শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১১ পি.এম
মাত্র ১৫ দিনের দায়িত্বকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকা আয়ের দাবি; বদলির পর সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশিরকে ঘিরে কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্ব পালনের সময় অনৈতিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একটি সুবিধাভোগী মহল তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের কাছে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।
জানা গেছে, এসআই বশির গত *২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত* অল্প সময়ের জন্য বিএমপির *আরও-১ (RO-1)* হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনের পর তাকে অন্য একটি ভালো কর্মস্থলে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি পেশাগত দায়িত্ব ও নিয়মকানুনের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, এসআই বশির যে দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু সদস্য দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ও অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছিলেন। বশির দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ কমে যায়। এতে সুবিধাভোগী ওই সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
আর সেই অসন্তোষ থেকেই এসআই বশিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পরে ওইসব তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব প্রচারণার উদ্দেশ্য ছিল বশিরের দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ও সম্মান ক্ষুণ্ন করা।
সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি হলো, অল্প সময়ের দায়িত্ব পালন করে এসআই বশির বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছেন। কিন্তু মাত্র প্রায় ১৫ দিনের দায়িত্বকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের এমন দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট নথি, তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে এ ধরনের তথ্যকে সংশ্লিষ্টরা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া বলে দাবি করেছেন।
পুলিশের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, এসআই বশির দীর্ঘদিন বরিশালে দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অনিয়ম বা অপকর্মের কোনো প্রমাণিত ঘটনা সামনে আসেনি। বরং সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, চাকরিজীবনে অর্জিত আয় ও সঞ্চয় থেকেই নিজের একটি ছোট জমিতে একতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি। তার সম্পদ বা আয়ের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের বিষয়। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও তিনি নিয়ম-শৃঙ্খলা ও পেশাগত দায়িত্বকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, কোনো কুচক্রী সদস্যের অনৈতিক সুবিধা বন্ধ হয়ে গেলে কিংবা দায়িত্ব পালনে কঠোর অবস্থানের কারণে কেউ অসন্তুষ্ট হলে তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকদের কাছেও এমন তথ্য পৌঁছে দেওয়া হলে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য ও তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
তাদের আরও দাবি, এসআই বশিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে তার চাকরিজীবনের সুনাম নষ্ট করার যে চেষ্টা চলছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—কোনো ব্যক্তির দেওয়া অভিযোগ বা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে নথি, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও বাস্তব তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য।
এদিকে, এসআই বশিরের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো তদন্ত, মামলা বা সুনির্দিষ্ট নথি থাকলে তা প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যথায় যাচাইহীন অভিযোগের ভিত্তিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ বিষয়ে এসআই বশিরের সঙ্গে ‘তালাশ বিডি’র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে পারবেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুদের মধ্যে রয়েছে সোনাতলা গ্রামের আজগার আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (৮) এবং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আমিনুর বিশ্বাসের ছেলে ইকবাল হোসেন (৭)।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কাজী জানান, ইকবাল তার নানার বাড়ি সোনাতলা গ্রামে বেড়াতে এসেছিল। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় পরিবারের সদস্যরা নামাজ আদায় করতে গেলে ইকবাল ও আব্দুল্লাহ বাড়ির পাশে অবস্থিত পুকুরের দিকে চলে যায়। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা দুজনই পুকুরে পড়ে যায়।
ঘটনাটি প্রথমে স্থানীয় নাহার বেগমের দৃষ্টিতে আসে। তিনি শিশু দুটিকে পানিতে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে ওই দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেন।
কালিগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুশান্ত কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে চায়ের কাপে বইছে আগাম ভোটের ঝড়। হাট-বাজারে কিংবা মোড়ের আড্ডায়-সবখানেই এখন মুখ্য আলোচনা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ভোটারদের আস্থা অর্জন ও দোয়া প্রার্থনায় দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই ধারাবহিকতায় কুলিয়ারচর উপজেলার ৬নং সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন স্থানীয় রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের নেতা ও সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উপজেলার ডুমরাকান্দা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিদের দোয়া নিয়ে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে গণসংযোগ করেন তিনি।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় ডুমরাকান্দা বাজারে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি আসন্ন সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। পরে নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থকদের সাথে নিয়ে তিনি ডুমরাকান্দা বাজারের প্রধান প্রধান সড়কে গণসংযোগ করে সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সুধী সমাবেশ ও গণসংযোগকালে সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগের দিন ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ ওয়ার্ডের নেতাকর্মী ও নিজ গ্রাম উত্তর সালুয়ার বাসিন্দাদের নিয়ে এলাকায় এক মতবিনিময় সভা করে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, "ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। মহান আল্লাহর রহমতে আমার যা আছে, তা নিয়েই আমি সন্তুষ্ট। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আমি সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সালুয়া ইউনিয়নের শোষিত, বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গঠন করাই আমার মূল লক্ষ্য।"
সালুয়া ইউনিয়নের উত্তর সালুয়া গ্রামের প্রয়াত মুছলেহ উদ্দিনের ছেলে বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন ১৯৯১ সালে সালুয়া ইউনিয়ন ছাত্র দলের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরবর্তীতে তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও যুবদলের সহ-সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ দল তাঁকে সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মূল দায়িত্ব প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে অত্যান্ত দক্ষতার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে সালুয়া ইউনিয়নের ডুমরাকান্দা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি, সালুয়া ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক, এমাদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও নিজ গ্রাম উত্তর সালুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকায় 'এনডিএন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কস'-এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
এলাকাবাসীর মতে, দেলোয়ার হোসেন এলাকার একজন সুশিক্ষিত, সৎ, ধার্মিক ও পরোপকারী ব্যক্তিত্ব। বিপদে-আপদে কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর কাছে গিয়ে কেউ কখনো খালি হাতে ফিরে আসেনি। তাঁর এই পরিচিতি ও ক্লিন ইমেজ নির্বাচনে তাঁকে বেশ শক্ত অবস্থানে রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোচ আসেন, কোচ যান। তবে পর্তুগাল দলের জন্য একটি নাম চিরকাল অম্লান—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। প্রায় দুই দশক ধরে পর্তুগালের একাদশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছেন এই কিংবদন্তি।
হোর্হে জেসুসের অধীনে এটি ব্যতিক্রম নয়। আজ নেশনস লিগের জন্য দল ঘোষণা করেছেন পর্তুগিজ কোচ, যেখানে রোনালদোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পর্তুগালের যাত্রা থেমে গেলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে রোনালদো অবসরের ঘোষণা দেবেন। কারণ, বয়স তো কম হয়নি। ৪১ বছর বয়সেও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার এখনও দৌড়াচ্ছেন।
এখনও দৌড় থামাননি, তবে তিনি এ বছরই অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক ১৪৬ গোলের মালিক রোনালদো বলেছেন, “হয়তো ফুটবলে এটাই আমার শেষ বছর। আর আমি চাই নিজের একটা দারুণ ছাপ রেখে যেতে।”
বিশ্বকাপের একাদশ থেকে জেসুস ৪টি পরিবর্তন করেছেন। জোসে সা, নেলসন সেমেদো, স্যামুয়েল কস্তা ও গনসালো গেদেসের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন স্যামুয়েল সোয়ারেস, নুনো তাভারেস, জোয়াও পলহিনহা ও ফাবিও সিলভা।
নেশনস লিগের ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে পর্তুগাল। তাদের প্রথম ম্যাচ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়েলসের বিরুদ্ধে। ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ নরওয়ে। অন্যদিকে ১ অক্টোবর ডেনমার্কের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পর ৪ অক্টোবর আবারো নরওয়ের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে তারা।
পর্তুগালের দল:
গোলকিপার : দিয়োগো কস্তা, রুই সিলভা, স্যামুয়েল সোয়ারেস।
ডিফেন্ডার : রুবেন দিয়াস, তমাস আরাউহো, দিয়োগো দালোত, রেনাতো ভেইগা, গনসালো ইনাসিও, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস ও নুনো তাভারেস।
মিডফিল্ডার : ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, ভিতিনিয়া ও জোয়াও পলহিনহা।
ফরোয়ার্ড : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, গনসালো রামোস, জোয়াও ফেলিক্স, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, রাফায়েল লিয়াও, পেদ্রো নেতো, ফাবিও সিলভা ও ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালের বক্তব্যের পর এবার ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন নিজের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন। রয়টার্স -এর বরাতে শুক্রবার স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার গত মৌসুমের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
কেইন জানান, তিনি নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি আলোচনা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তিনি বলেন, “নিজের সম্পর্কে বেশি কথা বলা আমার কখনোই পছন্দ নয়। তবে এটুকুই বলব, ব্যক্তিগত ও দলীয় দুই দিক থেকেই গত মৌসুমটা দুর্দান্ত কেটেছে।”
ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম কোনটি—এমন প্রশ্নের জবাবে কেইন কোনো দ্বিধা করেননি। তিনি বলেন, “বিনা দ্বিধায় বলা যায়, এটিই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম।”
গত মৌসুমে ৭৩ গোল করার সুবাদে কেইনের নাম স্বাভাবিকভাবেই ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর আর কোনো ইংলিশ ফুটবলার এই পুরস্কার জিততে পারেননি। বর্তমানে কেইনের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালও।
তবে কেইন মনে করেন, দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান থাকা সত্ত্বেও ব্যালন ডি’অর জয়ের বিষয়টি তার নিয়ন্ত্রণে নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই গোল সংখ্যা নিয়ে আমি সত্যিই দারুণ গর্বিত... তবে ব্যালন ডি’অর পাওয়ার বিষয়টি তো আর আমার হাতে নেই। এটি পুরোটাই নির্ভর করছে ভোটারদের ওপর। আমার কাছে গত মৌসুম এখন অতীত।”
কেইনের মতে, আগের মৌসুমের সাফল্য নিয়ে পড়ে না থেকে নতুন লক্ষ্যেই মনোযোগ দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমি এখন নতুন মৌসুম নিয়ে ভাবছি এবং সামনে আর কী কী অর্জন করা যায়, সেদিকেই নজর দিচ্ছি।”
আগামী ২৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যালন ডি’অরজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। তার আগে কেইনকে নিয়ে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররাই। এমবাপ্পে ও ইয়ামালও এরই মধ্যে পুরস্কার জয়ের বিষয়ে নিজেদের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ