বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৬ পি.এম
পটুয়াখালী, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬:পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে পটুয়াখালী কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের অধীনস্থ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তির সনদ, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
আজ ১৭ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক জনাব আনোয়ার হোসেন বাদল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মাসুদ করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার কাজী কামরুজ্জামান।
এ সময় সরকারি জুবিলী স্কুলের শিক্ষক আব্দুল হালিম, ইটবাড়িয়া ইউসি কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জনাব মাহফুজ আনাম, স্কেলেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব জুবায়ের মামুনসহ বিভিন্ন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
বক্তারা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, অভিভাবক ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
পুরস্কার বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাদল সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৭ সেপ্টেম্বর, : গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১টি জেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় পুলিশ ৫২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৯১ হাজার ৩৯৪ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ১০৩ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৮৪ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৪৮ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৩ জন, কার্যবিধির ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ২৯ জন, পরোয়ানামূলে ১৪৩ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ২৪ জন রয়েছেন।
এছাড়া, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৯১ জনকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জন মাদক বহনকারী এবং ৮৮ জন মাদকসেবী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আরও ৪০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে, মাদকবিরোধী অভিযানে মোট ১৩১ জন গ্রেফতার হয়েছেন।
অভিযানের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪৭ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ৩১ হাজার ৫০ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। এ সময় ২৪টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভিযানে ৯১ হাজার ৩৯৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩০ কেজি ৬৫৯ গ্রাম গাঁজা, ৪ লিটার চোলাইমদ, ১ ক্যান বিয়ার ও ৫ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
জনস্বার্থে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের অভ্যন্তরে একটি কম্প্রেসার বিস্ফোরণের ফলে সোহেল রানা (৪০) নামের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ৭ নম্বর জগদীশপুর ইউনিয়নের যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের স্পিনিং সাইডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহেল রানা নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার দেওয়ানবাগ এলাকার মৃত লাল মিয়ার পুত্র। আহতদের মধ্যে রয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার বাবাইতারি এলাকার এমদাদুল হকের ছেলে সামিউল হক (২৫) এবং মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে সামছুল ইসলাম (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের স্পিনিং সাইডে কাজ করার সময় হঠাৎ করে কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হয়। এই বিস্ফোরণের ফলে সোহেল রানা, সামিউল হক এবং সামছুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সোহেল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাধবপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দুর্ঘটনার পর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের জন্য উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিমের কাছে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাতের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ব্যয় কমানোর সুযোগ রয়েছে। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, প্রশাসনিক ভবন এবং অন্যান্য উপযুক্ত স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিতে কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি সমন্বিত ‘সোলার পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান’ প্রণয়ন, আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা যাচাই এবং সরকারি বরাদ্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়ন ও করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের মাধ্যমে অর্থায়নের সুযোগ অনুসন্ধানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া, প্রত্নতত্ত্ব, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে গবেষণা ও ব্যবহারিক শিক্ষার ক্ষেত্রে কাজে লাগানোর প্রস্তাব, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কারিগরি কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত মন্তব্য করেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছি।" তিনি আরও বলেন, "এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে একটি সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, বিদেশে আরামের পরিবর্তে দেশে ১০ বছরের কারাবাসকেই তিনি বেছে নেবেন যদি দোষী প্রমাণিত হন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিওবার্তায় এ মন্তব্য করেন।
ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, "যদি কেউ আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এখানে যে কথাগুলো বলা হয়েছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে।"
তার দাবি, "আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে। যদি কেউ আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?" সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, "আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং।"
তিনি বলেন, "কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।"
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, "সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ