ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবার বাড়তে যাচ্ছে বাসের ভাড়া, সন্ধ্যায় বৈঠক


এবার বাড়তে যাচ্ছে বাসের ভাড়া, সন্ধ্যায় বৈঠক

সারাদেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি এক লাফে ২০ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে বাসের ভাড়াও বৃদ্ধি পেতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণের জন্য বৈঠকে বসতে যাচ্ছে, যা জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সংস্থাটির বনানী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে বাস মালিক, শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

বৈঠকে মূলত আলোচনা হবে জ্বালানি তেলের নতুন দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাসের ভাড়া কতটা বাড়ানো হবে। জানা গেছে, পরিবহন মালিক সমিতি কিলোমিটার প্রতি ২০ পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেবে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম আহমেদ খোকন এসব তথ্য জানিয়েছেন। বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে কতটা বাড়বে, তা বৈঠকের সুপারিশের পর চূড়ান্ত ভাড়া নির্ধারণের পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ এস এম আহমেদ খোকন বলেন, "জ্বালানির দাম কত শতাংশ বাড়লে ভাড়া কেমন বৃদ্ধি করা যাবে এমন প্রস্তাবনা আগে থেকেই আছে। সেইসঙ্গে আমাদের কিছু চাওয়া পাওয়া আজকের বৈঠকে আমরা তুলে ধরবো। দেখা যাক, সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়।"

এর আগে, রোববার রাতে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় সরকার। নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, কেরোসিনের দাম ১৫৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়েছে।

এদিকে, বাসসহ অধিকাংশ গণপরিবহনে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ এক লিটার ডিজেলে খরচ সরাসরি ২০ টাকা বেড়েছে।

বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, নতুন পরিস্থিতিতে বাসের পরিচালন ব্যয় ও জ্বালানি খরচ হিসাব করে ভাড়া সমন্বয়ের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। দূরপাল্লা, মহানগর ও অন্যান্য শ্রেণির বাসের ক্ষেত্রে পৃথক হিসাবও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া কত বাড়বে, তা বৈঠকের আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রস্তাবের পর নির্ধারণ হবে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে ‘ভূমিকম্প’ আখ্যা দিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে ‘ভূমিকম্প’ আখ্যা দিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল থানি। তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাবকে একটি ‘ভূমিকম্প’ (Earthquake) হিসেবে উল্লেখ করে সংঘাতের এই চক্র বন্ধ করার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত 'কাতারি ইকোনমিক ফোরাম'-এর বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, “স্থায়ী নিরাপত্তা কখনো কোনো রাষ্ট্রকে অরক্ষিত রেখে অর্জিত হতে পারে না। মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি রূপরেখা (framework) প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে এবং কোনো দেশ অন্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।”

কাতারের প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং নৌপথ চলাচলের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতার ধারণাকেই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাতারের অর্থনীতির সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে শেখ মোহাম্মদ আগামী পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো খাতে ৩৮ বিলিয়ন (৩,৮০০ কোটি) ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। চলমান সংঘাতের প্রভাব সত্ত্বেও তিনি বলেন, কাতার তার অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ভিত্তির ওপর অটল থেকে পুনরুদ্ধার করেছে।

এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করা এবং যুদ্ধ বিরতির জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

অধিবেশন চলাকালে এ সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়া উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়টি আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোয়ালমারীতে বেহাল গ্রামীণ সড়ক, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নাজমুল হাসান নিরব, ফরিদপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


বোয়ালমারীতে বেহাল গ্রামীণ সড়ক, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার বেলজানী-খরসূতী এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল অবস্থায় পড়েছে। খরসূতী সরকারি কলেজ থেকে খরসূতী ঈদগাহ পর্যন্ত ইটের সলিং করা সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। এতে বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির ইট উঠে গিয়ে কোথাও কোথাও মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ভাঙা ইট ও গর্তের কারণে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রায়ই হোঁচট খেয়ে আহত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

খরসূতী সরকারি কলেজ থেকে খরসূতী ঈদগাহ পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় আধা কিলোমিটারের কিছু বেশি। ছোট এই সড়কটি স্থানীয়দের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সড়কের পূর্ব পাশে রয়েছে খরসূতী ঈদগাহ ময়দান। দুই ঈদের সময় ময়না, ঘোষপুর, সাতৈর ও গুনবহাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এই ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে আসেন।

এ ছাড়া এ এলাকায় রয়েছে বেলজানী-খরসূতী কাশেমুল উলুম মাদরাসা, একটি মহিলা মাদরাসা ও বর্ণী বাজার। অন্যদিকে সড়কের পশ্চিম পাশে রয়েছে খরসূতী সরকারি কলেজ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চন্দ্রকিশোর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডাকঘর ও খরসূতী বাজার।

স্থানীয়দের পাশাপাশি মহম্মদপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষও এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বানিয়াড়ী, হাটখোলা, রানীদৌলা-কুঠি ও ইচাখালীসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষেরও সড়কটির ওপর নির্ভরতা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও দৈনিক পুনরুত্থানের সহযোগী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিজান উর রহমান জানান, ১৯৯১ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য প্রয়াত আব্দুর রউফ মিয়ার উদ্যোগে ফরিদপুর চিনিকলের বরাদ্দের মাধ্যমে সড়কটিতে ইটের সলিং করা হয়েছিল। এরপর প্রায় সাড়ে তিন দশক পেরিয়ে গেলেও বড় ধরনের সংস্কার হয়নি বলে তাঁর দাবি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের ইট উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির পাশাপাশি ভাঙা ইটের কারণে পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন বইয়ের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে স্কুল-কলেজে যাওয়ার সময় তাদের ভাঙা ইট ও খানাখন্দ পেরিয়ে চলাচল করতে হয়।

স্থানীয়দের দাবি, চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে ছোট শিক্ষার্থীদের হোঁচট খেয়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সড়কটি দ্রুত পুনর্র্নিমাণ ও পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সম্প্রতি ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ড. ইলিয়াস মোল্লার কাছে সড়কটি পুনর্র্নিমাণের দাবি জানানো হলে তিনি দ্রুত পাকাকরণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ময়না ইউনিয়নের জামায়াত আমির মো. আবু জাফর সিদ্দিকী বলেন, সড়কটি পাকাকরণের বিষয়টি সংসদ সদস্যকে গুরুত্বের সঙ্গে জানানো হয়েছে। পরবর্তী বাজেটে বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও পাকাকরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় মানুষের নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির সম্মানে নতুন ক্যাম্প ন্যুতে আয়োজন করবে বার্সেলোনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


মেসির সম্মানে নতুন ক্যাম্প ন্যুতে আয়োজন করবে বার্সেলোনা

বার্সেলোনা সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা জানিয়েছেন, মেসিকে ঘিরে বিশেষ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর অনুষ্ঠিত হবে।

বার্সেলোনার ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিকে নতুন স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে বিশেষ সম্মান জানাতে চায় ক্লাবটি। লাপোর্তা জানান, মেসির জন্য এই বিশেষ আয়োজনটি ক্লাবের সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরই করা হবে।

লাপোর্তার প্রত্যাশা, নতুন ক্যাম্প ন্যুর পুরো প্রকল্প ২০২৮ সালের শুরু নাগাদ শেষ হবে। এরপরই মেসির জন্য একটি বিশেষ ট্রিবিউট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বার্সেলোনার। অর্থাৎ, ক্লাবের সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে সম্মান জানানোর এই আয়োজনটি নতুন স্টেডিয়ামের পূর্ণাঙ্গ উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে।

মেসিকে স্থায়ীভাবে সম্মান জানানোর পরিকল্পনা নতুন নয়। ২০২৫ সালে লাপোর্তা জানিয়েছিলেন, ক্যাম্প ন্যুর সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর স্টেডিয়ামের বাইরে মেসির ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে ক্লাব কাজ করছে। লাপোর্তার ভাষায়, মেসি ক্লাবের ইতিহাসে গভীর ছাপ রেখে যাওয়া একজন আইকনিক খেলোয়াড়।

বার্সেলোনার জার্সিতে মেসি ৭৭৮ ম্যাচে ৬৭২ গোল করেছেন। তাঁর সময়ে ক্লাবটি ১০টি লা লিগা ও চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছে। ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পরও ক্লাবটির ইতিহাসে তাঁর অবদান অম্লান।

নতুন ক্যাম্প ন্যুতে মেসির জন্য আনুষ্ঠানিক সম্মাননা আয়োজনটি তাঁর বার্সা অধ্যায়ের প্রতীকী স্বীকৃতি হিসেবেই সামনে আসছে। ক্লাবের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর এই আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।

এদিকে, নতুন ক্যাম্প ন্যু ইতোমধ্যে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল আয়োজনের জন্য স্টেডিয়ামটিকে বেছে নিয়েছে উয়েফা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৬০ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহারের চেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


২০৬০ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহারের চেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে

অস্ট্রেলিয়ার সরকার সতর্ক করেছে যে চলতি শতকের ৬০-এর দশকের মধ্যে দেশে জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে অস্ট্রেলিয়া, জাপান, জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মতো জনসংখ্যাগত সংকটের সম্মুখীন হতে পারে।

এই পূর্বাভাসটি অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারি বিভাগের সাম্প্রতিক ‘ইন্টারজেনারেশনাল রিপোর্ট’-এ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ২০৬৫-৬৬ অর্থবছরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা ৩ কোটি ৯৩ লাখে পৌঁছাবে, যা ২০২৩ সালের পূর্বাভাসের চেয়ে ১৮ লাখ কম।

প্রতিবেদনের প্রধান তথ্যসমূহ:

জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি হ্রাস: আগামী চার দশকের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বার্ষিক গড়ে ০.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা বিগত ৪০ বছরের গড় ১.৪ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

প্রবীণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি: ২০৬৫-৬৬ সালের মধ্যে ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সী অস্ট্রেলীয়দের সংখ্যা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে।

জন্মহার হ্রাস ও অভিবাসন নির্ভরতা: দেশের প্রজনন হার (ফার্টিলিটি রেট) কমে ১.৩৪-এ নেমে যাবে। ফলে জনসংখ্যার যেকোনো প্রবৃদ্ধি সম্পূর্ণরূপে আন্তর্জাতিক অভিবাসনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।

যদিও জন্মহার কমছে এবং প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ছে, সরকারের আশা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মক্ষেত্রে নারী ও প্রবীণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ফলে ২০৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি হবে।

অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার জিম চালমারস মন্তব্য করেছেন, "আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে থাকলেও অস্ট্রেলিয়া অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নেই।"

অন্যদিকে, ব্যবসায়িক সংগঠন ‘বিজনেস কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়া’ এই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী ব্রান ব্ল্যাক জানিয়েছেন, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাওয়ার কারণে বর্তমানে প্রতি অস্ট্রেলীয় নাগরিকের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ২০২৩ সালের অনুমানের তুলনায় প্রায় ২,০০০ ডলার কমে গেছে। ফলে এআই প্রযুক্তি রাতারাতি অর্থনীতিতে কতটা সুফল আনবে, তা নিয়ে তারা সন্দিহান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%