মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৩ এম
রাজশাহীর আড়ানী স্টেশনের নিকটবর্তী রেললাইন ভেঙে যাওয়ার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভাঙা অংশ মেরামত করার পর প্রায় দুই ঘণ্টা পর পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাড়ে ৬টা থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই রেলওয়ের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সকালে রেললাইন ভেঙে যাওয়ার কারণে রাজশাহী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে রাজশাহী স্টেশনে বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়ে।
এছাড়া সাগরদাঁড়ি, মধুমতি ও বরেন্দ্র ট্রেনও বিভিন্ন স্টেশনে থেমে থাকে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত রেললাইন মেরামতের কাজ শুরু করে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙা অংশ মেরামতের পর ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন, আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নিলাম এবং গ্রাহক পর্যায়ের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের প্রতিবেদন নতুন বৈদেশিক মুদ্রা বাজার (এফএক্সএম) ব্যবস্থার মাধ্যমে সেপ্টেম্বর থেকে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার নিলাম, আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন এবং গ্রাহক পর্যায়ের লেনদেন যথাযথভাবে সম্পন্ন ও প্রতিবেদন করার জন্য এফএক্সএম ব্যবস্থা চালু করেছে। পূর্বে এসব কার্যক্রম ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করা হতো, তবে এখন থেকে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
এফএক্সএমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে হস্তক্ষেপমূলক নিলাম, আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন ব্যবস্থাপনা করা হবে। আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে স্পট, ফরওয়ার্ড ও সোয়াপ চুক্তি এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিলামের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এফএক্সএমে ক্রয় বা বিক্রয় আদেশ দিতে পারবে। নিলামের ফলাফল ও বরাদ্দও একই ব্যবস্থায় জানানো হবে। পরে সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকা নিষ্পত্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
আন্তঃব্যাংক লেনদেনে বিক্রেতা ব্যাংক এফএক্সএমে আদেশ দেবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্রেতা ব্যাংক তা গ্রহণ করবে।
পরে উভয় ব্যাংকের ব্যাক অফিসের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকা নিষ্পত্তি করা হবে। সোয়াপ লেনদেনের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী ও পরবর্তী-দুই ধাপের নিষ্পত্তিও এফএক্সএমের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের তথ্য সংগ্রহ ও রেফারেন্স বিনিময় হার প্রস্তুতের জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রতিটি কর্মদিবসে গ্রাহক পর্যায়ের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের তথ্য তিন দফায় জমা দিতে হবে।
প্রথম দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত সংঘটিত লেনদেনের তথ্য সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে এবং দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৪টা পর্যন্ত সংঘটিত লেনদেনের তথ্য বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে জমা দিতে হবে। বিকেল ৪টার পর দিনের বাকি সময়ে সংঘটিত লেনদেনের তথ্য পরবর্তী কর্মদিবসের সকাল ১১টার মধ্যে জমা দেওয়া যাবে।
যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেদনযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন না থাকে, তবুও সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে এফএক্সএমে শূন্য প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
রেফারেন্স বিনিময় হার প্রস্তুতের জন্য সাধারণভাবে ১ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি পরিমাণের গ্রাহক পর্যায়ের লেনদেনের তথ্য জমা দিতে হবে। তবে প্রবাসী আয় বা মজুরি-ভিত্তিক রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে লেনদেনের পরিমাণ যতই হোক, প্রকৃত লেনদেনের তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
এফএক্সএমে ব্যাংকগুলো নির্ধারিত ছক অনুযায়ী এক্সেল ফাইল আপলোড অথবা পৃথক লেনদেনের তথ্য সরাসরি প্রবেশ করিয়ে প্রতিবেদন দিতে পারবে। তথ্য জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুমোদনকারী কর্মকর্তা তা যাচাই করে অনুমোদন করবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের লেনদেন আরো স্বচ্ছ, দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও নির্ভুল হবে। একই সঙ্গে লেনদেন পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন, তথ্য সংরক্ষণ ও নিরীক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। ম্যানুয়াল কার্যক্রম ও প্রক্রিয়াগত সময় কমবে।
এফএক্সএম ব্যবহার সহজতর করতে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক পরিচালন নির্দেশিকাও জারি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’—প্রিয়জনের কাছে মনের বার্তা পাঠানোর জন্য খামের ওপর ডাকটিকিট ব্যবহার করার দিনগুলো আজ স্মৃতির পটে ভাসছে। কাগজের বুকে আঙুলের স্পর্শ, কালির গন্ধ এবং ডাকপিয়নের ঘণ্টার শব্দের জন্য যে অপেক্ষার আকুলতা ছিল, তা আধুনিক যুগের কোনো খুদে বার্তায় পাওয়া যায় না।
হারিয়ে যাওয়া সেই আবেগ ও হাতের লেখার শিল্পকে স্মরণ করে আজ ১ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস’ পালন করা হচ্ছে।
এক সময় মানুষের যোগাযোগের সবচেয়ে বড় ভরসা ছিল চিঠি। শেরশাহর ঘোড়ার ডাক থেকে শুরু করে যুদ্ধক্ষেত্র, বন্ধুত্ব কিংবা প্রেমের মান-অভিমান—সব জায়গায় এই কাগজের চিঠির রাজত্ব ছিল। মুখে না বলতে পারা আবেগ এবং মনের গহিনের কত কথা যে অক্ষরে অক্ষরে জমা থাকত চিঠির মধ্যে! শুধু প্রিয়জনের খবরই নয়, হাতের ছোঁয়ামাখা একটি চিঠির জন্য ডাকপিয়নের পথ চেয়ে থাকার সেই মধুর প্রতীক্ষায় কত ইতিহাস ও স্মৃতি লুকিয়ে ছিল।
ইংরেজি সাহিত্যিক সমারসেট মম যেমনটি বলেছিলেন, আজকের বাস্তবতায় তা সত্যি হতে চলেছে—চিঠি লেখা আসলেই এক হারিয়ে যাওয়া শিল্প। বর্তমানের ব্যস্ত সময়ে মুঠোফোন এবং খুদে বার্তার ভিড়ে চিঠির আবেদন কমলেও, অনুভূতি প্রকাশের জন্য কাগজের গুরুত্ব আজও শেষ হয়ে যায়নি। দাপ্তরিক কাজের ঝক্কি ছাড়া মানুষ এখন আর ডাকঘরে না গেলেও, অন্তরের কথা জানাতে আজও অনেকে চিঠিকেই বেছে নেন।
চিঠি লেখার এই স্মৃতি ও শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে ২০১৪ সাল থেকে অস্ট্রেলীয় লেখক রিচার্ড সিম্পকিনের উদ্যোগে প্রতিবছর ১ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস’ পালিত হয়ে আসছে।
নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি নিজ দেশের খ্যাতনামা ব্যক্তিদের চিঠি পাঠাতেন। সেই উত্তর পাওয়ার আনন্দ তাকে এতটাই অনুপ্রাণিত করেছিল যে, হারিয়ে যাওয়া এই চর্চাকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে আনতেই তিনি দিবসটির প্রচলন করেন। ডিজিটাল যুগে যোগাযোগের হাজারো মাধ্যম এলেও, চিঠির উষ্ণতা ও আবেগ চিরকাল অনন্যই থেকে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মসজিদে নববীতে আগত মুসল্লি, ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের ইবাদত ও জিয়ারতের অভিজ্ঞতাকে আরো স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সমৃদ্ধ করতে মদিনায় একটি সমন্বিত সেবাব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই কার্যক্রমটি নগরীর বিভিন্ন সরকারি ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে পরিচালনা করছে।
আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা এর প্রধান লক্ষ্য, যা আগমন থেকে শুরু করে মদিনা ত্যাগ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
মসজিদে নববীতে আগত দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মসজিদ ও এর বিশাল প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জীবাণুমুক্তকরণ, মুসল্লিদের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ সুসংগঠিত করা, পর্যাপ্ত শৌচাগার ও অজুর স্থান প্রস্তুত রাখা এবং সার্বক্ষণিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা এসব প্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া, দর্শনার্থীদের জন্য জমজমের পানি সরবরাহ ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হলো—মুসল্লিরা যেন ব্যস্ততা ও অসুবিধার পরিবর্তে প্রশান্ত পরিবেশে নামাজ, ইবাদত ও জিয়ারত করতে পারেন।
মসজিদে নববীকে ঘিরে মদিনার নগর পরিবেশও ক্রমেই আরো দর্শনার্থীবান্ধব করে তোলা হচ্ছে। পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাত ও হাঁটার পথ উন্নত করা, সবুজ এলাকা বাড়ানো, ছায়াঘেরা স্থান তৈরি, আধুনিক আলোকসজ্জা এবং বিভিন্ন গণসুবিধার উন্নয়ন করা হচ্ছে।
বিশেষভাবে প্রতিবন্ধী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে পৃথক ও সহজগম্য পথ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ফলে বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দর্শনার্থীরাও তুলনামূলক সহজে মসজিদ ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে যাতায়াত করতে পারছেন।
নিরাপত্তা, ট্রাফিক, পৌরসভা ও বাণিজ্যিক খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে কাজ করছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে সৃষ্ট চাপ মোকাবেলায় নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ব্যবস্থা। একই সঙ্গে হোটেল, রেস্তোরাঁ, বাজার, খাদ্যপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য আতিথেয়তা কেন্দ্রের সেবার মান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে মদিনায় অবস্থানকালে দর্শনার্থীরা মানসম্মত সেবা পান।
মদিনার এই সমন্বিত সেবা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর মেহমানদের জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ তৈরি করা।
বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, মানবসম্পদ ও আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দর্শনার্থীদের সেবার মান আরো উন্নত করার চেষ্টা চলছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগের ফলে মদিনায় আগত হজযাত্রী, ওমরাহ পালনকারী ও অন্য দর্শনার্থীরা যেন নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে ইবাদত এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলো জিয়ারত করতে পারেন, সেই পরিবেশ আরো সুদৃঢ় হচ্ছে।
সূত্র : সৌদি প্রেস এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে এক রূপকথার রাতে ফুটবলবিশ্ব একটি অসাধারণ ইতিহাসের সাক্ষী হলো। তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল এবং ব্রাজিলের উইঙ্গার রাফিনিয়ার জোড়া গোলে বার্সেলোনা রায়ো ভায়েকানোকে ৫-২ ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
একই সঙ্গে স্প্যানিশ ফুটবলে ইয়ামালের মাধ্যমে ৫০ গোলের একটি অবিশ্বাস্য মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে, যা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে।
ম্যাচের শুরুতে রায়ো ভায়েকানো কিছুটা ভিন্নতার আভাস দিয়েছিল। ১২তম মিনিটে সের্হিও ক্যামেলোর দুর্দান্ত গোলের মাধ্যমে অতিথিরা বার্সাকে চমকে দিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। তবে এই ধাক্কা খেয়ে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা জেগে উঠতে বিলম্ব করেনি।
দুই মিনিটের মধ্যে তারা দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। ১৯তম মিনিটে রাফিনিয়া সমতায় ফেরান এবং ২১তম মিনিটে ইয়ামাল ব্যবধান ২-১ করেন। চলতি মৌসুমে তরুণ এই উইঙ্গারের এটি ছিল প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনার আক্রমণের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়।
ইয়ামাল এবং রাফিনিয়া উভয়েই নিজেদের জোড়া গোল পূর্ণ করেন। এর মধ্যে রায়ো ডিফেন্ডার ফ্লোরিয়ান লেজেউনের একটি আত্মঘাতী ভুলের ফলে গোলের ব্যবধান আরও বাড়ে। অন্যদিকে, রায়োর হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্যামেলো, যা হারের ক্ষত কিছুটা কমায়। এখন টানা তিন জয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ফ্লিকের গানাররা, যেখানে শেষ তিন ম্যাচে তারা ১২টি গোল করেছে।
৫০ গোলের এই মহাকাব্যিক মাইলফলকে পৌঁছাতে ইয়ামালের বয়স লাগল মাত্র ১৯ বছর ৪৯ দিন।
এটি রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসের (১৯ বছর ২৪৯ দিন) রেকর্ড ভেঙেছে। আতলেতিকো মাদ্রিদের সাবেক তারকা ফার্নান্দো তোরেসও (২০ বছর ২২১ দিন) পেছনে পড়েছেন।
বার্সেলোনার ইতিহাসের পাতাতেও এটি একটি নতুন অধ্যায়। ১৯৩৫ সালে ২০ বছর ৩৫৬ দিন বয়সে ৫০ গোল করে ৯০ বছর ধরে এই রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন প্রয়াত ফরোয়ার্ড জোসেফ এসকোলা। এমনকি ক্লাবের ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিও এত দ্রুত এই অর্জনে পৌঁছাতে পারেননি, মেসির ৫০তম গোলটি এসেছিল ২১ বছর ১২০ দিন বয়সে।
ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের আধুনিক সময়ের সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে (১৯ বছর ২৪১ দিন) এবং আর্লিং হাল্যান্ডকেও (২০ বছর ১৯৬ দিন) পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম বয়সে ৫০ গোলের রেকর্ড এখন এই স্প্যানিশ সেনসেশনের ঝুলিতে রয়েছে।
এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতায় বার্সার জার্সি গায়ে ইয়ামাল ১৫৪ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে ১২৬টিতে তিনি ছিলেন শুরুর একাদশে। গোল করেছেন ৫১টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৪৫টি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ