বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৫৬ এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের প্রসপেক্ট হিল শহরে গোলাগুলির একটি ঘটনা ঘটেছে। এই গোলাগুলির ঘটনাটি একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘটে, যার ফলে সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং একজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার সকালে ৮টার (জিএমটি ১২:০০) ঠিক আগে জরুরি বার্তা পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ক্যাশওয়েল কাউন্টির শেরিফ টনি ডারডেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক এবং তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।
নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এসবিআই) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ একাধিক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে। তাদের মধ্যে একজনকে তাৎক্ষণিকভাবে ডিউক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং বাকিদের ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়।
তবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শেরিফ কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এর আগে এই পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় শেরিফ দপ্তরের যোগাযোগ বা কোনো ঝামেলা ছিল এমন কোনো রেকর্ড নেই।
বর্তমানে এসবিআই-এর অপরাধ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল থেকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনাটি পুরোপুরি পারিবারিক হওয়ায় সাধারণ জনগণের জন্য নতুন করে কোনো হুমকির আশঙ্কা নেই।
ঘটনার মূল কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও রাশিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। একই সঙ্গে, দুই দেশ জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
বিশেষ করে ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার কাজ অগ্রগতি লাভ করছে। এছাড়া, রাশিয়ায় দক্ষ ভারতীয় কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ দ্রুত বাড়ছে।
রাশিয়ায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় কুমার বুধবার এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য উপস্থাপন করেছেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট যৌথভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের লক্ষ্যে কাজ করছে।
সেই লক্ষ্যে উভয় দেশ কার্যকরীভাবে কাজ করে চলেছে। রাষ্ট্রদূত এই প্রসঙ্গে জানান, বর্তমানে যেসব খাতে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, নতুন নতুন খাতে সহযোগিতার সুযোগ খুঁজে দেখা হচ্ছে, যাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হয়।
বিনয় কুমার আরও বলেছেন, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বে জ্বালানি সহযোগিতা এখনো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তিনি তথ্য জানিয়েছেন, রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা রোসআতোম ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তার মতে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ৩ ও ৪ নম্বর ইউনিটের নির্মাণকাজে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেছেন।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান, গত কয়েক বছরে রাশিয়ায় ভারতীয় দক্ষ কর্মীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে ভারতীয় পেশাজীবীদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেছেন, দুই থেকে তিন বছর আগে রাশিয়ায় ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার ছিল। বর্তমানে, এই সংখ্যা বেড়ে এক লাখেরও বেশি হয়েছে। বিনয় কুমার বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে দুই দেশের চলমান সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি, নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হবে।
রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আগে এসেছে। ২০২৬ সালে ব্রিকসের চেয়ার দেশ হিসেবে ভারত আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে এই সম্মেলন আয়োজন করবে। সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত রাশিয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সব ধরনের প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক শেরপুরের নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আয়োজনে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কবিতা আবৃত্তি, হামদ-নাতসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসব অনুষ্ঠিত হয়।
সহকারী শিক্ষক শওকত আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সুপার মাওলানা ফজলুল করিম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. মোশারফ হোসাইন, সহকারী মৌলভী হযরত আলী ও মাহদী মাসুদসহ বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।
বক্তারা জাতীয় জীবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্যদেন। এ গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সত্যিকারের বৈষম্যহীন ও দুর্নিতীমুক্ত সমাজ এবং জনকল্যাণমূখী রাষ্ট্র বিনির্মাণে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তারা।
এসময় সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোসাম্মৎ রোকেয়া আক্তার, সহকারী শিক্ষক নুসরাত জাহান নিপা, জেসমিন আক্তার, আবু রায়হান, সহকারী মৌলভী ফুলেছা খাতুন, সবুজা খাতুন ও সোহাগী বেগম, সহকারী শিক্ষক তাহেরা সুলতানা, আবু রায়হান, মোজাহিদুল ইসলাম, আয়শা সিদ্দিকা, কব্দুল হোসেন, ইয়াছিন আহাম্মেদ, উজ্জল মিয়া, আরিফ হোসেন ও লাবনী বেগমসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে ফিফার টুর্নামেন্টের স্বত্ব বিক্রির বিতর্কিত প্রস্তাবকে ঘিরে সৃষ্ট ঝড়ের মাঝেই ফিফার সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো অবশেষে ক্ষমা চেয়েছেন। নিজের তৈরি পরিকল্পনায় ‘ভুল’ ছিল মেনে নিলেও তিনি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমর্থন পেয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতির দায়িত্বে বহাল আছেন।
মরক্কোর রাবাতে বুধবার ফিফার আফ্রিকা কার্যালয়ে গভর্নিং বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে এক জরুরি বৈঠকেই ইনফান্তিনো এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রস্তাবটি বাতিল করার পরও সমালোচনার মুখে পড়ে তিনি বাধ্য হয়ে বৈঠক ডাকেন। দীর্ঘ চার ঘণ্টার বৈঠকের পর বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি সভাপতি ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়ে একটি বিবৃতি দেয়।
নতুন একটি সংস্থা ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই)-এর মাধ্যমে পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বেসরকারি বিনিয়োগ আনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো।
এমনকি যে সদস্য দেশগুলো এই প্রস্তাবে রাজি হবে, তাদের প্রত্যেককে চার কোটি ডলার (প্রায় ৩ কোটি পাউন্ড) দেয়ার প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শুরু হয় বিতর্ক। গত ২৮ জুলাই ব্রিটিশ দৈনিক ‘দ্য টাইমস’-এ পরিকল্পনাটি ফাঁস হওয়ার পর ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। সপ্তাহান্তে উয়েফা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, তারা ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারিয়েছে।
একই সঙ্গে তারা এই প্রস্তাবকে একটি ‘অস্বচ্ছ ও অসাধু অনাকাক্সিক্ষত চুক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।
ফিফার ভেতরে প্রতিবাদের সুরও উঠেছে। সংস্থার মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রম স্বয়ং মঙ্গলবার কর্মচারীদের কাছে পাঠানো এক অভ্যন্তরীণ চিঠিতে পুরো ঘটনাকে ‘একটি দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।
কিন্তু বুধবারের বৈঠকের পর সেই চিত্র অনেকটা বদলে যায়। যৌথভাবে এক বিবৃতিতে গ্রাফস্ট্রম ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের ‘পূর্ণ সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করেন।
পরবর্তীতে ফিফার সহ-সভাপতি, কাউন্সিল সদস্য ও ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের কাছে পাঠানো একটি যৌথ চিঠিতে ইনফান্তিনো ও গ্রাফস্ট্রম নিজেদের ভুলের জন্য ‘আন্তরিকভাবে ক্ষমা’ চান এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকের পর তাদের দুজনকে রাবাতে উইমেনস আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের একটি ম্যাচ একসঙ্গে উপভোগ করতেও দেখা যায়।
ফিফার বিবৃতিতে জানানো হয়, সভায় এফএফই সম্পর্কিত ‘ভুলগুলো’ স্বীকার করা হয়েছে। কাউন্সিলের সদস্য ও বিভিন্ন ফুটবল সংস্থাকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা বা তাদের এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না বলেও দাবি করে সংস্থাটি। গণমাধ্যমে খবর ফাঁস হওয়ার পর পরিস্থিতি যেভাবে সামাল দেওয়া হয়েছে, সেখানে অযথা ত্রুটি ছিল বলেও তারা মেনে নেয়।
কিন্তু একই সঙ্গে ফিফা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে যে, সংস্থার ভাবমূর্তি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ আর সহ্য করা হবে না এবং সুনাম রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকায়, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগতভাবে বেড়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে টানা কয়েক দিন ঢাকার বাতাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল।
কিন্তু, বায়ুদূষণের তালিকায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশির রাজধানী ঢাকা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। ঢাকার বায়ুমান স্কোর ১৪৭, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুসারে, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড, যার বায়ুমান স্কোর ১৬৮। এই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা, যার স্কোর ১৬০। তৃতীয় স্থানে কঙ্গো রাজধানী কিনশাসা আছে, যার বায়ুমান স্কোর ১৫৯, এটি ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত। এছাড়া, তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার মেদান, যার বায়ুমান স্কোর ১৩১।
আইকিউএয়ারের স্কোরের মান অনুযায়ী, ০ থেকে ৫০ স্কোর ভাল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর মাঝারি হিসেবে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।
এছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ মনে করা হয় এবং এতে শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতর এবং অন্যদের বাড়ির বাইরে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ