রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২০ পি.এম
বাঁশ-কাঠ-টিনের বেড়া দিয়ে ৩ পরিবারকে ‘অবরুদ্ধ’ রাখার অভিযোগ; ঘরের চাল ও টয়লেট ভাঙচুরের দাবিও
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা বাঁশ, কাঠ ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া এবং বসতঘরের চালের টিন ও টয়লেট ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চণ্ডিবের এলাকার হাজী আব্দুর রহিম, মাহমুদুল হাসান রনি ও শফিফুল ইসলাম গংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মিন্নত আলী।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মিন্নত আলী ও তাঁর পরিবারের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিন্নত আলী বলেন, ভৈরব পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। ওই সম্পত্তি এখনো ভাই-বোনদের মধ্যে বণ্টননামার মাধ্যমে ভাগ হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পরিবারের সদস্যদের ভুল বুঝিয়ে তাঁদের কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে মাহমুদুল হাসান রনি ওই সম্পত্তির জমি কিনে নেন।
মিন্নত আলীর দাবি, জমি কেনার পর থেকেই তাঁর ও তাঁর বড় ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে হাজী আব্দুর রহিম, মাহমুদুল হাসান রনি ও শফিফুল ইসলাম গংয়ের বিরোধ শুরু হয়। একপর্যায়ে তাঁদের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা বাঁশ, কাঠ ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে তিনি, তাঁর বড় ভাইসহ তিনটি পরিবারের সদস্যরা স্বাভাবিকভাবে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় পরিবারের সদস্যদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হলে কিংবা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
মিন্নত আলী আরও অভিযোগ করেন, রাস্তা বন্ধের ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পরিদর্শন করে। তবে পুলিশ চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে দাবি করেন তিনি।
তাঁর অভিযোগ, এরপর প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর বসতঘরে ভাঙচুর চালায়। ঘরের চালের টিন খুলে ফেলা এবং টয়লেট ভেঙে দেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ও তাঁর বড় ভাইয়ের প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে না দিয়েই এসব করা হয়েছে বলেও দাবি করেন মিন্নত আলী।
তিনি আরও দাবি করেন, আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বসতঘর ও স্থাপনায় ভাঙচুর করা হয়েছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে ওই আদালতের রায়ের বিস্তারিত বিষয় বা নথিপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ভাঙচুরের পর তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মিন্নত আলী। তাঁর দাবি, থানায় অভিযোগ করার পর প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। বর্তমানে তিনি, তাঁর বড় ভাইসহ তিনটি পরিবার আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
মিন্নত আলী বলেন, “আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এরপরও যদি বাড়ির রাস্তা বন্ধ থাকে এবং বসতঘর ভাঙচুর করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব? বর্তমানে আমি, আমার বড় ভাই ও আমাদের পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।”
সংবাদ সম্মেলনে মিন্নত আলী পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের আইনগত ও সুষ্ঠু সমাধান, বন্ধ করে দেওয়া চলাচলের রাস্তা দ্রুত উন্মুক্ত করা, বসতঘর ও স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি পৈতৃক সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা ও অংশীদারত্ব আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করে তাঁদের প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ারও দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লোকসংগীত, জারি-সারি আর বৈঠার ছন্দে মুখর হয়ে উঠেছিল মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পাখুল্লা এলাকার বাঘিয়ার বিল। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচকে ঘিরে সেখানে বসেছিল প্রাণের উৎসব। বাচাড়ী নৌকার তীব্র প্রতিযোগিতা আর হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো বিলপাড়।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পাখুল্লা-সিরাজকাঠি যুবসমাজের উদ্যোগে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতার শুরুতে ভাসমান নৌকায় হারমোনিয়াম ও ঢোলের তালে লোকসংগীত ও জারি গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজৈরের আমগ্রাম ইউনিয়নের পাখুল্লা এলাকার বাঘিয়ার বিলে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ১০টির বেশি দল। নৌকা ছুটে চলার সঙ্গে সঙ্গে বৈঠার ছন্দে জমে ওঠে প্রতিযোগিতা। বিলের দুই পাড়ে এবং ছোট ছোট নৌকায় অবস্থান নেওয়া নারী, পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী দর্শক করতালি ও উচ্ছ্বাসে প্রতিযোগীদের উৎসাহ দেন।
আয়োজকরা জানান, প্রায় চারশ বছরের পুরোনো গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে লোকজ সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরতেই এ আয়োজন। ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে নৌকা বাইচ আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলের হাতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি ফ্রিজ তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া পরবর্তী স্থান অর্জনকারী দলগুলোর মধ্যে পাঁচটি এলইডি টিভি ও পাঁচটি মোবাইল ফোন পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা থেকে বিভাগীয় শহর বরিশালে সরাসরি কোনো বাস সার্ভিস চালু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো সাধারণ যাত্রী। প্রতিদিন দাপ্তরিক কাজ, উন্নত চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কাউখালী থেকে বরিশালে যাতায়াত করেন অসংখ্য মানুষ। তবে সরাসরি বাস না থাকায় তাদের একাধিক যানবাহন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে সময় অপচয়ের পাশাপাশি বাড়তি ভাড়াও গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।
স্থানীয়রা জানান, কাউখালী থেকে বরিশালের দূরত্ব তুলনামূলক কম হলেও সরাসরি গণপরিবহন না থাকায় যাত্রীদের প্রথমে অটোরিকশা, মাহিন্দ্রা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে নৈকাঠি কিংবা রাজাপুর যেতে হয়। এরপর সেখান থেকে বরিশালের বাসে উঠতে হয়। এতে বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কাউখালী উত্তর বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী মোঃ শহিদুল বলেন, ব্যবসায়িক মালামাল কেনা এবং ব্যাংকসহ বিভিন্ন কাজে তাকে সপ্তাহে দুই-তিন দিন বরিশালে যেতে হয়। কিন্তু সরাসরি বাস না থাকায় প্রথমে অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে নৈকাঠী কিংবা রাজাপুর যেতে হয়। পরে সেখান থেকে বরিশালের বাস ধরতে হয়। এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি খরচ হচ্ছে। মালামাল নিয়ে একাধিকবার গাড়ি পরিবর্তন করতে গিয়ে বাড়তি ভোগান্তিও পোহাতে হয়। দ্রুত কাউখালী-বরিশাল সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর দাবি জানান তিনি।
নিয়মিত যাতায়াতকারী চাকরিজীবী মাইনুল হুদা বলেন, তার বৃদ্ধ বাবাকে প্রায়ই চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে হয়। সরাসরি বাস না থাকায় অসুস্থ রোগীকে নিয়ে বারবার গাড়ি পরিবর্তন করতে হয়। এতে রোগীর শারীরিক কষ্ট আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভোগের। একটি সরাসরি বাস সার্ভিস চালু হলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে বলে তিনি মনে করেন।
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের কাউখালীর শিক্ষার্থী নাঈম ও ফেরদৌসী বলেন, কাউখালী থেকে অনেক শিক্ষার্থী বরিশালের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সকালবেলার ক্লাস ও পরীক্ষা ধরতে তাদের ভোরেই বাড়ি থেকে বের হতে হয়। কিন্তু সরাসরি বাস না থাকায় পথে গাড়ি পরিবর্তন করতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট হয়। পাশাপাশি যাতায়াত খরচও বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য অন্তত সকাল ও বিকেলে নিয়মিত সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর দাবি জানান তারা।
স্থানীয় সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কাউখালী থেকে ঢাকা, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন রুটে যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকলেও বিভাগীয় শহর বরিশালের সঙ্গে সরাসরি গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কাজে বরিশালমুখী মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, কাউখালী-বরিশাল সরাসরি বাস সার্ভিস চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি চিকিৎসাপ্রার্থী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও কমবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক সমিতি ও প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগ কামনা করেছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর মাহি আহমদ (৬) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় শিবগঞ্জ বাজারের খাশিয়াপাড়া খেয়াঘাট নামক এলাকায় ইটাখলা নদীতে মাহির লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে তাঁরা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহান আহমদ, সকালে স্থানীয়রা শিশুটির লাশ পানিতে ভাসমান অবস্থান দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্ব) দুপুরে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মোজাহিদপুর (বুধরপুর) গ্রামের মিশুক চালক আক্তার মিয়ার ছেলে মাহি আহমদ স্থানীয় ইটাখলা নদীর পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একদল ডুবুরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও ছেলেটির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের দুইদিন পর আজ সকালে নদীর পানিতে শিশুর লাশ ভেসে উঠে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ব্রজমোহন কলেজ (বিএম কলেজ), বরিশালে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) কলেজের শিক্ষক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ এবং মানবতার কল্যাণে তাঁর অনুপম শিক্ষার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
বক্তারা মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়, শান্তি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ