ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জিয়াউর রহমানের ‘ম্রো কমপ্লেক্স’-এর স্মৃতি ছুঁয়ে চিম্বুকে পরিচ্ছন্নতার মহোৎসব


জিয়াউর রহমানের ‘ম্রো কমপ্লেক্স’-এর স্মৃতি ছুঁয়ে চিম্বুকে পরিচ্ছন্নতার মহোৎসব

বান্দরবানের চিম্বুক রেঞ্জে পর্যটন বিকাশ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক মেলবন্ধনের একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করা হয়েছে। ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা সড়কের পুরো এলাকাজুড়ে দিনব্যাপী একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে স্থানীয় ম্রো সম্প্রদায়ের এক হাজারেরও বেশি নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে পাহাড়ি সড়কে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন।

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে এবং দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে ম্রো অধ্যুষিত চিম্বুক রেঞ্জে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে সরাসরি মাঠে নেমে নেতৃত্ব দেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।

কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ম্রো জনগণের উন্নয়ন ও পাহাড়ে স্থিতিশীলতা আনয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদানের কথা গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পিছিয়ে পড়া এই জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও সুরক্ষায় এ অঞ্চলে ‘ম্রো কমপ্লেক্স’ গড়ে তুলেছিলেন।"

আরও পড়ুন: এআই দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে ভৈরবে নারীর সংবাদ সম্মেলন, সামাজিক ও পারিবারিক সংকটে তানিয়া

মন্ত্রী আরও বলেন, "সেই উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও সংহতির ধারাবাহিকতায় আজও পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ একতাবদ্ধ।" ম্রো জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, তারা দেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় কতটা নিবেদিত।

মন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, বান্দরবানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত এই ২৭ কিলোমিটার সড়কের দুপাশ সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এটি চিম্বুক রেঞ্জকে বিশ্বমানের একটি নান্দনিক রূপ দেবে।

স্থানীয় ম্রো নেতৃবৃন্দ ও আয়োজকেরা জানান, বান্দরবানের প্রাণপ্রকৃতি রক্ষা এবং চিম্বুককে একটি পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। পর্যটনের প্রসার ঘটলে, দুর্গম পাহাড়ে বসবাসরত ম্রো জনগণের বিকল্প কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি, সমতলের পর্যটকদের সঙ্গে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।

উদ্বোধনী কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: তিস্তায় অভয়াশ্রম নেই, হারিয়ে যাচ্ছে দেশি মাছ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই বেতন, অদ্ভুত চাকরির বিজ্ঞাপনে নেটদুনিয়ায় ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই বেতন, অদ্ভুত চাকরির বিজ্ঞাপনে নেটদুনিয়ায় ঝড়

দীপাবলি উপলক্ষে এক ভিন্ন ধরনের ও অদ্ভুত চাকরির সুযোগ নিয়ে এসেছে ভারতের রাজস্থান রাজ্যের উদয়পুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইনফ্লুয়িশ’। কোম্পানিটি সারাদিন ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখার এবং প্ল্যাটফর্মে কোন বিষয়গুলো ট্রেন্ড করছে বা ভাইরাল হচ্ছে সে সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য কর্মী খুঁজছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করে চাকরির বিবরণ এবং আবেদনের প্রক্রিয়া সবার সামনে তুলে ধরেন।

ভিডিওটিতে প্রতিষ্ঠানটির একজন সদস্যকে বলতে শোনা যায়, তারা এমন একজন কর্মী খুঁজছেন যিনি সারাদিন ইনস্টাগ্রামে স্ক্রোল করবেন এবং প্ল্যাটফর্মে কী ভাইরাল হচ্ছে তা জানাবেন। যারা সত্যিকার অর্থে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে সময় কাটাতে ভালোবাসেন, মূলত তাদের জন্যই এই সুযোগ এবং কোম্পানি এই কাজের জন্য বেতনও প্রদান করবে।

উদয়পুরের প্রার্থীদের ভিডিওটিতে ‘হাই’ (Hi) কমেন্ট করতে বলা হয়েছে। এরপর সরাসরি মেসেজের মাধ্যমে তাদের আবেদনের লিংক পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ‘গ্যাংস অব স্টার্টআপ’ (gangsofstartup) নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের বায়োতে থাকা লিংকের মাধ্যমে আগ্রহীরা গুগল ফরম পূরণ করে আবেদন করতে পারছেন। আবেদন ফরমটিতে নাম, ফোন নম্বর এবং ঠিকানা দেওয়ার পাশাপাশি ফুলটাইম চাকরি নাকি ইন্টার্নশিপ—তা নির্বাচন করতে হয়। একই সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত পদ, বর্তমান ও প্রত্যাশিত বেতন উল্লেখ করে আবেদনপত্রের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি আপলোড করতে হচ্ছে।

কোম্পানি জানিয়েছে, প্রাথমিক বাছাইয়ের পর নির্বাচিত প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

গত ৪ নভেম্বর প্রকাশিত এই ইনস্টাগ্রাম ভিডিওটি ইতোমধ্যে তিন লাখের বেশি মানুষ দেখেছেন এবং এটি অনলাইনে দারুণ সাড়া ফেলেছে। কোম্পানির দাবি, ১১ হাজারের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে আবেদন ফরম সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

চাকরির এই অদ্ভুত বিজ্ঞাপনটি নেটদুনিয়ায় দারুণ কৌতূহল ও মজার সব প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। এক ব্যবহারকারী এটিকে ‘নিখুঁত চাকরি’ বলে অভিহিত করেছেন, আবার কেউ কেউ একে ‘স্বপ্নের চাকরি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অনেকে আবার রসিকতা করে কোম্পানিকে তাদের নিয়োগ দেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর সেমিনারে সাংস্কৃতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান গ্রহণের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


৭ নভেম্বর সেমিনারে সাংস্কৃতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান গ্রহণের আহ্বান

বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি সেমিনারে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক আধিপত্য থেকে মুক্তি পাওয়ার পাশাপাশি জনগণের কাছে চলচ্চিত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘৭ নভেম্বরের চেতনা ও আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম চলচ্চিত্র আন্দোলন’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ‘বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম চলচ্চিত্র আন্দোলন’-এর আহ্বায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মাহমুদ নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান।

সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়ুয়া মনোজিৎ ধীমান এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইমন তারিক।

আলোচকরা উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা মূলত কারো নির্দেশনায় নয়, বরং নিজেদের শর্তে ও সার্বভৌম মর্যাদায় মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। যখন আমাদের জাতীয় চলচ্চিত্র শিল্প বৈশ্বিক পর্যায়ে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরার জন্য সংগ্রাম করছে, তখন সেন্সরশিপের কড়াকড়ি, প্রাতিষ্ঠানিক একচেটিয়াপনা এবং সাংস্কৃতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম চলচ্চিত্র আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য পূর্ণ সৃজনশীল স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক আধিপত্য থেকে মুক্তি এবং জনগণের মাটির কাছাকাছি থাকার অঙ্গীকার বজায় রাখার আহ্বান জানান আলোচকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


দৌলতপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রবীর বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর ফিরোজসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঐ অভ্যুত্থানে বন্দীদশা থেকে মুক্তি পান জেনারেল জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচিত হয়।

বক্তারা আরো বলেন, ৭ নভেম্বর কেবল একটি দিন নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রতীক। এই চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যতে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে এ দিবসের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান তারা।

সভায় বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈধ-অবৈধ পথে আসছে স্বর্ণের বার, গন্তব্য কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


বৈধ-অবৈধ পথে আসছে স্বর্ণের বার, গন্তব্য কোথায়?

বিগত কয়েক বছরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার দেশে এসেছে। বর্তমানে এসব স্বর্ণের বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকার বেশি। গত চার অর্থবছরে ২৮ দশমিক ৩৫ মেট্রিক টন ওজনের ২ লাখ ৪৩ হাজার স্বর্ণের বার বৈধ করা হয়েছে। অবৈধভাবে আনার সময় ১৩৩ কেজি ওজনের ১ হাজার ১৪১টি বার জব্দ করা হয়েছে।

দেশের অলংকারের বাজারে এসব স্বর্ণের বার ব্যবহার হয়নি বলে দাবি করেছেন জুয়েলার্স সমিতির নেতারা। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, আসলে এসব স্বর্ণের বারের গন্তব্য কোথায়?

বিদেশ থেকে আনা স্বর্ণের বার শুল্ক দিয়ে বৈধ করতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমসের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা প্রতিটি ফ্লাইট অবতরণের পর যাত্রীদের ভিড়ে তৈরি হয় এই জট। এই দৃশ্যই নির্দেশ করে, প্রতিদিন এই রুট দিয়ে কত পরিমাণ স্বর্ণের বার দেশে আসছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন নূর হোসেন জানিয়েছেন, শ্রমজীবী মানুষেরা এই বিমানবন্দর দিয়ে বেশি যাতায়াত করেন। তাদের বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্যে যান। সেখানে বাংলাদেশের তুলনায় স্বর্ণের দাম কিছুটা কম এবং স্বর্ণের বিশুদ্ধতা বাংলাদেশের তুলনায় বেশি হতে পারে। এ কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বর্ণের বার আনার প্রতি অনেকের আগ্রহ রয়েছে।

শাহ আমানত বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, গত চার অর্থবছরে ২৮ দশমিক ৩৫ মেট্রিক টন ওজনের ২ লাখ ৪৩ হাজার পিস স্বর্ণের বার বৈধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড ১ লাখ ৭২ হাজার ৫১৪ পিস স্বর্ণের বার বৈধ করা হয়। প্রতিটি বার ১০ ভরি ওজনের হিসাবে এসব স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকার বেশি।

অন্যদিকে, অবৈধভাবে স্বর্ণ পাচারের সময় ১৩৩ কেজি ওজনের ১ হাজার ১৪১টি বার জব্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন বলেছেন, স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের সদস্যরা বাহকদের ব্যবহার করে। অনেক সময় প্রকৃত হোতারা আড়ালেই থেকে যায়। ফলে শেষ পর্যন্ত নিরীহ সাধারণ বাহকরাই আইনের আওতায় আসেন।

সরকার নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ করে বৈধভাবে আনা স্বর্ণের বার নিয়ে যাত্রীরা বিমানবন্দর ছাড়লেও অবৈধ স্বর্ণ জব্দের ঘটনায় নগরীর পতেঙ্গা থানায় মামলা হয়। এসব মামলার তদন্ত করে পুলিশ। কিন্তু নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত বাহক ছাড়া পেছনের কোনো হোতার সন্ধান পায়নি তারা।

সিএমপির উপকমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম বলেছেন, শুধু বাহককে গ্রেফতার করা হয়, পেছনের ব্যক্তিদের ধরা হয় না; এমন অভিযোগ সঠিক নয়। তদন্তে যাদের নাম ও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়।

এদিকে, সারাদেশে বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানে বড় জুয়েলারি শপসহ ছোট-বড় অন্তত ৫০ হাজার স্বর্ণালংকারের দোকান রয়েছে। তবে বিদেশ থেকে আসা বৈধ কিংবা অবৈধ অধিকাংশ স্বর্ণের বারের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের। এতে প্রশ্ন থেকেই যায়, এত স্বর্ণের বার শেষ পর্যন্ত কোথায় যাচ্ছে?

চট্টগ্রাম বাজুসের চেয়ারম্যান নূরুল আবসার চৌধুরী জানিয়েছেন, যারা স্বর্ণের বার আনছেন, তারা মূলত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্যই আনছেন। কিছু স্বর্ণ তারা দোকানদারদের দিয়ে অলংকার তৈরি করিয়ে নেন।

চট্টগ্রাম বাজুসের মহাসচিব প্রণব সাহা বলেছেন, যাত্রীরা ব্যাগেজের মাধ্যমে স্বর্ণ নিয়ে আসেন। সেগুলো আমরা কিনে নিই, এটাই আমাদের কাজ। তবে স্বর্ণের বার কারা আনছেন, কারা ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে আমাদের জানা নেই। বিষয়টি যারা আনেন, যারা ব্যবহার করেন এবং প্রশাসন জানে।

বর্তমানে ১০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি স্বর্ণের বারের দাম ১৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%