ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের এক নেতা গ্রেপ্তার


ঢাকায় আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের এক নেতা গ্রেপ্তার

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের এক নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে একটি অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে, এ তথ্য জানিয়েছে খিলক্ষেত থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি ইসরাতুল আলম কিরণ (৪৩) আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের জনশক্তি ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। তিনি বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খিলক্ষেত থানার এসআই মো. আবু বকর সিদ্দিক সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে পূর্ব নামাপাড়া এলাকায় একটি অভিযান চালান। অভিযানে ইসরাতুল আলম কিরনকে আটক করা হয়।

ইসরাতুল আলম কিরণের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখীল উপজেলার হরিপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি খিলক্ষেতের পূর্ব নামাপাড়ার আল আহসান প্যালেসে বসবাস করছিলেন।

খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব আল হোসাইন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খিলক্ষেত এলাকায় নামাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জুলাই আন্দোলনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা থাকায়, সেই মামলার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে: স্পিকার

আজ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংসদ সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি মন্তব্য করেন, সংসদ-সদস্যগণ জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনে জনপ্রতিনিধিত্ব করেন।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘সংবিধান, কার্যপ্রণালী-বিধি ও সংসদীয় কার্যক্রম’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে স্পিকার এসব তথ্য তুলে ধরেন।

স্পিকার আরও বলেন, কার্যপ্রণালী বিধি কেবল প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি দায়িত্ব বাস্তবায়নের প্রধান হাতিয়ার। তিনি বলেন, কার্যপ্রণালী বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক, যাতে প্রস্তাব উত্থাপন ও বিল পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা অর্জন করা যায়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, বিরোধী দলের নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান, ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং সুইস রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।

স্পিকার বলেন, সংসদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো- আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং নির্বাহী বিভাগকে অন্তর্ভুক্তির আওতায় জবাবদিহিতামূলক করা। সংসদ-সদস্যদের মাধ্যমে এগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ কেবল রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয় না, বরং গঠনমূলক বিরোধী দল ও সরকারি দলের দক্ষতায় কার্যপ্রণালী বিধিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। এটি জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনা নিয়ে গঠিত।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ইউএনডিপি এবং সুইজারল্যান্ডের ‘স্ট্রেইনদেনিং ইনস্টিটিউশনস, পলিটিক্স এন্ড সার্ভিসেস (এসআইপিএস)’ প্রোগ্রাম সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে সংসদ-সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে যাচ্ছে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনগণের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব নিয়ে সংসদ সদস্যগণ কর্মভার গ্রহণ করেছেন। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি তাদের অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং এ দায়িত্ব পালনে তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, উন্নয়নের জন্য একজন সংসদ সদস্যকে নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণের সমস্যা শুনতে হয় এবং সেগুলোর সমাধানে কাজ করতে হয়। একইসঙ্গে সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণও তাদের গুরুত্ব। তাই, সংসদের কার্যকর পরিচালনার জন্য কার্যপ্রণালী বিধি বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকা জরুরি।

বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের করের টাকায় সংসদ পরিচালিত হয়। সুশাসন, অর্থনৈতিক সংস্কার ও টেকসই গণতন্ত্রের জন্য সংসদ পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কোর্সের প্রথম গ্রুপের মধ্যে আজ সংসদীয় আসন ১ পঞ্চগড়-১ থেকে ধারাবাহিকভাবে ১০৯ বরগুনা-১, ১১১ পটুয়াখালি-১ থেকে ১১৬ ভোলা-২, ১১৮ ভোলা-৪ হতে ১৫০ ময়মনসিংহ-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ-সদস্য এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০১ মহিলা আসন-১ থেকে ৩২৪ মহিলা আসন-২৪ থেকে নির্বাচিত সংসদ-সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মসজিদে বসে থাকার ফজিলত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


মসজিদে বসে থাকার ফজিলত

নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে আমরা মসজিদে যাত্রা করি। নামাজ আদায় করার পর মসজিদ থেকে বের হয়ে যাই। তবে নামাজ আদায় ছাড়াও মসজিদে অবস্থান করা এবং বসে থাকার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মসজিদে অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য হাদিসে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম যতক্ষণ মসজিদে সালাত ও জিকিরের কাজে লিপ্ত থাকে, আল্লাহ ততক্ষণ তার প্রতি অত্যন্ত আনন্দিত হন, যেমন প্রবাসী ব্যক্তি তার পরিবারে ফিরে এলে তারা তাকে পেয়ে কতটা আনন্দিত হয়। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০০)

যারা মসজিদে এসে তাহিয়্যাতুল মসজিদ দুই রাকাত সালাত আদায় শেষ করার পর ফরজ সালাতের জন্য বসে থাকেন কিংবা ফরজ সালাতের পর মসজিদে বসে থাকেন, তাদের জন্য ফেরেশতারা ক্ষমার দোয়া করতে থাকেন।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে থাকে এবং তার অজু ভঙ্গ না হয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে যে, হে আল্লাহ, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ, আপনি তাকে রহম করুন। আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার সালাত তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখছে, সে সালাতরত হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৯)

আবদুর রহমান বিন আমর (রা.) বলেন, আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে মাগরিবের সালাত আদায় করি। তারপর যারা চলে যায়, তারা চলে যায় এবং যারা থেকে যায়, তারা থেকে যায়। রাসুল (সা.) এত দ্রুত এলেন যে, তার দীর্ঘ নিঃশ্বাস বের হয়ে আসতে লাগল। তিনি তার দুই হাঁটুর ওপর ভর করে বসে গেলেন এবং বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমাদের রব আসমানের একটি দরজা খুলে দিয়েছেন এবং ফেরেশতাদের কাছে তোমাদের সম্পর্কে গর্ব করে বলছেন, দেখো, তারা আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে আছে, যারা একটি ফরজ আদায়ের পর পরবর্তী ফরজ আদায়ের জন্য অপেক্ষা করছে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০১)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম। সাইপ্রাস যাওয়ার আগে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এটি হচ্ছে। আজ (বুধবার) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং এ তথ্য জানায়। প্রেস উইং আরো জানায়, লে. জেনারেল মিনহাজুল আলম আগামী শুক্রবার (৫ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষ করে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউএনএফআইসিওয়াইপি)-এর ২৩তম ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর সুনাম ও গৌরবের বিষয়ে আলোচনা হয়। মিনহাজুল আলম বাংলাদেশের ইতিহাসে অষ্টম সেনা কর্মকর্তা, যিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে সাতজন বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তা আটটি বিভিন্ন দেশে এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। ১৯৯৩ সালে মোজাম্বিকে দায়িত্ব পালন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমান। পরের বছর ওই দেশে একই দায়িত্ব নেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ (অব.) আবদুস সালাম। এছাড়াও মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর সুদানে, লে. জেনারেল (অব.) আবু তায়েব মুহাম্মদ জহিরুল আলম লাইবেরিয়ায়, মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ আইভরি কোস্ট ও পশ্চিম সাহারায় এবং মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সাইপ্রাসে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান পশ্চিম সাহারায় এই দায়িত্বে আছেন। বর্তমানে জাতিসংঘের ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে একজন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মোট ১০ জন সামরিক কর্মকর্তা ফোর্স কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছেন। পশ্চিম সাহারাতে দায়িত্বরত মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসানের পাশাপাশি লে. জেনারেল মিনহাজুল আলম সাইপ্রাসে যোগ দিলে ফোর্স কমান্ডার পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তার সংখ্যা হবে দু’জন। এটি অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের, যা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের নতুন এই দায়িত্ব সেই গৌরবময় ধারাবাহিকতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। উল্লেখ্য, সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী জাতিসংঘের দীর্ঘসময় ধরে পরিচালিত শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর একটি। এটি ১৯৬৪ সালে গ্রিক সাইপ্রিয়ট ও তুর্কি সাইপ্রিয়ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান দায়িত্ব হলো জাতিসংঘের বাফার জোন (গ্রিন লাইন নামে পরিচিত) বজায় রাখা এবং কার্যত বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি রেখাগুলোর তত্ত্বাবধান করা। এই মিশনের জন্য ১ হাজার ৯০ জন সদস্য অনুমোদিত রয়েছেন। পর্যন্ত মিশনের জনবল ছিল ৭২৭ জন সামরিক সদস্য, ৬০ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৪৮ জন বেসামরিক কর্মী। জাতিসংঘের এই মিশনে অংশগ্রহণকারী ১৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কানাডা, চিলি, ইকুয়েডর, ঘানা, হাঙ্গেরি, ভারত, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, প্যারাগুয়ে, রাশিয়ান ফেডারেশন, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং যুক্তরাজ্য। মিনহাজুল আলম ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন এবং অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সের জন্য ‘সোর্ড অব অনার’ পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ‘অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন’ এ নেতৃত্ব দিয়েছেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা সম্পর্কিত একটি ব্রিগেডের নেতৃত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। চাকরিজীবনে সেন্ট্রাল আফ্রিকায় জাতিসংঘ বাহিনীর সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সেনা কর্মকর্তা ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কলেজের চিফ ইন্সট্রাক্টর ও কমান্ড্যান্ট হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবেও কর্মরত ছিলেন তিনি। মিনহাজুল আলম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতিসংঘের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নিযুক্তির আগে মিনহাজুল আলম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি ছিলেন। তিনি কক্সবাজার এলাকার দশম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা ওবায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া দেশের ১৭ কোটি মানুষের বিজয়।

আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের বিজয়। কারণ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অঙ্গন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি অবস্থান অর্জন করেছে।’

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিরই প্রতিফলন এই ঐতিহাসিক অর্জন।

তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সময়েও বাংলাদেশ জাতিসংঘে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছিল। তিনি সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই নীতিকে আরও এগিয়ে নিয়েছেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্বের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের যোগ্যতা, দক্ষতা, সক্ষমতা এবং জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতাই এই বিজয় নিশ্চিত করেছে।

তিনি সফল তিন মাসব্যাপী প্রচারণায় যুক্ত সবার প্রতি, বিশেষ করে বিদেশে বাংলাদেশের ৮১টি মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত গোপন ব্যালটে সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয় বিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস. কাকুরিসকে পরাজিত করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন খলিলুর রহমান।

প্রদত্ত ১৯০ ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট এবং কাকুরিস ৯১ ভোট পান।

খলিলুর রহমান ভবিষ্যতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন কি না—এশুধু প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর।

তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি নির্ধারিত হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য খলিলুর রহমানকে উল্লেখযোগ্য সময় নিউইয়র্কে থাকতে হবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে তিনি একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, যদি খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন, তাহলে তাকে নিউইয়র্কে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে হবে।

এক বছর নিউইয়র্কে অবস্থান এবং একজন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী নেতৃত্বে আমরা এই বিজয় অর্জন করেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কীভাবে পরিচালিত হবে, সে সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন।’

তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেই আমি সন্তুষ্ট।’

এই নির্বাচনের মাধ্যমে চার দশক পর আবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে ফিরল বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%