ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ঘুমন্ত স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী গুরুতর আহত


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ঘুমন্ত স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী গুরুতর আহত

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। এই নারীর নাম লিমা আক্তার (৩০)। এই ঘটনায় নিহতের স্বামী মোহাম্মদ জসিম (৩৬) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দরিয়ানগর বড় ছড়া এলাকায় এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। লিমা ও জসিম ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং তারা পেশায় সমুদ্রসৈকতের ফিশ ফ্রাই বিক্রেতা।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণ চলছে। এই পরিস্থিতিতে, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছিল এই দম্পতি ও তাদের দুই সন্তান। ঘটনার সময় সন্তানরা ঘরের বাইরে থাকলেও স্বামী এবং স্ত্রী দুজনেই ঘরের ভিতরে ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ বিকেল ৩টার দিকে চারটি বড় আকৃতির গাছসহ পাহাড়ের একাংশ তাঁদের ঘরের ওপর ধসে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে মাটির নিচে চাপা পড়ে তারা দুজনেই।

আরও পড়ুন: জামায়াতকে দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে: জুবায়ের

এর পর স্থানীয়রা দ্রুত মাটি সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। তবে, এর আগেই লিমা আক্তারের মৃত্যু হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় জসিমকে তড়িঘড়ি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এদিকে, পাহাড় ধসের খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের টিম। পরবর্তী দুর্ঘটনা এড়াতে আশপাশের এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে এবং পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এর আগে, সোমাবর (৬ জুলাই) টানা বৃষ্টির ফলে পাহাড় ধসে কক্সবাজারে ১০ জনের মৃত্যু ঘটে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আটজন মারা যান।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেত্রীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নাম বদলেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নাম বদলেছে

বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষায়িত সংস্থা অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ) রাখা হয়েছে।

এদিকে, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট ডিএমপি (এসসিইউ-ডিএমপি) করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) পুলিশ সদর দফতর সূত্রে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এটা আগে জানা যায় যে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী সংস্থা অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম পরিবর্তনের সঙ্গে সাথে তাদের দায়িত্বের পরিধিও বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতার (পিএইচকিউ) গত ৭ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক প্রস্তাবে এটিইউর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ)’ করার অনুমোদনের জন্য অনুরোধ করা হয়। তাঁদের যুক্তিতে বলা হয়, দেশে এবং বিশ্বে নিরাপত্তা হুমকির ধরন দ্রুত বদলাতে চলেছে। সহিংস উগ্রবাদের পাশাপাশি নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আরও একটা বিস্তৃত কাঠামো প্রয়োজন।

৮ জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে পাঠানো আরেকটি চিঠিতে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি (এসএসইউ-ডিএমপি)’ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়া, পুলিশ সদর দফতরের (মিডিয়া) সূত্র জানায়, ইউনিটগুলোর কার্যকারিতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের মূল নিরাপত্তাসংক্রান্ত দায়িত্বও একই রকম থাকবে।

নতুন নামের অধীনে পরিচালিত হলে, অতীতে বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত অভিযোগ থেকে সংস্থাগুলো বেরিয়ে এসে জনআস্থা পুনর্গঠনে সক্ষম হবে বলেও পুলিশ সদর দফতরের অভিমত।

পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) পক্ষ থেকে অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেটের ব্যাপক বিস্তার ও তথ্যের দ্রুত প্রবাহের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

২০১৬ সালে ঢাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার (যেখানে ১৭ জন বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জন নিহত হন) প্রেক্ষাপটে এটিইউ গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই ইউনিটে অনুমোদিত জনবল রয়েছে ৬২০ জন। এরপর থেকে এটিইউ সারা দেশে বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে, উগ্রবাদী ও জঙ্গি সংগঠনগুলো বর্তমানে আরও আধুনিক কৌশলে হামলার পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন করছে। তাদের লক্ষ্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করা। এছাড়া বলা হয়েছে, এসব গোষ্ঠী ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষকে নিজেদের দলে টানে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তরুণদের উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করে গোপন ‘স্লিপার সেল’-এ যুক্ত করছে।

এসব পরিবর্তিত হুমকি মোকাবেলায় এটিইউকে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিটে (এসএসইউ) রূপান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নতুন কাঠামোতে ইউনিটটি শুধু জঙ্গিবাদ দমনই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, জাতীয় স্থিতিশীলতা এবং জননিরাপত্তা রক্ষায়ও বিস্তৃত ভূমিকা পালন করবে।

প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট’ নামটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। এটি বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা আরও সহজ করবে এবং দেশের অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ও বাড়াবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনলাইনে পরিচয়, চার বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে দুইজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


অনলাইনে পরিচয়, চার বছর পর বিয়ের পিঁড়িতে দুইজন

চার বছরের প্রেমের পর অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বলিউড প্রযোজক অংশুলা কাপুর এবং তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী রোহন ঠাক্কর। গতকাল সোমবার, মুম্বাইয়ের তাজ ল্যান্ডস এন্ড-এ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় তাঁদের বিয়ে, হিন্দু রীতিতে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বিয়ের প্রথম ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, পবিত্র অগ্নিকে সাক্ষী রেখে নবদম্পতি সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন। হাসি, আনন্দ এবং একে অপরের দিকে ভালোবাসাভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে তাঁরা জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেন।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় যে, বিয়ের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনও সম্পন্ন করছেন অংশুলা ও রোহন। এদিন অংশুলার পরনে ছিল হালকা গোলাপি ও আড়ু রঙের লেহেঙ্গা, এবং রোহন পরেছিলেন আইভরি-সোনালি রঙের শেরওয়ানি। বিয়ের নথিতে স্বাক্ষর করার পর পরিবারের এক প্রবীণ সদস্যের আশীর্বাদও নেন নবদম্পতি।

এই আয়োজনে কাপুর পরিবারের প্রায় সবাই উপস্থিত ছিল। অতিথিদের মধ্যে অনিল কাপুর, অর্জুন কাপুর, জাহ্নবী কাপুর, খুশি কাপুর, মহীপ কাপুর, শানায়া কাপুর, সোনম কাপুর, রিয়া কাপুর, হর্ষবর্ধন কাপুর, শাবানা আজমী এবং কারিশমা কাপুর ছিলেন।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, অর্জুন কাপুর ব্যক্তিগতভাবে সংবাদমাধ্যম ও আলোকচিত্রীদের অনুরোধ করেছিলেন, যেন তাঁরা অনুষ্ঠানস্থলে ভিড় না করেন। কারণ, বিয়েটি একান্তই পারিবারিক পরিসরে রাখতে চেয়েছিলেন তাঁরা। মঙ্গলবার একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানা গেছে। সেখানে চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক তারকার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিয়ের উৎসব শুরু হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ আগেই। গত ২১ জুন রোহনের পরিবারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ‘মাতা কি চৌকি’। এরপর ছিল মেহেদি অনুষ্ঠান, যার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে জাহ্নবী ও খুশি কাপুরের পরিকল্পনায় আয়োজন করা হয় অংশুলার চুড়া ও কালিরা পরানোর অনুষ্ঠানও।

মেহেদি অনুষ্ঠানের পর ইনস্টাগ্রামে দুই বোনকে ধন্যবাদ জানিয়ে অংশুলা লিখেছিলেন, জাহ্নবী ও খুশি তাঁর কল্পনারও বাইরে একটি সুন্দর আয়োজন করেছেন। প্রতিটি ছোট্ট বিষয়েও তাঁদের ভালোবাসা এবং যত্নের ছাপ ছিল। ফলে তিনি কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়াই পুরো আয়োজন উপভোগ করতে পেরেছেন।

অংশুলা এবং রোহনের সম্পর্কের শুরু ২০২২ সালে, একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সেন্ট্রাল পার্কে অংশুলাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রোহন। সেই মুহূর্তকে ‘জাদুর মতো’ বলে বর্ণনা করেছিলেন অংশুলা। প্রস্তাবের ছবি প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের প্রথম কথা হয়েছিল রাত ১টা ১৫ মিনিটে। টানা কয়েক ঘণ্টা কথা বলার পর শুরু হয়েছিল সম্পর্ক। তিন বছর পর একই সময়ের স্মৃতি মনে রেখেই নিউইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রোহন।

অংশুলার ভাষায়, তিনি রূপকথার গল্পে কখনো খুব একটা বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু রোহনের পরিকল্পনা এতটাই আন্তরিক এবং ব্যক্তিগত ছিল যে, তিনি চোখের জল, হাসি এবং আবেগের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ বলে দেন। প্রযোজক বনি কাপুর এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরি কাপুরের মেয়ে অংশুলা কাপুরকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘দ্য ট্রেইটর্স’–এ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেইমারকে আবারও মাঠে ফিরতে অনুরোধ করেন তার বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


নেইমারকে আবারও মাঠে ফিরতে অনুরোধ করেন তার বাবা

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল, নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর। সঙ্গে শেষ হলো নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার। এ পরিস্থিতিতে বিদায়ের মুহূর্তে এই তারকা ফুটবলার মাঠে বসে অঝোরে কাঁদছেন। তবে এবার নেইমারকে নতুন ভাবে শুরু করার পরামর্শ দিয়েছেন তার বাবা, সিনিয়র নেইমার।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি নেইমারের ফুটবলজীবনের শুরু থেকে বর্তমানের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন।

তিনি লেখেন, 'বাবা, কী অসাধারণ এক যাত্রা! কত সুন্দর একটি পথ; যেখানে ছিল চ্যালেঞ্জ, ছিল কষ্ট, কিন্তু ছিল ঈশ্বরের অশেষ আশীর্বাদও।'

নেইমারের বাবা উল্লেখ করেন যে, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাদের পরিবার নিজেদের বিশ্বাস এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। যদিও অনেক সময় প্রত্যাশার বিপরীতে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে, তারা বিশ্বাস রেখেছেন এবং সেই বিশ্বাসের ফলও পেয়েছেন।

ছেলের ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপের স্মৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথম গোল, প্রথম সাফল্য, পেশাদার ফুটবলে অভিষেক, বড় বড় স্টেডিয়াম, শিরোপা, ব্রাজিল জাতীয় দলের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি; সবকিছুরই সাক্ষী তিনি। তবে তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো একজন বাবা হিসেবে প্রত্যেক মুহূর্তে সন্তানের পাশে থাকতে পারা।

বার্তার এক পর্যায়ে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে তিনি অনুরোধ করেন, বাবা, ফুটবল খেলা চালিয়ে যাও। আবারও বল পায়ে খেলার আনন্দ খুঁজে নাও এবং মাঠে হাসিমুখে ফিরে এসো। ঈশ্বর তোমাকে সুস্থ করে আরেকটি সুযোগ দিয়েছেন।

তিনি আরো লেখেন, সমালোচনা, প্রত্যাশা কিংবা জীবনের নানা চাপ নিজের কাঁধে বহন করো না। সব সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে থাকে না, কিছু সিদ্ধান্ত শুধুই ঈশ্বরের। আজকের একটি সিদ্ধান্ত তোমার পুরো জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে না। কোন একটি স্বপ্ন পূরণ না হওয়া মানে অন্তত এই নয় যে সেটি শেষ হয়ে গেছে।

ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে নেইমারের বাবা বলেন, সামনের দিনগুলোর দিকে ভয় পেয়ো না। আজেকে বাঁচো, অনুশীলন করো, খেলো, হাসো, সন্তানদের সময় দাও এবং পরিবারের ভালোবাসো। বাকিটা ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দাও।

বার্তার শেষ অংশে তিনি বলেন, ট্রফি, গোল কিংবা খ্যাতির চেয়েও তিনি দেখেছেন ঈশ্বরের অলৌকিক আশীর্বাদ। তার বিশ্বাস, নেইমারের জীবনে আরও অনেক সুন্দর অধ্যায় এখনও লেখা বাকি। মনে রেখো, পৃথিবী তোমাকে ভালোবাসার আগেই ঈশ্বর তোমাকে ভালোবেসেছেন।

তিনি জানান, এবং বাবা হিসেবে আমি সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত; প্রতিটি সফর, প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি দুশ্চিন্তা এবং প্রতিটি প্রার্থনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ১৫০০ টাকার দ্বন্দ্বে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


ঢাকায় ১৫০০ টাকার দ্বন্দ্বে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন

রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের একটি বাসায় মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকার চুরির কারণে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির নাম সুমন (৪২) ছিল। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের জমিদার গলির একটি বাড়ির চতুর্থ তলার বাসায় এই নির্মম ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নিহত সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে নাজিমউদ্দিন রোডের ওই বাসাটিতে বসবাস করতেন।

হাসপাতালে সুমনকে নিয়ে আসা তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তার জানিয়েছেন, সোমবার (৬ জুলাই) রাতে সুমন তার বাসায় গিয়েছিলেন। এরপর বাসা থেকে তার ১ হাজার ৫০০ টাকা চুরি হয়ে যায়। একই রাতে তিনি সুমনকে বাথরুমে মাদক সেবন করতে দেখেন। এই টাকা চুরি ও মাদক সেবনের বিষয়ে সকালে তাদের মধ্যে তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিমাকে ব্যাপক মারধর করেন এবং তার পেটে কামড় দেন। পরে তিনি লোহার তৈরি একটি ধারালো বস্তু এনে নাসিমাকে আঘাত করার চেষ্টা করেন।

নাসিমা আরও জানান, মারধরের আত্মরক্ষার্থে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই ধারালো বস্তুটি সুমনের বুকেই বিদ্ধ হয়ে যায়। এতে সুমনের বুক থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে নাসিমা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, সুমনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের বুকের বাম পাশে একটি গভীর জখম রয়েছে। বিষয়টি বংশাল থানার পুলিশ তদন্ত করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%