ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিশ্বকাপ নিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানি সমর্থকরা


বিশ্বকাপ নিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানি সমর্থকরা

বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপটে ইরানি-আমেরিকান ফুটবল সমর্থকেরা গভীর দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও উৎকণ্ঠার সম্মুখীন হয়েছেন। অন্যদিকে মাঠে খেলা দেখার উত্তেজনা রয়েছে।

আবার, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি—সব মিলিয়ে দুই দেশের সমর্থকরা মানসিক টানাপোড়েনে আছেন।

১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ইরান। তখন গ্যালারিতে বসে নিজের দেশকে সমর্থন জানাবেন ইরানি-আমেরিকান ব্যবসায়ী এহসান শাফি। প্রবাসী হিসেবে নিজ দেশের প্রতি সমর্থন জানানোর এই সুযোগকে তিনি বিরল হিসেবে দেখছেন।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা

তবে শাফির মতো অনেক ভক্ত দ্বিধাবিভক্ত হচ্ছেন, খেলবেন কি না। কারণ, একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ চলছে, তেহরানে ওয়াশিংটনের হামলা ঘটেছে, অন্যদিকে তেহরান দেশের বিক্ষোভকারী ইরানিদের কঠোরভাবে দমন করেছে। এসব কারণে জাতীয় ক্রীড়া উদযাপনও তাদের জন্য আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমে ইরানি-আমেরিকান ফুটবল ভক্তদের সাক্ষাৎকার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারা তাদের ইরানি পরিচয়ে গর্বিত, কিন্তু দেশের বর্তমান শাসকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিভক্ত।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্যাপক সংখ্যক ইরানি প্রবাসীরা বাস করেন। এই অঞ্চলের একটি অংশ ‘তেহরানজেলেস’ নামে পরিচিত। এখানে তারা নিজেদের প্রিয় দল 'টিম মেল্লি'র প্রতি ভালোবাসা পোষণ করেন। কিন্তু চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দলের প্রতি সমর্থন জানানোকে অনেকেই তেহরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকে বৈধতা দেওয়ার সমান মনে করছেন।

আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল

ইরান ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে এবং এরপর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিরুদ্ধে খেলবে। শাফিও টিকিট পেয়েছেন। একজন ভক্ত হিসেবে তিনি আশাবাদী, স্টেডিয়ামে বসে ম্যাচগুলো উপভোগ করার বিরল সুযোগটি হাতছাড়া করতে চান না।

তবে অনেক কট্টর ইরানি ফুটবল ভক্ত এবার খেলাটি দেখার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিরত থাকা অথবা বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা জানাচ্ছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দল দেশের সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না।

স্টেডিয়ামগুলোতে সরকারবিরোধী বা যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভের আশঙ্কা এবং মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির কারণে অনেক সমর্থক মাঠে গিয়ে খেলা দেখার জন্য দ্বিধাবোধ করছেন।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গাইবান্ধার স্মৃতি খাতুনের সাফল্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমাকে রীতিমতো অন্তর্বাস খুলে দেখাতে হয়েছে’, ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


‘আমাকে রীতিমতো অন্তর্বাস খুলে দেখাতে হয়েছে’, ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী

টালিউডের জনপ্রিয় গায়িকা দেবলীনা নন্দী এবং তাঁর পাইলট স্বামী প্রবাহ নন্দীর দাম্পত্য সম্পর্ক বর্তমানে ভাঙনের পথে। আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলাকালীন শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র আনতে গিয়ে অপমানজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এই শিল্পী।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কয়েক মাস আগে, দেবলীনার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি রাজারহাটের বাসা ছাড়েন এবং বাবার বাড়িতে ফিরে যান। এরপর, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে চলে আসে, এবং আইনি বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

সম্প্রতি, চন্দননগর স্থিত শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা নিজের জিনিসপত্র ফেরত নিতে পুলিশের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান দেবলীনা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তিনি ও তাঁর বোন। প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস পেলেও, সবকিছু পেয়েছেন কিনা, তা তিনি দাবি করেছেন যে, পাননি।

দেবলীনার অভিযোগ হল, বিয়ের আশীর্বাদের সময় প্রবাহর পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া সোনার হার, যা তিনি স্ত্রীধনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন, সেটি তাঁকে ফেরত দেওয়া হয়নি। সিরিজে নিজের অর্থে কেনা কিছু আসবাবপত্রও শ্বশুরবাড়িতে রেখেছিলেন এবং সেগুলো আর আনেননি।

তবে সবচেয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে দেবলীনা জানান, যখন তিনি জিনিসপত্র বুঝে নেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন, তখন তাঁর একটি ব্যাগ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়। সেই ব্যাগে ব্যক্তিগত ব্যবহার্য অন্তর্বাস ছাড়া আর কিছু ছিল না, এমনটাই তাঁর দাবি। তবু সেটি খুলে দেখানোর জন্য চাপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদনের উল্লেখ অনুযায়ী, দেবলীনা বলেন, ‘আমাকে রীতিমতো আমার অন্তর্বাস খুলে প্রদর্শন করে দেখাতে হয়েছে। আমার দেবর, যাকে আমি নিজের ভাই মনে করতাম, দেখলাম মুখ টিপে হাসছে।’

এই ঘটনার পর, তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তাহলে এবার আপনারাই বলুন, কাকে আসল হেনস্তা হতে হলো?’ দেবলীনা জানান, পুরো পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের উপস্থিতিই তাঁকে সহায়তা করেছে। তবে এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা জিনিসপত্র উদ্ধারের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি।

উল্লেখ্য, প্রায় দেড় বছর আগে তাঁদের ভালোবেসে বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং বর্তমানে তাঁরা আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। এই সময়ের মধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে নিজের জিনিসপত্র ফেরত আনতে গিয়ে অপমানজনক আচরণের অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইনের প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে ১১ দলের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইনের প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে ১১ দলের বিক্ষোভ

সীমান্তে অব্যাহত পুশ ইন এবং বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা প্রসঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ১১ দলীয় জোটের একটি প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল বেলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর অফিস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

মিছিলটি প্রধান সড়কগুলোতে প্রদক্ষিণ করে শিবদীঘি জুলাই চত্বরে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর রংপুর অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুল হাকিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক গোলাম মুর্তুজা সেলিম, জেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি কফিল উদ্দীন, জেলা সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির রফিকুল ইসলাম, সাবেক নায়েবে আমির মিজানুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি খলিলুর রহমান এবং জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদেকুল ইসলাম মুন্না সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও।

বক্তারা সীমান্তে নিরস্ত্র ও নিরপরাধ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে এসব ঘটনার ব্যাপারে কার্যকর কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। একইসঙ্গে ভারত থেকে অব্যাহত পুশ ইন বন্ধে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।

সমাবেশে বক্তারা দেশবাসীকে সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সচেতন এবং সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। পরে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণার মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ সম্পন্ন হয়। ১১ দলীয় জোটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কসবা-আখাউড়াকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


কসবা-আখাউড়াকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া কসবা ও আখাউড়া উপজেলাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত পরিবেশে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) কসবা সৈয়দাবাদ আদর্শ সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে আলহাজ কবীর আহমেদ ভূঁইয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে কসবা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক স্বপনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দীন সরকার তুহিন ও নূর আলম ছিদ্দিকী, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী অ্যাডভোকেট ইসমত আরা সুলতানা, কসবা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুম খান, আখাউড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহীনুর রহমান শাহীন, জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব জিল্লুর রহমান, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সজিবুর রহমান সজিব ও রুমেল আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কবীর আহমেদ ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টের মাঠ সংস্কারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া কসবা ও আখাউড়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কসবা উপজেলার তিনলাখপীর বিশ্ব রোডের সংযোগস্থলে একটি ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকার জরাজীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ পুনর্নির্মাণের জন্য নতুন প্রকল্প অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এ বিষয়ে তিনি সরাসরি ভূমিকা পালন করছেন বলে জানান।

কবীর আহমেদ ভূঁইয়া জানান, প্রস্তাবিত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পুরো জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত হলে যুবসমাজ একটি মানবিক, দক্ষ ও আদর্শ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি আধুনিক স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কসবাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে বক্তারা স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখা এবং খেলাধুলার প্রসারে সবার সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরের মধ্যে সরকারের সাফল্য আরো দৃশ্যমান হবে : দুদু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


এক বছরের মধ্যে সরকারের সাফল্য আরো দৃশ্যমান হবে : দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এ সরকারের সাফল্য আরো দৃশ্যমান হবে। দেশটি সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যাবে এবং তারেক রহমান বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য সরকারের নেতা হিসেবে পরিচিতি পাবেন।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 'শহীদ জিয়া ও বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনাসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, 'শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া তা অনুসরণ করেছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই আদর্শ অনুসরণ করেই রাজনীতি করছেন।

যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অনুসরণ করবে, তাদেরকেও সহযোগিতা করা উচিত। শহীদ জিয়া দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, রাষ্ট্র ও সরকার গঠন করেছিলেন এবং সেই আদর্শ অনুসরণ করছেন তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া। সেই আদর্শ অনুসরণ করে বেগম খালেদা জিয়া মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে সরকার চার মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে সেটি আরো সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, 'একা কাজ করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। আন্দোলনে যেমন সবাই বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন, তেমনি সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আন্দোলন সফল হয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বিএনপি একক সর্বোচ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে নির্বাচনে জয় লাভ করেছে। শুধু সাধারণভাবে চললে হবে না, আরো শক্তভাবে এগোতে হবে। কারণ দেশে-বিদেশে যারা পরাজিত হয়েছে, পালিয়ে গিয়েছে, তারা বসে নেই।

পার্শ্ববর্তী একটি দেশ তাদের সমর্থন ও আশ্রয় দিচ্ছে। এ কারণে সবাইকে সচেতন, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%