ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নীতি-কৌশলে ভারত-ভিয়েতনাম থেকে পিছিয়ে বাংলাদেশ, বাজেটে প্রণোদনা বাড়ানোর প্রস্তাব


নীতি-কৌশলে ভারত-ভিয়েতনাম থেকে পিছিয়ে বাংলাদেশ, বাজেটে প্রণোদনা বাড়ানোর প্রস্তাব

দেশের তৈরি পোশাক খাত রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছে। উদ্যোক্তারা এই পরিস্থিতির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং এর ফলে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দাকে দায়ী করছেন। এ অবস্থায়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সচল রাখতে, আগামী বাজেটে প্রণোদনা বাড়ানোর পাশাপাশি শুল্ক পরিশোধে ছাড় দেয়ার প্রস্তাব রাজধানী ঢাকায় বিজিএমইএ তুলে ধরেছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে ৩৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি রফতানি আয় হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সাড়ে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু মে মাস পর্যন্ত ১১ মাসে এই খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।

বৈশ্বিক সংকটের ফলে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে অর্থনৈতিক মন্দা ধারণা হয়েছে। এর ফলে ভোক্তাদের ব্যয় কমেছে, যা সরাসরি বাংলাদেশের পোশাক রফতানির ওপর প্রভাব ফেলেছে।

আরও পড়ুন: এনসিপির আহ্বায়ক হলেন নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের প্রেসিডেন্ট এস এম আবু তৈয়ব বলেন, যুদ্ধ-বিগ্রহ, নানা প্রতিবন্ধকতা, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের বিক্রি কমে যাওয়ার পরিণতি হিসেবে বাংলাদেশের পোশাকের অর্ডারও হ্রাস পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতির কারণে রফতানি প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো পোশাকের দামের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। বাজারে মন্দাভাব চলতি বছরের জুন থেকে আগস্টের মধ্যে ক্রয়াদেশ কিছুটা কমতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। তবে, বিজিএমইএ নেতারা আশা করছেন গত তিন মাসের পর ক্রয়াদেশ আবার বৃদ্ধি পাবে।

বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী জানান, বর্তমানে কাজ কিছুটা কম থাকলেও আশা করা হচ্ছে সামনে নতুন অর্ডার আসবে এবং সেই সাথে রফতানিও কিছুটা বাড়বে।

এদিকে, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, চীন ও ভারত বিভিন্ন কৌশলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ধরে রাখতে চেষ্টা করছে। ফলে, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশকেও নতুন কৌশল গ্রহণের তাগিদ দিচ্ছেন পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারা। এ কারণে আগামী বাজেটে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় নাগরিক পার্টির ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

বিজিএমইএর পরিচালক এনামুল আজিজ চৌধুরী জানান, রফতানি আয়ের ওপর উৎসে কেটে নেয়া কর কমিয়ে ০.৬৫ শতাংশ নির্ধারণ করে এটিকে চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনা করে অন্যান্য কর থেকে অব্যাহতি দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় প্রায় ২ হাজার ১০০টি এবং চট্টগ্রামে ৪৬৪টি তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে আবাসন খাতের নিবন্ধন ব্যয় কমানো ও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার দাবি রিহ্যাবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


বাজেটে আবাসন খাতের নিবন্ধন ব্যয় কমানো ও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার দাবি রিহ্যাবের

আসন্ন বাজেটে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা এমন নীতি-কৌশল চাচ্ছেন, যাতে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর মাধ্যমে ফ্ল্যাটের দাম লুকানোর জন্য কোনো প্রকার কৌশলে আশ্রয় নিতে না হয়। তারা একইসঙ্গে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার দাবিও তুলেছেন। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, অবৈধ অর্থকে বৈধ করার সুযোগ না দেয়াই উচিত। বরং ফ্ল্যাট নিবন্ধন প্রক্রিয়া এমনভাবে সাজানো প্রয়োজন, যাতে কর ফাঁকির প্রবণতা প্রতিরোধ করা যায়।

আন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের মতো মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খাচ্ছেন বেসরকারি চাকরিজীবী রায়হান শরিফ। তার পরেও, তিনি পরিবারের জন্য একটি ফ্ল্যাট কেনার কল্পনা করছেন, যা গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। সঞ্চয় করেও, মূল্য বৃদ্ধির কারণে সেই স্বপ্ন অধরা থেকে যাচ্ছে।

রায়হান শরিফ বলেন, "সবকিছুর দাম লাফিয়ে বাড়ছে। যা মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য খুবই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের যে স্বপ্ন; নিজের একটা ফ্ল্যাট থাকা বা নিজের একটা বাসস্থান থাকা সেটি এখন খুবই দুরূহ হয়ে যাচ্ছে।"

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের তথ্যমতে, রড-সিমেন্টসহ কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি ঘটেছে, যার কারণে কয়েক বছরে ভবন নির্মাণ ব্যয় ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এই বাস্তবতার ফলস্বরূপ ফ্ল্যাট এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং খাতটি বিক্রির মন্দার মুখোমুখি হয়েছে।

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক জানান, "নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি, ইম্পোর্টেড আইটেমের দাম বৃদ্ধি, ডলারের মূল্য বৃদ্ধি; সবকিছু মিলিয়ে ঢাকায় সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে ফ্ল্যাট সরবরাহ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।"

গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের সিইও শাহাদাৎ হোসেন বাহার বলেন, "বিশ্ব যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব জায়গায় দাম বেড়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের হোটেল নির্মাণের ক্ষেত্রেও এসব পণ্যের ওপর ছাড় দেয়ার দাবি উঠেছে।"

এদিকে, বিক্রির ক্ষেত্রে নিবন্ধন ব্যয় কমাতে ফ্ল্যাটের আসল দাম কম দেখানোর অভ্যাস চলছে, যা সরকারের রাজস্ব আয়কে হুমকিতে ফেলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে নিবন্ধন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়েছে রিহ্যাব।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, "ফ্ল্যাটের প্রকৃত ব্যয় অনুযায়ী কেনা মূল্যের ওপর কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রয়োজনে মৌজা ভিত্তিক রেজিস্ট্রেশন খরচ সমন্বয় করে একটি 'উইন-উইন' পরিস্থিতি তৈরির পরামর্শ দেয়া হয়েছে।"

তবে মন্দার মধ্যে আবাসন খাতকে চাঙা করতে পুনরায় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার দাবি তুলেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, এতে করে অর্থপাচার কমে যাবে এবং দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. মো. আলী আফজাল বলেন, "যদি এ ধরনের ব্যবস্থা না রাখা হয়, তাহলে টাকা বিদেশে চলে যাবে এবং নতুন করে বেগমপাড়া তৈরি হবে। তাই একটি আইন ও নিয়মের মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।"

রাজস্ব ফাঁকি রোধে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সাথে একমত রয়েছে অর্থনীতিবিদরা, তবে তারা কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না দেয়ার পক্ষে। সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, "এ ধরনের সুযোগ না দিয়ে বরং ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে এনআইডি ও টিআইএন-এর সাথে যুক্ত করা উচিত।"

মধ্যবিত্তের স্বস্তি ফেরাতে পুরোনো ফ্ল্যাট বিক্রিতে নিবন্ধন ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন বছর ধরে ঘরে অবরুদ্ধ বাবা, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দেননি ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


তিন বছর ধরে ঘরে অবরুদ্ধ বাবা, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দেননি ছেলে

নিজ ছেলের বিরুদ্ধে বৃদ্ধ বাবাকে তিন বছর ধরে ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়াও, অভিযোগ উঠেছে, ওই বৃদ্ধের স্ত্রী মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনে অংশগ্রহণ করতে তিনি স্বামীকে অনুমতি দেননি। পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ করেছেন। পরে থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপের পর দাফনের প্রায় চার ঘণ্টা পরে বাবা ও অভিযুক্ত ছেলে কবর জিয়ারত করেন।

হার্টব্রেকিং এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের নাককাটি গ্রামে।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ওই গ্রামের আব্দুল জলিল (৭৫) ও মাহমুদা বেগম (৬৫) দম্পতির তিন মেয়ে ও দুই ছেলে আছেন। তাদের মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফ (৪৬) কৃষিকাজ করেন, আর ছোট ছেলে মোস্তফা (৩৫) বরগুনা জেলায় শিক্ষকতা করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ছোট ছেলে কর্মস্থলে থাকার সুযোগ নিয়ে বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফ প্রায় ১৪ একর জমি বাবার নাম থেকে নিজের নামে কবলা নিয়ে নিয়েছেন। একই সঙ্গে বৃদ্ধ বাবা আব্দুল জলিলকে দীর্ঘদিন ধরে ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের।

এদিকে বৃদ্ধের স্ত্রী মাহমুদা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিকিৎসা নেওয়ার দায়িত্ব মেয়েরা নেন। বড় মেয়ে পারভিনা বেগম গত রমজানের পর তাকে রংপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে দ্বিতীয় মেয়ে রনজিনা বেগম মাকে নিজ বাড়িতে, একই ইউনিয়নের জয়দেব হায়াত গ্রামে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে গত ৩১ মে তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা বাড়িতে নেয়ার পরামর্শ দিলে, তাকে মেয়ের বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি গত ৩ জুন রাতে মারা যান।

পরদিন, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফনের উদ্যোগ নেয়া হলে, অভিযোগ আছে বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফ বাধা দেন। একইসঙ্গে তিনি বৃদ্ধ বাবা আব্দুল জলিলকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে স্ত্রীর জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে দেননি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পরিস্থিতির মধ্যে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়। খবর পেয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এই সময় উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. কফিল উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, স্থানীয় কলেজের অধ্যক্ষ, ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাজু মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ওসি মামুনুর রশীদের নির্দেশে উপস্থিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে দীর্ঘদিন ধরে ঘরে অবরুদ্ধ থাকা আব্দুল জলিলকে বের করা হয়। দাফনের প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি ও তার অভিযুক্ত ছেলে মাহমুদা বেগমের কবর জিয়ারা করেন।

সার্বিক বিষয়ে রাজারহাট থানার ওসি মামুনুর রশীদ বলেছেন, 'জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল এবং বৃদ্ধ বাবাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে ওই বৃদ্ধের স্ত্রী মারা গেলে, দাফনে অংশ নিতে দেয়া হয়নি বড় ছেলের দ্বারা। বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ হাজার ৫৫০টি সিঁড়ি অতিক্রম করে কোন কারণে মন্দিরে পৌঁছালেন জাহ্নবী কাপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


৩ হাজার ৫৫০টি সিঁড়ি অতিক্রম করে কোন কারণে মন্দিরে পৌঁছালেন জাহ্নবী কাপুর

ভারতের অন্ধপ্রদেশের বিখ্যাত তিরুমালা ভেক্টেশ্বর মন্দিরে আবারও দেখা মিলল বলিউডের তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের। আসন্ন সিনেমা 'পেড্ডি'র সাফল্য কামনায় খালি পায়ে প্রায় ৩ হাজার ৫৫০টি সিঁড়ি অতিক্রম করে মন্দিরে পৌঁছান অভিনেত্রী। সেই যাত্রার ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

মন্দিরের দিকে যাত্রাকালে জাহ্নবীকে দেখা যায় ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ ভারতীয় পোশাকে। লেহেঙ্গা-চোলিতে সজ্জিত জাহ্নবী কোনো তারকাসুলভ আড়ম্বর ছাড়াই সাধারণ ভক্তদের মতো ভক্তিভরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠেছেন। তার এই সরলতা ও আন্তরিকতাই প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে।

দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পর মন্দিরে পৌঁছানোর পরে ভোরের আলোয় ধরা দিয়েছেন এক অনিন্দ্যসুন্দর রূপে। তিনি বেগুনি রঙের রেশমি শাড়িতে সেজেছিলেন। সাথে ছিল গলার হার, কানের দুল, চুড়ি ও কোমরবন্ধনীর মতো ঐতিহ্যবাহী অলংকার।

তবে পুরো সাজেই দেখা গেছে পরিমিতি ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধন। তার স্বাভাবিক কেশসজ্জার সঙ্গে এই মার্জিত রূপের ভিডিও দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। এক সাক্ষাৎকারে জাহ্নবী জানিয়েছিলেন, এই মন্দিরের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধু ধর্মীয় নয়, গভীরভাবে আত্মিকও। ছোটবেলায় মা শ্রীদেবীর হাত ধরে বহুবার এখানে এসেছেন তিনি। মায়ের স্মৃতি, মানসিক প্রশান্তি এবং আত্মিক শক্তির খোঁজে এখনও প্রায় প্রতি বছরই তিরুপতি বালাজির দর্শনে আসেন এই অভিনেত্রী।

ধর্মীয় বিশ্বাস, পারিবারিক আবেগ এবং পেশাগত সাফল্যের প্রার্থনা- সব মিলিয়ে জাহ্নবীর এই তিরুপতি সফর ভক্তদের কাছে আরও একবার তার ব্যক্তিত্বের মানবিক ও আধ্যাত্মিক দিকটিকে তুলে ধরেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরের শিবচরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল মাদারীপুর

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


মাদারীপুরের শিবচরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুরের শিবচরে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে শুক্রবার বেলা ১২ টার দিক পৌরসভার আম্বিয়া হাকিমীয়া দারুল উলূম এতিমখানা মাদরাসা মাঠে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া ও প্রধান বক্তা হিসেবে জেলা বিএনপির আহব্বায়ক এডভোকেট জাফর আলী মিয়া উপস্থিত ছিলেন। শিবচর উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক শাহাদাত হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সোহেল রানার সঞ্চালনায় এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ন আহব্বায়ক মিজানুর রহমান মুরাদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থী নাদিরা আক্তার, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপির সদস্য মোতাহার হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপির আহব্বায়ক আবুল কালাম মল্লিক, সিনিয়র যুগ্ন আহব্বায়ক হেমায়েত হোসেন খান, সদস্য সচিব আজমল হোসেন খান সেলিম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাদারীপুর-২ আসনের সদস্য সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, জিয়াউর রহমান এদেশের গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন। যখন এদেশে একনায়কতন্ত্র গঠন করে বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। তখন সেই গোষ্ঠির হাতে বহু লোক নিহত হয়েছিল। অথচ তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বলে খুনি। একথার কোন বাস্তবতা ও ইতিহাস নেই। আমরা মনে করি জিয়াউর রহমান না হলে এই বাংলাদেশই হতো না। যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে বিগত কয়েক বছরে মানুষকে ধোকা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করেছেন। আজকে আপনি জুলাই-আগষ্টে পাঁচ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের রেখে পালালেন। যদি পালাবেনই তবে এতগুলো মানুষ হত্যার কি দরকার ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের যদি ধূলিৎসাতই করবেন তবে ১৯৭২ থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি বলে এদেশের মানুষের ভোট কেড়ে নিয়েছেন। আমরা মনে করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন। সেদিন জিয়াউর রহমান যদি স্বাধীনতার ঘোষনা না দিতেন তবে আজো বাংলাদেশ স্বাধীন হতো কিনা সন্দেহ রয়েছে। জিয়াউর রহমান এর জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো কিনা সেটাও সন্দেহ ছিল।
এসময় তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর কোন সরকারই সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারেনা। একমাত্র আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তা করে দেখিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে ফ্যামেলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেছেন। শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস প্রদান করছেন। পানির স্তর সঠিকভাবে রেখে সেচসহ সকল ক্ষেত্রে পানির চাহিদা পূরনে খাল খনন কর্মসূচী গ্রহন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%