ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিশ্বব্যাংক প্রাক্‌-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে


বিশ্বব্যাংক প্রাক্‌-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে

বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর শিক্ষার মান উন্নয়নে ৩০ কোটি (৩০০ মিলিয়ন) ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিশ্বব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ বা প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ত্বরান্বিতকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করা হবে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো, শিশুদের শ্রেণি অনুযায়ী পড়া, লেখা ও গণিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা। সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’তেও অর্থায়নটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: সন্দ্বীপে শিল্পাঞ্চল স্থাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও শিক্ষার গুণগত মান এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশই বয়স উপযোগী সাধারণ কোনো লেখা পড়তে ও বুঝতে পারে না। তুলনামূলকভাবে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ মালয়েশিয়ায় এ হার ৪২ শতাংশ এবং ব্রাজিলে ৪৭ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসম মন্তব্য করেন, ‘বিশ্বপর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক কর্মশক্তি গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। গত দুই দশক ধরে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ বাংলাদেশকে প্রায় সব শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে সহায়তা করেছে। এই অর্থায়ন শিশুদের আরও ভালোভাবে শিখতে এবং বিদ্যালয়ে টিকে থাকতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যতে ভালো চাকরি পাওয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।’

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। সরকারি বিদ্যালয়, এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসায় ২ কোটিরও বেশি শিশু পড়াশোনা করছে।

নতুন কর্মসূচির আওতায় সাক্ষরতা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা অর্জনের জন্য একটি প্যাকেজ চালু করা হবে। এতে থাকবে পাঠদানের উপকরণ, পরিকল্পিত পাঠক্রম এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। দেশের ৯০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয় পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।

আরও পড়ুন: বৈধ-অবৈধ পথে আসছে স্বর্ণের বার, গন্তব্য কোথায়?

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও কর্মসূচির টিম লিডার তাশমিনা রহমান বলেন, ‘ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে শক্তিশালী মৌলিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশু যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচিতে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পাঠদানের ব্যবস্থা বা রেমিডিয়াল লার্নিং চালু করা হবে। বিশেষ করে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা জেলাগুলোতে এ বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের দক্ষতা ও বিদ্যালয় পর্যায়ে নেতৃত্বের উন্নয়ন, বাজেট ব্যবহারে জবাবদিহি বাড়ানো এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্যের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতেও সহায়তা করবে এই কর্মসূচি।

কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে, যাতে তারা শ্রেণিকক্ষে পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক বিষয়গুলো আরও কার্যকরভাবে শেখাতে পারেন। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার মানও উন্নত হবে বলে আশা করছে বিশ্বব্যাংক। এতে শিশুদের শিক্ষাজীবনের শুরুটা আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে তাদের প্রস্তুতি বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের ধারণা, এই কর্মসূচির ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৮ লাখ ৪৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, যেখানে তুলনামূলক ভালো বেতন পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: আনসার-ভিডিপি সদস্যদের বিদেশে কর্মসংস্থানে সরকারের নতুন উদ্যোগ

কর্মসূচিটির অর্থায়ন করছে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অংশ, যা নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা দিয়ে থাকে। কর্মসূচিটির মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে অব্যাহতিকাল বা গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ বাংলাদেশি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ বাংলাদেশি আটক

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্রীনাথপুর সীমান্ত থেকে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাপাতলা গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তাদের আটক করা হয়।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর সূত্রে জানা গেছে, শ্রীনাথপুর সীমান্ত ফাঁড়ির (বিওপি) একটি টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ৬১/৯-আর থেকে আনুমানিক ৯০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাপাতলা গ্রামের রুহান মিয়ার কলাবাগানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে ওই ছয়জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মিঠাবাড়ী গ্রামের ইয়াকুব হোসেন (৩৮) ও ইমামুল হোসেন (৩৫), গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিধি বাসুরিয়া গ্রামের হরপ্রসাদ মণ্ডল (৫৫) ও তাড়াইল গ্রামের অসীম মণ্ডল (৪২), পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সকারিকাটি গ্রামের শিব কুমার মণ্ডল (৩২) এবং যশোরের শার্শা উপজেলার কন্যাদহ গ্রামের ওলিয়ার রহমান (৩২)।

৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমান ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ভারি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে শত শত তাঁবু প্লাবিত, দুর্ভোগ চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


গাজায় ভারি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে শত শত তাঁবু প্লাবিত, দুর্ভোগ চরমে

গাজা উপত্যকাজুড়ে ভারী বৃষ্টির ফলে বাস্তুচ্যুত মানুষের শত শত তাঁবু প্লাবিত হয়েছে। ঝোড়ো বাতাসের কারণে বহু তাঁবু ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন সেই পরিবারগুলো, যারা ইসরাইলি হামলার কারণে তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

প্রতি বছর শীতকালে গাজায় বৃষ্টি ও বন্যার ঘটনা ঘটে। এর ফলে তাঁবুতে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা শুরু করে দখলদার ইসরাইল। এই হামলার পর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ইসরাইলি গণহত্যায় ৭৪ হাজার ৬১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯২৫ জন আহত হয়েছেন।

গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানে প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরেও গাজায় ১ হাজার ৬০২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৭৯৯ জন।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ২০০ বছর পূর্তি উদযাপন কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ২০০ বছর পূর্তি উদযাপন কমিটি গঠন

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ২০০ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য একটি উদযাপন কমিটি গঠনের ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রেজাউল করিম রাজুকে, সদস্য সচিব হিসেবে আব্দুল মান্নানকে এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে এ আর জামিল ইদীকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় স্কুল মিলনায়তনে রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ সভায় এই কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান খান, ড. ওয়াসিম হোসেন, প্রফেসর ইকবাল মতিন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাইরুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, রায়হানুল আলম, অ্যাডভোকেট অঙ্কুর সেন, আমিরুল করিম বুলু, অ্যাডভোকেট শাহীন শওকত এবং ইয়াহিয়া ফেরদৌস।

সভায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। এছাড়াও, রেজাউল করিম রাজুকে আহ্বায়ক, আব্দুল মান্নানকে সদস্য সচিব এবং এ আর জামিল ইদীকে কোষাধ্যক্ষ করে ৮১ সদস্যবিশিষ্ট দ্বি-শতবর্ষ উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়। ২০০ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য ২০২৭ সাল থেকে বছরব্যাপী বিভিন্ন বর্ণাঢ্য উৎসবের সূচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমানের ‘ম্রো কমপ্লেক্স’-এর স্মৃতি ছুঁয়ে চিম্বুকে পরিচ্ছন্নতার মহোৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


জিয়াউর রহমানের ‘ম্রো কমপ্লেক্স’-এর স্মৃতি ছুঁয়ে চিম্বুকে পরিচ্ছন্নতার মহোৎসব

বান্দরবানের চিম্বুক রেঞ্জে পর্যটন বিকাশ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক মেলবন্ধনের একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করা হয়েছে। ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা সড়কের পুরো এলাকাজুড়ে দিনব্যাপী একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্থানীয় ম্রো সম্প্রদায়ের এক হাজারেরও বেশি নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে পাহাড়ি সড়কে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন।

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে এবং দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে ম্রো অধ্যুষিত চিম্বুক রেঞ্জে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে সরাসরি মাঠে নেমে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।

কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ম্রো জনগণের উন্নয়ন ও পাহাড়ে স্থিতিশীলতা আনয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদানের কথা গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পিছিয়ে পড়া এই জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও সুরক্ষায় এ অঞ্চলে ‘ম্রো কমপ্লেক্স’ গড়ে তুলেছিলেন।"

মন্ত্রী আরও বলেন, "সেই উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও সংহতির ধারাবাহিকতায় আজও পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ একতাবদ্ধ।" ম্রো জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, তারা দেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় কতটা নিবেদিত।

মন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, বান্দরবানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত এই ২৭ কিলোমিটার সড়কের দুপাশ সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এটি চিম্বুক রেঞ্জকে বিশ্বমানের একটি নান্দনিক রূপ দেবে।

স্থানীয় ম্রো নেতৃবৃন্দ ও আয়োজকেরা জানান, বান্দরবানের প্রাণপ্রকৃতি রক্ষা এবং চিম্বুককে একটি পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পর্যটনের প্রসার ঘটলে, দুর্গম পাহাড়ে বসবাসরত ম্রো জনগণের বিকল্প কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি, সমতলের পর্যটকদের সঙ্গে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।

উদ্বোধনী কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%