রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
রিয়াল মাদ্রিদ বড় ধাক্কা খেয়েছে মাদ্রিদ ডার্বিতে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৫১ মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ত্যাগ করেন ডিন হুইসেন। ভিএআর পর্যালোচনার পর রিয়ালের ডিফেন্ডারকে বহিষ্কার করার পাশাপাশি অ্যাটলেটিকোকে পেনাল্টি দেওয়া হয়।
৫৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে অ্যাটলেটিকোকে এগিয়ে দেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো। এর ফলে ১০ জনের রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় স্বাগতিকদের হাতে। পরবর্তীতে ডেভিডের গোলে স্কোরলাইন ২-০ হয়ে যায়।
হুইসেনের মাঠ ছাড়ার পর রিয়ালকে বাকি সময় একজন কম নিয়ে খেলতে হচ্ছে। চলতি লা লিগার মাদ্রিদ ডার্বিতে এই ঘটনা ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেন্টাগন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কংগ্রেসকে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে মোট ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। এই তথ্য দুটি সূত্র থেকে প্রাপ্ত হয়েছে, যারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত।
সূত্র দুটি উল্লেখ করেছে যে, ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধে খরচের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এই পরিমাণের সাথে অতিরিক্ত জ্বালানির জন্য ১৫০ কোটি ডলার যুক্ত হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য যে, এই হিসাব যুদ্ধের মোট খরচের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপন করে না।
একটি সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন ঘাঁটি বা ভবনের মেরামতের খরচ এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। আইনপ্রণেতারা যে পরোক্ষ সামরিক ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছিলেন, পেন্টাগন কংগ্রেসকে সেটাও সরবরাহ করেনি।
পেন্টাগনের ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের খরচের হিসাব কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) হিসাবের তুলনায় বেশি। সিবিও জানিয়েছিল, ১ আগস্ট পর্যন্ত যুদ্ধে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে। এর আগে জুলাই মাসে পেন্টাগন জানিয়েছিল, যুদ্ধে খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।
বাজেট অফিস জানিয়েছে, যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনা মেরামতের খরচ তাদের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত নয়। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, মোট খরচের বড় অংশ গোলাবারুদ কেনার জন্য হয়েছে। সিবিও হিসাব করেছে, ১ আগস্টের পর যুদ্ধ চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মাসে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হবে। লড়াইয়ের তীব্রতা বাড়লে এই খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হয়েছে।
বাজেট অফিস কংগ্রেসকে আরও জানিয়েছে, এই যুদ্ধ ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এমন একটি সময়ে এই ব্যয় বাড়বে, যখন মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পূর্ব চীনের এক ব্যক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন, কারণ তিনি অভিযোগ করেছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট ভুল পরামর্শ দিয়েছে। ঝেজিয়াং প্রদেশের জিয়াশান কাউন্টির বাসিন্দা শি তাঁর মায়ের দাফনের তারিখ নির্ধারণের জন্য এই চ্যাটবটের পরামর্শ গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের পর তাঁর পরিবারে একের পর এক অমঙ্গল ও দুর্ভাগ্য নেমে এসেছে। গত এপ্রিল মাসে শি’র মা হঠাৎ মারা যাওয়ার পর, তিনি শেষকৃত্যের তারিখের জন্য এআইয়ের শরণাপন্ন হন।
জিমু নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শি ৫ ভাইবোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। তিনি তাঁর মায়ের দাফনের জন্য একটি শুভ দিন বেছে নিতে চেয়েছিলেন। চীনা ঐতিহ্য অনুযায়ী, গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রাচীন পঞ্জিকা দেখে এমন শুভ দিন নির্বাচন করা হয়, যা এখনও অনেক পরিবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মেনে চলে। দাফনের জন্য শি এবং তাঁর পরিবার প্রথমে একজন ফেং শুই (চীনা বাস্তুশাস্ত) বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন, যিনি ২০ এপ্রিল তারিখটি সুপারিশ করেছিলেন। তবে শি লক্ষ্য করেন যে দিনটি তাঁর মায়ের মৃত্যুর চতুর্থ দিন পড়ছে, যা নিয়ে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। কিছু স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী, শেষকৃত্যের জন্য জোড় সংখ্যার দিনগুলোকে অপয়া বা অশুভ মনে করা হয়।
বিকল্প মতামতের খোঁজে শি তখন একটি এআই চ্যাটবটের শরণাপন্ন হন। চ্যাটবটটি ১৯ এপ্রিল তারিখটি সুপারিশ করে এবং শেষকৃত্যের শোভাযাত্রার আগে কাগজের ঘোড়া ও কাগজের টাকা পোড়ানোর পরামর্শ দেয়। প্রথাগত বিশ্বাস অনুযায়ী, এতে পরলোকে মৃত ব্যক্তির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সংস্থান হয়।
তবে পরবর্তীতে চ্যাটবটের পরামর্শে কিছু অসংগতি শি-র চোখে পড়ে। চ্যাটবটটি দাফনের সময় সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে রাখার সুপারিশ করলেও, আবার অন্য জায়গায় উল্লেখ করে যে ১৯ এপ্রিল দিনটি শুভ নয়। কিন্তু ততক্ষণে শি আত্মীয়স্বজনকে শেষকৃত্যের সময়সূচি জানিয়ে দিয়েছিলেন এবং তারিখ পরিবর্তন করার মতো সময় আর ছিল না।
শেষকৃত্যের কিছুদিন পরেই তাঁর এক আত্মীয় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময়টি প্রকাশ করা হয়নি। পরিবারের কিছু সদস্য এই দুর্ঘটনাকে দাফনের তারিখের সাথে মেলাতে শুরু করেন। তাঁদের বিশ্বাস, শেষকৃত্যের এই ত্রুটিপূর্ণ আয়োজনের কারণে পরিবারের 'ফেং শুই' নষ্ট হয়েছে এবং তা দুর্ভাগ্য ডেকে এনেছে।
চাকরির চুক্তিপত্র গোছানোর মতো কাজে নিয়মিত এআই ব্যবহার করা শি জানান, চ্যাটবটটি তাঁকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনাটি তাঁর পরিবারের মধ্যে মানসিক দূরত্ব ও উত্তেজনাও বাড়িয়ে দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শি শেষ পর্যন্ত সফটওয়্যারটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'বেইজিং চুনতিয়ান ঝিইউন টেকনোলজি'-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তবে ক্ষতিপূরণের অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
মজার ব্যাপার হলো, নিজের মামলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যও শি সেই একই এআই চ্যাটবট ব্যবহার করেছেন। জানা গেছে, সফ্টওয়্যারটি তাঁকে আইনি নথিপত্রের খসড়া তৈরি করতে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াগুলো বুঝতে সাহায্য করেছে।
কোম্পানিটির সেবামূলক শর্তাবলিতে বলা আছে যে, এআই-উৎপাদিত তথ্য কেবল রেফারেন্স বা সূত্র হিসেবে দেওয়া হয় এবং এটিকে পেশাদার পরামর্শ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। ব্যবহারকারীরা সফ্টওয়্যারটি ব্যবহারের সময়ই এই শর্তাবলিতে সম্মতি দিয়ে থাকেন। স্থানীয় একটি আদালতে মামলাটির শুনানি হয়েছে এবং বর্তমানে এটি বিচারাধীন রয়েছে।
কোম্পানিটি যুক্তি দিয়েছে যে, চ্যাটবটের দেওয়া উত্তর কোনোভাবেই অনলাইন আইন লঙ্ঘন করে না। তবে শি ব্যবহারকারী চুক্তির শর্তা বলীকে চ্যালেঞ্জ করে দাবি করেছেন যে, এই শর্তগুলো ব্যবহারকারীদের ওপর অতিরিক্ত দায় চাপিয়ে দেয়, পর্যাপ্ত সতর্কতা প্রদান করে না এবং এআই-এর উত্তরের উৎসগুলো যাচাই করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ব্যবস্থার অভাব রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাঙ্গরার নৈরপাড়-এলখালের মানুষের চলাচলের রাস্তা এক সময় ছিল জমির আইল। এই কারণে, এ অঞ্চলে বিয়ে সাদী করা হতো না, এবং আইল দিয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে কষ্ট হত। ফলে, পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়েছিল এলাকার মানুষ। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) সেই আইলকে সড়কে উন্নত করেছেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও উন্নয়ন করেছেন। নৈরপাড়-এলখালের মানুষের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। তবে, গত ১৭ বছরে হাসি বিষাদে রূপ নিয়েছে, কারণ দীর্ঘদিনের সড়ক ভেঙে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়লেও আওয়ামী লীগ সরকার একবারের জন্যও সড়কটি সংস্কার করেনি।
আওয়ামী লীগের পতনের পর, ব্যক্তিগত অর্থায়নে মজলুম রাজনীতিবিদ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে সড়কটি পুনরায় সংস্কার করবেন।
ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। তিনি বাঙ্গরা উপজেলার পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের নৈরপাড়-এলখাল সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) ভার্চুয়াল মাধ্যমে বাঙ্গরার নৈরপাড়-এলখালের সড়ক সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।
এ সময় মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট সমাজ সেবক মামুন মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভূইয়া ও নাছির উদ্দিন।
ধর্মমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ শরীফ আহমেদ, নবীয়াবাদ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সোহেল সামাদও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারী জয়নাল মোল্লার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আতিকুল্লাহ প্রিয়া, মুখলেছুর রহমান হিরন, অবিদ হোসেন অবিদ, আনিছ খান, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
প্রশংসায় ভাসছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ
নৈরপাড়-এলখাল সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) প্রশংসায় ভাসছেন। স্থানীয় জনতার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। শিক্ষার্থীরা আনন্দিত, কারণ তারা নির্ভয়ে নির্বিগ্নে স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারবেন।
ভ্যান চালক আবু মুসা হাসিমুখে বলেন, "আমি এ সড়কে ভ্যানে করে হকারী করি। সারাদিন গাড়ি চালিয়ে রাতে কোমড় ব্যথায় মরি। দাদা আইল থেকে এ রাস্তা করছে আবার দাদায়ে সংস্কার করল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ডিবেটিং ক্লাবের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. কামরুল হাসান, যিনি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন তাসমিয়া তাহমিদ আপন, যিনি একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মোঃ নিসতার জাহান কবীরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১২ সদস্যের এই কমিটি প্রকাশিত হয়।
এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিভাগীয় প্রধানকে উপদেষ্টা এবং প্রভাষক সামির আহমেদকে মডারেটর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। আগামী এক বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রথমবারের মতো ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ২০তম আবর্তনের ফারদ্বীন খান, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ১৯তম আবর্তনের মাহমুদুল হাসান, অর্থ সম্পাদক হিসেবে ইফফাত রওনাক প্রমি এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে ২০তম আবর্তনের আলভী আবিব।
এছাড়া, কর্মশালা ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক পদে ২১তম আবর্তনের ওমর ফাহমিদ খান এবং আলোকচিত্র সম্পাদক হিসেবে ২০তম আবর্তনের তৈয়ব ইসলাম শুভ দায়িত্ব পালন করবেন।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ২১তম আবর্তনের মো. রেহান আবরার মল্লিক, ফাইরোজ ইতু, স্নেহা দত্ত ও কাজী ইবতিসাম ইনান।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তাসমিয়া তাহমিদ আপন মন্তব্য করেন, "আমি অনেক আনন্দিত, প্রথমবারের মতো হওয়া কমিটিতে যুক্ত হতে পেরে। আমাদের বিভাগ নিয়ে অনেকের মনে কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত, যা আসলে সত্য নয়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোন সৃষ্টিশীল কাজে আমাদের বিভাগ ভাল করছে। বিতর্ক একটি বুদ্ধিবৃত্তিক শৈলী, এর মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধিত হয়। আমি বিশ্বাস করি, এ বিতর্ক ক্লাবের মধ্যে দিয়ে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল মননের আরও উৎকর্ষ সাধিত হবে।"
সভাপতি মো. কামরুল হাসান বলেন, "প্রথমবারের মতো ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ ডিবেটিং ক্লাবের প্রারম্ভ হলো ভেবেই পুলকিত আমরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের বিভাগ ইতোমধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল নানা অনুষঙ্গে প্রশংসিত। বিতর্কে আমাদের অংশগ্রহণ ঈর্ষণীয় সাফল্য বয়ে আনছে বিভাগের জন্য। আমি আশাবাদী এবং দৃঢ়প্রত্যয়ী, চলচ্চিত্র শিক্ষার পাশাপাশি এই কার্যক্রম আমাদের শৈল্পিক দৃষ্টিকোণকে আরও বিস্তৃত করবে এবং বৃহত্তর অর্থে চলচ্চিত্র নির্মাণশৈলীতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কার্যনির্বাহী কমিটির সকলকে অভিনন্দন জানাই।"
বিভাগ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ ক্লাবের কার্যক্রমের মাধ্যমে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থীদের যুক্তি, বিশ্লেষণ, উপস্থাপন ও সৃজনশীল চিন্তার চর্চা আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিক্ষার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কের সমন্বয় শিক্ষার্থীদের নির্মাণ ও শিল্পচর্চার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ