শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১০ পি.এম
‘শোবার ঘরটা নীল হোক, আকাশের মতো’—নব্বই দশকের সেই জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়লেই অনেকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে লামিয়া তাবাসসুম চৈতীর মুখ। আবার জুঁই নারকেল তেলের ‘হারানো সেই দিন, মনে ভাসে আজও’ জিংগেলটিও যেন ফিরিয়ে নেয় সেই সময়ের স্মৃতিতে। বিজ্ঞাপনচিত্রে স্বল্প উপস্থিতিতেই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন চৈতী। তবে জনপ্রিয়তার পরও অভিনয় বা মডেলিংয়ে নিয়মিত হননি তিনি।
প্রায় দুই দশক পর নতুন আয়োজনে বার্জার পেইন্টসের সেই বিজ্ঞাপনে আবারও ফিরেছিলেন চৈতী। কিন্তু এরপর ফের নিজেকে সরিয়ে নেন ক্যামেরার জগৎ থেকে। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ম্যাগি নুডলসের একটি বিজ্ঞাপনে। এরপর আর কোনো কাজে দেখা যায়নি তাকে।
আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চৈতীর জন্মদিন। রাত ১২টা পেরোনোর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। বিশেষ এই দিনটি পরিবারের সঙ্গেই কাটাচ্ছেন জনপ্রিয় এই মডেল।
কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে জন্মদিনের অনুভূতি জানিয়ে লামিয়া তাবাসসুম চৈতী বলেন, ‘ফেসবুকে, মেসেঞ্জারে, ফোন কলে সবার এত এত শুভেচ্ছা পাচ্ছি, আমি সত্যি অনেক আপ্লুত। সবার ভালোবাসা দেখে মনে হচ্ছে, আমার জন্ম যেন সার্থক। জন্মদিনটা এলে আমার কাছে এটাই মনে হয়। দিনটা সব সময় পরিবারের সঙ্গেই কাটানো হয়। এখন পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাহিরে ডিনার করতে যাব। মনে হচ্ছে, আমার জন্য কোনো একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে।’
কাজ থেকে দূরে থাকলেও অভিনয় কিংবা মডেলিংয়ে ফেরার আগ্রহ রয়েছে চৈতীর। তবে তার ভাষ্য, নিয়মিত কাজের প্রস্তাবই তেমন আসে না। মজার ছলে তিনি বলেন, ‘আমি তো কাজ করতে চাই কিন্তু পরিচালকরা হয়তো আমাকে এপ্রোচ করতে ভয় পান!’
এ প্রসঙ্গে চৈতী বলেন, ‘ব্যস্ততার কারণেই মূলত এখন আর সেভাবে নিয়মিত কাজ করা হয় না। আর এটাও সত্য, আমার কাছে ওভাবে অনেক কাজ আসে না। পরিচালকরা হয়তো আমাকে এপ্রোচ করতে ভয় পান! আর যেগুলোর প্রস্তাব আসে সেগুলো আমার পছন্দ হয় না। পছন্দ হবে এরকম গল্প বা কনসেপ্ট নিয়ে এলে আমি অবশ্যই কাজ করতে চাই।’
লামিয়া তাবাসসুম চৈতী তারকা মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌয়ের খালাতো বোন। চৈতীর ক্যারিয়ারের শুরুটাও হয়েছিল মৌয়ের মা প্রয়াত রাশা ইসলামের সঙ্গে মডেলিংয়ের মাধ্যমে। পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা রাজীব মেননের পরিচালনায় ‘রেক্সোনা’র বিজ্ঞাপনে মডেল হন তিনি।
রাজীব মেনন সে সময় ‘সাপনে’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছিলেন। এতে অভিনয় করেছিলেন কাজল, প্রভু দেবা ও অরবিন্দ স্বামী। পরবর্তী সময়ে তিনি পরিচালনা করেন তামিল সিনেমা ‘কান্ডুকোন্ডাইন কান্ডুকোন্ডাইন’, যেখানে অভিনয় করেন ঐশ্বরিয়া রাই, টাবু, মাম্মুটি ও অজিত।
চৈতীর ক্যারিয়ার ছিল অল্প সময়ের। তবে সংখ্যায় কম কাজ করেও বিজ্ঞাপনচিত্রে নিজের স্বতন্ত্র উপস্থিতি ও অভিনয়গুণে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি ২০০০ সালে বিটিভিতে প্রচারিত ‘ছবির মতো মেয়ে’ নামের একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেন চৈতী। ইমদাদুল হক মিলনের গল্পে নির্মিত টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছিলেন নন্দিত নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন। এতে চৈতীর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন আফজাল হোসেন ও মনির খান শিমুল। ‘ছবির মতো মেয়ে’ই হয়ে ওঠে ক্যামেরার সামনে চৈতীর শেষ অভিনয়। এরপর আর কোনো নাটক বা টেলিফিল্মে দেখা যায়নি তাকে।
অভিনয়ের বাইরে শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত চৈতী। এই পেশায়ও কেটে গেছে প্রায় ২৫ বছর। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষকতা করলেও নব্বই দশকের সেই বিজ্ঞাপনের মুখ হিসেবে এখনো দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে মাহি আহমদ (৬) নামের একটি শিশু। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মোজাহিদপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ শিশুটি মোজাহিদপুর গ্রামের মিশুকচালক আক্তার মিয়ার সন্তান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে মাহি স্থানীয় ইটাখলা নদীতে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে সে পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন ইনচার্জ শ্যামল সেন সিংহ জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করি। সন্ধ্যার পর আজকের মতো অভিযান শেষ করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। নদীতে প্রবল স্রোত রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানে আমদানি নির্ভর জ্বালানিতে একটি দ্বিমুখী সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকার কারণে দেশে মারাত্মক গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অপরদিকে, পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। এই কঠিন জ্বালানি সংকটের মোকাবিলায় এবং সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার বেশ কিছু কৃচ্ছ্রসাধন নীতি ও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তবে, তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যেও মোটরসাইকেল ও রিকশার মতো ছোট যানবাহন ব্যবহারকারীদের জন্য সরকার কিছু সুবিধা প্রদান করছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারির পর নিবন্ধিত মোটরসাইকেল, রিকশা ও কিংকি যানবাহনকে সরকারের নতুন জ্বালানি ত্রাণ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জ্বালানির ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে এসব যানবাহনের ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানায়, ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারির পর নিবন্ধিত মোটরসাইকেল, রিকশা ও কিংকি যানবাহন এই কর্মসূচির জন্য নিবন্ধনের সুযোগ পাবে। এর ফলে, প্রায় ২০ বছরের পুরোনো এসব যানবাহনের মালিকরাও জ্বালানি ত্রাণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
পাক সংবাদ মাধ্যম ডন জানাচ্ছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনের যানবাহনের ব্যবহারকারীদের সুবিধা দিতে শাহবাজ শরিফ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
কর্মসূচির আওতায় মোটরসাইকেল, রিকশা, কিংকি, তিন চাকার যান এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত গাড়িতে প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০০ রুপি করে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। দুই ও তিন চাকার যানবাহনের জন্য মাসে সর্বোচ্চ ২০ লিটার এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত ছোট গাড়ির জন্য ৩০ লিটার পেট্রোলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
তবে, বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনেই কিছু জটিলতা দেখা দেয়। প্রয়োজনীয় ডিজিটাল ব্যবস্থা না থাকার কারণে অনেক পেট্রোল পাম্প নির্ধারিত দামে জ্বালানি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর আগে পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনও ভর্তুকির অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
এদিকে, জ্বালানি সংকটের মধ্যে সরকার বৃহস্পতিবার নতুন করে কৃচ্ছ্রসাধন ব্যবস্থা চালু করেছে। এর আওতায় বাজার রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করার এবং তিন মাসের জন্য সরকারি যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহ ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নতুন মৌসুমের সূচনা হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে আবাহনী লিমিটেড ড্রয়ের মাধ্যমে মৌসুমের শুরু করেছে। পিডব্লিউডি তাদের আটকে দিয়েছে। মানিকগঞ্জে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।
স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নেমে আবাহনী শুরু থেকেই একের পর এক চেষ্টা করলেও পিডব্লিউডির জালে বল প্রবেশ করাতে পারেনি। অপরদিকে, পিডব্লিউডি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ‘সোনার হরিণের’ দেখা পায়নি। ফলে, ৬ বারের প্রিমিয়ার লিগজয়ী আবাহনী শুরুতেই হোঁচট খেল।
অন্যদিকে, বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ফর্টিস এফসি একটি বড় জয় পেয়েছে। নবাগত চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাবকে তারা ৬-০ গোলে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে দুই বিদেশি খেলোয়াড় ওমর বাবু এবং নরিকি আকাডা জোড়া গোল করেছেন। এছাড়া, মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও রাফায়েল টুডু একটি করে গোল করেছেন।
গোপালগঞ্জে লিগে দারুণ শুরু করেছে আরেক নবাগত ঢাকা সিটি ক্লাব। তাদের অভিষেক ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে তিনটি গোল করেছেন রফিকুল ইসলাম, এনামুল গাজী ও ওনিয়েকাচি ওকাফোর।
লিগের প্রথম দিনে জয় পেয়েছে ফকিরেরপুল ইয়ংমেনস ক্লাব এবং বাংলাদেশ পুলিশ এফসিও। চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়ামে ফকিরেরপুল ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। দলের হয়ে সুলেইমান সিল্লা জোড়া গোল করেছেন। ওয়ান্ডারার্সের হয়ে ব্যবধান কমান অঙ্গুস বেইলি। অন্যদিকে, গাজীপুরে বাংলাদেশ পুলিশ ইসা ফয়সালের গোলে রহমতগঞ্জকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্ত আকাশ বাংলাদেশের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ ড্রপ-ইন সেন্টারে (ডিআইসি) অ্যাডভাইজরি কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত সভায় ডিআইসির কার্যক্রম, সেবা গ্রহণকারী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা, নারী যৌনকর্মীদের (এফএসডব্লিউ) ঝুঁকি কমানো, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষায় সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নাজির খান, ব্যবসায়ী আদনান আলী অপূর্ব, ব্র্যাকের কর্মকর্তা আশরাফ আলী, মোহাম্মদ নাহিদ হাসান, মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ও মো. সাইফুল ইসলাম।
সভায় অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যরা সেবা গ্রহণকারী জনগোষ্ঠীর বর্তমান পরিস্থিতি, তাদের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সভায় মো. সাইফুল ইসলাম এফএসডব্লিউসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এসব জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যেও সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী বলেন, ভাসমান যৌনকর্মীদের জন্য যথাযথ পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তৈরি করা গেলে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের পথ তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যা ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সাংবাদিক নাজির খান বলেন, সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও অধিকার নিয়ে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা প্রয়োজন। তাদের বিষয়গুলো যথাযথভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, যেকোনো উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত নয়, যাতে তাদের ক্ষতি, সামাজিক হয়রানি বা ঝুঁকি আরও বাড়ে। বরং নিরাপদ ও কার্যকর পুনর্বাসন, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতে সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
নাজির খানের বক্তব্যের সঙ্গে সভায় উপস্থিত অন্য সদস্যরাও একমত পোষণ করেন। তারা সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় আলোচনার ভিত্তিতে এফএসডব্লিউ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া এবং ভাসমান যৌনকর্মীদের পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা যাচাইয়ের সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ, গণমাধ্যম ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও অধিকার সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি এবং যেকোনো কার্যক্রমে তাদের নিরাপত্তা ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় ভবিষ্যতে অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যদের পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ডিআইসির কার্যক্রম আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
সভা শেষে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, মর্যাদা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও পুনর্বাসনে সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন উপস্থিত সদস্যরা। পরে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ