ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ায় আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর তারিখ জানাল হাইকমিশন


মালয়েশিয়ায় আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর তারিখ জানাল হাইকমিশন

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে কারাদণ্ড ভোগের পর ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে আটক থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে দ্রুত ও নিরাপদে ফেরানোর জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, তেরেঙ্গানু রাজ্যের আজিল ইমিগ্রেশন ডিপো পরিদর্শন করে সেখানে আটক ৮৫ জন বাংলাদেশির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হাইকমিশনের কর্মকর্তারা।

গত ৬ অক্টোবর, হাইকমিশনের লেবার কাউন্সিলর সৈয়দ শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ওই ইমিগ্রেশন ডিপো পরিদর্শন করে। এ সময় আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয় এবং তাদের কনস্যুলার সেবা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও করে দেন।

পরিদর্শনের পর, ইমিগ্রেশন ডিপোর কমান্ডারের সঙ্গে বৈঠক করেন হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা। বৈঠকে, আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাওয়া হয়। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছে।

আরও পড়ুন: শাহজালালে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২২,৬৩৬ যাত্রী

ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানের টিকিট পাওয়া সাপেক্ষে আটক বাংলাদেশিরা পরবর্তী ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারবেন।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন কারণে আটক হয়ে কারাভোগের পর অনেক বাংলাদেশি দেশটির ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে কেউ বৈধভাবে কলিং ভিসায় মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ না পেয়ে অন্যত্র কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। আবার কেউ বৈধ হওয়ার আশায় দালালের প্রলোভনে ভ্রমণ ভিসায় দেশটিতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। নির্মাণশ্রমিকের ভিসা নিয়ে সেবা খাতে কাজ করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অনেকেই আটক হয়েছেন।

এ ধরনের ঘটনায় আটক বাংলাদেশিদের একটি অংশকে কারাভোগ শেষে দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন নিয়মিতভাবে দেশটির বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করছে। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা প্রদান এবং দেশে ফেরার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: লাখাইয়ে ডোবা থেকে রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে বন্ধু গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত নূর আলমের চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত নূর আলমের চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কা

একসময় মানুষের ঘরে আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে কাজ করতেন তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করাই ছিল তার পেশা। কিন্তু সেই বিদ্যুৎই মুহূর্তের মধ্যে বদলে দিয়েছে লাইনম্যান মো. নূর আলমের জীবন। কর্মস্থলে দুর্ঘটনার ফলে গুরুতর আহত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি।

আহত মো. নূর আলম ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর লাইনম্যান গ্রেড ১ হিসেবে তিনি কর্মরত ছিলেন। মে মাসের ২১ তারিখে, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সদর দপ্তরের উপকেন্দ্রে ৩৩ কেভি লাইনে কাজ করার সময় ভয়াবহ বিদ্যুৎ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নূর আলমকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ৪০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি কর্মস্থলে ফিরে আসেন। তবে তার চিকিৎসা এখনও সম্পন্ন হয়নি। শরীরের পুড়ে যাওয়া অংশে এখনো জ্বালা-পোড়া রয়েছে।

নূর আলম অভিযোগ করেছেন, কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হলেও অফিস থেকে চিকিৎসার জন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা তিনি পাননি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১২ দিনের ছুটি দেওয়া হলেও পরে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে জোনাল অফিসে বদলি করা হয়। এরপর তার সামনে আসে আরও বড় দুশ্চিন্তা।

চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ থেকে তাকে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বদলি করা হয়েছে। চলমান চিকিৎসার মধ্যে দূরের কর্মস্থলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

নূর আলমের ভাষ্য, দুর্ঘটনার পর তার শরীর এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। পুড়ে যাওয়া স্থানে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় নতুন কর্মস্থলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হলে একদিকে যেমন চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে শারীরিকভাবে তাকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

একজন বিদ্যুৎকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত হওয়ার পরও চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়া এবং চিকিৎসা চলাকালীন দূরের কর্মস্থলে বদলি হওয়ায় হতাশ নূর আলম। তার এখন একটাই চাওয়া, মানবিক বিবেচনায় তাকে কিছুটা সময় দেওয়া হোক, যাতে তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক (মানবসম্পদ) বরাবর লিখিত আবেদনও করেছেন নূর আলম।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাউছার তালুকদার বলেন, "নূর আলম আহত হওয়ার পর তাকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সেই চিকিৎসার খরচ আমরা সকলেই বহন করেছিলাম। তার বদলি আমার হাতে নেই। তখন যারা তাকে দিয়ে কাজ করিয়েছে তাদের শাস্তি হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানব পাচার নির্মূলে বাংলাদেশের মিশ্র সাফল্য : মার্কিন প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


মানব পাচার নির্মূলে বাংলাদেশের মিশ্র সাফল্য : মার্কিন প্রতিবেদন

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর জানা গেছে, মানব পাচার নির্মূলের লক্ষ্যে ন্যূনতম মানদণ্ড পূর্ণভাবে অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘২০২৬ ট্রাফিকিং ইন পারসনস রিপোর্ট’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের সামগ্রিক উদ্যোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের অবস্থান আগের মতোই দ্বিতীয় ধাপে (টিয়ার-২) রয়ে গেছে। এই ধাপে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মার্কিন আইন অনুযায়ী, যেসব দেশ মানব পাচার প্রতিরোধে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে এবং নির্ধারিত ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করে, তাদের প্রথম ধাপে (টিয়ার-১) রাখা হয়। যেসব দেশ ন্যূনতম মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করতে সক্ষম হয়নি, কিন্তু উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের দ্বিতীয় ধাপে (টিয়ার-২) রাখা হয়। দ্বিতীয় ধাপের মধ্যে নজরদারির জন্য একটি আলাদা তালিকা (টিয়ার-২ ওয়াচ লিস্ট) রয়েছে। আবার যেসব দেশ ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি এবং উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টাও চালাচ্ছে না, তাদের তৃতীয় ধাপে (টিয়ার-৩) রাখা হয়।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মানব পাচার প্রতিরোধে আইনগত কাঠামো শক্তিশালীকরণ। এই লক্ষ্যে সরকার ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ পাস করেছে। মানব পাচারের ঘটনায় তদন্ত ও মামলা পরিচালনার কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধ শনাক্তকরণ এবং ভুক্তভোগীদের চিহ্নিত করার জন্য নির্দেশিকা হালনাগাদ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। এছাড়া মানব পাচারের ঝুঁকি কমাতে সরকার অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা জোরদার করেছে।

তবে প্রতিবেদনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঘাটতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগের তুলনায় কমসংখ্যক মানব পাচারকারীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে মানব পাচার দমনে সরকার যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি এবং এ ধরনের অপরাধের বিস্তার ব্যাপক রয়ে গেছে।

এছাড়া আগের তুলনায় কমসংখ্যক ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগও যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং দেশে ফিরে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই ঘাটতি বেশি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সরকার অভিবাসী শ্রমিকদের নিজেদের পকেট থেকে নিয়োগ ফি দেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করতে পারেনি। এর ফলে অনেক শ্রমিক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং তাঁদের মানব পাচারের শিকার হওয়ার ঝুঁকিও বেড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বসুন্ধরা কিংস ঢাকা ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে ২-০ গোলের লিডে বিরতিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


বসুন্ধরা কিংস ঢাকা ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে ২-০ গোলের লিডে বিরতিতে

ফেডারেশন কাপের সর্বশেষ ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছিল। কিংস ৫-০ গোলের জয় পেয়েছিল। আজকের ম্যাচেও তেমনই একটি পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে কিংস ২-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে। বিরতির আগে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছে।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোলবার ছেড়ে বেরিয়ে আসেন জসিম উদ্দিন। তিনি প্রথমে স্লাইড করে বল কিছুটা ক্লিয়ার করেন। কিন্তু ফিরতি সুযোগে কিংসের একজন ফুটবলার শট নিলে হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন জসিম। রেফারি দ্রুত লাল কার্ড দেখান।

এর আগে এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে দেরি হয়। ম্যাচ শুরু হওয়ার পরেও বৃষ্টি থামেনি। বৃষ্টিস্নাত মাঠে খেলা শুরু হয় এবং শুরুতেই কিংসের খেলোয়াড়রা গোল উৎসবে মেতে ওঠেন।

কেননা ম্যাচের ২৮ সেকেন্ডের মধ্যে গোলের দেখা পায় কিংস। গোলটি করেন নেপালের ফরোয়ার্ড মনিশ ডাঙ্গী। অ্যাসিস্ট করেন কিংসে ফেরত আসা ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রবসন রবিনহো। সেই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই কিংস দ্বিতীয় গোলটি করে। এবার ৫ মিনিটে গোলটি করেন সাব্বির হোসেন। একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফেডারেশন কাপে তিনি জোড়া গোল করেছিলেন। পরে আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় কিংস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবি ক্যাম্পাসে দখলদারি কায়েম করছে ছাত্রশিবির: রাশেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


ঢাবি ক্যাম্পাসে দখলদারি কায়েম করছে ছাত্রশিবির: রাশেদ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বিভিন্ন পরিচয়ে দখলদারি কায়েম করছে। তিনি উল্লেখ করেন, কখনো সামাজিক সংগঠনের নামে, কখনো প্রেসার গ্রুপ হিসেবে, আবার কখনো সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে তারা এই ক্যাম্পাসে এক ধরনের দখলদারি প্রতিষ্ঠা করছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর নির্বাচনের আগে একটি পক্ষ ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে পার্থক্য নেই এমন একটি বয়ান তৈরির চেষ্টা করছে। তবে তিনি দাবি করেন, দুই সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। বর্তমানে ছাত্রদল কোনো হল দখল করেনি এবং গণরুম ও গেস্টরুম প্রথা পুনঃপ্রবর্তন করেনি। ছাত্রদল মেধার বিকাশের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করছে। ছাত্রশিবির ছাত্রদলের গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বয়ান তৈরি করছে। যদি ছাত্রশিবির প্রকাশ্যে রাজনীতি করত, তাহলে ছাত্রদলের আপত্তির জায়গা থাকত না।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা অসংখ্য ছাত্র আন্দোলন পরিচালনা করেছেন। যখনই তারা আন্দোলনে অংশগ্রহণের চেষ্টা করেছেন, তখন ছাত্রলীগের বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। ছাত্রলীগ তাদের নির্যাতন করেছে। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েও তারা বারবার হামলার শিকার হয়েছেন। পূর্বে গণরুম ও গেস্টরুম প্রথা ছিল, কিন্তু বর্তমানে সেই ব্যবস্থা আর নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%