মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১০ পি.এম
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ মো. বশার খান (৪৮) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৩ টার সময় উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের চুঙ্গাপাশা গ্রামের তার নিজ বসত ঘর থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া বশার ওই গ্রামের মৃত কালু খানের পুত্র। পুলিশ মনে করছে, তিনি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একটি পুলিশ দলের অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার নিজ ঘরের বারান্দা থেকে ১০৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যালন দ’রের বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কারের জন্য মনোনীত ১০ জনের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই তালিকাটি মঙ্গলবার ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ কর্তৃক ঘোষণা করা হয়। তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২০২৬ বিশ্বকাপে কেইপ ভার্ডের হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শনকারী ভজিনিয়া। প্রত্যাশিতভাবেই রয়েছেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী স্পেনের উনাই সিমনও।
ভজিনিয়া কেইপ ভার্ডের ইতিহাস গড়া বিশ্বকাপ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অভিষেক ম্যাচে শক্তিশালী স্পেনের বিরুদ্ধে তার দল গোলশূন্য ড্র করে। এরপর উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে কেইপ ভার্ড গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে প্রবেশ করে।
শেষ বত্রিশের ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তারা দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যদিও শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী গোলে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।
ভজিনিয়া চারটি ম্যাচে মোট ১৮টি সেভ করেছেন। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আটটি এবং স্পেনের বিপক্ষে সাতটি সেভ করেন তিনি। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে ৩০ ম্যাচের ১৩টিতে গোল হজম করেননি এই গোলরক্ষক।
বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের গোলবার সামলানো উনাই সিমনও এই পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার। পুরো বিশ্বকাপে তিনি মাত্র একটি গোল হজম করেছেন। ক্লাব পর্যায়ে আথলেতিক বিলবাওয়ের হয়ে গত মৌসুমে ৬২ ম্যাচ খেলে ২২টিতে গোলবার অক্ষত রাখেন সিমন।
তালিকায় স্পেনের আরও দুই গোলরক্ষক রয়েছেন, তারা হলেন বার্সেলোনার জোয়ান গার্সিয়া ও আর্সেনালের দাভিদ রাইয়া। দুজনের কেউই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাননি, তবে ক্লাব ফুটবলে তারা দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। গার্সিয়া বার্সেলোনার লা লিগা ও কোপা দেল রে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। অন্যদিকে, রাইয়া আর্সেনালের প্রিমিয়ার লিগ জয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন।
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়া আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসও ১০ জনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছেন।
বর্ষসেরা গোলরক্ষকের মনোনয়ন পাওয়া ১০ জন:
তিবো কোর্তোয়া,
জোয়ান গার্সিয়া,
গ্রেগর কোবেল,
এমিলিয়ানো মার্তিনেস,
এদুয়াঁ মঁদি,
দাভিদ রাইয়া,
ইয়াসিন বোনু,
মাতভেই সাফানভ,
উনাই সিমন
ও
ভজিনিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ইয়াশিন ট্রফির জন্য মনোনয়ন লাভ করেছেন, যা ব্যালন ডি’অরের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার। এবারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহাও স্থান পেয়েছেন। পুরুষ বিভাগের জন্য মোট ১০ জন গোলরক্ষককে মনোনীত করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে কেপ ভার্দের হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে ভোজিনহা আলোচনায় আসেন। তিনি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একাধিক অসাধারণ সেভ করে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে এবার ইয়াশিন ট্রফির মনোনয়ন অর্জন করেছেন এই গোলরক্ষক।
গতবারের ইয়াশিন ট্রফিজয়ী ইতালির জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা এবারের তালিকায় নেই। তবে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের দুই গোলরক্ষক উনাই সিমোন ও দাভিদ রায়া জায়গা করে নিয়েছেন। আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার কারণে রায়ার মনোনয়ন বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে।
এছাড়াও তালিকায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ও ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে তিনি আবারও ইয়াশিন ট্রফির দৌড়ে স্থান পেয়েছেন।
পুরুষ বিভাগের ১০ মনোনীত গোলরক্ষক হলেন—ইয়াসিন বুনু (আল হিলাল/মরক্কো), থিবো কোর্তোয়া (রিয়াল মাদ্রিদ/বেলজিয়াম), গ্রেগর কোবেল (ডর্টমুন্ড/সুইজারল্যান্ড), হোয়ান গার্সিয়া (বার্সেলোনা/স্পেন), এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা ও চেলসি/আর্জেন্টিনা), এদুয়ার্দ মেন্দি (আল আহলি/সেনেগাল), দাভিদ রায়া (আর্সেনাল/স্পেন), মাতেভেই সাফোনোভ (পিএসজি/রাশিয়া), উনাই সিমোন (অ্যাথলেটিক বিলবাও/স্পেন) ও ভোজিনহা (জিডি শাভেস/কোলো-কোলো/কেপ ভার্দে)।
নারী বিভাগেও ইয়াশিন ট্রফির জন্য পাঁচ গোলরক্ষকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গতবারের পুরস্কারজয়ী হানা হ্যাম্পটন এবারও মনোনয়ন পেয়েছেন। তার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন জার্মানির অ্যান-কাটরিন বার্গার, স্পেনের কাটা কোল, ব্রাজিলের লোরেনা এবং জাপানের আয়াকা ইয়ামাশিতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের সাথে সম্পর্কিত সামরিক সরঞ্জামবাহী ট্রাকের বহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে একটি ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ঘটনা ঘটে ইয়েমেন-সৌদি সীমান্তের আল-ওয়াদিয়া সীমান্ত ক্রসিংয়ের কাছে অবস্থিত একটি শিবিরে। হুতি মিডিয়ার সূত্রে জানা গেছে, এই হামলায় সৌদি সামরিক শিবিরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইয়েমেন নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতি বিদ্রোহীরা আল-ওয়াদিয়া শিবিরে অবস্থানরত সৌদি বাহিনী ও তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারি চালিয়ে আসছিল। সেখানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদবাহী যানবাহন পর্যবেক্ষণ করার পর তারা এই হামলা পরিচালনা করে। সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি ফ্র্যাগমেন্টেশন ক্ষেপণাস্ত্র সামরিক সরঞ্জাম বোঝাই ট্রাকে আঘাত হানার সাথে সাথেই সেখানে এক ধারাবাহিক ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে ভিডিওতে অনেক সৈন্যকে আতঙ্কিত হয়ে শিবিরের চারপাশ থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।
গত জুলাইয়ে দীর্ঘ চার বছরের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে এটি অন্যতম বড় সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতের কারণে তেল বাজারে মন্দা ও বিশ্বজুড়ে দাম বৃদ্ধির মধ্যে সংঘাতের এই নতুন দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। কূটনৈতিক আলোচনা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।
ইয়েমেন থেকে ছোঁড়া হুতিদের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় আঘাত হেনেছে এবং সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করেছে। ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের এই বছরের অন্যতম শক্তিশালী হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের মতে, এই হামলায় তাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশের বেশ কয়েকটি শক্তি স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন তেল কেন্দ্রে সাময়িক উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
সৌদি আরব এই ঘটনাকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে হুতিদের বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, সৌদি আরব তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সাথে রিয়াদ অবিলম্বে হুতিদের হামলা বন্ধ করার এবং লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজে তাদের আক্রমণ প্রতিরোধ করার দাবি জানিয়েছে।
এই সাম্প্রতিক উত্তেজনা এমন এক সময়ে তীব্রতর হলো যখন ইয়েমেনে অভ্যন্তরীণ লড়াই আরও বেগবান হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃত এবং সৌদি-সমর্থিত সরকার হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে আবার নতুন করে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। এর জবাবে হুতিরা উল্টো রিয়াদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী বিমান হামলার অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, একটি কারাগারে সৌদি হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের নেতা টিপু হাওলাদার এবং জাসাস নেতা কবির মোল্লাকে ২০১৫ সালে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন টিপু হাওলাদারের স্ত্রী সুমা আক্তার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
সুমা আক্তার আদালতে বলেন, ঘটনার পূর্বে তার স্বামী ‘ক্রসফায়ারের’ আশঙ্কায় ছিলেন। এ কারণে তিনি তাকে সাময়িকভাবে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে যেতে বলেছিলেন।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দি দেন সুমা আক্তার।
জবানবন্দিতে তিনি জানান, তার স্বামী টিপু হাওলাদার তাকে জানিয়েছিলেন যে, এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ একটি সভায় তাকে দেখা করতে বলেছেন। এ নিয়ে তিনি মানসিক চাপ অনুভব করছিলেন। একপর্যায়ে টিপু তাকে বলেন, ‘বরিশালে দুই-তিনটা ক্রসফায়ার হয়ে গেছে, আমার কিছু হয়ে গেলে তোমার আর সন্তানদের কী হবে?’
সুমা বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি স্বামীকে ঢাকায় গিয়ে চাকরির চেষ্টা করার পরামর্শ দেন। এরপর ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি টিপু ঢাকায় যান। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ডিবি পুলিশ এসে টিপুকে তুলে নিয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আগৈলঝাড়া থানায় গেলেও পুলিশ প্রথমে টিপুর গ্রেফতারের বিষয়ে কিছু জানে না বলে জানায়। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সহযোগিতা চাইলেও তারা কোনো সহায়তা করতে পারেননি। তাদের পরামর্শে তিনি শাশুড়ি ও ভাসুরকে নিয়ে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বরিশালের বাসভবনে যান। তবে দারোয়ান তাকে ভেতরে ঢুকতে দেননি।
সুমা আক্তার জানান, ২১ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে তিনি দেখতে পান, টিপু হাওলাদার ও জাসাস নেতা কবির মোল্লা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এরপর স্বজনদের নিয়ে থানায় গেলেও পুলিশ তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। পোস্টমর্টেম শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং দ্রুত দাফন সম্পন্ন করতে বলা হয়।
তিনি দাবি করেন, থানার লোকজন ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দ্রুত দাফনের জন্য চাপ ও হুমকি দিয়েছিল।
সাক্ষ্যে সুমা আক্তার জানান, ঘটনার কিছুদিন পর তিনি লোকমুখে জানতে পারেন, স্থানীয় এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও তৎকালীন পুলিশ সুপার এহসানউল্লাহর নির্দেশে উজিরপুর থানার পুলিশ কর্মকর্তারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ, উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন। মাহাবুল ও জসিম বর্তমানে গ্রেফতার আছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। এর অংশ হিসেবে ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস এলাকার বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়।
ট্রাইব্যুনাল মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ