ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাস নষ্ট হওয়ায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকায় লরিচাপায় প্রাণ গেল ৫ জনের


বাস নষ্ট হওয়ায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকায় লরিচাপায় প্রাণ গেল ৫ জনের

চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে লরির আঘাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে উপজেলার ছোট কুমিরা এলাকার রয়্যাল সিমেন্ট গেটের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বাসের যাত্রীরা ত্রুটি মেরামতের সময় সড়কের পাশে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী একটি দ্রুতগতির লরি দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়।

আরও পড়ুন: নিম্নতম মজুরি বোর্ড অচিরেই গঠন হবে: শ্রমমন্ত্রী

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

ফায়ার সার্ভিস কুমিরা স্টেশনের ফায়ারফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের লরি চাপা দেয়ার ফলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। তবে তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি হেফাজতে নিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার পুলিশ জানায়, নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ এম


মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে। সোমবার সরকার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাংলা নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।

নতুন নাম কার্যকর হওয়ার পর সরকারি নথিপত্র, দাপ্তরিক যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে মন্ত্রণালয়ের বাংলা নাম হিসেবে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ ব্যবহার করা হবে। তবে ইংরেজিতে মন্ত্রণালয়ের নাম ‘Ministry of Women and Children Affairs’ আগের মতোই থাকবে।

এর আগে ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো।

নারী ও শিশুদের উন্নয়ন, অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়টি কাজ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুমিনের জন্য জান্নাতে সুখের আবাস নিশ্চিত করতে নেক কাজের তাগিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ এম


মুমিনের জন্য জান্নাতে সুখের আবাস নিশ্চিত করতে নেক কাজের তাগিদ

সৌভাগ্যবান সেই ব্যক্তি, যে সুস্থতাকে একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে এবং সর্বোত্তম লক্ষ্য অর্জনের জন্য চেষ্টা করে। মুমিনের জানা উচিত, দুনিয়াতে যত বেশি নেক কাজে সচেষ্ট হবে, জান্নাতে তার আবাস তত প্রশস্ত হবে। জীবন যদিও সংক্ষিপ্ত, কিন্তু পুণ্যের প্রয়োজন অনেক বেশি। তাই আলস্য ও ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে। জান্নাতে কষ্টের পরের সুখ, দুশ্চিন্তার পরের আনন্দ, ব্যথার পরের প্রশান্তি কতই না মধুর হবে। যখন মুমিন জান্নাতের চিরস্থায়ী সুখ ও আনন্দের কল্পনা করে, তখন যেকোনো বিপদ ও কষ্ট সহ্য করা তার জন্য সহজ হয়ে যায়।

ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলতেন, "আমরা আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ধৈর্যের সঙ্গে কাটিয়েছি। তোমরা তাওবাকারীর সঙ্গ গ্রহণ করো, কেননা তাদের অন্তর সবচেয়ে কোমল। শীত পুণ্য লাভের সুবর্ণ সুযোগ।" তিনি আরো বলতেন, "যদি তিনটি বিষয় না হতো পৃথিবীতে বেঁচে থাকা আমি পছন্দ করতাম না : ১. যদি না আমি প্রতিদিন পাঁচবার আল্লাহর দরবারে মাথানত করতাম, ২. যদি না আমি আমার সেসব ভাইয়ের সঙ্গে বসতাম, যারা সর্বোত্তম ফল বেছে নেওয়ার মতো সর্বোত্তম কথাকে বেছে নেয় (দ্বিনি মজলিস উদ্দেশ্য), ৩. যদি না আমি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতাম।"

হাসান বসরি (রহ.) বলেন, "হে মানুষ! মৃত্যু ছাড়া আল্লাহ তোমাদের ইবাদতের কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করেননি। সুতরাং তোমাদের জন্য আবশ্যক হলো নেক আমলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।" আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "তোমার মৃত্যু আসার আগ পর্যন্ত তোমার প্রভুর ইবাদত কোরো।" (সুরা হুজুরাত, আয়াত : ৯৯)

তোমরা এমন জীবন অতিবাহিত করছ, যখন সময় ক্রমেই কমছে, আমলগুলোর হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে, মৃত্যু তোমাদের মাথার ওপর এবং জাহান্নাম তোমাদের সামনে। তিনি আরো বলতেন, মুমিন সকালেও চিন্তিত থাকে, সন্ধ্যায়ও চিন্তিত থাকে। সে কখনো চিন্তামুক্ত হতে পারে না। সব সময় তার মনে, দুটি ভয় জাগ্রত থাকে : ১. অতীতের গুনাহ, আল্লাহ কি তা ক্ষমা করবেন? ২. আগামীর দিনগুলো, সেখানে কোনো পাপ হয়ে যাবে না তো? দরবেশ শাকিক বলখি (রহ.) বলেন, তাওবার নিদর্শন হলো : অতীত পাপের জন্য কান্না করা, ভবিষ্যতে পাপে লিপ্ত হওয়ার ভয় করা, অসৎসঙ্গ ত্যাগ করা এবং সৎসঙ্গ গ্রহণ করা।

বিখ্যাত সাহাবি শাদ্দাদ বিন আউস (রা.) বিছানায় ঠিক সেভাবে ছটফট করতেন যেভাবে তাওয়ার ভেতর শস্যদানা ছটফট করে। তাঁর ঘুম আসত না। তিনি বলতেন, "হে আল্লাহ! জাহান্নামের ভয় আমার ঘুম কেড়ে নিয়েছে।" এরপর তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং ফজর পর্যন্ত নামাজ পড়তেন।

উহাইব ইবনুল ওয়ার্দ (রহ.) বলেন, একজন নারী একবার তাওয়াফ করছিলেন এবং তিনি হাত তুলে আল্লাহকে বলছিলেন, "হে আমার প্রভু! জীবনের স্বাদ-আহ্লাদ শেষ হয়েছে এবং পরিণতি অবশিষ্ট আছে। হে আমার প্রভু! আপনি পবিত্র, যাবতীয় সম্মান আপনার, আপনি পরম দয়ালু! হে আমার প্রভু! জাহান্নাম ছাড়া শাস্তি দানের আর কি কোনো উপায় নেই!" তখন তাঁর একজন সঙ্গী বলল, "হে আমার বোন! আপনি আজ আল্লাহর ঘরে প্রবেশ করেছেন, আল্লাহর প্রতি ভালো আশা করুন।" সে বলল, "আমি আমার পা দুটিকে তাওয়াফ করার উপযুক্ত মনে করি না, তাহলে আমি কিভাবে আশা করব—এই দুই পা দিয়ে আমি জান্নাতে আমার প্রভুর ঘরে প্রবেশ করব? আমি জানি, এই পা কোথায় কোথায় গিয়েছে।" অতঃপর সে আবার কান্না শুরু করল।

সুতরাং হে আমার ভাই! ভগ্ন হৃদয় নিয়ে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হও, অনুতপ্ত হয়ে কান্না করো, বিনয়ী ও বিনম্র হও, চোখের পানিকে পুঁজি হিসেবে গ্রহণ করো এবং তাকে চোখের সুরমা বানাও, আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করো। বিনীত হয়ে বলো, "হে আল্লাহ! জীবনে কত পাপ করেছি আপনি তা আড়াল করেছেন, কত গুনাহ করেছি আপনি সব দেখেছেন, দয়া ও অনুগ্রহ করে আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন।"

আল্লাহ সবাইকে পাপমুক্ত সুন্দর জীবন দান করুন। আমিন।

মাওয়ায়িজুল আখিরাহ থেকে মো. আবদুল মজিদ মোল্লার ভাষান্তর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাজ নির্মাণ শিল্পে অপার সম্ভাবনা হাতছাড়া হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


জাহাজ নির্মাণ শিল্পে অপার সম্ভাবনা হাতছাড়া হচ্ছে

বর্তমানে সারা বিশ্ব জুড়ে জাহাজ নির্মাণের একটি বিশাল প্রবাহ দেখা যাচ্ছে। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের মতো দেশগুলো এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ মুনাফা অর্জন করছে। নতুন বাণিজ্যিক পথের সৃষ্টি, জাহাজের আধুনিকীকরণ, পরিবেশের কঠোর নিয়ম এবং ধনী শিপিং কোম্পানিগুলোর ওপর নির্ভর করে তারা এই সুযোগগুলোকে কাজে লাগাচ্ছে। বাংলাদেশের দীর্ঘ উপকূল, সস্তা শ্রম এবং জাহাজ নির্মাণের সমৃদ্ধ ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও, এই বিশাল সুযোগটি বাংলাদেশ পুরোপুরি হাতছাড়া করছে।

বাংলাদেশের সক্ষমতা যে বিশ্বমানের জাহাজ তৈরি করার, তা প্রায় ২০ বছর আগে প্রমাণিত হয়েছে। বিদেশি মুদ্রা অর্জনের একটি দুর্দান্ত সুযোগ দেশের সামনে এসেছিল। দুঃখজনকভাবে, পুরো শিল্পটি দেনা এবং বাজে ব্যবস্থাপনার জালে আটকে পড়েছে। দুর্নীতি এবং দুর্বল নজরদারির কারণে ব্যবসার প্রকৃত ক্ষতি এবং আর্থিক অপরাধের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশ্ববাজারের মন্দার প্রভাব কি এই শিল্পের ক্ষতির কারণ ছিল, নাকি লোভ, অযৌক্তিক ঋণ প্রদান এবং ঋণখেলাপিরাই মূল কারণ? আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কিছু ভূমিকা ছিল, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে খারাপ ঋণ এবং পাওনা আদায়ের দুর্বল নিয়ম। এই বিষয়গুলো পুরো খাতকে ধ্বংস করেছে এবং বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বজুড়ে জাহাজ নির্মাণের জোয়ার

বিশ্ববাজারের দিকে নজর দিলে বোঝা যায় বাংলাদেশ কত বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছে। ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে জাহাজ তৈরির কারখানাগুলোতে ২০ কোটি ৩২ লাখ কমপেনসেটেড গ্রস টন (সিজিটি) ক্ষমতার জাহাজের অর্ডার জমা ছিল। এটি ২০২৬ সালের মে মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড ২১ কোটি ৪ লাখ সিজিটির খুব কাছাকাছি।

এই বৈশ্বিক অর্ডারের ৬৪ শতাংশ চীনের দখলে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার হাতে ১৯ শতাংশ এবং জাপানের দখলে ছয় শতাংশ। গত এক বছরে নতুন যে অর্ডার এসেছে, তার ৭৪ শতাংশই চীন দখল করেছে।

সমুদ্রবাণিজ্যের নতুন দ্বার

জাহাজ নির্মাণের এই প্রবাহের পেছনে কয়েকটি কারণ বিদ্যমান। প্রথমত, শিপিং কোম্পানিগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রচুর লাভ করেছে। তাদের হাতে নতুন জাহাজ কেনার জন্য প্রচুর নগদ অর্থ রয়েছে। দ্বিতীয়ত, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জাহাজগুলোকে এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে চলতে হচ্ছে, যা নতুন জাহাজের চাহিদা বাড়াচ্ছে।

তৃতীয়ত, পরিবেশ রক্ষার বৈশ্বিক নিয়ম পরিবর্তিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা এখন পরিবেশবান্ধব এবং কম জ্বালানি পোড়ানো জাহাজের জন্য চাপ দিচ্ছে। ফলে মালিকদের নতুন প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব জাহাজ কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। চতুর্থত, বিশ্বের বিদ্যমান জাহাজের বহর বেশ পুরনো হয়ে গেছে। পুরনো জাহাজের পরিবর্তে নতুন জাহাজ আনা এখন সময়ের দাবি।

এই প্রবাহের কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। শিপইয়ার্ডগুলো যেভাবে দ্রুত ব্যবসা বাড়াচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হঠাৎ থমকে গেলে জাহাজের অতিরিক্ত সরবরাহ দেখা দিতে পারে। তবুও, নির্ভরযোগ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের জন্য বাজারে বিশাল সুযোগ রয়ে গেছে। বাংলাদেশের উচিত ছিল সেই নির্ভরযোগ্য নির্মাতাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া।

বাংলাদেশের শুরুর দিকের সম্ভাবনা

বাংলায় কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরির ঐতিহ্য শত শত বছরের পুরোনো। তবে ইস্পাতের আধুনিক জাহাজ তৈরি করতে উন্নত নকশা, আন্তর্জাতিক মানের ওয়েল্ডিং, সুরক্ষাসংক্রান্ত সঠিক অনুমোদন এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ চলতি মূলধন প্রয়োজন।

২০০০ সালের শুরুর দিকে বাংলাদেশের শিপইয়ার্ডগুলো দেখিয়ে দিয়েছিল যে তারা এই মান বজায় রাখতে সক্ষম। আনন্দ শিপইয়ার্ড ২০০৮ সালে ডেনমার্কে একটি পণ্যবাহী জাহাজ রপ্তানি করেছিল। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড আন্তর্জাতিকভাবে বেশ সুনাম অর্জন করেছিল। তারা প্রায় ১৫০টির মতো জাহাজ তৈরি করে, এর মধ্যে ১২টি দেশে ৩৩টি জাহাজ রপ্তানি করে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আয় করে।

এই অর্জনগুলো আমাদের কারিগরি দক্ষতার পরিচয় দেয়। তবে এই রপ্তানি সুবিধা বেশিদিন টেকেনি। ২০২১, ২০২২ এবং ২০২৪ অর্থবছরে জাহাজ রপ্তানি করে বাংলাদেশ এক ডলারও আয় করতে পারেনি।

শিল্পের পতনের পেছনে ব্যাংকিং সংকট

সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে ব্যাংক খাতে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে, বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ ভাঙা খাতে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৮ হাজার ৩১ কোটি টাকাই খেলাপি। শতকরা হিসাবে এই খেলাপির হার ৩৯ দশমিক ২ শতাংশ।

ইস্পাত, যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক্স কেনার জন্য জাহাজ নির্মাণ খাতে শুরুতেই বিপুল মূলধনের প্রয়োজন হয়। বিদেশের ইয়ার্ডগুলো দীর্ঘমেয়াদি শিল্পঋণ, রপ্তানি গ্যারান্টি এবং ক্রেতাদের কিস্তিতে দেওয়া টাকার ওপর নির্ভর করে চলে। আর বাংলাদেশের শিপইয়ার্ডগুলো নির্ভর করেছিল বাণিজ্যিক ব্যাংকের স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর।

বাইরের ধাক্কাগুলো এসে লাগল খুব জোরেশোরে। ২০০৮ সালের বিশ্বমন্দার কারণে অনেক অর্ডার বাতিল হয়ে গেল। বকেয়া ঋণের সুদের বোঝা হু-হু করে বাড়তে থাকল। তবে শুধু দুর্ভাগ্য দিয়ে সন্দেহজনক ঋণগ্রহণ বা ঋণের টাকা অন্য খাতে সরিয়ে নেওয়ার অপরাধ ঢাকা যায় না।

ব্যবসায়ের স্বাভাবিক ক্ষতি এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপি হওয়ার মধ্যে আমাদের পার্থক্য করতে হবে। একই সঙ্গে প্রমাণিত অপরাধ এবং অপ্রমাণিত অভিযোগের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।

আনন্দ শিপইয়ার্ড: ১৩০০ কোটি টাকার ঋণ বিতর্ক

শিল্পপতিদের অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ব্যাংকের খারাপ নিয়মকানুনের বলি কীভাবে একটি খাত হতে পারে, আনন্দ শিপইয়ার্ড তার বড় উদাহরণ। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নেওয়া ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার ঋণসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে, ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে এসব ঋণ নেওয়া হয়েছিল। ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, এবি ব্যাংক এবং ওয়ান ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বিশাল অঙ্কের ঋণ দিয়েছিল।

জামানত কিংবা প্রকল্পের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই না করে ব্যাংক কর্মকর্তারা কীভাবে এই ঋণ দিলেন? নিয়ম ভাঙা ব্যাংক কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতেই হবে। তবে দুদকের তদন্ত মানেই আদালতের রায় নয়। আনন্দের কারিগরি সক্ষমতা কিন্তু এখনো হারায়নি। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তারা তুরস্কের এক ক্রেতার কাছে ৫ হাজার ৫০০ ডেডওয়েট টনের একটি জাহাজ হস্তান্তর করেছে। কারিগরি দক্ষতার কোনো অভাব ছিল না, অভাব ছিল আর্থিক শৃঙ্খলার।

ওয়েস্টার্ন মেরিন: দেনার দায়ে চাপা পড়া শিল্পসম্ভাবনা

ওয়েস্টার্ন মেরিনের গল্পটিও বেশ করুণ। ৯৩৮ দশমিক ৭২ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আদায়ে ২০২৩ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করে ন্যাশনাল ব্যাংক। ২০২৪ সালের শেষের দিকে কোম্পানিটির মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা। এর সঙ্গে যুক্ত হয় ১ হাজার ৪০২ কোটি টাকার অনাদায়ী সুদ। সব মিলিয়ে তাদের মোট দায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ১৩৪ কোটি টাকা।

আন্তর্জাতিক বাজারের ধাক্কা ওয়েস্টার্ন মেরিনের ওপর সরাসরি এসে পড়েছিল। ২০০৮ সালে এক জার্মান ক্রেতা তাদের ১২টি বরফ-প্রতিরোধী জাহাজের মধ্যে আটটির অর্ডার বাতিল করে দেয়। ডেনমার্কের ক্রেতারাও অন্যান্য অর্ডার বাতিল করে। অর্ধেক তৈরি হওয়া অবিক্রীত জাহাজগুলো ইয়ার্ডের আর্থিক অবস্থা ধ্বংস করে দেয়।

তা সত্ত্বেও কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ঋণ নিয়ে ফেলেছিল এবং আর্থিক ঝুঁকি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছিল। ঋণের বোঝা পাহাড়সম হলেও পরিচালকরা টাকা চুরি করেছেন, এমনটি এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। ওয়েস্টার্ন মেরিন এখনো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। সঠিক সংস্কার করা গেলে এই প্রতিষ্ঠানটিকে হয়তো বাঁচানো সম্ভব।

এফএমসি ডকইয়ার্ড: অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের গুরুতর অভিযোগ

এফএমসি ডকইয়ার্ডের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলোয় এফএমসি ডকইয়ার্ডের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা। বড় ঋণখেলাপিদের তালিকায় তাদের নাম উঠে আসে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কীভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে এত টাকার ঋণের পাহাড় গড়ার সুযোগ দিল?

টাকা পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষকে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে, টাকা উদ্ধার করতে হবে এবং দুর্নীতিবাজ ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

লোভ, দুর্বল প্রতিষ্ঠান এবং ঋণ না দেওয়ার সংস্কৃতি

বাংলাদেশে ঋণ শোধ না দেওয়ার একটি খারাপ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। ধনী ঋণগ্রহীতারা খেলাপি হয়েও পার পেয়ে যান। ফলে ঋণ শোধ করার কোনো আগ্রহ তাদের থাকে না। তারা রাজনৈতিক প্রভাব, আদালতের আইনি বিলম্ব এবং ঋণ পুনর্গঠন সুবিধার ওপর নির্ভর করে চলেন।

এতে চরম নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হয়। সাধারণ আমানতকারী এবং করদাতাদের টাকায় ঝুঁকি নেন বেপরোয়া ব্যবসায়ীরা। অনাদায়ী ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোর হাত খালি হয়ে যায়। অন্যান্য শিল্পগুলো ঋণের অভাবে ভোগে, দক্ষ শ্রমিকরা চাকরি হারায়, এবং পুরো একটি খাতের অর্জিত অভিজ্ঞতা বাতাসে মিলিয়ে যায়।

বিদেশে টাকা পাচার হয়েছে কি না, তা প্রমাণের জন্য প্রয়োজন আর্থিক অনুসন্ধান এবং আদালতের রায়। একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ভুয়া জামানত, সন্দেহজনক লেনদেন এবং দুর্নীতিবাজ ঋণদাতাদের মুখোশ খুলে দেওয়া সম্ভব।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে পড়ল

বাংলাদেশে জাহাজশিল্পের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে ওঠেনি। চীনের মতো আমাদের এখানে ইস্পাত, ইঞ্জিন বা জাহাজের যন্ত্রাংশ তৈরির নিজস্ব কারখানা নেই। আমাদের শিপইয়ার্ডগুলোকে প্রায় সবকিছুই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। আমাদের নদীগুলোর নাব্যতা কম এবং ইয়ার্ডগুলো আকারে ছোট। এখানে বিশাল আকারের কনটেইনার জাহাজ বা এলএনজিবাহী জাহাজ বানানো সম্ভব নয়। আমাদের উচিত টাগবোট, ফেরি, ছোট পণ্যবাহী জাহাজ এবং উপকূলীয় নৌযানের মতো ছোট আকারের জাহাজে জোর দেওয়া।

এই শিল্প কি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পুনর্গঠনের একটি বিশেষ সুযোগ দেয়। সমস্যায় থাকা ইয়ার্ডগুলো দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর পর্যন্ত ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা পাবে। তবে জালিয়াতি বা ইচ্ছাকৃতভাবে যারা খেলাপি হয়েছে, তারা এই সুবিধা পাবে না।

এই নিয়মের কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন। সরকারের উচিত প্রতিটি ইয়ার্ডের অবস্থা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা। বাজারের ধাক্কায় বিপদে পড়া সৎ ইয়ার্ডগুলোর ঋণ পুনর্গঠনের ব্যবস্থা করা উচিত। আর যারা টাকা চুরি করে খেলাপি হয়েছে, আইনের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে হবে।

বাংলাদেশের প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি শিল্প অর্থায়ন, রপ্তানি গ্যারান্টি এবং সঠিক নজরদারি। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার মানও বাড়াতে হবে। আর সবচেয়ে বড় কথা, ঋণ আদায়ের আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

যে সুযোগ আর হারানো চলবে না

বিশ্বজুড়ে জাহাজ নির্মাণের চলমান প্রবাহ আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে, নিজেদের ভুলের খেসারত আমরা কতখানি দিচ্ছি। অন্য দেশগুলো যখন বিশাল সব অর্ডার পাচ্ছে, বাংলাদেশ তখন ঋণের মামলা এবং খেলাপি টাকার জালে আটকে আছে।

ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং আর্থিক অপরাধকে আমাদের আলাদা চোখে দেখতে হবে। তবে জাহাজ নির্মাণের মতো শিল্প থেকে দেশের মুখ ফিরিয়ে নেওয়া সঠিক হবে না। তবে কৌশলগত গুরুত্বের অজুহাত দেখিয়ে বারবার ঋণ মাফ করার কোনো মানে হয় না।

বাংলাদেশের এখন প্রয়োজন খাঁটি উদ্যোক্তা, যারা সত্যিই জাহাজ বানাবে, কোনো ধারাবাহিক ঋণখেলাপি নয়। ভালো জাহাজ বানানোর মতো দক্ষ শ্রমিক, প্রকৌশলী এবং ইয়ার্ড আমাদের এখনো আছে। আমাদের শুধু অভাব সততার সঙ্গে অর্থায়ন, ভালো ব্যবস্থাপনা এবং কঠোর আইনি জবাবদিহিতার।

অতীতের অনিয়ম নিয়ে অযথা তর্ক না করে আমাদের আবার জাহাজ বানানো শুরু করতে হবে। বাংলাদেশ যদি সত্যিই এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে চায়, তবে যে আর্থিক ভুলগুলো একে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল, সেগুলোর সমাধান করতে হবে।

লেখক: যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাউথ এশিয়া জার্নালের প্রকাশক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বাস-লরির সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


চট্টগ্রামে বাস-লরির সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি বাস ও লরির মধ্যে সংঘর্ষের ফলে নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কুমিরা রয়েল গেইট এলাকায়।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। উদ্ধার অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের বাড়ি নেত্রকোনায় বলে জানা গেছে।

গুরুতর আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করার কাজ করছে পুলিশ। তবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হাইওয়ে পুলিশ।

এদিকে, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লরিকে হেফাজতে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%