বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:২৪ পি.এম
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত চারজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে সিআইএর একটি স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র খতিয়ে দেখছে, এই হামলায় রাশিয়া কোনোভাবে সহায়তা করেছে কি না।
তাদের মতে, এখনও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ বা সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
তবে হামলার নির্ভুলতা এবং ইরানকে রাশিয়ার দেওয়া উন্নত প্রযুক্তিগত সহায়তার বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
রয়টার্সসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলায় রাশিয়া আগে থেকেই লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে। তবে সিআইএর স্থাপনায় হামলায় রাশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তের বিষয়টি আগে প্রকাশ করা হয়নি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চ মাসে অন্তত দুটি সিআইএ স্থাপনায় হামলা হয়।
এর একটি ছিল সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের ভেতরে থাকা সিআইএ স্টেশন। অন্যটি ছিল পূর্ব ইরাকে অবস্থিত একটি সিআইএ স্থাপনা। কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, আরো কিছু সিআইএ স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে। তবে সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পশ্চিমা একটি গোয়েন্দা সংস্থার অভ্যন্তরীণ এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে সিআইএর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে রাশিয়ার ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অঞ্চলটির একজন কর্মকর্তা, যিনি ওই প্রতিবেদনটি দেখেছেন, নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানান। নিরাপত্তার কারণে তিনি প্রতিবেদনের সুনির্দিষ্ট উৎস বা কোন সংস্থা এটি তৈরি করেছে, তা প্রকাশ করেননি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদিতে চালানো হামলায় ইরানের শাহেদ ড্রোনের রাশিয়ার উন্নত করা দুটি সংস্করণ ব্যবহার করা হয়েছে বলে গোয়েন্দাদের ধারণা। তাদের মতে, প্রথম ড্রোনটি দূতাবাসের বাইরের একটি দুর্বল স্থানে আঘাত করে গর্ত তৈরি করে।
এরপর দ্বিতীয় ড্রোনটি সেই গর্ত দিয়ে ভেতরে ঢুকে বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কর্মকর্তারা জানান, ইরানকে রাশিয়ার সহায়তা নতুন নয়। তবে সিআইএ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করায় ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রমে বাধা দিতে মস্কো আরো কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।
প্রয়োজন হলে এটিকে টিভি সংবাদ, অনলাইন নিউজ বা পত্রিকার ভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।
জর্দানে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলার পর রাশিয়া ইরানকে হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করছে, এমন আশঙ্কা আরো বেড়েছে। ওই হামলায় ইরানের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সেনা ব্যারাকে আঘাত করলে দুই মার্কিন সেনা নিহত হন। এ বিষয়ে মন্তব্য চাইলে হোয়াইট হাউস বিষয়টি সিআইএ-এর কাছে পাঠায়। তবে সিআইএ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। জাতিসংঘে ইরানের মিশন, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সৌদি সরকারও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা দাবি করেছেন, রাশিয়া ইরানের শাহেদ ড্রোনের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করেছে। তাদের ধারণা, রিয়াদে হামলায় সেই উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। আরেকটি সূত্র জানায়, রাশিয়া ইরানকে ‘কোমেটা-এম’ নামে একটি স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি ইরানের নিজস্ব ব্যবস্থার তুলনায় বেশি নির্ভুল এবং সহজে জ্যাম করা যায় না। মার্চ মাসে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, রাশিয়া ইরানকে ‘কোমেটা-এম’ স্যাটেলাইট নেভিগেশন ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে। তবে ক্রেমলিন এ প্রতিবেদন অস্বীকার করে এটিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে দাবি করে। বিদেশে সিআইএর বিভিন্ন স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন দেশে দূতাবাসভিত্তিক স্টেশন, নজরদারি কেন্দ্র, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, রসদ সরবরাহ কেন্দ্র এবং অন্যান্য গোপন কার্যালয়। এসব স্থাপনার অবস্থান অত্যন্ত গোপন রাখা হয়।
সূত্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত সিআইএ স্থাপনাগুলোর সঠিক সংখ্যা বা অবস্থান প্রকাশ করেনি। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার সংখ্যা একটির বেশি, কিন্তু ১২টির কম। আরেকটি সূত্রের দাবি, একাধিক সিআইএ স্থাপনায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকরা তদন্ত করে দেখছেন দূতাবাসে হামলার সময় ইরান রাশিয়ার সরবরাহ করা লক্ষ্যবস্তু-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করেছিল কি না। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কিছু সূত্রের মতে, ইরান হয়তো পুরো মার্কিন দূতাবাসকেই লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং ঘটনাক্রমে সিআইএ স্টেশনও হামলার শিকার হয়।
সূত্রগুলো বলছে, কিছু বিশ্লেষকের ধারণা হলো, রাশিয়া ছাড়া খুব কম দেশেরই যুক্তরাষ্ট্রের এমন সংবেদনশীল স্থাপনার তথ্য সংগ্রহ এবং তা হামলার উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সক্ষমতা ও আগ্রহ রয়েছে।
সিআইএর সাবেক স্টেশন প্রধান ও গোপন অভিযান কর্মকর্তা ড্যানিয়েল হফম্যান বলেন, রাশিয়া ও ইরানের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্কের কারণে মস্কো যদি সিআইএ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করতে তেহরানকে সহায়তা করে থাকে, তাহলে তা অস্বাভাবিক হবে না। তার ভাষায়, ‘নিজেদের প্রভাব বলয়ে মার্কিন প্রভাব কমানো বা পুরোপুরি দূর করার ক্ষেত্রে রাশিয়া ও ইরানের স্বার্থ এক।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালির পরে লোহিত সাগরেও সামরিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হচ্ছে।
সৌদি আরবের ওপর নৌ-অবরোধ ঘোষণার অংশ হিসেবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের এই নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীর পাশাপাশি বাব আল-মানদাব প্রণালী ঘিরে বিশ্বজুড়ে আবারও জ্বালানি সরবরাহে দ্বিতীয় মারাত্মক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানায়, হুথিরা 'এনসেলিয়া' ও 'লায়লা' নামে দুটি সৌদি ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে হামলা করেছে। বার্তা সংস্থা এসপিএ-র দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সৌদি কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা 'এনসেলিয়া' ট্যাঙ্কারে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলার পরপরই জাহাজটির সামনের দিকে আগুন লেগে যায় এবং সেখান থেকে জরুরি সংকেত পাঠানো হয়েছে। তবে দ্বিতীয় ট্যাঙ্কারটির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এই হামলার ফলে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বাব আল-মানদাব প্রণালীতে ঝুঁকি এড়ানোর জন্য পাঁচটি তেলের ট্যাঙ্কার তাদের দিক পরিবর্তন করেছে এবং একাধিক বড় আন্তর্জাতিক চালানের জাহাজ ঘুরিয়ে উত্তর দিকের সুয়েজ খালের দিকে রওনা হয়েছে, যার ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত কয়েক সপ্তাহের সময় ও বিপুল খরচ বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় ইরানে টানা ১২ দিনের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী, বিশেষ করে সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, সমুদ্রসীমায় নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও ইরান এখনও যথেষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা প্রদর্শন করছে।
বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ইরাক সীমান্তের কাছে মার্কিন মিসাইল হামলায় বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি, কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের গুরুত্বপূর্ণ পানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
সংকট আরও বাড়িয়ে ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে যদি কোনো জাহাজে হামলা চালানো হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে। জবাবে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড ও যৌথ সামরিক কমান্ড সতর্ক করে বলেছে, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনও বেসামরিক বা সরকারি অবকাঠামোয় হামলা করে, তবে পুরো অঞ্চলের তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোটা তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না। উভয় পক্ষের এই তীব্র পাল্টাপাল্টি সামরিক অবস্থান এবং দ্বিতীয় নৌ-পথটি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারের মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের বেঙ্গল কনভেনশন সেন্টারে দেশের বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী আকিজ রিসোর্সের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড ইনোভারের উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বিজনেস মিট, মতবিনিময় সভা ও র্যানফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাছাড়া, র্যানফেল ড্রয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইনোভারের ধারাবাহিক সাফল্য, পণ্যের গুণগত মান এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন ইনোভারের ওয়াক্ত, আকিজ রিসোর্সের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাসুদ আল আমিন রাজীব এবং ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার এনামুল হাসান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম চৌধুরীসহ চৌমুহনী এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও রিটেইলাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজা সহ মোঃ মাহিদুর রহমান (৩৫) নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
পুলিশের সূত্র থেকে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব গৌতম কুমার বিশ্বাস মহোদয়ের নির্দেশনায় এবং ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জের (ওসি) তত্ত্বাবধানে একটি অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানটি গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাত আনুমানিক ১১:৫০ ঘটিকায় এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম শিবগঞ্জ থানাধীন নামোসুন্দরপুর দালালপাড়া এলাকায় চলছিল।
অভিযান চলাকালীন নামোসুন্দরপুর দালালপাড়া গ্রামে ধৃত আসামীর চায়ের দোকানের সামনের পাকা রাস্তার ওপর থেকে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজতে থাকা ১ কেজি গাঁজা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মোঃ মাহিদুর রহমান শিবগঞ্জ থানার নামোসুন্দরপুর দালালপাড়া গ্রামের মোঃ আমিরুল ইসলামের ছেলে। উদ্ধারকৃত আলামত সহ গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। একই সাথে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক ও তীব্র হামলা সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তারা পরবর্তী সময়ে অব্যাহতভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি সূত্রে জানা যায়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেকারচি এ দাবিটি করেছেন। শেকারচির ভাষ্যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়ে, এমনকি যখন সমঝোতা স্মারক কার্যকর ছিল তখনো ইরানের সামরিক বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে ক্ষেপণাস্ত্র এবং আক্রমণকারী ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন করে মজুত গড়ে তোলার পাশাপাশি উৎপাদিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই ইরানি মুখপাত্র আরও জানান, ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনাগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে সফল হতে পারেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি করেছিল, বাস্তবে তেহরান তার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে মার্কিন হামলা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।
গত মে মাসে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একটি মূল্যায়নে জানানো হয়, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল, তার প্রায় ৭০ শতাংশ এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তৈরি অস্ত্র বিশেষ করে ড্রোন, তুলনামূলকভাবে কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেগুলো ধ্বংস বা প্রতিহত করতে মার্কিন বাহিনীকে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
সূত্র : আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ