বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। একই সাথে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক ও তীব্র হামলা সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তারা পরবর্তী সময়ে অব্যাহতভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি সূত্রে জানা যায়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেকারচি এ দাবিটি করেছেন। শেকারচির ভাষ্যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়ে, এমনকি যখন সমঝোতা স্মারক কার্যকর ছিল তখনো ইরানের সামরিক বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে ক্ষেপণাস্ত্র এবং আক্রমণকারী ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন করে মজুত গড়ে তোলার পাশাপাশি উৎপাদিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই ইরানি মুখপাত্র আরও জানান, ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনাগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে সফল হতে পারেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি করেছিল, বাস্তবে তেহরান তার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে মার্কিন হামলা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।
গত মে মাসে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একটি মূল্যায়নে জানানো হয়, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল, তার প্রায় ৭০ শতাংশ এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তৈরি অস্ত্র বিশেষ করে ড্রোন, তুলনামূলকভাবে কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেগুলো ধ্বংস বা প্রতিহত করতে মার্কিন বাহিনীকে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
সূত্র : আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে পরীক্ষার অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ নিয়ে উত্তাল একটি পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। এই ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে শহরটি নজিরবিহীন এবং সাহসী একটি দৃশ্যের সাক্ষী হলো। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি পুলিশ ভ্যানের সামনে সশরীরে দাঁড়িয়ে পথ আটকে দেন এক তরুণী। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে হুডি ও ক্যাপ মাথায় পরা অবস্থায় গাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে তার প্রতিবাদের দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসা এই তরুণী হলেন মুম্বাইয়ের পরিচিত মডেল, অভিনেত্রী এবং উদ্যোক্তা রিয়া যাদব। তার এই দৃঢ় অবস্থানের কারণে পুলিশ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বাইয়ের দাদারের শিবাজী পার্ক সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এবং ককরোচ জনতা পার্টির সিজিপি’র ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। পুলিশ আন্দোলনকারীদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলছিল, ঠিক তখনই অনড় ভঙ্গিতে গাড়ির পথ আটকে দাঁড়ান রিয়া। পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের সামনে এসে রিয়া স্পষ্ট ভাষায় জানান, "পুলিশ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজের কাজ করছে না।" অভিনয় ও মডেলিং জগতের পাশাপাশি একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে রিয়া যাদবের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার প্রায় এক লাখ অনুসারী রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘দিলবারা’ নামের একটি জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে তিনি নজর কেড়েছিলেন। এছাড়াও, তিনি হস্তনির্মিত পোশাক ব্র্যান্ড ‘রিয়াসাত’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও স্বত্বাধিকারী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলার মধ্যে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) প্রণালীটি অতিক্রমের চেষ্টা করা তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার থামানোর দাবি করেছে। সম্প্রতি, হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের জন্য ওমান উপকূলঘেঁষা পথ ব্যবহার করা ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মাধ্যমে জাহাজগুলোকে নিরাপদে চলাচলের জন্য নিজেদের জলসীমা ব্যবহার করতে বাধ্য করা এবং তার বিনিময়ে অর্থ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘শিশুহত্যাকারী মার্কিন বাহিনীর প্ররোচনা ও প্রলোভনে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে মাইন পাতা পথ দিয়ে অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। তবে এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়ে আগুনে পুড়ে গেলে বাকি দুটি দ্রুত দিক পরিবর্তন করে ফিরে যায়।’ যদিও, ঘটনাটি ঠিক কবে ঘটেছে, এ বিষয়ে বিবৃতিতে কোন স্পষ্ট উল্লেখ নেই। আইআরজিসি আরও বলেছে, ‘শক্তিশালী আইআরজিসি নৌবাহিনী আবারও জোর দিয়ে বলছে, হরমুজ প্রণালী আমাদের নিয়ন্ত্রণে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভ্রান্তিতে পড়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া যে কোনো জাহাজ এ পথ অতিক্রমের চেষ্টা করলে তারও একই পরিণতি হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে পিআইবি’র উদ্যোগে এআই এবং ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক একটি ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ আজ শুরু হয়েছে। ছবি: বাসস
চাঁদপুর, ২৩ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): চাঁদপুর জেলার সাংবাদিকদের জন্য পিআইবি’র উদ্যোগে এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণটি আজ থেকে শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রেস ইনিস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)’র উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণটি দেওয়া হচ্ছে।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরের সাংবাদিকরা বেশ অভিজ্ঞ। কিন্তু এআই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। আশাকরি প্রত্যেকে গুরুত্ব সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলা সদরে কর্মরত জাতীয় গণমাধ্যম ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার বিভিন্ন স্তরের ৩৫জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।
এম এ লতিফ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে এবং প্রশিক্ষণের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন পিআইবি’র প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন।
প্রশিক্ষণে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. জামিল খান প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, নোটবুক এলএম, এআই ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি, লেখা ও ছবি তৈরি, এআই ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি, গুগল ট্রেন্ডিং ও গুগল ট্রেন্ডস টিভি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেরুর রাজধানী লিমার একটি নিম্ন আয়ের আবাসিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এ কথা জানায়, এবং অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাড়ি পুড়ে গেছে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা (ইনডেসি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানানো হয় যে, এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি লিমা থেকে এই খবর প্রদান করেছে।
মৃতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, তাদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচজন শিশু রয়েছে।
পুলিশ প্রধান অস্কার আরিওলা নিশ্চিত করেন, মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের নয়জন সদস্য রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কোথায়, কী পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তাও নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
পেরুর গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসা দুর্বৃত্তরাই এই আগুন লাগাতে পারে।
তদন্তের দায়িত্বে থাকা কর্নেল জন লুজান বলেন, পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর ঘটনা অথবা চাঁদাবাজির সঙ্গে এর সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কাও তদন্তের过程中 খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বেঁচে যাওয়া গিনা ভিলচেজ সাংবাদিকদের জানান, তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের এবং সন্তানদের প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা মোট ১৭ জন ছিলাম। ১০ জন মারা গেছে। আর আমাদের মধ্যে সাতজন বেঁচে গিয়েছে।’
এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা আগুনে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য মরিয়া চেষ্টার ছবি ও ভিডিও সাংবাদিকদের দেখান।
পেরুর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এ মৃত্যুর ঘটনাকে ‘ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানুষ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চায়। আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নিয়েই সেটিই হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ