ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতা গ্রেপ্তার


টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতা গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে হওয়া মামলার প্রেক্ষিতে ডিএম সুপ্ত নামের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাতের দিকে উপজেলার নলুয়া গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ডিএম সুপ্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডিএম শরীফুল ইসলাম শফীর পুত্র। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: দুমকীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ র‍্যালিতে মোঃ কামরুল ইসলাম মুন্না

সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরীফুল ইসলাম আশিক জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা মামলার আসামি হিসেবে ডিএম সুপ্তকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার তিন এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


ঢাকার তিন এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৩ জন

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম, তুরাগ এবং বংশাল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার (১৯ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানিয়েছেন।

উত্তরা পশ্চিম থানার বরাত দিয়ে নিয়াজ মেহেদী বলেন, গতকাল শনিবার (১৮ জুলাই) উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অত্র থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. তাহিন (২৫), মো. শাজাহান আকন্দ (৩৫), মো. তুহিন হোসেন (১৯), মো. সায়িম হোসেন (১৯), ইমন (২৮), রকিবুল ইসলাম পবন (২৮), মো. হৃদয় মিয়া (২৪), রহমত ‍উল্লাহ (২৪), মো. জয় (১৯), মো. ফরহাদ হোসেন (১৯), মো. টিটু মিয়া (১৯), মো. মামুন (১৯), মো. হাসান (২৫), মো. বিপ্লব (১৯) এবং মো. বাহার উদ্দিন (২৬)।

একই সময়ে, তুরাগ থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. বকুল মিয়া (২৪), মো. নুরুজ্জামান (২৩), মো. আনিছুর রহমান (৩০), মামুনুর রশিদ (৪০), মো. হোসেন (২৮), সোহরাব (২৫), মো. হৃদয় (২৩), মো. আল-আমিন (৩২), সোহেল আহম্মোদ (৪১), নিজাম উদ্দিন খোকন (৪০) এবং আব্দুল ওয়াহাব (৪০)।

এছাড়াও, বংশাল থানা পুলিশ ওই থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছেন মো. শামসু (৪৫), মো. আবুল হোসেন (৭০), সাদেকুর রহমান (৫০), মো. রায়হান ইসলাম সেজান, মো. সুমন (৪৮), মো. রুবেল (৩৮) এবং মাহাবুব হাসান সুজাল (২১)।

গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনাল ঘিরে মাদারীপুরে স্পেন সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ফাইনাল ঘিরে মাদারীপুরে স্পেন সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আয়োজন

বিশ্বকাপ ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে সারাদেশের মতো মাদারীপুরের শিবচরেও ফুটবল ঝড় এখন চরমে। বিশেষ করে শিবচরের কাদিরপুর এলাকার স্পেন সমর্থকদের উৎসাহ-উদ্দীপনা এখন চোখে পড়ার মতো মনে হচ্ছে। ১৯০০০০ হাজার টাকা মূল্যের মহিষ জবাই করে স্থানীয় স্পেন সমর্থকরা কয়েকশ ফুটবলপ্রেমীর জন্য এলাহী ভূরিভোজের আয়োজন করেছেন।

জানা গেছে, টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই কাদিরপুরের স্পেন সমর্থকরা বিশাল বিশাল পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন সাজিয়ে নিজেদের দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। স্পেন ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পর সেই আনন্দ যেন আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

আয়োজনটি সফল করতে প্রধান অর্থায়ন করেছেন স্পেন প্রবাসী রবি হাওলাদার ও শাহিন মাদবর এবং কানাডা প্রবাসী মো. কালাম। আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন স্থানীয় সমাজসেবক আব্দুল গাফফার মুন্সী সোহাগ।

আয়োজকরা গণমাধ্যমকে জানান, ফাইনালকে রাঙিয়ে রাখতে বিশেষ যত্নে কুষ্টিয়া থেকে মহিষটি কিনে আনা হয়েছে। ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দামের এই মহিষে প্রায় ছয় মণ (২৪০ কেজি) মাংস রয়েছে।

রাতে বড় পর্দায় খেলা দেখার পাশাপাশি এই ভূড়িভোজে অংশ নেবেন স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা।

স্থানীয় স্পেন সমর্থকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই স্পেনকে সমর্থন দিয়ে আসছি। এলাকায় বড় বড় পতাকা টাঙানো হয়েছে। আজ কাদিরপুর বাজারে মহিষের মাংস দিয়ে বিশাল ভূরিভোজ হবে, সেই সাথে বড় পর্দায় খেলা দেখার সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে।

মূল আয়োজক আব্দুল গাফফার মুন্সী সোহাগ বলেন, আমরা যারা স্পেনের সমর্থক ও প্রবাসী রয়েছি, সবার সহযোগিতায় এই আয়োজন। তবে এই আনন্দ কেবল আমাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রাতের ভূরিভোজে আমরা আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ইংল্যান্ডসহ অন্যান্য দলের সমর্থকদেরও সগৌরবে নিমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা সবাই মিলেমিশে একই সঙ্গে ফাইনাল খেলা উপভোগ করব। তবে মাঠে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে স্পেনই চ্যাম্পিয়ন হবে।

খেলাধুলার এমন উৎসবমুখর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আয়োজন কাদিরপুর এলাকায় এক চমৎকার সম্প্রীতির আবহ তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের কারণে প্লাস্টিক সংকট, মিসরের ‘গারবেজ সিটি’র ব্যবসায়ীদের রমরমা ব্যবসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ইরান যুদ্ধের কারণে প্লাস্টিক সংকট, মিসরের ‘গারবেজ সিটি’র ব্যবসায়ীদের রমরমা ব্যবসা

কায়রোর ‘গারবেজ সিটি’র সরু গোলকধাঁধার মতো গলিগুলোতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবসায়ী পিটার রোমানির।

ইরান যুদ্ধের কারণে কাঁচামালের সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তার কারণে বিভিন্ন কারখানা এখন তাকে নিয়মিত ফোন করে প্লাস্টিকের খোঁজ করছে। ২৫ বছর বয়সী রোমানি মিসরের শতাধিক পুনর্ব্যবসায়ী ও উৎপাদনকারীদের মধ্যে একজন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্লাস্টিক তৈরির কাঁচামাল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, তারা ব্যবসায় বড় ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন।

কায়রো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানাচ্ছে। এই প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু পূর্ব কায়রোর বিস্তীর্ণ এলাকা মানশিয়েত নাসের। এই স্থানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আবর্জনা সংগ্রহকারীরা বিশ্বের অন্যতম উন্নত অনানুষ্ঠানিক পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন।

চাপ দিয়ে বাঁধাই করা প্লাস্টিকের বিশাল স্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে রোমানি এএফপিকে বলেন, ‘যুদ্ধের আগে আমাদেরই কারখানাগুলোকে ফোন করে আমাদের মাল বিক্রির চেষ্টা করতে হতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কারখানাগুলোই আমাদের ফোন করছে। তারা জানতে চায়, কত মাল আছে? আজই সরবরাহ করা যাবে? আগে এমনটা কখনো হয়নি।'

-আবর্জনার ওপর গড়ে ওঠা জনপদ-

মানশিয়েত নাসেরে এক লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস রয়েছে। মোকাত্তাম পাহাড়ের নিচে এবং কায়রোর ঐতিহাসিক সিটাডেলের বিপরীতে এই এলাকায় প্রধানত কনক্রেট ক্রিশ্চান জনগণের বসবাস। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কায়রোর মোট বর্জ্যের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

এখানে একই ছাদের নিচে বসবাস ও কাজ করেন পরিবারগুলোর সদস্যরা। অনেক সময় তাদের থাকার জায়গা ও আবর্জনার স্তূপের মধ্যে ব্যবধান বলতে থাকে শুধু একটি সিঁড়ি বা একটি পর্দা। ফলে, তাদের দুর্গন্ধ, প্লাস্টিকের ধোঁয়া এবং নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে থাকতে হয়।

নিচতলায় পুরুষেরা প্লাস্টিক, কার্ডবোর্ড, কাগজ, ধাতু ও কাচ আলাদা করে স্তূপে সাজান। পরে এগুলো কারখানায় পাঠানো হয়। অন্যদিকে, ওপরতলায় শিশুরা পড়াশোনা করে। মায়েরা রান্না করেন। ছোট ছোট বসার ঘরে টেলিভিশন চলে। আর নিচতলায় প্লাস্টিক কুচি করার যন্ত্র ও বেলিং প্রেসের অবিরাম শব্দ শোনা যায়।

পুরো এলাকায় আবর্জনার গন্ধ ভাসতে থাকে। সরু গলিতে ধীরে ধীরে পিকআপ ভ্যান ও হাতগাড়ি চলে। দিনের সংগ্রহ করা আবর্জনা নামানো হয়। আর সেগুলোর ফাঁকেই শিশুদের ফুটবল খেলতে দেখা যায়।

-আগাম অর্থ পরিশোধ-

রোমানি মূলত পুনর্ব্যবহারযোগ্য পলিইথিলিন নিয়ে কাজ করেন। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্লাস্টিকগুলোর একটি এবং প্যাকেজিং শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল।

মূল্য নির্ধারণকারী সংস্থা ইন্ডিপেনডেন্ট কমোডিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসেস (আইসিআইএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য পলিথিলিনের অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক সরবরাহকারী। এই অঞ্চলের প্রায় ৮৫ শতাংশ রপ্তানি হরমুজ প্রণালী দিয়ে হয়ে থাকে।

মিসরের কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ চেম্বারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটি প্লাস্টিক শিল্পের প্রায় ৪০ শতাংশ কাঁচামাল আমদানি করে। এর বেশির ভাগ আসে উপসাগরীয় দেশ, ইউরোপ, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে।

শিল্প খাতের তিনটি সূত্র এএফপিকে জানায়, কিছু পণ্যের প্যাকেজিং ও প্লাস্টিকের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ফলে উৎপাদকরা স্থানীয়ভাবে পুনর্ব্যবহার করা প্লাস্টিকের দিকে ঝুঁকছেন। মূলত পানীয় ও খাদ্যপণ্যের মোড়কে ব্যবহৃত পিইটি প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারকারী রিজক ইউসুফ বলেন, যেসব কারখানা আগে অর্থ পরিশোধ করতে দেরি করত, তারা এখন কাঁচামাল নিশ্চিত করতে আগাম টাকা দিচ্ছে। তিনি এএফপিকে বলেন, চাহিদা তিন গুণ বেড়েছে। আর কিছু পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের দাম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

-সাময়িক উল্লম্ফন?-

এই সরবরাহ সংকট পুরো উৎপাদন শৃঙ্খলে স্থানীয় ব্যবসার জন্য ইতিবাচক হয়ে উঠেছে। সাদাত সিটি কেমিক্যাল ফাইবার ফ্যাক্টরির প্রধান নির্বাহী ফাইরুজ এল-সাইয়েদ বলেছেন, তাদের প্রতিষ্ঠান ১৬ বছর ধরে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল থেকে পলিয়েস্টার ফাইবার তৈরি করছে। তিনি জানান, সর্বশেষ সংকটের পরেই তারা ব্রাজিলের মতো দূরবর্তী বাজারেও প্রবেশ করতে পেরেছেন।

প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে নতুন প্যাকেজিং উপকরণ তৈরি করার প্রতিষ্ঠান ইউফ্লেক্স ইজিপ্টের জ্যেষ্ঠ বিপণন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপক নেসমা এলআরিফ জানিয়েছেন, তাদের পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্যের চাহিদা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। তবে শিল্পসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে এই ব্যবসায়িক উল্লম্ফন স্থায়ী নাও হতে পারে। ইউসুফ জানিয়েছেন, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে বলে ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই দাম ও চাহিদা কমতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘মাত্র একটি পোস্টেই বাজার বদলে গেছে। যুদ্ধ শেষ হলে এই অবস্থা থাকবে কি না, আমি নিশ্চিত নই।’

তবে চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করছে এবং হরমুজ প্রণালীর ‘নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে।’ দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষও শুরু হয়েছে। রোমানি ও ইউসুফ দুজনই বলেছেন, এরই মধ্যে আবার অর্ডার বাড়তে শুরু করেছে। ইউসুফ বলেন, ‘এখন আমরা এতে অভ্যস্ত। ওখানে যখনই কোনো সমস্যা হয়, ক্রেতারা আমাদের ফোন করতে শুরু করেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার বাসিন্দারা চায় ফাইনালে শেষ হাসি স্পেনই হাসুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


গাজার বাসিন্দারা চায় ফাইনালে শেষ হাসি স্পেনই হাসুক

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা। বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল মহারণ ঘিরে গোটা বিশ্ব যখন কাঁপছে, তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকাতেও ফুটবল উন্মাদনার এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মতো নয়, গাজাবাসীর এই উন্মাদনার পেছনে রয়েছে অন্য এক আবেগ। তারা ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে চলা স্প্যানিশ দলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন উজাড় করছেন।

এই সমর্থনের মূল কারণ খেলার মাঠের বাইরে, স্পেনের রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থান। ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতার সময় স্পেনের সরকার ও দেশটির ক্রীড়াবিদদের ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান গাজার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ আগ্রাসনে গাজার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সংকট আর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে যেখানে একটি ম্যাচ দেখা মুশকিল, সেখানে ফুটবলকে আঁকড়ে ধরে ক্ষণিকের জন্য দুঃখ ভুলতে চাচ্ছেন স্থানীয় মানুষ। গাজা সিটির একমাত্র সচল ফুটবল ক্লাব 'প্যালেস্টাইন স্পোর্টস ক্লাব'-এ সম্প্রতি মূল ফাইনালের আদলে ফিলিস্তিন ও স্পেনের মধ্যে একটি প্রতীকী প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। এই ম্যাচগুলো সম্পূর্ণ পেশাদার আবহে এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির ছোঁয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা গাজাবাসীর স্পেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি অসাধারণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।

ফিলিস্তিনিদের স্পেনের প্রতি এই ভালোবাসার মূল কারণ গত মে মাসে স্প্যানিশ সরকারের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া। এছাড়া, বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল ও সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলার মতো ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ ফিলিস্তিনিদের অনেক ভালোভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। গাজার পুরুষাঙ্গহীন ফুটবল দলের প্রধান কোচ হাতেম আল-মাগরিবি জানান, যুদ্ধাবস্থার মধ্যেও যারা তাদের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়েছেন, এই সমর্থন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।

তবে, স্পেনের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও আর্জেন্টিনার প্রতি গাজাবাসীদের কোনো শত্রুতা নেই। আর্জেন্টিনার বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের ইসরাইলপন্থী অবস্থান নিয়ে ফিলিস্তিনিদের মনে কিছুটা ক্ষোভ রয়েছে, কিন্তু ফুটবলীয় শক্তির বিচারে লিওনেল মেসির দলকে তারা সমীহ করেন। স্থানীয় ফুটবল ভক্তরা মনে করেন, আর্জেন্টিনা খুবই শক্তিশালী দল, তবুও শেষ পর্যন্ত স্পেনের জয় হবে। সব মিলিয়ে ধ্বংসস্তূপ ও মানবিক সংকটের মাঝেও গাজার বাতাসে এখন একটাই প্রার্থনা, বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটা যেন শেষ পর্যন্ত স্পেনের হাতে ওঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%