শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩২ পি.এম
দেশের সব জেলা পরিষদকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার, যাতে টেকসই জ্বালানি ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা যায়। আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জেলা পরিষদের স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের ১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনার আলোকে জারি করা চিঠিটি দেশের সব জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা আবশ্যক।
এতে জেলা পরিষদ ভবন, অডিটরিয়াম, ডাকবাংলো, হাট-বাজারসহ অন্যান্য ভবন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিটি স্থাপনায় ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপসহ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অথবা রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যয় করা যাবে।
এছাড়া, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্থাপনার নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে।
নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের জন্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে প্রাপ্য হবে। ফলে জেলা পরিষদগুলোর রাজস্ব আয় বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নির্দেশনায় স্বয়ংসম্পূর্ণ জেলা পরিষদগুলোকে তাদের নিজস্ব রাজস্ব ও এডিপির অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে এর সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় এমন জেলা পরিষদগুলো বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বাস্তবায়ন গাইডলাইন অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
সৌর প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছরের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্দেশনায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য জেলা পরিষদগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে ‘মেধাবৃত্তি-২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মধুপুর অডিটোরিয়াম হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক ডা. রেশমা আনাম রোজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার।
মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম ফজলুল হক, প্রধান আলোচক ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর মানবাধিকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক ডা. আসলামুল ইসলাম রুদ্র। আগত মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর বিজয় কৃষ্ণ দাশ,ডাঃ রোকসানা।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজাই প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, সহসভাপতি আনোয়ারা খন্দকার লিলি সরকার, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম. রতন হায়দার,পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না, ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ভিপি, পৌর বিএনপির সভাপতি এম. এ. ছোবহান, মধুপুর রানী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছেদ এবং বাংলাদেশ আইন-সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশন (বাসক), মধুপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আঃ হামিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হতে হবে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে তাদের আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ ও মনোযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই ‘মেধাবৃত্তি-২০২৫’ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ফ্রান্সের ডানপন্থী রাজনীতিক এরিক জেমুর শুক্রবার তার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বেকার বিদেশিদের, যারা বৈধভাবে বসবাস করছেন, তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রিকনকোয়েস্ট পার্টির নেতা জেমুর ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ স্থানে ছিলেন। তিনি বিএফএমটিভিকে বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হব।’
প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানায়।
আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ডানপন্থী প্রার্থী মেরিন লি পেন সবচেয়ে বড় সুযোগ দেখছেন। এরই মধ্যে জেমুর নির্বাচনী দৌড়ে যোগ দিয়েছেন। দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় লি পেনের সরকারি পদে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে জুলাইয়ে আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দেয়।
অভিবাসন বিরোধী ন্যাশনাল র্যালি পার্টির এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক গত দুই নির্বাচনে মাখোঁর কাছে রানারআপ হন। বিভিন্ন জনমত জরিপে আগামী নির্বাচনের প্রথম দফায় তাকে এগিয়ে রাখা হয়েছে।
জেমুর অভিবাসন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশিদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নীতি সমর্থন করেন। তিনি বলেন, ‘সব বিদেশি অপরাধীকে দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। তারা কারাগারে না থাকলেও।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই অনিবন্ধিত অভিবাসীদেরও ফেরত পাঠাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে যারা বেকার, তাদেরও ফেরত পাঠাতে হবে। যারা পুরোপুরি সরকারি কল্যাণ ভাতার ওপর নির্ভরশীল, তাদেরও ফেরত পাঠাতে হবে।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর জনমত জরিপেও আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় লি পেনকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে।
এ সপ্তাহের শেষে প্রকাশিত একটি জরিপে বলা হয়েছে, মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপ লি পেনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় যেতে পারেন। তবে এর জন্য তার মধ্যপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাব্রিয়েল আত্তালকে সরে দাঁড়াতে হবে।
অন্যথায় কট্টর বামপন্থী নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশঁ প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন লি পেন। ১৩ হাজার ভোটারের ওপর চালানো জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোর বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শুক্রবার অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা অভিযান পরিচালনা করেছেন। শহর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগুনের কারণে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বেশ কিছু মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, আগুনের লেলিহান শিখায় গাছপালা জ্বলছে এবং ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী রাতের আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে। এ সময় জরুরি সেবার যানবাহনের আলোও দৃশ্যমান ছিল।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃষ্টির অভাবে শুষ্ক হয়ে যাওয়া গাছপালা এবং প্রবল বাতাসের কারণে উত্তর কুইটোর কাসিতাগুয়া পাহাড়ে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ৪৮ জনকে এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।
কুইটো দমকল বিভাগ জানায়, বৃহস্পতিবারের মধ্যে নয়টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সাতটি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
দমকল বিভাগ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা আকাশ ও স্থলপথে কাজ করছি, যাতে ক্ষয়ক্ষতি বা আশপাশের বাড়িঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।’
দমকল বিভাগের কর্মকর্তা জেফারসন মেরা জানিয়েছেন, আগুন নেভাতে গিয়ে জরুরি সেবাকর্মীদের দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ডের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছু আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা খুবই কঠিন, কারণ সেখানে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন।’
কাসিতাগুয়া পাহাড় থেকে ওঠা আগুনের শিখা পুরো শহর থেকেই দৃশ্যমান ছিল। চলতি সপ্তাহে শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় আরেকটি দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় কুইটো আগে থেকেই সতর্ক অবস্থায় ছিল।
কুইটোর নিরাপত্তাপ্রধান ক্যারোলিনা আন্দ্রাদে বলেন, ‘এই আগুন রাজধানীর গাছপালার ওপর ‘অত্যন্ত গুরুতর ও ভয়াবহ প্রভাব’ ফেলেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ধারণা, ইতোমধ্যে প্রায় ২০০ হেক্টর এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে।’
তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আশপাশের বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর নেই।
শহর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কুইটোতে প্রায় ২০০টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এতে রাজধানীর প্রায় ১,২০০ হেক্টর বনভূমি ধ্বংস হয়েছে।
দাবানল সৃষ্টির অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালেও কুইটো কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ দাবানলের সম্মুখীন হয়েছিল। ওই সময় ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগানোর ঘটনায় ছয়জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: নাইজেরিয়ায় অবৈধ খননকাজের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক ৩৭ জন খনি শ্রমিকের মৃত্যুতে দেশের সরকার শুক্রবার একটি বেসামরিক নিরাপত্তা কমান্ডারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে এবং ‘পূর্ণাঙ্গ তদন্তের’ নির্দেশ প্রদান করেছে।
এই মৃত্যুর ঘটনা বৃহস্পতিবার নাইজার রাজ্যে ঘটে। একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তাদের রাখা হয়েছিল সেখানে অতিরিক্ত ভিড় এবং যথেষ্ট বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকার কারণে তাদের মৃত্যু ঘটেছে। লাগোস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
বেলজিয়ামের আয়তনের দ্বিগুণেরও বেশি আয়তনের নাইজার রাজ্যটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। সোনার সন্ধানে হাজার হাজার ক্ষুদ্র খনি শ্রমিক সেখানে কাজ করে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তদন্ত চলাকালীন নাইজেরিয়া সিকিউরিটি অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কোরের (এনএসসিডিসি) রাজ্য কমান্ডার সুবেরু সিয়াকা আনিভিয়েকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এনএসসিডিসি মানুষের জীবন এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ ও অবকাঠামো সুরক্ষায় কাজ করে, যা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পরিচালিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুবুনমি তুনজি-ওজো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। আর যার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেই কমান্ড্যান্টকে তদন্ত চলাকালে বরখাস্ত রাখা হবে।’
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজার রাজ্যের রাজধানী মিননায় এই ঘটনা ঘটার পর খনি শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠন এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এএফপির দেখা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে খোলা জায়গায় কয়েক ডজন তরুণের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের পরনে ছিল শুধু হাফপ্যান্ট। তাদের বেশিরভাগকেই কিশোর বলে মনে হয়েছে। পুলিশও এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।
কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা জানান, নাইজার রাজ্যের অবৈধ খনিগুলো থেকে সোনা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে ‘ব্যান্ডিট’ নামে পরিচিত অপরাধী চক্রগুলোর সহিংসতা বাড়ছে।
এই চক্রগুলো খনি শ্রমিকদের কাছ থেকে কর আদায় করে এবং খনিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার বিনিময়ে উত্তোলিত আকরিকের একটি অংশ দাবি করে।
২০২৪ সালের সুইসএইডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে উত্তোলিত সোনার বেশিরভাগই সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাচার করা হয়। সেখান থেকে তা ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ঢুকিয়ে বৈধ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ