমাদের ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি প্রয়োজন হয়ে যাচ্ছে প্রায় সকল ক্ষেত্রে। আগে কেমিক্যাল ল্যাবের প্রচলন বেশি ছিল। এখন কেমিক্যাল ল্যাবের পাশাপাশি ফরেন্সিক ল্যাব আমাদের প্রয়োজন হচ্ছে প্রায় সর্বক্ষেত্রে।

মন্ত্রী বলেন, মাদক, জুয়া, অন্যান্য অপরাধ, সন্ত্রাস, মানি লন্ডারিং, ফিনান্সিয়াল বিভিন্ন ক্রাইম ও সোশাল সিকিউরিটির ক্ষেত্রেসহ সাইবার রিলেটেড বিভিন্ন অফেন্সের ক্ষেত্রে আমাদের এই ফরেন্সিক ল্যাবের প্রয়োজন হচ্ছে এবং ডিজিটাল ল্যাবের প্রয়োজন হচ্ছে। আশা করি ইনশাআল্লাহ সকলের সহযোগিতায় আমরা সফলকাম হব এবং সাইবার রিলেটেড সমস্ত অপরাধ সাইবার স্পেস ব্যবহার করে সমস্ত অপরাধকে দমন করতে পারবো।

ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোরশেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%