ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের (ক্যাডেট কলেজসমূহ ব্যতীত) উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৮ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে ১৭ হাজার ৪১০ জন কৃতকার্য হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ৩ হাজার ৬১৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সেনাবাহিনী পরিচালিত ৩৯টি বাংলা মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৭ হাজার ২১৩ জন এবং ১২টি ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৮২৭ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সামগ্রিক মূল্যায়নে, প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পাসের হার ৯৬ দশমিক ৫১ শতাংশে পৌঁছেছে এবং কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়ার হার ২০ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেডি ভ্যান্সের সংলাপ প্রস্তাবকে ইতিবাচক পদক্ষেপ বললেন আব্বাস আরাঘচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


জেডি ভ্যান্সের সংলাপ প্রস্তাবকে ইতিবাচক পদক্ষেপ বললেন আব্বাস আরাঘচি

তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ শুরু করার উদ্যোগকে ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ হিসেবে মূল্যায়ন করছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

আজ শনিবার আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাঘচি জানান, তেহরান উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের পাঠানো চিঠিটি পর্যালোচনা করেছে। তিনি বলেন, “সংলাপ ও বৃহত্তর পরিসরে পারস্পরিক বোঝাপড়ার দরজা খোলার জন্য মার্কিন পক্ষের এই প্রচেষ্টা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।”

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই চিঠি পাঠানোর উদ্দেশ্য যদি বিভেদ ও মতবিরোধ উসকে দেওয়া হয়, তাহলে সেটা হবে যুক্তরাষ্ট্রের আগের ভুলগুলোর সঙ্গে যুক্ত হওয়া আরও একটা ভুল।”

মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালাতে কাতারে ইরানি প্রতিনিধিদল গঠন করা হয়েছে। আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল কাতারে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, তার একজন সহকারী বর্তমানে কাতারে অবস্থান করছেন এবং সেখানে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ইরানের শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা চলছে।

সাক্ষাৎকারে আরাঘচি আরও জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মধ্যস্থতাকারীরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। আলোচনার দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে তেহরান প্রস্তাগগুলো পর্যালোচনা করছে। আরাঘচির ভাষায়, “পারমাণবিক ইস্যুতে মধ্যস্থতাকারীরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবে আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করছি।”

তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আপাতত কোনো সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন আরাঘচি। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরকে তিনি নিছক জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, “এ বিষয়ে যা প্রচার করা হচ্ছে, তা নিছক সংবাদমাধ্যমের জল্পনা।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের কোনো প্রয়োজন আমরা দেখছি না। আমাদের শর্তগুলো স্পষ্ট এবং মধ্যস্থতাকারীরা সেগুলো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।”

ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খুঁজছে। সেই লক্ষ্যে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়িকে চিঠি পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। চিঠিতে দুই দেশের মতপার্থক্য কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভ্যান্স সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান রেজাইয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এতে সম্ভাব্য আলোচনার কাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আলোচনার প্রস্তাবের পাশাপাশি নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে ‘স্বল্পমেয়াদি ও তীব্র সামরিক অভিযান’ চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশকে এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে বলেছে ওয়াশিংটন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছেন : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছেন : প্রধানমন্ত্রী

যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি এবং অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রবিবার ১ নভেম্বর দিবসটি উদ্‌যাপিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, তরুণদের মেধা, দক্ষতা এবং সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এর অংশ হিসেবে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং উন্নয়নের প্রতিটি পর্যায়ে যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তরুণ প্রজন্ম যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি এবং অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।

যুবসমাজকে সংগঠিত ও দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তরুণদের সম্ভাবনা উপলব্ধি করে ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয়টি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিচিতি পায়। তৃণমূল পর্যায়ে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রমের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ৮০ লাখের বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এসব তরুণের অনেকে মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। কেউ কেউ এর চেয়েও বেশি উপার্জন করছেন।

তিনি জানান, যুব উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

জাতীয় যুব পুরস্কারকে যুবসমাজের অবদান স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি গঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী নারী-পুরুষ ও যুব সংগঠককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ বছর যাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন, তাদের অভিনন্দন জানান তিনি।

বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে তরুণদের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তার মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে ওঠা যুবসমাজের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

তারেক রহমান বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং ও এআইবিষয়ক এসব প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণেরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

পরিবেশ সংরক্ষণেও যুবসমাজের অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় তরুণেরা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন।

ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় নিয়ে স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষাসহ নতুন নতুন খাতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন তিনি। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক, দক্ষ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়, সে জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ খাতে বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি যুবসমাজকে নিজেদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে জাতীয় উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা আরও বিস্তৃত ও কার্যকর হবে বলে তিনি আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত, নতুন নেতৃত্বে বেলাল-শিপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


মাধবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত, নতুন নেতৃত্বে বেলাল-শিপন

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা উপজেলা শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) মাধবপুরের গুদামপাড়া মসজিদ সংলগ্ন রমিজিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা মাধবপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন খানসহ স্থানীয় পর্যায়ের ছাত্রসেনার নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ আফসার আহমদ এবং সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আবুল কাশেম।

কাউন্সিলে নবনির্বাচিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বেলাল, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাফিজ আহমদ শিপন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নুরুল আমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

কাউন্সিলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে এইচএসসির ফল বিপর্যয়: পাসের হার ৪৩.৯৩%, জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৫৩ জন, ২৬ কলেজে নেই জিপিএ-৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩০ পি.এম


কক্সবাজারে এইচএসসির ফল বিপর্যয়: পাসের হার ৪৩.৯৩%, জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৫৩ জন, ২৬ কলেজে নেই জিপিএ-৫

কক্সবাজার জেলায় এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ভয়াবহ ফল বিপর্যয় ঘটেছে। জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, এবারে মাত্র ৫৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২০৬ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ফলাফলে দেখা যায়, জেলায় ২৬টি কলেজের মধ্যে ১৯টিতে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, একমাত্র রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় অমনোযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়ালেখা করেনি।"

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও নানা সমস্যা ছিল। ইংরেজিসহ কয়েকটি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে সামগ্রিক ফলাফল খারাপ হয়েছে। তিনি জানান, আগামী বছর যাতে ফলাফল ভালো হয়, সে জন্য শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের ভালো ফল অর্জনে শিক্ষা প্রশাসন সচেষ্ট থাকবে।

জেলায় পরীক্ষার্থী ও ফলাফলের চিত্র অনুযায়ী, এবার কক্সবাজার জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ হাজার ৮৪৩ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ হাজার ৪৫৮ জন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫ হাজার ১৬২ জন ছেলে এবং ৭ হাজার ৫৩৬ জন মেয়ে। মোট উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৩৪ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩৭ শতাংশ, আর মেয়েদের ৪৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সব মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৫৩ জন।

গত বছর জেলায় পাসের হার ছিল ৪৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২০৬ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে ১৫৩ জন।

ভালো ফল করা কলেজ

শতভাগ পাস করা রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে।

এ ছাড়া পাসের হারে জেলার শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার সরকারি কলেজ। এ কলেজের ১ হাজার ২২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৯৪৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ জন। পাসের হার ৭৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ২২ জন। পাসের হার ৭৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। কক্সবাজার ডিসি কলেজে ১৮৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ১২১ জন। পাসের হার ৬৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে ৯৬৫ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৮১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৬০ দশমিক ২১ শতাংশ।

চকরিয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজে ৫৯৯ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩০৬ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ। রামু সরকারি কলেজে ১ হাজার ৬২ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩৯ জন। পাসের হার ৫০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

উত্তরণ মডেল কলেজে ৬৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩০ জন। পাসের হার ৪৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। চকরিয়া সরকারি কলেজে ১ হাজার ৯৭ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫০০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

উখিয়া সরকারি মহিলা কলেজে ৬১০ জনের মধ্যে পাস করেছে ২৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাসের হার ৪৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। মহেশখালী ডিগ্রি কলেজে ৩৭২ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৬০ জন। পাসের হার ৪৩ দশমিক ১ শতাংশ।

বেশির ভাগ কলেজে হতাশাজনক ফল

জেলার অন্যান্য কলেজের ফলাফল আরও হতাশাজনক। মহেশখালী সরকারি মহিলা কলেজে ৪৬৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৮১ জন। পাসের হার ৪০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজে ৪৬৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৮২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাসের হার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। ডুলাহাজারা কলেজে ৪২৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৬৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাসের হার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ।

কুতুবদিয়া সরকারি কলেজে ৫৩৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৯২ জন। পাসের হার ৩৫ দশমিক ৮২ শতাংশ। ঈদগাঁও রশিদ আহমদ কলেজে ৩৪৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ১০৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৩০ দশমিক ৩২ শতাংশ। উখিয়া ডিগ্রি কলেজে ৫০২ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৪৪ জন। পাসের হার ২৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

কক্সবাজার সিটি কলেজে ৯৩৭ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ২৪৭ জন। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। পাসের হার ২৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ। টেকনাফ সরকারি কলেজে ৭৪১ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৯২ জন। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। পাসের হার ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।

বদরখালী কলেজে ১৭৩ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৪৩ জন। পাসের হার ২৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ। কক্সবাজার কমার্স কলেজে ১৫৭ জনের মধ্যে পাস করেছে ৩৫ জন। পাসের হার ২২ দশমিক ২৯ শতাংশ। মহেশখালীর হোয়ানক কলেজে ৮৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৯ জন। পাসের হার ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

কুতুবদিয়া মহিলা কলেজে ১১৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ২১ জন। পাসের হার ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। কক্সবাজার হাভার্ড কলেজে ৮১ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১০ জন। পাসের হার ১২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। কুতুবদিয়া ধুরুং স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭৯ জনের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৭ জন। পাসের হার ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

জেলার সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে চকরিয়া সিটি কলেজ। এ কলেজের ১৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৯ জন। পাসের হার ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।

গত এক দশকের ফলাফল

জেলার গত এক দশকের এইচএসসি ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ২০২২ সালে ৭৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৮৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা ছাড়াই সব পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালে পাসের হার ছিল ৫৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬১ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৫৫ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

সার্বিক ফলাফল বলছে, কক্সবাজারের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষায় এবার বড় ধরনের ধস নেমেছে। বিশেষ করে অধিকাংশ কলেজে জিপিএ-৫ না পাওয়া এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসা শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিতি, নিয়মিত মূল্যায়ন ও শিক্ষা প্রশাসনের তদারকি বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%