ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিরাপত্তাসংকটের সমাধান মাত্র হত্যা নয়—জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে


নিরাপত্তাসংকটের সমাধান মাত্র হত্যা নয়—জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে

মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েলি ‘আতঙ্কের’ সমালোচনা করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

ভ্যান্স মন্তব্য করেন, ‘সব সমস্যার সমাধান শুধু হত্যা নয়।’ তিনি জানিয়ে দেন, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান কোনো ছাড় পাবে না। তিনি হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী কয়েকজন মন্ত্রীর সমালোচনা করেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের যথাযথ মূল্যায়ন করছেন না। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তিনি এ সমালোচনার মধ্যে রাখেননি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও অস্থিতিশীলতা নিরসনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইসরায়েল বেশ উদ্বিগ্ন। ইসরায়েলিদের আশঙ্কা রয়েছে যে, এই চুক্তি তাদের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা লক্ষ্যগুলোকে বাধাগ্রস্ত করবে। এ অবস্থায় জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে

ভ্যান্স দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘ইসরায়েলের এই পুরো আতঙ্ক আমার কাছে কিছুটা অদ্ভুত লাগছে। কারণ আমি মনে করি, এটি অবিশ্বাসের জায়গা থেকে এসেছে এবং আমেরিকা বিশ্বের ওই অঞ্চলের আস্থা অর্জন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সব জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান করা যায় না।’

ভ্যান্স আরো বলেন, ‘আমরা ওই দেশ ও সরকারের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছি। আমরা একটি খারাপ চুক্তি করেছি, এমন ধারণার পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই। বরং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে এ দাবি মোটেও যৌক্তিক নয়।’

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলি রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এই চুক্তি নিয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চুক্তিটি সম্পর্কে ভুল তথ্যের কারণেই তাদের এই আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।’

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

তিনি আরো বলেন, ‘তবে ইসরায়েলের রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যেই এমন কিছু ব্যক্তি আছেন, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের মতো মানুষ, যারা এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন। তাদের উদ্দেশে আমার প্রশ্ন, আপনাদের বিকল্প প্রস্তাব কী? মাত্র ৯০ লাখ মানুষের একটি দেশ হিসেবে ইসরায়েল তার প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সংকটের সমাধান শুধু সামরিক অভিযান বা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে করতে পারে না।’

তিনি এই চুক্তিটি ইসরায়েলসহ ‘সমগ্র অঞ্চল এবং বিশ্বের’ জন্য ভালো হবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানের ‘পারমাণবিক কর্মসূচি’ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছি। একই সঙ্গে আমরা ইরানকে এমন এক অবস্থায় নিয়ে এসেছি, যেখানে তারা এমন কিছু প্রস্তাব দিচ্ছে, যেগুলো বাস্তবায়ন করবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু ছয় মাস আগেও সেগুলো কেবল কল্পনা বলেই মনে হতো।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং, আসুন এই আলোচনাটি এগিয়ে নিয়ে যাই। দেখা যাক, ইরানের কর্মকাণ্ড তাদের কথার সঙ্গে মেলে কি না এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও কিছুটা কৃতিত্ব দেওয়া যাক। আমার মতে দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি সরকারের এক অসাধারণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাড়ি আমদানির বাজার যাচ্ছে চীন-ভারতের দখলে, শুল্ক নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


গাড়ি আমদানির বাজার যাচ্ছে চীন-ভারতের দখলে, শুল্ক নিয়ে উদ্বেগ

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) দাবি করেছে, দেশের আমদানি করা গাড়ির বাজার ধীরে ধীরে জাপানের হাতছাড়া হয়ে চীন এবং ভারতের দখলে চলে যাচ্ছে। সংগঠনটির অভিযোগ, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবেশবান্ধব ব্র্যান্ড নিউ গাড়ির জন্য যে শুল্ক সুবিধা রাখা হয়েছে, তা রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি-না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই। এই অবস্থায় প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির জন্য দেওয়া সুবিধা আড়াই হাজার সিসি পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে তারা।

সরকার দেশে পরিবেশবান্ধব গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) এবং প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে শুল্ক সুবিধা দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় জানান, ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে মোট করভার ৯৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬৪ শতাংশ করা হয়েছে। আর ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভির ক্ষেত্রে করভার নামিয়ে আনা হয়েছে ৮০ শতাংশে।

বারভিডার সভাপতি আবদুল হক বলেন, ইভিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে হাইব্রিড গাড়িকে প্রায় পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি জানান, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কও বাড়ানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ১৮০০ সিসি পর্যন্ত ব্র্যান্ড নিউ প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির করভার ৯৩ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ করা হয়েছে। আর ১৮০১ থেকে ২০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির ক্ষেত্রে করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯৬ দশমিক ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বারভিডার সাবেক সভাপতি মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, পরিবেশবান্ধব গাড়ির ক্ষেত্রে হাইব্রিড এবং প্লাগ-ইন হাইব্রিডকে আলাদা করে দেখা হচ্ছে কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, দুই ধরনের গাড়িই পরিবেশবান্ধব।

এদিকে, এই শুল্ক সুবিধা রিকন্ডিশন্ড প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি-না, তা বাজেট বক্তৃতায় স্পষ্ট করা হয়নি। তবে শুল্কায়নের জন্য ব্যবহৃত দুটি এইচএস কোডে সমান সুযোগের ইঙ্গিত রয়েছে। এ বিষয়ে বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান বলেন, বাজেটে অনেক বিষয় এখনো অস্পষ্ট এবং মনে হচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে বেশি সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, ১ থেকে ২০০০ সিসির মধ্যে জাপানি প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির প্রায় উপস্থিতি নেই বললেই চলে। এই রেঞ্জে চীনা, হুন্দাই, মার্সিডিজ এবং বিএমডব্লিউসহ বিভিন্ন দেশের গাড়ি রয়েছে।

বারভিডার দাবি, নতুন সুবিধা থেকে জাপানি গাড়িগুলো কার্যত বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণ জাপানের অধিকাংশ প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির সিসি শুরু হয় আড়াই হাজার থেকে। বারভিডার সভাপতি আবদুল হক বলেন, এই কাঠামোতে বাজারের সুবিধা মূলত চীন এবং ভারতের গাড়ির দখলে চলে যাবে।

বারভিডার সাবেক সভাপতি মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, শুধু প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়িকে সুবিধা দিতে হলে করসুবিধার আওতা ২ হাজার ৫০০ সিসি পর্যন্ত বাড়ানো উচিত। অর্থাৎ ১ থেকে ১ হাজার ৮০০ সিসি এবং ১ হাজার ৮০১ থেকে ২ হাজার ৫০০ সিসি; এই দুই স্তরে সুবিধা দিলে জাপানি গাড়ির পাশাপাশি অন্যান্য দেশের গাড়ি সমানভাবে বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

শুল্ক সুবিধার কারণে প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির বাজার যখন ধীরে ধীরে চীনের দখলে চলে যাচ্ছে, তখন বারভিডার দাবি, একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে জ্বালানিচালিত (আইসি) গাড়ির ক্ষেত্রেও। কারণ, ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসির আইসি গাড়ি আমদানিতে মোট করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ করার ঘোষণা বাজেট বক্তৃতায় দেওয়া হয়েছে।

তবে অ্যাসাইকুডার তথ্য অনুযায়ী, ১ হাজার ৫০১ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসি গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (এসডি) ৪৫ শতাংশই রাখা হয়েছে, কিন্তু ১ হাজার ২০১ থেকে ১ হাজার ৫০০ সিসি গাড়ির ক্ষেত্রে তা বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করা হয়েছে। অথচ দেশে ব্যবহৃত অধিকাংশ জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষমতা এই সীমার মধ্যেই।

এ বিষয়ে মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, ১ থেকে ১ হাজার ২০০ সিসির শ্রেণিতে জাপানি গাড়ি প্রায় নেই বললেই চলে, সেখানে ভারতীয় গাড়ির উপস্থিতি বেশি। নির্দিষ্ট একটি দেশের গাড়িকে সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যেই সিসি-ভিত্তিক এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। অপরদিকে, ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসির শ্রেণিতে সবচেয়ে বেশি জাপানি হোম মডেলের গাড়ি আমদানি হয়, আর সেই শ্রেণিতেই শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

এ অবস্থায় দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এবং চীন, জাপান ও ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে গাড়ির বাজারে শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাসের পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেছেন, এখনো সময় আছে কর কাঠামো এমনভাবে সাজানোর, যাতে সব ধরনের গাড়ি সমান সুযোগ পায়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষিত এবং জনপ্রিয় জাপানি গাড়িগুলোও যেন বাজার থেকে ছিটকে না পড়ে, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে বৈদ্যুতিক বাস এবং ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের জন্য উপকরণ এবং কাঁচামাল আমদানিতে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত ভ্যাটসহ সব ধরনের শুল্ক ও কর সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান রুমিন ফারহানার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


বিদেশে কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান রুমিন ফারহানার

বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সতন্ত্রভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, আগে মেন্ডারিন কিংবা জার্মানি শেখার আগে অন্তত ইংরেজি ভাষায় বেসিক পড়তে, বলতে এবং লিখতে পারার শিক্ষাটা আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে দিলে বিদেশের বাজারে যথেষ্ট ভালো দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। একইসাথে, তিনি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেন প্রাথমিক পাস করা একজন শিক্ষার্থী সঠিকভাবে রিডিং পড়তে পারেনা এবং জিপিএ-৫ পাওয়া একজন শিক্ষার্থী ইংরেজিতে শুদ্ধ বাক্য গঠন করতে পারেনা, সেই বিষয় নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি প্রস্তাবিত বাজেটের রাজস্ব আহরণ, ঋণনির্ভরতা, বিনিয়োগ পরিস্থিতি, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে কম বরাদ্দ নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন সেটিও উল্লেখযোগ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফেসবুকে রাশেদ খান

শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পতন খুব শিগগিরই ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। জামায়াতের এই পতনের জন্য তাদের নিজেদের নেতাকর্মীরা দায়ী হবেন বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান।

তিনি শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এমন দাবি করেন। প্রতিনিয়ত যৌক্তিক সমালোচনা করার জন্য তাকে গালাগাল করা হয় বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান। এ বিষয়ে উদাহরণ হিসেবে তিনি একটি স্ক্রিনশর্ট শেয়ার করেন ফেসবুক পোস্টে।

রাশেদ খান বলেন, "ওরা ভাবে মা-বাপ তুলে গালি দিলে আমি ওদের গালির ভয়ে চুপ হয়ে যাব।" তিনি আরও বলেন, "মূলত আমাকে থামিয়ে দিতে গালিই ওদের হাতিয়ার। কিন্তু এই গালিবাজরা বুঝতে পারছে না, সামনে ওদের করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।"

তিনি দাবি করেন, বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের পতনের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। আগে তারা শুধু সরকারের পতন দেখেছেন, কিন্তু এবার ভিন্নতা ঘটবে বলে তিনি আশা করেন। ইতিমধ্যে পতনের ঘণ্টা বাজতে শুরু হয়েছে। তাদের অযোগ্যতা সংসদে দৃশ্যমান হচ্ছে। যতই তারা মুখ খুলবে, ততই তাদের ভুল ও অযোগ্যতা প্রকাশ পাবে।

রাশেদ খান বলেন, "খুব শিগগির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য বিরোধী দল জামায়াতের নির্মম পতন হবে। আর এই পতনের জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে জনগণ হিমালয়ের মতো প্রতিরোধ গড়ে তুলবে: ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে জনগণ হিমালয়ের মতো প্রতিরোধ গড়ে তুলবে: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যেকোনো চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, “জনগণের মতামত উপেক্ষা করে জোরপূর্বক একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হলে জনগণই তার বিরুদ্ধে হিমালয়ের মতো প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।”

তিনি শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারায়ণগঞ্জ মহানগর আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগের ফলেই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুদের অবদানকে অবমূল্যায়ন বা উপহাস করা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। তাদের ত্যাগকে কখনোই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, “নির্বাচন ও গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।” জনগণের মতামতকে সম্মান জানিয়ে গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা জনগণের রায়কে সম্মান করে না, তারা প্রকৃত গণতंत्रে বিশ্বাসী হতে পারে না।”

সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জামায়াতের আমির বলেন, “কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ থেকে শুরু করে ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।” জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকদের বসিয়ে একদলীয় শাসনের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, একদলীয় শাসন কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

তিনি বলেন, “সংসদে বিরোধী দলকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার রাজনৈতিক সংস্কৃতি অতীতে আওয়ামী লীগ চালু করেছিল।” এখন সেই একই ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণ তা গ্রহণ করবে না। তরুণ প্রজন্ম বিভাজনের রাজনীতি নয়, দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব দেখতে চায়।

বাজেট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বড় বাজেট প্রণয়ন করা সরকারের দায়িত্ব, তবে তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।” অতীতে যেভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট হয়েছে, সেই পথ থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব হবে না।

নারায়ণগঞ্জের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “একসময় নারায়ণগঞ্জ ছিল দেশের শিল্পনগরী। কিন্তু নানা কারণে সেই গৌরব ক্ষুণ্ণ হয়েছে।” শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে এনে নারায়ণগঞ্জকে আবারও তার হারানো অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বক্তব্যের শেষে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিভিন্ন সমালোচনার জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।” জনগণ এখন অনেক সচেতন। তারা কথার চেয়ে কাজের মূল্যায়ন করে এবং দেশের স্বার্থে সৎ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রত্যাশা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%