বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৪৪ পি.এম
পেরুর রাজধানী লিমার একটি নিম্ন আয়ের আবাসিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এ কথা জানায়, এবং অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাড়ি পুড়ে গেছে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা (ইনডেসি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানানো হয় যে, এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি লিমা থেকে এই খবর প্রদান করেছে।
মৃতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, তাদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচজন শিশু রয়েছে।
পুলিশ প্রধান অস্কার আরিওলা নিশ্চিত করেন, মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের নয়জন সদস্য রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কোথায়, কী পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তাও নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
পেরুর গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসা দুর্বৃত্তরাই এই আগুন লাগাতে পারে।
তদন্তের দায়িত্বে থাকা কর্নেল জন লুজান বলেন, পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর ঘটনা অথবা চাঁদাবাজির সঙ্গে এর সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কাও তদন্তের过程中 খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বেঁচে যাওয়া গিনা ভিলচেজ সাংবাদিকদের জানান, তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের এবং সন্তানদের প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা মোট ১৭ জন ছিলাম। ১০ জন মারা গেছে। আর আমাদের মধ্যে সাতজন বেঁচে গিয়েছে।’
এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা আগুনে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য মরিয়া চেষ্টার ছবি ও ভিডিও সাংবাদিকদের দেখান।
পেরুর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এ মৃত্যুর ঘটনাকে ‘ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানুষ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চায়। আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নিয়েই সেটিই হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, 'কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশে গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে।' একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, 'ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং বিগত সরকারের ভুল নীতির কারণে জ্বালানি খাত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।'
বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রূপান্তর’ শীর্ষক এক পলিসি কনক্লেভে এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি আমদানির সংকট ও ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, 'ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আনতে গিয়ে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, 'বাধ্য হয়ে সরকার এখন বেশি দামে এলএনজি ক্রয় করছে।'
আগের সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, 'গত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট রেজিম দেশের সব সিস্টেম ভেঙে দিয়েছিল। জ্বালানি খাতকে তারা পুরোটাই আমদানিনির্ভর করে ফেলে। এই দীর্ঘ ১৭ বছরে তারা একটি কূপও খনন করেনি।'
বর্তমান পরিস্থিতির সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, 'আমি চারদিক দিয়ে বাঁধা। এর মধ্যদিয়েই আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। তবে আপনারা ভয় পাবেন না, আমরা সংকট মোকাবিলায় নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।'
কনক্লেভে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, 'আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করা সম্ভব হবে।' তিনি বলেন, 'সব পক্ষের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে বর্তমান সরকারের মেয়াদের মধ্যেই সোলার (সৌরবিদ্যুৎ) থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদে কোনও ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও সংস্কৃতির সমস্যা হয় না। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানের এই দর্শনের আলোকেই একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
বুধবার (২২ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে 'শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী' শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে ধর্মকে প্রধান করে রাষ্ট্র গঠিত হলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় সেটি কখনও সফলতা পায়নি। তিনি বলেন, ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামের সময় থেকে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে নিয়ে যায় মেজর জিয়াউর রহমানের "উই রিভোল্ট" ঘোষণাটি। এই প্রেক্ষাপট দেশের সকল নাগরিকদের কাছে স্পষ্ট হতে হবে।
সমস্ত ধর্ম, ভাষা, গোত্রকে সম্মিলিতভাবে একত্রিত রাখাই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যক্তি পর্যায়ের সেবা রফতানিকারকদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকে আরও সহজ করে দিয়েছে সরকারের নতুন উদ্যোগ। এখন থেকে, এ খাতের উদ্যোক্তা ও রফতানিকারকরা ঘোষণা ছাড়াই ২০ হাজার মার্কিন ডলার বা তার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করতে পারবেন।
বুধবার (২২ জুলাই), কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এই বিষয়ক একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, ফ্রিল্যান্সাররা এখন প্ল্যাটফর্ম স্টেটমেন্ট, ইমেইল এবং অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগের মতো ইলেকট্রনিক প্রমাণের ভিত্তিতে বৈদেশিক আয়ের অর্থ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এর ফলে প্রচলিত রপ্তানি নথির ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে এবং এটি ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে প্রক্রিয়াটি আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে।
ক্ষুদ্র অঙ্কের লেনদেন সহজতর করতে, ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র ছাড়াই গ্রহণ করা যাবে। পাশাপাশি, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডার (ওপিজিএসপি)-এর মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে, তবে এসব অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া, সার্কুলারটি ডুয়াল-কারেন্সি ‘ফ্রিল্যান্সার কার্ড’ ইস্যুর সুযোগও প্রদান করেছে এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার (এমএফএসপি) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি)-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ করেছে। এর ফলে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও সহজ এবং কার্যকর হবে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের রফতানি আয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করতে পারবেন, যা এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ইআকিউ) নামে পরিচিত। অন্যান্য সেবা রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে এই সীমা ৩০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ব্যয় ব্যবস্থাপনায় অধিক নমনীয়তা প্রদান করবে।
মার্কেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপটি সময়োপযোগী ও দূরদর্শী। এটি ডিজিটাল বাণিজ্য এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করে। প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে এটি সেবা রপ্তানির আয়কে আরও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনবো, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহকে জোরদার করবে।
ব্যবসায়িক মহলের মতে, এই উদ্যোগ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ করবে এবং আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স প্রবাহকে উৎসাহিত করবে। এটি বাংলাদেশের সেবা রফতানিকে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সংযুক্ত করবে। একই সঙ্গে, এটি একটি знаниемভিত্তিক ও ডিজিটাল-চালিত রফতানি খাত গড়ার জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি বর্তমানে শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বুধবার (২২ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে এ সম্পর্কিত তথ্য শেয়ার করেন। তিনি আরও জানান, ফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ২৭ বা ২৮ জুলাই পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এরপর সরকারের নির্ধারিত তারিখে ফল প্রকাশ করা হবে।
এর আগেও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একাধিক অনুষ্ঠানে এসএসসির ফলাফল ২০ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশের আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও বোর্ডগুলোকে সেই অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (২০ জুলাই) ফল প্রকাশ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ