বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৩১ পি.এম
আসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সংগঠন ‘বাংলাদেশ আসক্তি পেশাজীবী সংগঠন’ বা Bangladesh Addiction Professionals-এর তৃতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রতি। সভায় জাকিউল আলম মিল্টনকে সভাপতি এবং সায়মা শ্রাবণীকে সাধারণ সম্পাদক করে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক বছরের জন্য নতুন কমিটিও গঠন করা হয়।
দেশের মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত ও প্রাণবন্ত আলোচনাসভাটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২২ আগস্ট ঢাকার মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মিলনায়তনে।
আহ্বায়ক কমিটির ডা. রাহানুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান পরামর্শক ডা. কাজী লুৎফূল কবীর।
আলোচনাকালে আসক্তি চিকিৎসায় পেশাগত মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ‘বাংলাদেশ আসক্তি পেশাজীবী সংগঠন’ এর আগামী এক বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করা, পেশাজীবীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশের আসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থাকে আরও মানসম্মত করার লক্ষ্যে এই কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে।
সভায় বক্তারা বলেন, আসক্তি একটি জটিল ও বহুমাত্রিক সমস্যা। এর কার্যকর চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানী, কাউন্সেলর, সমাজকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকল পেশাজীবীর সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তাই একটি শক্তিশালী পেশাজীবি সমাজ বা professional community গড়ে তোলার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Bangladesh Addiction Professionals ভবিষ্যতেও পেশাগত উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও recovery-কে আরও কার্যকর ও মানবিক করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয় সভায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার অনড় অবস্থানে আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
এসময় ভারতের সঙ্গে গঙ্গা চুক্তির নবায়ন এবং তিস্তা প্রকল্পে চীনের সঙ্গে কারিগরি মূল্যায়ন শুরু করার বিষয়ে সরকারের সাম্প্রতিক নানা কৌশলী পদক্ষেপ তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
গঙ্গা চুক্তির বিষয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে একটি নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করা হয়েছে এবং ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়ে জবাবের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
এরপর তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে তিনি জানান, বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সঙ্গে টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন বা কারিগরি মূল্যায়নের প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে শুরু হয়েছে। অচিরেই এই মূল্যায়ন কাজ শেষ করে পরবর্তী বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার।
জলবায়ু এবং পানিপ্রবাহ অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে নদীর পানির অধিকার রক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ধারাবাহিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে এসময় আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করাই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, যৌন হয়রানি সংক্রান্ত সকল অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মক্ষেত্র, জনপরিসর ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কমিটি গঠন করা হলেও ইউজিসির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব কমিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি কার্যকর করতে হবে।’
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিযোগ গ্রহণ, প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউজিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতীয় পর্যায়ে একটি তদারকি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা বলেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত ও উচ্চশিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের এই যৌথ উদ্যোগ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের ১৬ শতাংশই প্রদেয় প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির প্রধান, ইউজিসি এবং ইউএন উইমেনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে ভয়াবহ হড়কা বান ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবারের বিধ্বংসী বন্যার পর বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত দেশটির আটটি জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজদের সন্ধানে পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালি পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত মৃতের সংশোধিত সংখ্যা ৩৫৯ জনে পৌঁছানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, রাসুয়ায় ১৭টি, নুয়াকোটে ২৮টি, ধাদিঙে ৩৩টি, চিতওয়ানে ১৩২টি, গোর্খায় ৩০টি, তানাহুনে ২২টি, নওয়ালপরাসি পূর্বে ৮২টি এবং নওয়ালপরাসি পশ্চিমে ১৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে চিতওয়ান ও নওয়ালপরাসি পূর্ব জেলায়। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং বন্যার পানিতে আটকে পড়া ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ চলছে।
পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় করে নদীর তীরবর্তী এলাকা, ধ্বংসস্তূপ এবং দুর্গম স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংসাবশেষে অবরুদ্ধ সড়কগুলোও পরিষ্কার করার কাজ চলছে।
বুধবার নেপালের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর বন্যার পানি ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীপ্রবাহ ধরে দ্রুত ভাটির দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে নদীর তীরবর্তী জনবসতি, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভোটেকোশি নদীর উজানে স্থাপিত কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় বন্যা-পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রও পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে। ফলে আকস্মিক বন্যার শুরুতে এসব কেন্দ্র থেকে স্বাভাবিক সতর্কবার্তা পাওয়ার ব্যবস্থা ব্যাহত হয়।
এর আগে কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছিল, বন্যায় শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৮২৬ জনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কথা জানানো হয়। তাঁদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাকর্মী এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
বন্যার ভয়াবহতায় নেপালের রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান, গোর্খা, তানাহুন এবং নওয়ালপরাসিসহ একাধিক জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি নিখোঁজদের শনাক্ত ও তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেতা অনুপম খের। তিনি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তাদের একা না থাকার বিষয়টিতে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া একটি বার্তায় অনুপম খের নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর দুঃখ ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আকস্মিক বন্যার ফলে অনেকের জীবন হারিয়েছে, পরিবারগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
তিনি লেখেন, "কিছু মুহূর্তের মধ্যে একজন মানুষের নিজের বলে পরিচিত সবকিছু হারিয়ে যাওয়ার কথা ভাবাও হৃদয়বিদারক।"
দুর্যোগে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অনুপম খের বলেন, যারা এখনো নিখোঁজ স্বজনের অপেক্ষায় আছেন, তারা যেন দ্রুত তাদের প্রিয়জনের সন্ধান পান। যারা সবকিছু হারিয়েছেন, তাদের যেন আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহায়তা মেলে—এমন প্রার্থনাও করেন তিনি।
অভিনেতা আরও বলেন, "এই কঠিন সময়ে বিশ্ববাসীর উচিত সহমর্মিতা ও দ্রুততার সঙ্গে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।" তিনি উল্লেখ করেন, যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা করলে এই সংকট মোকাবেলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় সড়ক, সেতু ও ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার অভিযানও চলছে। সর্বশেষ প্রতিবেদনে নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরো বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে অনুপম খেরের বার্তায় শোকের পাশাপাশি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও উঠে এসেছে। তিনি প্রার্থনা করেন, এমন দুঃসময়ে সবচেয়ে জরুরি হলো—ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ যেন নিজেকে একা মনে না করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ